…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত আইনে কোনো কনটেন্টকে…
Trending Posts
-
স্পিনোজার স্বাধীনতা: নিজের ইচ্ছার কারণ না জানলে আমরা কতটা স্বাধীন?
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, পরকীয়া: নেপোলিয়নের ব্যক্তি জীবন
অক্টোবর ৩০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
স্পিনোজার স্বাধীনতা: নিজের ইচ্ছার কারণ না জানলে আমরা কতটা স্বাধীন?
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, পরকীয়া: নেপোলিয়নের ব্যক্তি জীবন
অক্টোবর ৩০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments
- দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে?
- গণিতের ইতিহাস: মানুষের সভ্যতা গড়ার এক অনন্য ভাষা
- বিবর্তনের ফলে মানুষ কি ধীরে ধীরে বুদ্ধিহীন হয়ে যাচ্ছে?
- হাসিনাকে নীরব রাখতে পারছে না ভারত, নেপথ্যে কি মোদির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি?
- সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থী মানেই সন্দেহভাজন? নিরাপত্তার নামে নাগরিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার প্রশ্ন
- শ্রমিক আন্দোলনের দায় আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপাচ্ছে সরকার?
- লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
- ফেসবুকে কী লিখবেন, ঠিক করবে সরকার?
Author: নিজস্ব প্রতিবেদক
অনেক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠনের পর অনেকেই মনে করেছিলেন যে নতুন কমিশন এমন কিছু সাহসী উদ্যোগ নেবে, যাতে কমিশন ও আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর বিরাজমান আস্থার সংকট কাটবে। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার ব্যাপারে জনমনে আশাবাদ সৃষ্টি হবে। আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কিছু বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন সে আশাবাদ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আউয়াল কমিশন যেন পুরোনো পথেই হাঁটছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান কমিশন যে কটি দৃশ্যমান কাজ করেছে, তার প্রায় সব কটিই ছিল গতানুগতিক, ছকবাঁধা। কমিশনের প্রথম উদ্যোগ ছিল কয়েকটি সংলাপের আয়োজন করা। সমাজের…
ভারতে আটক হওয়ার পর প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) নাম নতুন করে আলোচনায় চলে এসেছে। একই সঙ্গে জোরেশোরে প্রশ্ন উঠেছে, জালিয়াতি করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের হোতা পি কে হালদারের পেছনে কারা। বলা হচ্ছে, পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলে তার পেছনের রাঘববোয়ালদের সন্ধান মিলবে। ২০১৯ সাল থেকে পি কে হালদারের অর্থ কেলেঙ্কারি অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ‘শুরুতেই এই তদন্ত থামানোর জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এস কে সুর ও নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম।’ অন্যদিকে পি কে হালদার-সংশ্লিষ্ট তদন্তে আটক…
ট্রাম্প যুগের অবসান ঘটিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হলে গদিতে বেশ নড়েচড়ে বসেছিল বাংলাদেশ সরকার। ক্ষমতাসীন সরকার দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নিজের অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা লুকোতে চীন, ভারত আর আফগানিস্তানের আগুনের তলে বসে নিজের গা গরম করছিল গণমাধ্যমে। পোশাক খাতে আমেরিকার বাজারে শক্ত অবস্থানকে সামনে রেখে দেশটির সাথে সম্পর্কের উন্নয়নের দাবি জানিয়ে আসছিল আওয়ামীলীগ সরকার। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে ডাক না পাওয়ার ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে র্যাবের কর্মকর্তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা, এরপর সাবেক সেনাপ্রধানকে দেশটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা বিশ্বে আওয়ামীলীগের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের অধঃপতন অনেকটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সূত্র…
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়াহ মাদ্রাসা’য় ট্রেনিং সেন্টার করতে চেয়েছিল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘আরসা’। একইসঙ্গে ওই গ্রুপটিতে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যোগ দেওয়ারও চাপ ছিল সন্ত্রাসীদের। সূত্র মতে, প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকিতে আতংকে ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এমনটি অভিযোগ করছেন সন্ত্রাসীদের হাতে নিহতের স্বজন ও সাধারণ রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন সূত্র জানায়, রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যার পর ক্যাম্প জুড়ে বিরাজ করছে অস্থিরতা। কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ রাত হলেই ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এতে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। সূত্র মতে, রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন না থাকায় সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়ে যায় বলে…
সম্প্রতি পূজা মণ্ডপে কোরআন অবমাননাকে ঘিরে ঘটে গেল নারকীয় ঘটনা। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর কয়েকদিন ধরে তাণ্ডব চালায় দেশটির মুসলিম উগ্রবাদীরা। যদিও গতকাল কুমিল্লার ওই অঞ্চলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কোনও হিন্দু নয়; কোরআন অবমাননার কাজটা করছিলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী একজন, নাম ইকবাল। ঘটনাটি যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেছিলেন, উনিও মুসলিম। হামলাও চালিয়েছেন মুসলিমরা। শাহবাগে আন্দোলন করছেন মুসলিমরা। হিন্দুরা শুধু ভুক্তভোগী। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এই চেহারা আজকের নয়। ধর্মের নামে সংখ্যালঘুরা দেশটিতে বারবার অত্যাচারিত হয়েছে। তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ক হয়েছে। হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণ করা হয়েছে। জোর করে দখল করা হয়েছে জায়গা জমি। অথচ আক্রমণকারীদের সাজা হয়নি। প্রসঙ্গত, ফেইসবুকে ধর্ম…
পুলিশ-প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষ এবং পাল্টাপাল্টি অবস্থান মূলত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। বরিশালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলার পর আজ টানা চার দিন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে নগরীতে। পাল্টাপাল্টি মামলা, গ্রেফতারের ঘটনায় বিভাগের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছে আদালত। পাশাপাশি ইউএনও মুনিবুর রহমান, কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম, এসআই শাহজালাল মল্লিক ও ইউএনও’র বাসভবনে দায়িত্বরত আনসার সদস্যসহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। রথী-মহারথীর টক্কর ঘটনার পরদিনই প্রশাসন ক্যাডারের পক্ষ থেকে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্তকে আইনিভাবে মোকাবিলা…
গত ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডসের কারখানায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ৫১ জনের প্রাণহানি হয়। ঘটনাটি খতিয়ে দেখার দায়িত্বে ছিলো প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। তারা মালিক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি দুটি সংস্থার গাফিলতির প্রমাণ পেয়েছে। জেলা কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রম অধিদপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর যথেষ্ট দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেনি। তারা ঠিকঠাকমতো দায়িত্ব নিয়ে মনিটরিং (তদারকি) করলে এই দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এড়ানো যেত। তদন্তে কারখানা কর্তৃপক্ষের তৈরী নানা ধরনের অনিয়মের চিত্রও উঠে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাতে তদন্ত কমিটি আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শামীম ব্যাপারী জেলা প্রশাসকের কাছে ৪৪ পৃষ্ঠার এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। গতকাল…
বিধি-নিষেধ শেষে আগামী ১১ আগস্ট থেকে প্রায় সবকিছুই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ নিয়ে আজ রবিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে পর্যটন আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে কোনো তথ্য প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়নি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রোববার বিকেলে এক প্রজ্ঞাপনে শাটডাউন তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনীতির কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শর্তসাপেক্ষে ১১ আগস্ট থেকে অফিস আদালত, যানবাহন, শপিংমল, দোকানপাট খুলে দেয়া হবে। পর্যটনকেন্দ্র, জনসমাগম ও সামাজিক অনুষ্ঠানাদি নিয়ে কিছুই উল্লেখ নেই প্রজ্ঞাপনে। শাটডাউন তুলে নেয়া পরবর্তী মানতে হবে যেসব শর্ত: ০১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও…
করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গুও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চাপে চিকিৎসার সুযোগ কমে যাবার কারণে ডেঙ্গু রোগীদের ভোগান্তি বেড়েছে। গতকাল শনিবার (৭ আগস্ট) অব্দি কেবল ২৪ ঘন্টাতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২১৪ জন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে দুটি পরিকল্পনা নিয়েছিলো। এর মধ্যে উত্তর সিটির ‘ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট’ প্রকল্পটিকে মন্ত্রণালয় থেকে গুরুত্ব দিয়ে সারাদেশে চালুর পরামর্শ দিলে এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। এদিকে সিটি করপোরেশন সঠিক সময়ে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ও কার্যকর কীটনাশক ব্যবহার না করায় ঢাকায় ভয়াবহ আকারে ডেঙ্গু বাড়ছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়ালের অংশ হিসেবে ‘অভিযান-জরিমানা’র কৌশল বেছে নিয়েছে সিটি করপোরেশন, এমনটা মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেঙ্গু…
গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো করোনায় বিপর্যস্ত সময়ে ডেঙ্গুর কবলে দিশেহারা মানুষ। চলতি মাসে গড়ে প্রতিদিন প্রায় আড়াইশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তবে করনোর মতোই প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা থেকে যাচ্ছে অজানা। করোনাভাইরাসের পাশাপাশি দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণও মহামারি পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশে ডেঙ্গি পরিস্থিত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এ রোগের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ওই ৮ বছরে কখনোই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়ায়নি। ২০১৫ সাল থেকে রোগটির প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। ২০১৭ সালে কিছুটা কমে ২০১৮ সালে আবার বেড়ে যায়। তবে এবার ছাড়িয়ে গেছে গত যেকোনো বারের সংক্রমণকে। বাড়ছে তীব্রতা, রোগীর সংখ্যা;…