…
এডিটর পিক
১৯৭১—এই একটি বছরই বাঙালির ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সংগ্রামের মধ্য দিয়ে…
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
মার্চ ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
মার্চ ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- মৃত্যুর মিছিল: ঈদে বাড়ি ফেরার সংস্কৃতি পালটানো উচিত
- ‘জয় বাংলা’ বলা কি অপরাধ? স্বাধীনতার স্লোগান, সংবিধান ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব
- মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের ধীরে ধীরে ভারতের আজ্ঞাবহ দাস হয়ে ওঠা
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
- বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র
- এক-এগারোর নেপথ্য শক্তি থেকে রিমান্ডে: মাসুদ উদ্দিনের উত্থান ও পতনের গল্প
- ডাইনোসর বিলুপ্তির পরেই যেভাবে বদলে যায় পৃথিবী
- যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত ২৪৩ শিক্ষার্থী–শিক্ষক নিহত
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসছে। এসব সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনে এসব ক্যামেরার ফুটেজ দিতে হবে পুলিশকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক চিঠি থেকে জানা গেছে, এই সিসি ক্যামেরা বসানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওই চিঠি থেকে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় নিজ উদ্যোগে সিসি ক্যামেরা বসানোর অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ভবন ও…
ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তন হচ্ছে দেশের প্রধানতম নদী পদ্মার আকার ও গতিপথ। স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ হয়েছে। সোজা অবস্থান থেকে পরিবর্তিত হয়ে আঁকাবাঁকা হয়েছে নদীর গতিপথ। বেড়েছে ‘ব্রেইডিং’ বা পরস্পরছেদী প্রবণতা। প্রমত্তা পদ্মায় এখন সেতু আছে তিনটি। শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালনশাহ সেতু ও ২০২২ সালে চালু হওয়া পদ্মা সেতু। বর্তমানে এ নদীতে নতুন করে আরো ছয়টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকারের সেতু বিভাগ। নাসার প্রতিবেদনে পদ্মার আকার ও গতিপথ পরিবর্তন প্রবণতার দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি হলো মুক্তভাবে প্রবাহিত এ নদীর পাড় সুরক্ষায় কোনো…
প্রশাসনের প্রতিরোধের মুখে পড়লেও তাদের আন্দোলন যে থামবে না, সে কথা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের প্রতিবাদী কৃষকেরা। বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো হাজার হাজার কৃষক তাদের দাবি আদায়ে দিল্লির দিকে মিছিল অব্যাহত রেখেছেন। তবে, সেই অভিযান সে সহজ হবে না, সে কথা মঙ্গলবারই স্পষ্ট করে দিয়েছিল প্রশাসন। বুধবারও নিরাপত্তার কড়া বলয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল হরিয়ানার শাম্ভু, টিকরি ও সিঙ্ঘু সীমান্ত-সহ রাজধানী দিল্লি ঢোকার অন্যান্য প্রবেশপথ। ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তা, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং স্বামীনাথন কমিশনের সমস্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন-সহ একাধিক দাবি নিয়ে ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে কয়েক হাজার কৃষক ‘দিল্লি চল’ আন্দোলনের যে ডাক দিয়েছিলেন, আজ তার…
ভৌগলিক চরিত্র আর শাসকদের নিয়মিত উত্থান-পতনের মধ্যে বাংলা ছিল রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল অঞ্চলগুলোর একটি, নিয়মিত পরিবর্তন আর পরিবর্ধন হয়েছে বাংলার ভৌগলিক সীমারেখার। রাজনৈতিক কারণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রভাবকগুলোও এই অঞ্চলের পটপরিবর্তনে নিয়মিত ভূমিকা রেখেছে, এই অঞ্চলের শাসকদের মুক্ত ভূমিকা নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি, অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক কারণগুলোই বিদেশী ব্যবসায়ীদের বাংলার প্রতি আকৃষ্ট করেছে, যা পরবর্তীতে বাংলাকে নিয়ে গেছে দু’শো বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খলে। বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায় ১৭৫৭ সালে, যদিও বাংলায় কোম্পানির শাসন শুরু হয় তারও এক দশক পরে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে, মাত্র কয়েক হাজার ইংরেজ সৈন্যের কাছে পরাজয় হয় বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌলার। যুদ্ধে নবাব সিরাজের পক্ষে প্রধান সেনাপতি ছিলেন মোহন…
গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশ ছোঁয়া দাম। বাজারে সরবরাহও অনেক কম। আমদানি করার মতো যথেষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা নেই জান্তা সরকারের হাতে। মুদ্রার মান এতটাই কমে গেছে যে, যাদের জমানো টাকা ছিল সেগুলো এখন প্রায় কাগজে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতি জান্তা সরকারের ওপর সাধারণ নাগরিকদের আরও ক্ষুব্ধ করে তুলছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে চলছে গৃহযুদ্ধ। অর্থনীতির ভেঙে পড়ার দশা। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চাল এবং ভোজ্যতেলের। মিয়ানমারের মানুষের প্রধান চাহিদাই এ দুটি ভোগ্যপণ্য। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে উৎকৃষ্ট মানের চালের দাম ছিল প্রতি বস্তা ১৬ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। কিন্তু ২০২৪ সালের জানুয়ারি…
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের মামলায় অস্বাভাবিক গতিতে বিচার করা হয়েছে। এ নিয়ে সারাবিশ্ব থেকে যে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও তার সঙ্গে আছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শ্রম আইন ব্যবহার করে ড. ইউনূসকে হয়রান ও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে উদ্বেগ জানায় যুক্তরাষ্ট্রও। এতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারির এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানিয়েছেন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। মুশফিক তার কাছে জানতে চান, সোমবারের মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, অজ্ঞাত ২০ জনের একটি গ্রুপ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের অফিস…
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যস্ত সফরসূচির মধ্যে আগস্ট ২০১৫ সালে আবুধাবির শেখ জায়েদ মসজিদ পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন। ঠিক একদিন পরে প্রতিবেশী দুবাইতে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল তার। ততদিনে ২০০৭ সালে নির্মিত এই বিশাল মসজিদটি একটি দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে আবুধাবিতে আগত বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পর্যটকদের কাছে। মসজিদ চত্বরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই প্রবীণ কর্মকর্তার সঙ্গে সেলফি তোলেন। সেখানে উপস্থিত উৎসাহী জনতা যারা ‘মোদী মোদী’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন প্রধানমন্ত্রী। তাদের অভিনন্দন জানান। সে দৃশ্য ছিল উৎসবের মতো। এর কিছুক্ষণ পর একটি ভারতীয় টিভি চ্যানেলের একজন উপস্থাপকের টেলিফোন পেলাম। তিনি আমাকে সরাসরি…
শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ মোট ৫৮টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া গত ২ ডিসেম্বর সম্পন্ন করেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এসব পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন উপাচার্য অধ্যাপক স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের ছেলে শাওন চন্দ্র সামন্ত তনু। তবে এ নিয়োগে যোগ্যতা নিরূপণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক সমিতি। এ বিষয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগও করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এখন পর্যন্ত যারা উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সবাই মেয়াদকালে কোনো না কোনো আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েছেন। সর্বশেষ গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সেকশন অফিসার হিসেবে চাকরি…
‘বোরিং’। কথাটা ইংরাজি হলেও, একঘেয়ে কিংবা বিরক্তিকর বোঝাতে কথায়-কথায় আমরা ব্যবহার করে থাকি এই শব্দবন্ধটি। অপছন্দের খাবার, জায়গা কিংবা কাজের আগে হামেশাই ‘বোরিং’ শব্দটি জুড়ে দিই আমরা। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে ‘বোরিং’ সংখ্যা (Most Boring Number) কোনটি? ঘাবড়ে গেলেন নিশ্চয়ই? বেশ, তাহলে আরেকটু সহজ করে দেওয়া যাক প্রশ্নটা। আপনার সবচেয়ে প্রিয় সংখ্যা কোনটি? এক্ষেত্রে কেউ বেছে নিতে পারেন লিও মেসি কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর জার্সি সংখ্যাকে, কেউ আবার আশ্রয় নিতে পারেন এমন কোনো সংখ্যার যার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে কোনো ধার্মিক তত্ত্ব বা কিংবদন্তি। যেমন, লোককথা অনুযায়ী ১৩ সংখ্যাটি নাকি দুর্ভাগ্যের প্রতীক, ৭ সংখ্যাটির সঙ্গে জুড়ে রয়েছে পাপ। কিন্তু…