ঢাকা—স্বপ্ন, সম্ভাবনা আর ব্যস্ততার শহর। প্রতিদিন লাখো মানুষ জীবিকার সন্ধানে এই নগরীতে আসে। কেউ আসে স্বপ্ন পূরণের আশায়, কেউ আসে বেঁচে থাকার তাগিদে। ব্যস্ত সড়ক, ফুটপাত, রেললাইন, পার্ক, নদী কিংবা খালের পাশে প্রতিদিনই চলতে থাকে জীবনের নানা গল্প। কিন্তু সেই জীবনের ভিড়েই কখনো কখনো হারিয়ে যায় কিছু মানুষ। তাদের মৃত্যু হয়, অথচ মৃত্যুর পরও তাদের পরিচয় মেলে না। স্বজনেরা জানতে পারেন না প্রিয়জনের শেষ পরিণতি। কোনো পরিবার অপেক্ষায় থাকে, কেউ নিখোঁজের খবর দেয়, আবার কেউ হয়তো জানেই না—তার আপনজন আর পৃথিবীতে নেই।
রাজধানী ঢাকার এমনই এক নির্মম বাস্তবতার চিত্র উঠে এসেছে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্যে। সংস্থাটির হিসাবে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া ৪০০ বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। অর্থাৎ মাসে গড়ে ৫০টি মরদেহ। প্রতিদিনের হিসাবে সংখ্যাটি একের বেশি। তবে এই হিসাব শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে ৪০০টি অসমাপ্ত জীবন, ৪০০টি অজানা পরিচয় এবং অসংখ্য অনুচ্চারিত মানবিক গল্প।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ৩০টি, ফেব্রুয়ারিতে ৫৯টি, মার্চে ৫২টি, এপ্রিলে ৪৬টি, মে মাসে ৫৬টি, জুনে ৬৭টি, জুলাইয়ে ৪২টি এবং আগস্টে ৪৮টি মরদেহ দাফন ও সৎকার করা হয়েছে। এর মধ্যে জুরাইন কবরস্থানে ৭৪টি এবং মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানে ৩২৫টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে। একটি মরদেহ সৎকার করা হয়েছে পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে।
সংস্থাটির এই তথ্য রাজধানীর সামাজিক বাস্তবতার একটি গভীর ও উদ্বেগজনক দিক সামনে নিয়ে এসেছে। ঢাকার মতো জনবহুল শহরে যেখানে প্রতিদিন মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে, সেখানে মৃত্যুর পরও পরিচয়হীন থেকে যাওয়া মানুষের সংখ্যা আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা, পারিবারিক বন্ধন, নগর ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক দায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করে। তবে এই সংখ্যার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তাঁর মতে, এত বেশি সংখ্যক মরদেহ বেওয়ারিশ হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর বিস্তারিত জানা নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন। ফলে প্রকৃত সংখ্যা, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং বিভিন্ন সংস্থার হিসাবের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে।
এর আগে ২০২৪ সালে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম ৫৭০টি এবং ২০২৫ সালে ৬৪৩টি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছিল। এই পরিসংখ্যান দেখায়, বেওয়ারিশ মরদেহের বিষয়টি কোনো বিচ্ছিন্ন বা সাময়িক ঘটনা নয়। বরং রাজধানীর দীর্ঘদিনের একটি মানবিক সংকট। প্রতি বছর শত শত মানুষ পরিচয়হীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করছেন এবং তাদের শেষ ঠিকানা হচ্ছে কবরস্থান বা শ্মশান। তাদের অনেকের জন্য কোনো শোকসভা হয় না, কেউ শেষবারের মতো মুখ দেখে বিদায় জানাতে পারে না, এমনকি তাদের মৃত্যুর খবরও পৌঁছায় না স্বজনদের কাছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ সূত্র বলছে, রাজধানীর সড়ক, রেললাইন, ফুটপাত, পার্ক, নদী, খাল ও ঝিলসহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় প্রতিদিন অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসব মরদেহের সবাই হত্যার শিকার নন। সড়ক দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে মৃত্যু, অসুস্থতা কিংবা নানা দুর্ঘটনায়ও অনেকে প্রাণ হারান। তাদের বড় একটি অংশ ভবঘুরে, মানসিক ভারসাম্যহীন, গৃহহীন অথবা দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। অনেকের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন কিংবা অন্য কোনো পরিচয়পত্র থাকে না। ফলে মৃত্যুর পর তাদের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
একজন মানুষের পরিচয় শুধু একটি নাম বা একটি নম্বর নয়। পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাঁর পরিবার, শেকড়, স্মৃতি, সম্পর্ক ও সামাজিক অস্তিত্ব। কিন্তু রাস্তায় পড়ে থাকা একজন গৃহহীন মানুষের মৃত্যুর পর সেই পরিচয়ই সবচেয়ে বড় অনুপস্থিতিতে পরিণত হয়। জীবিত অবস্থায় যে মানুষটি সমাজের প্রান্তে ছিলেন, মৃত্যুর পরও তিনি যেন রাষ্ট্র ও সমাজের মূল স্রোতের বাইরে থেকে যান। তাঁর জন্য অপেক্ষা করে না কোনো পরিবার, তাঁর মৃত্যুর খবর জানাতে থাকে না কোনো ফোন, তাঁর দাফনে উপস্থিত হয় না কোনো স্বজন।
তবে সব অজ্ঞাতনামা মরদেহ যে স্বাভাবিক মৃত্যু বা দুর্ঘটনার শিকার, তা নয়। হত্যার পর মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড, বিকৃত বা গুম করে ফেলার ঘটনাও রয়েছে। এতে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পরিচয় শনাক্ত করা এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন—দুটিই কঠিন হয়ে পড়ে। সম্প্রতি আদাবরের একটি খাল থেকে ব্যাগ ও বস্তায় ছয় টুকরা অবস্থায় এক তরুণীর অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় আঙুলের ছাপও নষ্ট হয়ে যায়। প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য আতঙ্কের। কারণ পরিচয়হীন মরদেহের আড়ালে কোনো অপরাধ লুকিয়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। একজন মানুষের পরিচয় শনাক্ত না হলে তাঁর হত্যার বিচারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অপরাধীরা যদি মনে করে মরদেহের পরিচয় মুছে ফেললেই অপরাধের প্রমাণও মুছে যাবে, তাহলে তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বিপজ্জনক বার্তা তৈরি করে। মানবাধিকারকর্মী নুর খান লিটনের বক্তব্যেও এই উদ্বেগ ফুটে উঠেছে। তাঁর মতে, ঢাকায় বেওয়ারিশ মরদেহের বড় একটি অংশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে পারে। এসব হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও বিচার কম হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হয়।
অজ্ঞাতনামা মরদেহ শনাক্তে প্রযুক্তির ব্যবহার এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ডিএনএ পরীক্ষা, মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য একত্র করে পরিচয় শনাক্তের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এসব ব্যবস্থার ব্যবহার কতটা দ্রুত ও সমন্বিতভাবে হচ্ছে, সেটিই বড় প্রশ্ন। অর্ধগলিত মরদেহের ক্ষেত্রে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হলেও পরে সেই নমুনা নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে প্রযুক্তির সুফল পাওয়া কঠিন।
ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলে পুলিশ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে চেষ্টা করে। কিন্তু রাজধানীর বিপুল জনসংখ্যা, প্রতিদিনের অপরাধ, দুর্ঘটনা ও নিখোঁজের ঘটনার তুলনায় এই প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অনেক পরিবার হয়তো থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করে, কিন্তু সেই তথ্য সবসময় অজ্ঞাতনামা মরদেহের তথ্যের সঙ্গে দ্রুত মিলিয়ে দেখা হয় না। আবার অনেক গৃহহীন বা ভবঘুরে মানুষের নিখোঁজ হওয়ার খবর পরিবার বা পরিচিত কেউ জানায় না। ফলে তাদের পরিচয় শনাক্তের সম্ভাবনাও কমে যায়।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম জানিয়েছে, পুলিশের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয় না। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ মরদেহ হস্তান্তর করলে সংস্থাটি দাফন বা সৎকারের ব্যবস্থা করে। এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখানেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। মরদেহ দাফনের পরও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। কারণ কোনো মানুষকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা মানেই তাঁর পরিচয় আর কখনো জানা যাবে না—এমন নয়। ডিএনএ নমুনা, ছবি, পোশাক, শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করা থাকলে পরবর্তী সময়ে পরিচয় শনাক্ত হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেস গড়ে তোলা জরুরি, যেখানে দেশের সব থানায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য এবং অজ্ঞাতনামা মরদেহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। হাসপাতাল, মর্গ, পুলিশ, সিটি করপোরেশন, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং মানবিক সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে। একই সঙ্গে বেওয়ারিশ মরদেহের ছবি ও পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় তথ্য আইনগত ও মানবিক সীমার মধ্যে প্রকাশের বিষয়েও নীতিমালা করা যেতে পারে। এতে কোনো পরিবার তাদের নিখোঁজ স্বজনকে শনাক্ত করার সুযোগ পাবে।
ঢাকায় বেওয়ারিশ মরদেহের পেছনে নগর দারিদ্র্য, গৃহহীনতা, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট, মাদকাসক্তি, পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা এবং সামাজিক অবহেলার মতো বিষয়গুলোও জড়িত। শহরের ফুটপাত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল কিংবা পার্কে বসবাসকারী মানুষের অনেকেরই স্থায়ী ঠিকানা নেই। অসুস্থ হলে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ কম, দুর্ঘটনার শিকার হলে পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ থাকে না। মৃত্যুর পর তাঁদের পরিচয় জানার মতো কোনো নথিও অনেক সময় পাওয়া যায় না।
মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংকট দেখা যায়। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান। কেউ হয়তো নিজের নাম বা ঠিকানা বলতে পারেন না। তাদের ছবি ও তথ্য নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করে পরিবার খোঁজার ব্যবস্থা করা গেলে অনেক মানুষকে মৃত্যুর আগে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব। একইভাবে গৃহহীন ও ভবঘুরে মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচয়পত্র তৈরি এবং সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা বাড়াতে হবে।
বেওয়ারিশ মরদেহের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও একটি বিষয় স্পষ্ট—ঢাকায় পরিচয়হীন মৃত্যুর ঘটনা উপেক্ষা করার মতো নয়। এখানে শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, প্রতিটি মরদেহের পেছনে থাকা সম্ভাব্য অপরাধ, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও মানবিক বঞ্চনাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একটি মরদেহকে দ্রুত দাফন করে দায়িত্ব শেষ করার বদলে তার পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং সম্ভাব্য স্বজনদের খোঁজার প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু জীবিত নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নয়; মৃত্যুর পরও প্রত্যেক মানুষের মর্যাদা রক্ষা করা। একজন মানুষের পরিচয় হারিয়ে গেলে তাঁর মর্যাদাও যেন হারিয়ে না যায়। ধর্ম, বর্ণ, পরিচয়, পেশা বা সামাজিক অবস্থান—কোনো কিছুই মৃত্যুর পর মানবিক অধিকারের ক্ষেত্রে বৈষম্যের কারণ হতে পারে না। বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকারের পাশাপাশি পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা, অপরাধ তদন্ত এবং পরিবারের কাছে সত্য পৌঁছে দেওয়াও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ।
ঢাকার ব্যস্ততার ভিড়ে প্রতিদিন হয়তো কোনো অজ্ঞাতনামা মরদেহ পড়ে থাকে। মানুষ পাশ কাটিয়ে যায়, যানবাহন চলে, শহর তার স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যায়। কিন্তু সেই মরদেহের পাশে থেমে থাকা উচিত আমাদের বিবেকের। কারণ আজ যে মানুষটি পরিচয়হীন, কাল সে মানুষটি আমাদের পরিবারের কেউও হতে পারে। একটি নাম, একটি ঠিকানা, একটি পরিবার—এসব হারিয়ে গেলে মানুষ শুধু অজ্ঞাতনামা হয় না, সমাজের মানবিকতারও পরীক্ষা হয়।
ঢাকায় আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকারের তথ্য তাই কেবল একটি সংবাদ নয়; এটি আমাদের নগরজীবনের অন্ধকার বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। এই বাস্তবতা বদলাতে হলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর পরিচয় শনাক্তকরণ, দ্রুত তদন্ত, মানসিক ভারসাম্যহীন ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে থাকা মানুষটিকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না হলেও তাঁর পরিচয়, মর্যাদা ও মৃত্যুর সত্যটুকু ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব। আর সেই দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই কোনো সভ্য সমাজের।
আপনার মতামত জানানঃ