Author: নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে থাকা তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করেছে। সংখ্যাটি বড় এবং প্রায় এক দশক ধরে আটকে থাকা প্রত্যাবাসন আলোচনায় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু এই ঘোষণাকে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ এখনো নেই। মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসবাদের…

Read More

ক্ষমতার পালাবদলের পর বাংলাদেশে একটি দৃশ্য প্রায় নিয়মিতভাবেই ফিরে আসে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সরকারি করপোরেশন, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সরকারে শুরু হয় নতুন নিয়োগ। বিদায়ী সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা সরে যান; তাঁদের জায়গায় আসেন নতুন ক্ষমতাসীন দলের নেতা, কর্মী কিংবা সমর্থক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরা। প্রতিবারই এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘প্রশাসন সচল করা’, ‘যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া’ কিংবা ‘গতিশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দরজায় শুধু নামফলক বদলায়; নিয়োগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলায় না। গত ২৩ জুলাই সরকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা…

Read More

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পর সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত সংখ্যাটি ৬২.২৫ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন; ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন। অর্থাৎ প্রতি দশজন পরীক্ষার্থীর প্রায় চারজন মাধ্যমিক শিক্ষার শেষ ধাপের প্রধান পাবলিক পরীক্ষাটি অতিক্রম করতে পারেনি। ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৮.৩৬ শতাংশ। তার পরের ১৯ বছরে এবারের হারই সর্বনিম্ন। এক বছরের ব্যবধানে পতনটিও সামান্য নয়। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ; এবার তা কমেছে ৬.২০ শতাংশ পয়েন্ট। জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ থেকে কমে…

Read More

বাংলাদেশের ক্রিকেটে শাকিব আল হাসান শুধু একজন সফল খেলোয়াড় নন। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি দেশের সবচেয়ে পরিচিত আন্তর্জাতিক মুখগুলোর একটি। কিন্তু এখন তাঁর দেশে ফেরার প্রশ্নটি আর কেবল ক্রিকেটের বিষয় নয়। এটি একই সঙ্গে বিচার, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, রাজনৈতিক দায় এবং জনআবেগের প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। শাকিব বলেছেন, সরকার তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে তিনি দেশে ফিরতে, আদালতে চলমান মামলাগুলোর মুখোমুখি হতে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে প্রস্তুত। তাঁর আরেকটি আকাঙ্ক্ষা—দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো। আপাতদৃষ্টিতে এই দাবি খুব সরল: একজন নাগরিক দেশে ফিরবেন, আদালতে দাঁড়াবেন এবং একজন ক্রিকেটার হিসেবে শেষবার মাঠে নামবেন। কিন্তু বাংলাদেশের…

Read More

বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক সাময়িকী থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি, তথ্য ও ফলাফলে অসংগতি, ভুয়া পিয়ার রিভিউ বা বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন, একই তথ্য বারবার ব্যবহার, অপ্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতির মাধ্যমে সাইটেশন বাড়ানো এবং অর্থের বিনিময়ে গবেষণাপত্র ও লেখকত্ব বিক্রির মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংখ্যাটি এসেছে প্রথম আলোর একটি অনুসন্ধান থেকে। অনুসন্ধানে ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রত্যাহার করা গবেষণাপত্র হিসাব করা হয়েছে, যেগুলোর অন্তত একজন লেখক বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। একই গবেষণায় একাধিক বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান কিংবা গবেষকের নাম থাকলেও সেটিকে একবারই গণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ ৩২৫ জন গবেষক নয়,…

Read More

২০ দিন। অভিযোগ গঠন থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় পর্যন্ত লেগেছিল মাত্র এই কয়টি দিন। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে এমন গতি বিরল। কিন্তু রায়ের প্রায় দুই মাস পর প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে — একটি মামলার রেকর্ড-গতি কি হাজারো মামলার স্থবিরতা ঢাকতে পারে? গত রোববার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম যা বললেন, তা এই প্রশ্নটিকেই সামনে আনে: ছয় থেকে নয় বছর বয়সী কন্যাশিশুদের ধর্ষণের ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি। রামিসার বয়স ছিল ঠিক সেই সীমার মধ্যে। যেভাবে এগিয়েছে মামলাটি গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি ভবন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয় (বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার বয়স…

Read More

জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিজেদের পরিচয় দিয়েছিল ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির বাইরের এক “তৃতীয় শক্তি” হিসেবে—না আওয়ামী লীগের ধারা, না বিএনপি-জামায়াতের চিরায়ত মেরুকরণ। কিন্তু গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরছে। দলটির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদ থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি বাড়ছে ক্রমাগত। এই প্রবণতা কি এনসিপির প্রাথমিক অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত, নাকি নিছক সাংগঠনিক সম্প্রসারণের কৌশল? নির্বাচনী জোট থেকে শুরু গত বছরের ডিসেম্বরে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যার মধ্য দিয়ে জোটটি আটদলীয় থেকে দশদলীয় রূপ নেয়। দলের আহ্বায়ক…

Read More

বাংলাদেশের অর্থনীতি ‘ভুল পথে’ চলছে বলে মতামত দিয়েছেন একটি জরিপে অংশ নেয়া বেশিরভাগ মানুষ। তারা মনে করেন, এর ফলে তাদের ব্যক্তিগত জীবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতির শিকার হচ্ছে। জরিপে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদদেরও ধারণা, গত কয়েক বছরে অর্থনীতি যেসব সংকট বা সমস্যার মুখে পড়েছে, সেগুলো সমাধানে কার্যকর কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় সংকট আরও গভীর হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের সরকার এমনটা মনে করছে না। সরকারের মতে, অর্থনীতিতে কিছুটা সমস্যা বা সংকট থাকতে পারে, কিন্তু সেগুলো সমাধানেও নানা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ যখন এই জরিপটি চালানো হয়েছিল, তখন ৭০ শতাংশ মানুষ বলেছিলেন যে, দেশের অর্থনীতি সঠিক পথেই রয়েছে।…

Read More

আরও দুটি ধারা জামিনযোগ্য করে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এখন কারিগরি ধারা ছাড়া খসড়া আইনের আর কোনো ধারা অজামিনযোগ্য নেই। সরকার বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রহিত করে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন করছে। ৭ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে অংশীজন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ ছিল, আইনে সাজা কিছু কমানো ও ধারা জামিনযোগ্য করা ছাড়া বিষয়বস্তুতে তেমন কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এতে মানুষের…

Read More

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, প্রধান হিসাবরক্ষক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির  বিভিন্ন অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন সংস্থাটির বেশ কিছু ঠিকাদার। চিঠিতে তারা প্রকল্প পরিচালক গোলাম ইয়াজদানীর উপর হামলার মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দায়ী করেছেন তিনজনকেই। মেয়র রেজাউল করিমের বহিষ্কার দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। ঠিকাদাররা অভিযোগ করেন চসিকের কাছে ঠিকাদারদের প্রায় সাতশ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এসব বকেয়া বিল পরিশোধে প্রধান হিসাবরক্ষক হুমায়ুন কবির ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ নেবার পরও দুই থেকে দশ লক্ষ টাকার বকেয়া পরিশোধ করা হচ্ছে না। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিন সদস্যের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন তারা। অভিযোগ পত্রে তারা…

Read More