বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট এখন আর শুধু গ্যাস বা বিদ্যুৎ ঘাটতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের দৈনন্দিন জীবন, শিল্প উৎপাদন, কৃষি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের অভিঘাতে জ্বালানি সরবরাহ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ফিরে এসেছে, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বাসাবাড়ির রান্না থেকে শুরু করে সিএনজি পাম্প পর্যন্ত ভোগান্তি বেড়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্পে, সার কারখানা বন্ধ থাকায় কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ–গ্যাসের ঘাটতির প্রভাব পড়ছে চিকিৎসাসেবাতেও। অথচ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক এখনো গ্যাসনির্ভর। ফলে গ্যাস সরবরাহে সামান্য বড় ধরনের ধাক্কাও পুরো অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠছে—নিজেদের দেশে থাকা গ্যাসসম্পদ আমরা কতটা কাজে লাগাতে পেরেছি? গত এক দশকে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়েছে। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমার সঙ্গে সঙ্গে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশের মোট গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ দেশীয় উৎস থেকে এলেও বাকিটা আমদানি করা এলএনজি দিয়ে পূরণ করতে হয়। আমদানিকৃত এলএনজির বড় অংশ আবার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। ফলে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা কিংবা সরবরাহকারী দেশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়ে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি কয়েকটি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি ‘ফোর্স মেজর’-এর আওতায় পড়ায় স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। অর্থাৎ যে জ্বালানি দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি, তার সরবরাহের একটি বড় অংশই এখন বৈশ্বিক ভূরাজনীতির ওপর নির্ভরশীল।
এই নির্ভরতার বিপরীতে বাংলাদেশের সামনে থাকা দেশীয় সম্ভাবনাগুলোর একটি বড় উদাহরণ ভোলা। ভূতত্ত্ববিদেরা ভোলা ও আশপাশের অঞ্চলকে দেশের দ্বিতীয় সম্ভাবনাময় হাইড্রোকার্বন হাব হিসেবে বিবেচনা করেন। শাহবাজপুর, ভোলা নর্থ ও ইলিশার মতো এলাকায় গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। আশপাশের নোয়াখালীর সুন্দরপুর ও ফেনীতেও গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের আরও কিছু এলাকায়ও হাইড্রোকার্বন সম্ভাবনার ইঙ্গিত রয়েছে। অর্থাৎ ভোলা ও আশপাশের অঞ্চলকে শুধু একটি বিচ্ছিন্ন গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় অঞ্চল হতে পারে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, ভোলায় গ্যাস থাকার পরও সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার কার্যকর ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে করা হয়নি। ২০১৬-১৭ সালের পর দেশে গ্যাস উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমেছে। একই সময়ে গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও আবাসিক খাতে। এই ঘাটতি পূরণ করতে সরকারকে ক্রমেই এলএনজি আমদানির দিকে যেতে হয়েছে। অথচ ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা গেলে আমদানির ওপর চাপ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হতে পারত। ২০১৮ সালে ভোলা থেকে মূল ভূখণ্ডে গ্যাস আনার জন্য পাইপলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পটি আর বাস্তবায়িত হয়নি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে যে যুক্তি সামনে আনা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল অর্থনৈতিকভাবে এটি লাভজনক হবে কি না। প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি পাইপলাইন প্রকল্পের জন্য দীর্ঘদিন সিদ্ধান্ত ঝুলে ছিল। অথচ একই সময়ে এলএনজি আমদানিতে প্রতিবছর সরকারকে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদে একটি দেশীয় অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয়ের বিষয়ে সতর্কতা দেখানো হলেও দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতার জন্য আরও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। আরও দুঃখজনক হলো, যে পাইপলাইন একসময় প্রায় ৬০০ কোটি টাকায় নির্মাণ করা সম্ভব ছিল, এখন সেটি করতে ব্যয় হতে পারে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে দেশের জ্বালানি সংকটের মাত্রাও।
ভোলার তিনটি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বা টিসিএফ গ্যাসের মজুত থাকার কথা বলা হচ্ছে। বর্তমান বাজারমূল্যে এই গ্যাসের মূল্য কয়েক লাখ কোটি টাকা হতে পারে। অথচ সেখান থেকে দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে একদিকে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কিনছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরেই থাকা বিশাল সম্ভাবনার গ্যাস সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এই বৈপরীত্যই জ্বালানি নীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতাগুলোর একটি।
এখানেই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—কেন এমন হলো? ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার সিদ্ধান্ত বছরের পর বছর ঝুলে থাকার পেছনে কি কেবল অর্থনৈতিক হিসাব ছিল, নাকি নীতিগত অদক্ষতা, সিদ্ধান্তহীনতা কিংবা কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থও কাজ করেছে? নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কোনো পক্ষকে দায়ী করা যায় না। তবে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ারও সুযোগ নেই। কারণ একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা যখন আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর ক্রমেই নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, তখন নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ আটকে থাকার কারণ অবশ্যই স্বচ্ছভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।
জ্বালানি সংকটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর অর্থনৈতিক অভিঘাত। গ্যাসের সংকট মানে শুধু বাসায় চুলা জ্বলতে দেরি হওয়া নয়। গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যাপ্ত জ্বালানি না পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়। বিদ্যুৎ কমলে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। উৎপাদন কমলে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সার কারখানা বন্ধ থাকলে কৃষিতে সারের সরবরাহ কমে যেতে পারে। কৃষি উৎপাদন কমলে খাদ্যের দাম বাড়ে। অর্থাৎ একটি জ্বালানি সংকট ধাপে ধাপে পুরো অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি ও আয়হ্রাসের চাপ তৈরি করতে পারে।
এর আগেও বাংলাদেশ এমন পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা পেয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বাংলাদেশকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের চাপ সামলাতে হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হলেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, প্রকৃত আয় কমেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এখন মধ্যপ্রাচ্যের নতুন অস্থিরতা আবারও সেই পুরোনো দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। অর্থাৎ আগের সংকট থেকে যে শিক্ষা নেওয়ার কথা ছিল, তার বড় অংশই হয়তো বাস্তব নীতিতে প্রতিফলিত হয়নি।
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক মূল্যায়নও পরিস্থিতির ঝুঁকি স্পষ্ট করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ইউরিয়া সারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। কৃষির অন্যান্য উপকরণের সরবরাহে সমস্যা হলে ছোট ও প্রান্তিক কৃষকেরা একই সঙ্গে আয় ও খাদ্যনিরাপত্তার চাপের মুখে পড়বেন। চালের দাম মাত্র ১০ শতাংশ বাড়লেও নতুন করে বিপুলসংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কাও উঠে এসেছে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা আসলে খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
এই বাস্তবতায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানোর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন, ডিপ ড্রিলিং, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর আশপাশে নতুন অনুসন্ধান চালানো হলে দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত গ্যাস পাওয়া সম্ভব। এমনকি গ্যাস অনুসন্ধানে কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে কয়েক লাখ কোটি টাকার গ্যাসসম্পদ আহরণ করা সম্ভব হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের অতীত সাফল্যও দেখায় যে সীমিত সম্পদ ও জনবল নিয়েও দেশীয় অনুসন্ধানে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
বিশ্বের অনেক দেশে কয়েকটি কূপ খননের পর একটি কূপে গ্যাস পাওয়া গেলে সেটিকে সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশে অতীতে এর চেয়েও ভালো সাফল্যের নজির রয়েছে। তাই দেশের সম্ভাবনাময় গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে দ্রুত চিহ্নিত করে অনুসন্ধান বাড়ানো এবং উৎপাদন সক্ষমতা উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই। এর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎসকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ না করলে শুধু গ্যাসনির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে না।
তবে দেশীয় গ্যাস উত্তোলন বাড়ালেই সব সমস্যার সমাধান হবে—এমন ধারণাও বাস্তবসম্মত নয়। গ্যাস একটি সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ। তাই স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে দেশীয় গ্যাসের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, সঞ্চালন অবকাঠামো এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনার দিকে যেতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
ভোলার গ্যাসের বিষয়টি এই বৃহত্তর জ্বালানি নীতিরই একটি প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কয়েক লাখ কোটি টাকার সম্ভাব্য সম্পদ দেশের মাটির নিচে পড়ে আছে, অথচ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস আনার জন্য প্রয়োজনীয় পাইপলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত বছরের পর বছর ঝুলে আছে। একসময় যে প্রকল্পের ব্যয় ছিল প্রায় ৬০০ কোটি টাকা, এখন তার সম্ভাব্য ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে। এদিকে আমদানি করা এলএনজির জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং বৈশ্বিক সংকট দেখা দিলেই সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ছে।
বাংলাদেশের সামনে তাই এখন শুধু একটি প্রশ্ন নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তের প্রয়োজন। আমরা কি বারবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি কিনে সংকট সামাল দেব, নাকি নিজেদের সম্পদ অনুসন্ধান ও ব্যবহারের সক্ষমতা গড়ে তুলব? ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার ক্ষেত্রে দ্রুত, স্বচ্ছ ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া সেই বৃহত্তর পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য সম্ভাবনাময় গ্যাসক্ষেত্র, সমুদ্রাঞ্চল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে একটি সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে।
কারণ জ্বালানি নিরাপত্তা কোনো সরকারের মেয়াদে সীমাবদ্ধ বিষয় নয়। একটি পাইপলাইন আজ নির্মাণ করলে তার সুফল বহু বছর পাওয়া যায়। আবার আজকের সিদ্ধান্তহীনতার মূল্যও বহু বছর ধরে জনগণকে দিতে হতে পারে। ভোলার গ্যাসের ক্ষেত্রে সময় ইতিমধ্যে অনেক চলে গেছে। এখন আর প্রশ্নটি শুধু ৬০০ কোটি টাকার পাইপলাইন নির্মাণ হবে কি না—প্রশ্নটি হলো, বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ কি আমদানিনির্ভর অনিশ্চয়তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে, নাকি নিজেদের সম্পদ ও সক্ষমতার ওপর একটি নিরাপদ ভিত্তি তৈরি করবে। বর্তমান সংকট সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্পষ্ট করে দিয়েছে।
আপনার মতামত জানানঃ