…
এডিটর পিক
মিয়ানমার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে থাকা তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে…
Trending Posts
-
স্বীকৃতি মিলল, নিরাপত্তা নয়: ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কি সত্যিই সম্ভব?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
১৫ আগস্ট কার ইতিহাস: শোক, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় স্মৃতির অর্ধশত বছর
আগস্ট ১৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশ কি চীনা পণ্যের ট্রানজিট রুট? মার্কিন অভিযোগে রপ্তানি খাতের নতুন ঝুঁকি
আগস্ট ১৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
স্বীকৃতি মিলল, নিরাপত্তা নয়: ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কি সত্যিই সম্ভব?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
১৫ আগস্ট কার ইতিহাস: শোক, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় স্মৃতির অর্ধশত বছর
আগস্ট ১৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশ কি চীনা পণ্যের ট্রানজিট রুট? মার্কিন অভিযোগে রপ্তানি খাতের নতুন ঝুঁকি
আগস্ট ১৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- ইরান যুদ্ধে পাঠানো মার্কিন রণতরির ৫ হাজার সেনা আত্মহত্যা করতে চাইছে?
- শরণার্থী না অনুপ্রবেশকারী—বাংলাদেশ নিয়ে বিজেপির রাজনীতি?
- রাজস্বে ঘাটতি, ঋণে রাষ্ট্র: সরকারি ব্যয়ের বোঝা কি নতুন টাকার ওপর?
- সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রবেশে বাধা: বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা কি সংকুচিত হচ্ছে?
- বাংলাদেশ কি চীনা পণ্যের ট্রানজিট রুট? মার্কিন অভিযোগে রপ্তানি খাতের নতুন ঝুঁকি
- স্বীকৃতি মিলল, নিরাপত্তা নয়: ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কি সত্যিই সম্ভব?
- ১০৯ বছর পর ব্রিটিশ সরকারের কাছে ধার দেওয়া টাকা ফেরত চাইছে ভারতীয় পরিবার
- ১৫ আগস্ট কার ইতিহাস: শোক, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় স্মৃতির অর্ধশত বছর
Author: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে ইরান যে শর্তগুলো সামনে এনেছে, সেগুলো শুধু একটি সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের প্রশ্ন নয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মার্কিন নৌ অবরোধের অবসান, জব্দ করা সম্পদ ফেরত, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার দাবি—সব মিলিয়ে তেহরান হরমুজ সংকটকে বৃহত্তর আঞ্চলিক ক্ষমতার লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এ কারণে ইরান ও ওমানের মধ্যে একটি নৌপথ-সংক্রান্ত সমঝোতা হলেই সংকট শেষ হয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা এখন আর বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে না। বরং প্রশ্নটি দাঁড়িয়েছে: হরমুজ কি আবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত একটি জলপথ হবে, নাকি এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইরান নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে? একটি পথ, কিন্তু…
রাশিয়া ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ভারতীয় রুপিতে নিষ্পত্তির যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, সেটিকে শুধু একটি বিকল্প মুদ্রায় লেনদেনের উদ্যোগ হিসেবে দেখলে এর তাৎপর্য পুরোপুরি বোঝা যাবে না। এটি একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে অর্থপ্রবাহ সচল রাখা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণ পরিশোধের পথ তৈরি করা, ভারতীয় রুপির আন্তর্জাতিক ব্যবহার বাড়ানো এবং দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন ত্রিপক্ষীয় আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলার সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত। তবে শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—এটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মস্কো ভারতীয় রুপিতে লেনদেনের পাশাপাশি একটি বিশেষায়িত দ্বিপক্ষীয় পেমেন্ট অবকাঠামো এবং ঢাকায় রুশ ব্যাংকের শাখা খোলার প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে; ভারতও…
গত ৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ঘটেছে দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে গেছে, ৪৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট পেয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে (৪০ দশমিক ৮০ শতাংশ ভোট) পেছনে ফেলে। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যে এই পটপরিবর্তন কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই ঢাকার জন্য নতুন হিসাব-নিকাশের জন্ম দিচ্ছে। সীমান্তে নতুন সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বারবার “অনুপ্রবেশ” ইস্যু সামনে এনেছেন। বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও অভিবাসন প্রশ্নে কড়াকড়ি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সবচেয়ে…
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ পথে প্রবেশ ও স্থায়ী বসবাসের প্রক্রিয়া—ভিসা থেকে গ্রীনকার্ড পর্যন্ত—গত এক বছরে ধারাবাহিকভাবে কঠোর হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক নির্বাহী আদেশ, প্রেসিডেন্সিয়াল প্রক্লেমেশন এবং প্রশাসনিক নীতিমালা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক জটিল কাঠামো, যা লাখো আবেদনকারীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। প্রশ্ন হলো—এই পরিবর্তনগুলো ঠিক কী, আর দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য এর তাৎপর্য কতটা গভীর? ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিস্তৃত তালিকা এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে ১৯টি দেশের ওপর প্রাথমিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর, গত ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নতুন প্রক্লেমেশনের মাধ্যমে সেই তালিকা বাড়িয়ে ৩৯টি দেশে নিয়ে যান, যা কার্যকর হয় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি…
গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ওমানের লিমাহ উপকূল থেকে প্রায় ৮ নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি ট্যাংকার অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে আগুন ধরে যায়, যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা বা পরিবেশগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। একই দিনে দ্বিতীয় আরেকটি জাহাজও কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি অভিযোগ করেছেন, কাতারের পতাকাবাহী ট্যাংকার “আল রেকায়াত”-এ হামলা চালানো হয়েছে, যাকে তিনি আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছেন এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন।…
আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে বলা হয়েছে, রাশিয়াকে গোপনে সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত বছর রুশ বাহিনীর জন্য একটি গোপন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ব্যক্তিগতভাবে অনুমোদন করেছিলেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলৌসভ। এই কর্মসূচিতে অন্তত চারজন রুশ ও চীনা জেনারেল সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে ইউরোপীয় দুই কর্মকর্তার বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের বিবরণ রয়টার্সের দেখা একটি গোপন রুশ নথি ও ইউরোপীয় গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেইজিংয়ের একটি সামরিক স্থাপনায় তেজস্ক্রিয়, রাসায়নিক ও জৈবিক সুরক্ষা (NBC) বিষয়ে তিন সপ্তাহব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ২০০ রুশ সেনা অংশ নেয়, যাদের মধ্যে কেউ কেউ…
তিন বছর ধরে ইউক্রেন এমন পরিস্থিতি সহ্য করে আসছে, যা একসময় ছিল অকল্পনীয়। দেশটির রাজধানীতে আকাশ ও স্থল হামলা, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ; ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, গ্লাইড বোমা হামলা ও বিচারবহির্ভূত হত্যা— এমন কোনো ঘটনা নেই যা ঘটেনি। কিন্তু এখন কিয়েভ একেবারেই অপ্রত্যাশিত এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, যেটির উৎস আবার ইউক্রেনের মিত্র বলে পরিচিতি পশ্চিমা বিশ্ব। আরও স্পষ্ট করে বললে, যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে এসেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক গড়ার নগ্ন প্রয়াস সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলেছে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে। তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বহু প্রতীক্ষিত সৌদি আরব সফর স্থগিত করেছেন জেলেনস্কি। কারণ কিয়েভের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য সংলাপে ‘ঘটনাচক্রে’…
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন এগিয়ে আছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজের সেন্টার ফর ফিউচার অব ডেমোক্রেসির এক সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর ৬২ শতাংশ মানুষই চীনকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে বিশ্বে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইতিবাচক সমর্থন দিয়েছে ৬১ শতাংশ মানুষ। খবর নিউজউইকের। দুই দেশের মধ্যে ভোটের পার্থক্য মাত্র এক শতাংশ। তবে এই ক্ষুদ্র পার্থক্যকে সামান্য ভাবতে নারাজ বিশ্লেষকরা। বরং বিষয়টিকে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বে বাড়তে থাকা মেরুকরণের দিকেই ইঙ্গিত করছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রয়েছে পশ্চিমা গণতন্ত্র। এই ভাবধারায় চীন ও রাশিয়াকে বরাবরই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।…
ধর্ষণের প্রমাণ পেতে দুই আঙুলের পরীক্ষা বা টু ফিঙ্গার টেস্ট অবৈজ্ঞানিক তো বটেই, পাশাপাশিই সমাজের পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় দেয় বলে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একইসাথে এ ব্যাপারে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে। সোমবার এ-সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। বছর দশেক আগে ভারতে ধর্ষণের পরীক্ষা হিসেবে টু ফিঙ্গার টেস্ট নিষিদ্ধ করা হয়। এর পরও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্ষণের প্রমাণ পেতে এই ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। এরই প্রেক্ষাপটে এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধর্ষণের শিকার নারীর টু ফিঙ্গার টেস্ট করানোর…
আফগান নারী ও মেয়েদের উপর তালিবানের দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। কারণ তালিবানের একজন প্রহরী ছাত্রীদের বোরকা না পরার কারণে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে। গতকাল রোববার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের বাদাখশান বিশ্ববিদ্যালয়ে। খামা প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগান মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছিল। কারণ শিক্ষার্থীরা তালিবানদের পছন্দের পোশাকের নিয়ম মানেনি। নারীদের চলাফেরা, বাক, মতপ্রকাশ, কাজের সুযোগ এবং পোশাকের স্বাধীনতার ওপর তালিবানের সীমাবদ্ধতা শুধু এখানেই শেষ নয়। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এই দলটি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে মেয়েদের স্কুলে যেতেও বাধা দিয়েছে। খামা প্রেস বাদাখশান বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নকিবুল্লাহ কাজীজাদাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, সন্ত্রাসী সংগঠনের সহিংসতা এবং ছাত্রীদের প্রতি বেআইনি…