Author: নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ দিন। অভিযোগ গঠন থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় পর্যন্ত লেগেছিল মাত্র এই কয়টি দিন। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে এমন গতি বিরল। কিন্তু রায়ের প্রায় দুই মাস পর প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে — একটি মামলার রেকর্ড-গতি কি হাজারো মামলার স্থবিরতা ঢাকতে পারে? গত রোববার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম যা বললেন, তা এই প্রশ্নটিকেই সামনে আনে: ছয় থেকে নয় বছর বয়সী কন্যাশিশুদের ধর্ষণের ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি। রামিসার বয়স ছিল ঠিক সেই সীমার মধ্যে। যেভাবে এগিয়েছে মামলাটি গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি ভবন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয় (বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার বয়স…

Read More

জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজেদের পরিচয় দিয়েছিল ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির বাইরের এক “তৃতীয় শক্তি” হিসেবে—না আওয়ামী লীগের ধারা, না বিএনপি-জামায়াতের চিরায়ত মেরুকরণ। কিন্তু গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরছে। দলটির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদ থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি বাড়ছে ক্রমাগত। এই প্রবণতা কি এনসিপির প্রাথমিক অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত, নাকি নিছক সাংগঠনিক সম্প্রসারণের কৌশল? নির্বাচনী জোট থেকে শুরু গত বছরের ডিসেম্বরে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যার মধ্য দিয়ে জোটটি আটদলীয় থেকে দশদলীয় রূপ নেয়। দলের আহ্বায়ক…

Read More

বাংলাদেশের অর্থনীতি ‘ভুল পথে’ চলছে বলে মতামত দিয়েছেন একটি জরিপে অংশ নেয়া বেশিরভাগ মানুষ। তারা মনে করেন, এর ফলে তাদের ব্যক্তিগত জীবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে। জরিপে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদদেরও ধারণা, গত কয়েক বছরে অর্থনীতি যেসব সংকট বা সমস্যার মুখে পড়েছে, সেগুলো সমাধানে কার্যকর কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সংকট আরও গভীর হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের সরকার এমনটা মনে করছে না। সরকারের মতে, অর্থনীতিতে কিছুটা সমস্যা বা সংকট থাকতে পারে, কিন্তু সেগুলো সমাধানেও নানা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ যখন এই জরিপটি চালানো হয়েছিল, তখন ৭০ শতাংশ মানুষ বলেছিলেন যে, দেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই রয়েছে।…

Read More

আরও দুটি ধারা জামিনযোগ্য করে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এখন কারিগরি ধারা ছাড়া খসড়া আইনের আর কোনো ধারা অজামিনযোগ্য নেই। সরকার বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন করছে। ৭ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে অংশীজন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ ছিল, আইনে সাজা কিছু কমানো ও ধারা জামিনযোগ্য করা ছাড়া বিষয়বস্তুতে তেমন কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে মানুষের…

Read More

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, প্রধান হিসাবরক্ষক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির  বিভিন্ন অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন সংস্থাটির বেশ কিছু ঠিকাদার। চিঠিতে তারা প্রকল্প পরিচালক গোলাম ইয়াজদানীর উপর হামলার মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দায়ী করেছেন তিনজনকেই। মেয়র রেজাউল করিমের বহিষ্কার দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন চসিকের কাছে ঠিকাদারদের প্রায় সাতশ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এসব বকেয়া বিল পরিশোধে প্রধান হিসাবরক্ষক হুমায়ুন কবির ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ নেবার পরও দুই থেকে দশ লক্ষ টাকার বকেয়া পরিশোধ করা হচ্ছে না। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিন সদস্যের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন তারা। অভিযোগ পত্রে তারা…

Read More

বিএসএমএমইউ হাসপাতালের চেয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বহির্বিভাগের ফি ২০ গুণ বেশি। হাসপাতালটি নিয়ে রোগীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতাল হলেও তাতে রয়েছে সরকারি অর্থায়ন ও ঋণ। ফলে সেবার মূল্য বেসরকারি হাসপাতালের মতো হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। একটা ঘটনা এখানে উল্লেখ করা যায়। পুত্রবধূর গর্ভকালীন জটিলতার চিকিৎসা নিতে নরসিংদী থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এসেছেন হাজি আব্দুল আলী। তিনি জানতেন হাসপাতালটি সরকারি। কিন্তু সেখানে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। সকালে কনসালটেশন ফি দিয়েছেন ৬০০ টাকা। সরকারি হাসপাতালেও কেন এত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে তার মধ্যে। প্রশ্ন রাখেন, হাসপাতালটি সরকারি নাকি…

Read More

বছরজুড়েই নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে হাহাকার লেগে থাকে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। অবস্থার পরিবর্তন হয় না রমজান মাসেও। রোজার দিনগুলোতেও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থাকে লাগামহীন। মূলত বাংলাদেশে সবকিছুর দাম বাড়ে, শুধু মানুষের জীবনের দাম কমে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত কয়েকদিনে বিভিন্ন স্থানে একের পর বিস্ফোরণ হয়েছে, প্রাণহানিও হয়েছে অনেক৷ কিন্তু দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা আগের মতো এখনো নেওয়া হচ্ছে না৷ প্রতিটি ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস তদন্ত করে একটি রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করে৷ এখন পর্যন্ত সেই রিপোর্ট ধরে মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এমন নজির নেই৷ ফলে সেই রিপোর্টগুলো মন্ত্রণালয়ে ফাইলচাপা পড়ে থাকে৷ ফায়ার সার্ভিসের…

Read More

রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসাবে সকল আমলার গুরুদায়িত্ব হলো সরকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে তাদের কল্যাণে কাজ করা৷ কিন্তু তারা সেটা করেন না, অথবা করতে পারেন না৷ এক্ষেত্রে তারা যত দায়ী তার চেয়েও বেশি দায়ী হলো রাজনীতিবিদরা বা সরকারী দল৷ একদিকে ক্ষমতাশালী দল যেমন তার স্বার্থে আমলাদের ব্যবহার করে, অন্যদিকে আমলারাও এর হিসাব সুদে-আসলে মিটিয়ে নেন৷ সহজভাবে বললে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ডিসিদের, বিশেষ করে নির্বাচনে ব্যবহার করায় তাদের দৌরাত্ম্য অনেক বেড়ে যায়৷ নিজ গন্ডির বাইরে গিয়েও তাদের তাই অনেক কিছু করতে দেখা যাচ্ছে৷ তবে এই হিসাবটা বুঝতে হলে কিছুটা পেছনে ফিরতে হবে৷ এক সময় সচিবরা মন্ত্রীদের সামনে সমীহ করে কথা বলতেন৷ মন্ত্রীরা…

Read More

১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৬-০৭-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে মূল দুটো রাজনৈতিক দলই চাতুর্যপূর্ণ চাল-পাল্টা চালে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেষ্টা করেছে। এবারও এক্স ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এর শুরু আরও আগে থেকেই। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত চারটি সংসদ নির্বাচনেই (১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাদে) বাংলাদেশের জনগণ ক্ষমতাসীন দল বা জোটকে প্রবলভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে পতিত স্বৈরাচারী এরশাদের নির্বাচনী বিপর্যয় প্রত্যাশিত ছিল, কিন্তু ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনগুলোতে ভোটের মাধ্যমে জনসমর্থন পেয়ে নির্বাচিত ক্ষমতাসীন দল বা জোটের প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ব্যাপারটি নিঃসন্দেহে তাদের প্রতি চপেটাঘাতের শামিল। ১৯৯১ সালে বিজয়ী বিএনপি নির্বাচনে কারচুপি করতে গিয়ে মাগুরায় ধরা…

Read More

বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের যত অভিযোগ তা ১৬ বছর আগের। অর্থাৎ যখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। এরপর দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশ চালিয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগই এখন একটানা প্রায় ১৪ বছর ক্ষমতায়। আর এখন বিএনপির বিরুদ্ধে জানানো ওই সব অভিযোগ আছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেও। যদিও আওয়ামী লীগ শুধু বিএনপির দিকেই আঙুল তুলছে। আয়নাতে নিজের মুখটা দেখছে না। বিএনপির আমলে আইনের শাসনের ঘাটতি ছিল। এখনো আছে। বিএনপির আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিরোধী দলের ওপর দমন–পীড়ন চালাত। এখনো বিরোধী দলের ওপর দমন–পীড়ন চলছে। কুশীলব ও লক্ষ্যবস্তু বদলে গেছে মাত্র। বিএনপির আমলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মার খেতেন। এখন ঘটছে উল্টোটি। বিএনপির আমলে বিদেশে…

Read More