…
এডিটর পিক
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সংঘাতের পর আবারও…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা, অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
- দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
- রাশিয়ায় মুসলিম আলেমদের গ্রেফতার: নিরাপত্তা অভিযান নাকি ইসলামবিদ্বেষ?
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
প্রথম মহাযুদ্ধের ফলে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বলে লেনিন যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা সফল না হলেও, এরপর পাশ্চাত্য দুনিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ভয়াবহ সঙ্কটের সৃষ্টি হয়। যুদ্ধের দেনা ও ক্ষতিপূরণ দেয়া এবং যুদ্ধকালীন অর্থনীতিকে শান্তিকালীন অর্থনীতিতে পুনর্বিন্যস্ত করা প্রভৃতি বিষয় বিভ্রান্তকর সমস্যার সৃষ্টি করেছিল ওই সময়টাতে। এসব সমস্যা চিরাচরিতপদ্ধতিতে সমাধান করা একপ্রকার অসম্ভব ছিল। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যবসায়ে মন্দা সে সময়কার সাধারণ ঘটনা হয়ে ওঠে। অর্থনৈতিক সঙ্কট ও অনিশ্চয়তার ফলে রাজনৈতিক বিরােধ তীব্র ও ব্যাপক আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় সর্বমতের ঐক্য বজায় রাখা খুবই কঠিন। যেসব দেশে দীর্ঘকাল হতে নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত, সেসব দেশে নেতাদের পক্ষে পার্লামেন্টারি সংখ্যাগুরুদের…
মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে একাধিক বিয়ের প্রচলন আছে। সৌদি আরবে বিষয়টি যেন দেশটির সংস্কৃতিরই অংশ। বিশেষ করে সৌদি পুরুষদের মধ্যে একাধিক বিয়ের প্রবণতা দেখা যায়। তাদের জন্য বিশেষ এক কোর্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছিলো। পরে সমালোচনার মুখে সেই কোর্স বাতিল করা হয়। বিভিন্ন কারণে অনেকেই দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর আবারও বিয়ে করেন। এমনকি প্রথম স্ত্রী থাকতেও দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন কেউ কেউ। প্রথমবারের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে দ্বিতীয়াবার যেন সঙ্গীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে পারেন সে জন্য পুরুষদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে সৌদি আরবের একটি প্রতিষ্ঠান। এ সংক্রান্ত গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে পুরুষদের দ্বিতীয়…
বর্তমানে ‘গণতান্ত্রিক সংকট’ মোকাবিলা করছে বিশ্ব। গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ এমন পরিবেশে বাস করছে যার অধীনে কর্তৃত্ববাদী সরকার রয়েছে। কিন্তু সেখানে বলা হচ্ছে গণতন্ত্র আছে। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর ৬৭ শতাংশ মানুষ এমন রাজনৈতিক পরিবেশে বসবাস করছেন যেখানে পূর্ণ গণতন্ত্র নেই। এশিয়াতেও এমন অনেক দেশ আছে যেগুলো গণতান্ত্রিকও নয়, কর্তৃত্ববাদও নয়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকরী ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। একবিংশ শতাব্দীতে এসে সে চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর অনেকে দেশে গণতন্ত্র নামেমাত্র কার্যকর রয়েছে। বিংশ শতাব্দীর মতো অনেক দেশে সরাসরি সামরিক শাসন না থাকলেও, অনেক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত…
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বে বায়ুদূষণের ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৭০ লাখ মানুষের। ডব্লিউএইচওর অনুমোদিত মাত্রা ছাড়িয়ে দূষণ হয়, এমন অঞ্চলে বাস বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশের। শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস, হৃদরোগসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য জটিলতার সঙ্গে বায়ুদূষণের যোগসূত্র পাওয়া যায়। বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে শুধু ভারতেই। প্রতিবছরই নির্দিষ্ট একটি সময়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির আকাশ ছেয়ে থাকে ঘন ধোঁয়াশায়। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে দুই কোটি বাসিন্দার শহরটিতে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বন্ধ রাখা হয় সব স্কুল, যেন তাদের বাড়ির বাইরে বের হতে না হয়। নয়াদিল্লির বাতাসে ক্ষুদ্র…
১৯৬৮ সালের ১৪ মার্চ। আর দশটি দিনের মতো একটা দিন। ওই সময় আমেরিকার উটাহ প্রদেশের টুয়েলা শহরের শেরিফ ছিলেন ফে জিলেট নামের এক ব্যক্তি। উল্লেখ্য, আমেরিকায় বিভিন্ন প্রদেশে যে শহরগুলো রয়েছে, সেগুলোর প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকার কর্মকর্তাদের শেরিফ বলা হয়। শহরের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সঠিকভাবে আইন প্রয়োগের জন্য জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে শেরিফদের বাছাই করেন। ওই বছরের ১৪ মার্চ আমেরিকান নাগরিকের কাছেই জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত দিনগুলোর একটি। পত্রিকায় সেদিন হাজার হাজার ভেড়ার মৃত্যুর খবর আসতে শুরু করেছিল। বিপুল সংখ্যক ভেড়ার মৃত্যুর পেছনে তাৎক্ষণিক কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা না থাকায় আমেরিকার বাতাসে ভেসে বেড়াতে শুরু করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। জিলেট সেই দিন সম্পর্কে পরবর্তীতে…
নেই তেমন কোনও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। চিকিৎসক-নার্সও কম। টিকা নেই। কোভিড মহামারিতে আফ্রিকার গরিব দেশগুলোর কী হবে, তাই নিয়ে গোড়া থেকেই চিন্তায় ছিল বিশেষজ্ঞেরা। কিন্তু আফ্রিকার বাস্তব পরিস্থিতি অন্য কথাই বলছে। রহস্যজনক ভাবে টিকা, চিকিৎসাহীন আফ্রিকায় করোনার সংক্রমণের প্রকোপ বেশ কম। কম মৃত্যুও। এ পরিস্থিতিতে বেশ বিভ্রান্তই বিজ্ঞানীরা। জিম্বাবোয়ের হারারের ব্যস্ত বাজার এলাকা। পকেটে মাস্ক নিয়ে ঘুরছিলেন ন্যাশা নদৌউ। তার আশপাশের সকলেরই হয়তো পকেটে মাস্ক পাওয়া যাবে, কিন্তু মুখে কারও নেই। কেউ ফল-সবজি কিনতে এসেছেন, কেউ বেচতে এসেছেন। নদৌউ বলেন, ‘‘কোভিড-১৯ চলে গেছে। কবে শেষ বার কোভিডে মারা যাওয়ার খবর শুনেছেন এখানে?’’ তা হলে সঙ্গে মাস্ক রেখেছেন কেন? উত্তরে তৈরি নদৌউ…
উজ্জ্বলতা হারাচ্ছে পৃথিবী এবং তা খুব দ্রুত। আর সেটাই আরও বেশি অভিশাপ হয়ে উঠছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে। উষ্ণতর হয়ে উঠছে। গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়া দায়ী জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য। সম্প্রতি উজ্জ্বলতা হারানোর কারণে চমকে উঠেছে গবেষকরা। কারণ বদলে যাচ্ছে মেঘ। পাতলা হচ্ছে। হচ্ছে বিবর্ণ। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই খবর দিয়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ। কেন হারাচ্ছে ঔজ্জ্বল্য? গবেষণাপত্রটি জানিয়েছে, ১৯৯৮ থেকে ২৯১৭, এই ২০ বছরে পৃথিবীর ঔজ্জ্বল্য প্রতি বর্গ মিটারে আগের বছরগুলির চেয়ে অর্ধেক ওয়াট করে কমে গিয়েছে। শতাংশের হিসাবে আগের বছরগুলির চেয়ে পৃথিবীর ঔজ্জ্বল্য কমেছে ০.৫ শতাংশ। যার অর্থ, সূর্যালোক…
অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অতি ব্যবহারের কারণে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে জীবাণু, তৈরি হচ্ছে সুপারবাগ। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে অনেক ওষুধে আর কাজ হচ্ছে না। ফলে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে রোগবালাই। চিকিৎসকরা বলছেন, আগামীতে এটাই সবচেয়ে বড় মহামারি হিসেবে দেখা দিতে পারে। চিকিৎসক এবং গবেষকেরা বলছেন, এর ফলে শিশু এবং হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। সুপারবাগ কী? সুপারবাগ হচ্ছে এক ধরনে অণুজীব। যেসব ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হলে অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর, তাদের সুপারবাগ বলা হয়। এরা একাধিক অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে বলে এদের মাল্টি ড্রাগ রেসিস্ট্যান্ট বলা হয়। ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সঙ্কটজনক হুমকিটি…
নারীদের জন্য পৃথিবীতে নরক হয়ে উঠেছে আফগানিস্তান। হত্যা, নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, ধর্ষণ, চাকরির সুযোগ হারানোর পর এবার বিক্রি করা হচ্ছে দাস হিসেবে। ১৯৯৬ সাল থেকেই আফগানিস্তানের নারীদের পথচলা অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় বেশি বন্ধুর। এক পা এগোলে দশ পা পিছিয়ে যেতে হয় তাদের। দেশের শাসনব্যবস্থা বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় আফগান নারীর জীবনযাত্রা। চলার পথের প্রতিবন্ধকতাও বেড়ে যায়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের নতুন জারি করা নিয়ম অনুযায়ী, দেশটির টেলিভিশন নাটকে নারীদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, নারী সাংবাদিক ও উপস্থাপিকাদেরও হিজাব পরে টেলিভিশন পর্দায় আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কী ধরনের আবরণ বা হিজাব ব্যবহার করতে হবে, সে ব্যাপারে নির্দেশিকায়…
সপ্তদশ শতকে রোমের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ খুনী ছিলেন এক নারী। এক সিরিয়াল কিলার যিনি কিনা খুন করেছেন ৬০০ পুরুষকে! ওই সময়ে ইতালীয় সমাজে নারীদের মর্যাদা ছিল না বললেই চলে। নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের কোনো সুযোগও তাদের দেওয়া হতো না। তারা বিয়ে করতেন স্বামীর কাছ থেকে প্রেম-ভালোবাসা ও সুন্দর আচরণ পাওয়ার আশায়, কিন্তু এমনটা খুব কমই হতো। এর বাইরে হয় একাকী জীবন এবং যৌনকর্মীর পেশা বেছে নিতে হতো; কিংবা বিধবা হয়ে দিন পার করতে হতো; যা কিনা অধিকাংশ নারীর কাছে কাঙ্ক্ষিত পথ হিসেবে বিবেচিত ছিল। কিন্তু বিধবা হতে চাইলেই তো হওয়া সম্ভব না। তাই তৎকালীন রোমে তাদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল একটি ‘ক্রিমিনাল…