…
এডিটর পিক
নির্বাচনের প্রতি আস্থা মানে শুধু ভোটের দিন কেন্দ্রে যাওয়া নয়। আস্থা মানে ভোটার বিশ্বাস করবেন,…
Trending Posts
-
ক্ষমতার মসনদে বিএনপি, জলে আওয়ামী লীগ, ডাঙায় জামায়াত!
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ কোনটি? হাজার বছরের ইতিহাস ও অজানা তথ্য
অক্টোবর ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেরুকরণ থেকে উন্নয়নের কথা: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী ভাষা কেন বদলাচ্ছে?
অক্টোবর ৪, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
Trending Posts
-
ক্ষমতার মসনদে বিএনপি, জলে আওয়ামী লীগ, ডাঙায় জামায়াত!
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থ কোনটি? হাজার বছরের ইতিহাস ও অজানা তথ্য
অক্টোবর ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেরুকরণ থেকে উন্নয়নের কথা: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী ভাষা কেন বদলাচ্ছে?
অক্টোবর ৪, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
- জীবনের সব অভিজ্ঞতা কি কাজে লাগতেই হবে?
- মানুষকে কখনো শুধু উপায় নয়: কান্টের দর্শনে জ্ঞান, স্বাধীনতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন
- আফগানিস্তানে যুদ্ধের ২৫ বছর: সামরিক জয় কেন রাষ্ট্র গড়তে পারে না?
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলেই কি নির্বাচনে আস্থা ফিরবে?
- ক্যাম্পাসে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্ন করার জায়গা কতটা নিরাপদ?
- জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থান: ক্ষোভের ভোট কীভাবে ক্ষমতার দরজা খুলছে?
- মোদির গোদি উল্টাবে জ্ঞানেশ: কে? কেন? কীভাবে?
- ভাষা না থাকলে আমরা কীভাবে ভাবতাম?
Author: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ অক্টোবর ২০২৬, জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্য পার্লামেন্ট। গোপন ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হলেন কট্টর ডানপন্থী অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা AfD-এর টোবিয়াস রাউশ। ৮২টি বৈধ ভোটের মধ্যে তিনি পেলেন ৪৮টি; বিপক্ষে পড়ল ২৯টি, বিরত থাকলেন পাঁচজন। পার্লামেন্টের নিজস্ব প্রকাশনা এই ফল নিশ্চিত করেছে। এএফপি ঘটনাটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির কোনো রাজ্য পার্লামেন্টে কট্টর ডানপন্থী দলের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার প্রথম ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই নির্বাচন দিয়ে জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে, তা বলা যাবে না। স্পিকার পার্লামেন্টের নেতৃত্ব দেন; তিনি রাজ্য সরকারের প্রধান নন। কিন্তু ঘটনাটিকে শুধু একটি পদে নিয়োগ হিসেবেও দেখা যায় না। দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখার চেষ্টা করা…
ছয় মাস আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করেননি। তাঁর ভাষায় এটি ছিল দ্রুত, সীমিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক অভিযান। উদ্দেশ্য—ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া, দেশটির নেতৃত্বকে আলোচনায় বাধ্য করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু ছয় মাস পর যুদ্ধের চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরানের সামরিক স্থাপনা ও তেল পরিবহনব্যবস্থা আক্রান্ত হয়েছে, দেশটির অর্থনীতির ওপর চাপও বেড়েছে। কিন্তু সরকার ভেঙে পড়েনি, সামরিক প্রতিরোধ শেষ হয়নি এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে আত্মসমর্পণও করেনি। জুনে যুদ্ধবিরতি ও একটি সমঝোতা স্মারকের পর সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমলেও সেই ব্যবস্থা স্থায়ী হয়নি। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে…
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বহু বছর ধরে একটি বাক্য প্রায় নীতিবাক্যের মতো ব্যবহৃত হয়েছে—সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। বাস্তবে এই নীতির অর্থ কখনো পুরোপুরি নিরপেক্ষ থাকা নয়; বরং পরস্পরবিরোধী শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে নিজের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা। সেই ভারসাম্যের সামনে এবার একটি নতুন পরীক্ষা এসেছে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ৭ আগস্ট মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। চুক্তিটির মূল ঘোষণা হলো, তিন সদস্যের কোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে সেটিকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর মতো যৌথ প্রতিরক্ষার ধারণার ওপর এটি নির্মিত হলেও কোন পরিস্থিতিতে সদস্যদের কী ধরনের সামরিক…
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরান যে শর্তগুলো সামনে এনেছে, সেগুলো শুধু একটি সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের প্রশ্ন নয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মার্কিন নৌ অবরোধের অবসান, জব্দ করা সম্পদ ফেরত, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার দাবি—সব মিলিয়ে তেহরান হরমুজ সংকটকে বৃহত্তর আঞ্চলিক ক্ষমতার লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এ কারণে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি নৌপথ-সংক্রান্ত সমঝোতা হলেই সংকট শেষ হয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা এখন আর বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে না। বরং প্রশ্নটি দাঁড়িয়েছে: হরমুজ কি আবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত একটি জলপথ হবে, নাকি এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইরান নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে? একটি পথ, কিন্তু…
রাশিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ভারতীয় রুপিতে নিষ্পত্তির যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, সেটিকে শুধু একটি বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনের উদ্যোগ হিসেবে দেখলে এর তাৎপর্য পুরোপুরি বোঝা যাবে না। এটি একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে অর্থপ্রবাহ সচল রাখা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ পরিশোধের পথ তৈরি করা, ভারতীয় রুপির আন্তর্জাতিক ব্যবহার বাড়ানো এবং দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন ত্রিপক্ষীয় আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলার সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত। তবে শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—এটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মস্কো ভারতীয় রুপিতে লেনদেনের পাশাপাশি একটি বিশেষায়িত দ্বিপক্ষীয় পেমেন্ট অবকাঠামো এবং ঢাকায় রুশ ব্যাংকের শাখা খোলার প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে; ভারতও…
গত ৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ঘটেছে দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে গেছে, ৪৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট পেয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে (৪০ দশমিক ৮০ শতাংশ ভোট) পেছনে ফেলে। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যে এই পটপরিবর্তন কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই ঢাকার জন্য নতুন হিসাব-নিকাশের জন্ম দিচ্ছে। সীমান্তে নতুন সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার “অনুপ্রবেশ” ইস্যু সামনে এনেছেন। বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও অভিবাসন প্রশ্নে কড়াকড়ি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সবচেয়ে…
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ পথে প্রবেশ ও স্থায়ী বসবাসের প্রক্রিয়া—ভিসা থেকে গ্রীনকার্ড পর্যন্ত—গত এক বছরে ধারাবাহিকভাবে কঠোর হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক নির্বাহী আদেশ, প্রেসিডেন্সিয়াল প্রক্লেমেশন এবং প্রশাসনিক নীতিমালা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক জটিল কাঠামো, যা লাখো আবেদনকারীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। প্রশ্ন হলো—এই পরিবর্তনগুলো ঠিক কী, আর দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এর তাৎপর্য কতটা গভীর? ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিস্তৃত তালিকা এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ১৯টি দেশের ওপর প্রাথমিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর, গত ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নতুন প্রক্লেমেশনের মাধ্যমে সেই তালিকা বাড়িয়ে ৩৯টি দেশে নিয়ে যান, যা কার্যকর হয় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি…
গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ওমানের লিমাহ উপকূল থেকে প্রায় ৮ নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি ট্যাংকার অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে আগুন ধরে যায়, যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা বা পরিবেশগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। একই দিনে দ্বিতীয় আরেকটি জাহাজও কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি অভিযোগ করেছেন, কাতারের পতাকাবাহী ট্যাংকার “আল রেকায়াত”-এ হামলা চালানো হয়েছে, যাকে তিনি আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছেন এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন।…
আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে বলা হয়েছে, রাশিয়াকে গোপনে সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত বছর রুশ বাহিনীর জন্য একটি গোপন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ব্যক্তিগতভাবে অনুমোদন করেছিলেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলৌসভ। এই কর্মসূচিতে অন্তত চারজন রুশ ও চীনা জেনারেল সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে ইউরোপীয় দুই কর্মকর্তার বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের বিবরণ রয়টার্সের দেখা একটি গোপন রুশ নথি ও ইউরোপীয় গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেইজিংয়ের একটি সামরিক স্থাপনায় তেজস্ক্রিয়, রাসায়নিক ও জৈবিক সুরক্ষা (NBC) বিষয়ে তিন সপ্তাহব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ২০০ রুশ সেনা অংশ নেয়, যাদের মধ্যে কেউ কেউ…
তিন বছর ধরে ইউক্রেন এমন পরিস্থিতি সহ্য করে আসছে, যা একসময় ছিল অকল্পনীয়। দেশটির রাজধানীতে আকাশ ও স্থল হামলা, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ; ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, গ্লাইড বোমা হামলা ও বিচারবহির্ভূত হত্যা— এমন কোনো ঘটনা নেই যা ঘটেনি। কিন্তু এখন কিয়েভ একেবারেই অপ্রত্যাশিত এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেটির উৎস আবার ইউক্রেনের মিত্র বলে পরিচিতি পশ্চিমা বিশ্ব। আরও স্পষ্ট করে বললে, যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে এসেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক গড়ার নগ্ন প্রয়াস সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলেছে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে। তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বহু প্রতীক্ষিত সৌদি আরব সফর স্থগিত করেছেন জেলেনস্কি। কারণ কিয়েভের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য সংলাপে ‘ঘটনাচক্রে’…