…
এডিটর পিক
Political journeys often reveal how individuals evolve with time, responsibility and experience. The life of…
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
মার্চ ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
মার্চ ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ধ্বংসের শুরু
- আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?
- হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ ইরানের
- From Fugitive to Prime Minister
- ভারত মহাসাগরে ভারতের অতিথি ইরানি জাহাজকে ডুবিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা প্রমাণ করল
- হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
- আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিল। এ অবস্থায় চলতি বছরের জুলাইয়ে দেশটিকে ৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ দিতে সম্মত হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এতে দেশটির অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। ঋণ অনুমোদনের খবরে পাকিস্তানের পুঁজিবাজারের সূচক একদিনেই ২ হাজার ৪০০ পয়েন্টের বেশি বাড়ে। অন্যদিকে দেশটির তুলনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আইএমএফের দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশও। সংস্থাটির পর্ষদ এ বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশকে ঋণ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে। যদিও ঋণ অনুমোদনের পরদিন দেশের পুঁজিবাজারের সূচক পয়েন্ট হারায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়…
গতকাল দুপুরের দিকে বের হলাম অফিস থেকে। লক্ষ্য—বিরোধী ও সরকারদলীয় সমাবেশের দিকে যাওয়া। সকাল থেকেই জল্পনাকল্পনা, আজ (গতকাল) আসলে কী হবে? এদিকে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের প্রধান অতিথি থাকার কথা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের। কিন্তু তিনি ঢাকা ছেড়ে গেছেন সরকারপ্রধানের সঙ্গে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম টানেল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, অন্য নেতা–মন্ত্রীরাও। তাহলে কি সরকার বা সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীরা ঢাকা নিয়ে অতটা চিন্তিত নন? বিএনপি থেকেও কর্মীদের প্রতি বারবার বলা হয়েছে, তারা ‘অহিংস’ কর্মসূচি করতে চায়। দেশের গোটা রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নজর আছে, সেই বিবেচনা থেকেও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়াবে না, এমনটা আশা করা যাচ্ছিল। কিন্তু জনমনে যে…
রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকে মার্কিন বিভিন্ন প্রতিরক্ষা কোম্পানির দারুণ সুসময় চলছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সামরিক সরঞ্জাম কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে মস্কোর সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিজেদের অস্ত্রে সজ্জিত করছে। যুক্তরাষ্ট্র যেসব সরঞ্জাম কিনছে, তার একটা অংশ পাঠানো হচ্ছে ইউক্রেনে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লকহিড মার্টিন, জেনারেল ডাইনামিকস ও অনান্য প্রতিরক্ষা ঠিকাদার কোম্পানি আশা করছে যে গোলন্দাজ বাহিনীর অস্ত্র ও মিসাইলবিধ্বংসী সরঞ্জামের যেসব ক্রয়াদেশ রয়েছে এবং আগামী দিনে সাঁজোয়া গাড়ির যে ক্রয়াদেশ আসবে, তাতে আগামী প্রান্তিকগুলোতে তাদের আর্থিক ফলাফল আরও ভালো হবে, অর্থাৎ লাভ বাড়বে। ইউক্রেনে সরাসরি অস্ত্র সরঞ্জাম পাঠানো অথবা ইউক্রেনে মার্কিন অস্ত্রের…
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সামাবেশকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আরো ৪১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসব পুলিশ সদস্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন আহতদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত পুলিশ সদস্য ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ। ফারুক হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় ৪১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ২২ জন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯…
স্পেনের একটি ক্যাথলিক গির্জায় ১৯৪০-এর দশক থেকে দুই লাখের বেশি শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। অর্থাৎ দেশটির প্রতি ২০০ নাগরিকের মধ্যে ১ জনের বেশি ক্যাথলিক গির্জায় যাজকের হাতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনায় আগে হওয়া তদন্তগুলোর তুলনায় এবারের সংখ্যাটি অনেক বড়। স্পেনের মানবাধিকারবিষয়ক ন্যায়পালের কার্যালয় থেকে করা এক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার স্পেনের পার্লামেন্টে তদন্ত প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। তদন্তের নমুনা হিসেবে আট হাজারের বেশি মানুষের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। স্পেনের মানবাধিকারবিষয়ক ন্যায়পাল অ্যাঞ্জেল গ্যাভিলোন্দো বলেন, নমুনা হিসেবে নেওয়া মানুষদের শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বলেছেন, শৈশবে গির্জায় যাজকের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন…
অনেকের মুঠোফোন, ব্যাগ, ম্যানিব্যাগ চেক করা হয়। এই পথের যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, মোবাইল ফোন, ব্যাগ, মানিব্যাগ ও গাড়ির সিটের নিচে পর্যন্ত তল্লাশি করা হয়েছে। কোথায় যাচ্ছে তার বিস্তারিত তথ্য দিতে হয়েছে। তথ্যে গরমিল হলেই গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিএনপি’র সমাবেশে যাচ্ছি কিনা তাও জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার সকাল থেকেই গণপরিবহনের সংকট দেখা দিয়েছে গাজীপুরের বিভিন্ন অংশে। বাস ছাড়াও সিএনজি, রাইড শেয়ারিং বাইক বা গাড়ি কিংবা ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট কারসহ কোনো যানবাহনই তেমন দেখা যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে ভোগান্তির পাশাপাশি পুলিশের চেকিং-তল্লাশিতে বিব্রত…
দেশী-বিদেশী বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর পাওনার বড় একটি অংশ পরিশোধ করতে পারছে না বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। বিক্রীত বিদ্যুতের বিল না পেয়ে পেট্রোবাংলার গ্যাস কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কেনা জ্বালানির মূল্য দিতে পারছে না বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো (আইপিপি)। আবার এসব আইপিপির কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে থাকায় পেট্রোবাংলাও এলএনজি বিক্রেতা ও স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহকারী বিদেশী কোম্পানির (আইওসি) পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না। সব মিলিয়ে দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাত এখন বকেয়ার এক দুষ্টচক্রে আটকে পড়েছে, যার আকার এরই মধ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের তথ্যে উঠে এসেছে। একক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি-বেসরকারি উৎপাদন কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বিদ্যুৎ…
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সশস্ত্র গ্রুপ শনিবার ভোর রাতে জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা গাজার ভেতরে ইসরায়েলি স্থল বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গাজার ভেতরে হামাসের বিরুদ্ধে স্থল অভিযান সম্প্রসারণ করার কথা ইসরায়েল ঘোষণা করার পর হামাস এই বক্তব্য প্রদান করল। তারা জানিয়েছে, তারা যেকোনো হামলা মোকাবেলা করবে। হামাসের সশস্ত্র শাখা ইজেদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমরা উত্তর গাজার বেইত হানুন এবং মধ্যভাগে পূর্ব বুরিজে ইসরায়েলি আকস্মিক স্থল হামলা মোকাবেলা করছি। স্থলভাগে সহিংস সম্পৃক্ততা রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর নির দিনার এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের সৈন্যরা আগের দিনের মতো গাজার ভেতরে অভিযান চালাচ্ছে।’ ইসরায়েলি স্থল বাহিনী বুধবার ও বৃহস্পতিবার…
‘নো ভোট, নো ট্যাক্স’ আন্দোলনে জড়িত ছিলেন সোফিয়া। নারীদের ভোটাধিকার আদায়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন। সোফিয়াকে কয়েকবার গ্রেপ্তার করা হয়। কর না দেওয়ায় তার গয়না নিলামে বিক্রি করা হয়। তারপরও সোফিয়া তার লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। সোফিয়া দুলীপ সিং ছিলেন পাঞ্জাবের শেষ শিখ সম্রাট দুলীপ সিংয়ের মেয়ে। দুর্ভাগ্যক্রমে যুক্তরাজ্যে গিয়ে থিতু হয় তার পরিবার। সোফিয়ার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সেখানেই। একসময় তিনি জড়িয়ে পড়েন ব্রিটেনের নারীদের ভোটাধিকারের আন্দোলনে। কয়েকবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন এই ভারতীয় রাজকন্যা। একসময় সমান ভোটাধিকারে জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। ১৯১০ সালে, নারীদের ভোটাধিকার চেয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথের সাথে সাক্ষাতের দাবিতে লন্ডনের পার্লামেন্টের দিকে…
ডারুইনের বির্বতন তত্ত্ব আবিষ্কারের পর থেকেই বিজ্ঞানী মহলে নীরব বিপ্লব ঘটে যায় প্রাণী বিবর্তন শাখার যোগসূত্র প্রতিষ্ঠার। সেই ধারাবাহিকতায় একে একে উন্মোচিত হয়ে সমৃদ্ধ হতে শুরু করে প্রাণী বিবর্তন ইতিহাসের ধারা। প্রকৃতিতে প্রাপ্ত প্রাচীণ ফসিলের দাঁত, মাথার খুলি, হাড়গোড়, কঙ্কাল বিবেচনায় এনে প্রাণী বিজ্ঞানিরা নিশ্চিত হয়ে বলেছেন আজ বিশাল বপু নিয়ে যে সব হাতিকে বনেবাদারে বা আমাদের আশেপাশে হেলেদুলে চক্কর মারতে দেখি তা ৬০ মিলিয়ন বছরের প্রাকৃতিক বিবর্তনের অনন্য উপহার। বিস্ময়কর হলেও সত্যি হাতির পূর্ব পুরুষরা কিন্তু মোটেই এত বিশাল সুস্বাস্থ্যের অতিকায় দানব ছিল না। প্রাপ্ত ফসিলে তার প্রমাণ মিলেছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও খাদ্যঅভ্যাস পরিবর্তনের মত কিছু জটিল ধাপ ঠেলেটুলে…