…
এডিটর পিক
ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায়…
Trending Posts
-
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ভারতের ওপর বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়বে বাংলাদেশের
মার্চ ১০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের গোপন উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র কি যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারবে?
মার্চ ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ভারতের ওপর বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়বে বাংলাদেশের
মার্চ ১০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের গোপন উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র কি যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারবে?
মার্চ ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাইল বাংলাদেশ
- হাদীর হত্যাকারীরা ধরা পড়ায় কেন হাসি নেই অনেকের মুখে?
- ইরানে ট্রাম্পের যে ভুল – আল–জাজিরার এক্সপ্লেইনার
- প্রাচীন মানুষের হারিয়ে যাওয়া ভাষা: শুনুন প্রস্তর যুগের কথোপকথন
- মার্কিন চুক্তিতে বছরে ১,৩২৭ কোটি টাকা রাজস্ব হারাতে পারে বাংলাদেশ
- কেন ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে প্রস্তাব দিলেন পুতিন?
- আড়াই হাজার না, আড়াই কোটি টাকা পাইছি: ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে একজন মা
- যুদ্ধ রেমিট্যান্সের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের প্রকাশিত ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে’ এ বছর আরও এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ৩৫.৩১ স্কোর নিয়ে এ বছর বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৩। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি সবগুলো দেশের অবস্থাই বাংলাদেশের থেকে ভাল। বুধবার প্রকাশিত ওই সূচকে দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার ওপরে আছে ভুটান। দেশটির অবস্থান ৯০তম। দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নেপালের অবস্থান ৯৫তম। মালদ্বীপের অবস্থান ১০০তম, শ্রীলঙ্কার অবস্থান ১৩৫তম, পাকিস্তানের অবস্থান ১৫০তম, আফাগানিস্তানের অবস্থান ১৫২তম ও ভারতের অবস্থান ১৬১তম। এর আগে ২০২২ সালে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬২তম। সেসময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩৬.৬৩। বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে রিপোর্টার্স…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল মনে করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাংবাদিকরা ততটুকুই প্রতিবাদ করেন, যতটুকু পর্যন্ত সরকার ক্ষিপ্ত হবে না৷ বিএনপি আমলে হলে বিষয়টি ভিন্ন হতো৷ নানা নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশের সাংবাদিকরা৷ প্রশাসন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন৷ আরও আছে মামলার ভয়৷ সবসময় পাশে থাকে না প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলো৷ এরই মধ্যে চার সপ্তাহ আগে, বাংলাদেশের এক সাংবাদিককে নিজ কার্যালয় থেকে তুলে নিয়ে বাজেভাবে মারধর করা হয় এবং তার ভবনের ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেওয়া হয়। এতে তার পিঠে জখম হয়, পাঁজরের তিনটি হাড় ভেঙ্গে যায়৷ তার মাথায়ও ছুরির ক্ষত…
গুবরে পোকা ড্রাগন বা ইউনিকর্নের মতো ডাইনোসর রূপকথার রঙিন জগত থেকে উঠে আসা কোনো প্রাণী নয়। আজ থেকে চব্বিশ কোটি বছর পূর্বে আবির্ভূত হওয়া দৈত্যাকৃতির এই জীব প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীকে একচ্ছত্রভাবে চার কোটি বছর যাবত শাসন করেছে। আধুনিক বিজ্ঞানের কারসাজিতে সেলুলয়েডের পর্দায় ডাইনোসরের অনুমিত প্রতিচ্ছবি দেখলে যারপরনাই অবাক হতে হয়। অনেক প্রজাতির ডাইনোসর লম্বায় ৪০ ফুট এবং ওজনে প্রায় ৯ টন পর্যন্ত হতো। তাদেরকে টেক্কা দেওয়ার সাধ্য কার? তবে আদিম পৃথিবীতে ডাইনোসর বাদেও এমন কিছু প্রাণীর অস্তিত্ব ছিল, যারা ডাইনোসরকে খেয়ে ফেলার ক্ষমতা রাখত। প্রাগৈতিহাসিক কালের এমন কিছু বিচিত্র সব প্রাণী নিয়েই আজকের এই আয়োজন। পাশাপাশি এই প্রাণীগুলো যে ডাইনোসরকে খেয়ে…
কয়লা সংকটের কারণে গত ২৩শে এপ্রিল থেকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছিল। তবে ডলার সংকটের মধ্যে কয়লা আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন শুরুর ২৭ দিনের মাথায় পর্যাপ্ত কয়লা না থাকায় গত ১৪ই জানুয়ারি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় এক মাসের মাথায় আবার উৎপাদনে ফিরে কেন্দ্রটি তারপরও সংশয় ছিল কয়লা আমদানি অব্যাহত থাকবে কিনা। প্রতিদিন কেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু রাখতে প্রয়োজন পাঁচ হাজার টন কয়লা। এপ্রিল মাসে আবারও কয়লা সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রের জন্যও কয়লা…
হাঙর সবচেয়ে রহস্যময় এবং আশ্চর্যজনক প্রাণী হিসাবে বিবেচিত। বিভিন্ন গবেষণা দেখা গেছে ৫০০টিরও বেশি প্রজাতির হাঙর রয়েছে। এগুলোর আকার কয়েক ইঞ্চি থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। মহাসাগরের সবচেয়ে প্রাচীনতম এই প্রাণীটি নিয়ে মানুষের কৌতূহলের কমতি নেই। হাঙর মানুষখোকো হিসেবেও পরিচিত। এজন্যই মহাসাগরের যেসব স্থানে হাঙরের বসবাস সেখান থেকে মানুষ একটু দূরেই থাকেন! গ্রিনল্যান্ডের হাঙর যেন আরো বেশি রহস্যময়। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরও সাক্ষী ছিল তারা। নাম গ্রিনল্যান্ডের হাঙর হলেও শুধু গ্রিনল্যান্ডেই থাকে না। ক্যারিবিয়ান সাগরেও দিব্যি খেলে বেড়ায় তারা। তবে বরফশীতল সাগর, মহাসাগরের গভীরেই তাদের চলাচল। সূর্যের মুখ দেখতে তারা সাঁতরে উপরে ওঠে না সাধারণত। সাধারণত মাইনাস ১…
প্রাচীন মিশরীয়রা ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মিশর এবং সুদানে বসবাস করত। তারা বেশিরভাগই নীল নদের ধারে বাস করত, কারণ এটি ছিল পানীয় ও ফসল ফলানোর প্রাথমিক উৎস। বাকি দেশগুলি সাধারণত একটি মরুভূমি, বেশ শুষ্ক এবং বালুকাময় এবং পাথুরে। অধিকাংশ মানুষ ছিল কৃষক এবং তাদের প্রধান ফসল ছিল গম ও যব। আঙ্গুর, ডুমুর, খেজুর, বাদাম এবং জলপাই জন্মানোর জন্য তাদের বাগান ও দ্রাক্ষাক্ষেত্রও ছিল। চাষিরা সবজি ও তরমুজও ফলিয়েছেন। প্রতি বছরের বসন্তে, নীল নদ নির্ভরযোগ্যভাবে প্লাবিত হবে এবং এক মাইল প্রশস্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়বে। এটি সরে যাবে এবং উর্বর কাদা/মাটি পিছনে ফেলে যাবে। কৃষকরা তখন দু’জন বা দু’টি গবাদি…
প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে মিশর এক বিস্ময়ের নাম। গত ৩০০ বছরে ধরে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে মিশরে। এক সময় অনেকে মনে করতেন মিশরে বড় ধরনের কিছু আর নতুন করে অবিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। তবে ইজিপ্টলোজির অনেক পন্ডিতগণ বরাবরই বলে আসছেন, যা আবিষ্কার হয়েছে তার চেয়েও অনেক কিছু অনাবিস্কৃত রয়ে গেছে। আসলেই তাই। প্রাচীন মিশরের বিস্ময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি। এই তো মাস তিনেক আগেই প্রত্নতাত্ত্বিকরা সাক্কারার প্রাচীন সমাধিভূমিতে খনন করে কয়েক ডজন নতুন মমি এবং ৫৯টি সারকোফ্যাগাস আবিষ্কার করেছিলেন। সারকোফ্যাগাস হচ্ছে কফিন যেখানে মমি রাখা হয়। এসব সারকোফ্যাগাস প্রায় ২ হাজার ৫০০ বছর আগের। আর এবার ট্যাপসিরিস ম্যাগনা সাইটে খননকার্য চালিয়ে…
অর্থনীতির চাকা দুর্বল হয়ে পড়ায় এবং কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তিকে আমন্ত্রণ করায় আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজারে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটবে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (WEF) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তারা ৮০০ টিরও বেশি কোম্পানির ওপর সমীক্ষা চালিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। WEF – যা প্রতি বছর সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব নেতাদের নিয়ে একটি সমাবেশের আয়োজন করে – তারা দেখেছে যে নিয়োগকর্তারা ২০২৭ সালের মধ্যে ৬৯ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি করার এবং ৮৩ মিলিয়ন পদ বাদ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন। এর ফলে ১৪ মিলিয়ন চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে যা বর্তমান কর্মসংস্থানের ২% এর সমান। এই সময়ের মধ্যে শ্রম বাজার অনেক চড়াই উতড়াইয়ের…
মানব সভ্যতার বিকাশ ও ইতিহাস সম্পর্কে আমরা একটি কাঠামোগত ধারণা লাভ করলেও অনেক সত্য রয়ে গেছে অজানা। কালের বিবর্তনে অনেক ঘটনাই হারিয়ে গেছে ইতিহাসের পাতা থেকে। সেই হারিয়ে যাওয়া সত্যকে জানার তাগিদ থেকে, আবার অনেক সময় কৌতুহলের বশবর্তী হয়ে বা দুর্ঘটনাবশতই পৃথিবীর নানাপ্রান্তের মানুষ আবিষ্কার করেছে নানা প্রত্নতাত্ত্বিক ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা আমাদের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন সব তথ্য জানতে সাহায্য করেছে। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহের আবিষ্কার সবসময় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের পূর্বপুরুষদের সৃজনীশক্তির কথা। আর এই আবিষ্কারগুলোর বদৌলতে আমাদেরও সুযোগ হয় শতবর্ষ পুরনো সেই নিদর্শনগুলোর ব্যাপারে জ্ঞান অর্জনের। শতবর্ষী এই নিদর্শনগুলোকে ঘিরে থাকা রহস্যের সংখ্যাও কিন্তু নেহাত কম নয়। এমনই ৫টি…
কয়েক বিলিয়ন বছর ধরে অগণিত বিপর্যয়ের সঙ্গে মোকাবিলা করে টিকে আছে আমাদের পৃথিবী। তার এই টিকে থাকার লড়াইয়ে মানুষ পেয়েছে বসবাসের জায়গা। কিন্তু, যদি এমনটা হয়, ভেসে বেড়ানো পৃথিবী নামের এই পাথর এমন মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হলো; যা তার বুকে আশ্রয় নেওয়া মানবজাতিকে ধ্বংস করে ফেলল? এমন সম্ভাবনার বাস্তবায়ন ঘটতে পারে বেশ কিছু উপায়ে। সেরকম ৫টি উপায় নিয়ে এই আয়োজন। গ্রহাণু ঝড় যদি কোন গ্রহাণু ভীষণ শক্তি ও তাপ নিয়ে পৃথিবীর কোন সমুদ্রে আঘাত করে, তবে সমুদ্রে সৃষ্টি হতে পারে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) প্রবল তাপ, গ্রহাণু যদি এত ব্যাপক তাপ উৎপন্ন করার মতো ততটা বড় হয়ে থাকে। এর…