…
এডিটর পিক
১৯৭১—এই একটি বছরই বাঙালির ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সংগ্রামের মধ্য দিয়ে…
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
মার্চ ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
মার্চ ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- মৃত্যুর মিছিল: ঈদে বাড়ি ফেরার সংস্কৃতি পালটানো উচিত
- ‘জয় বাংলা’ বলা কি অপরাধ? স্বাধীনতার স্লোগান, সংবিধান ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব
- মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের ধীরে ধীরে ভারতের আজ্ঞাবহ দাস হয়ে ওঠা
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ যে ৫ দেশের জাহাজ চলার অনুমতি দিল ইরান
- বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র
- এক-এগারোর নেপথ্য শক্তি থেকে রিমান্ডে: মাসুদ উদ্দিনের উত্থান ও পতনের গল্প
- ডাইনোসর বিলুপ্তির পরেই যেভাবে বদলে যায় পৃথিবী
- যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত ২৪৩ শিক্ষার্থী–শিক্ষক নিহত
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
গ্রাহকের জমা টাকা বা আমানত সুরক্ষায় ব্যাংকগুলোকে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। তবে ইসলামী ব্যাংকসহ ছয়টি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও দুটি প্রচলিত ধারার ব্যাংক চাহিদামতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সেই অর্থ জমা রাখতে পারছে না। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থাকা এসব ব্যাংকের চলতি হিসাব মাঝেমধ্যে বড় ঘাটতিতে পড়ছে। কয়েকটি ব্যাংকের বড় এই ঘাটতির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা ব্যাংকগুলোর আমানত সুরক্ষার অর্থে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত নভেম্বর শেষে এই ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিসেম্বরভিত্তিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। দেশের ব্যাংকগুলোকে গত নভেম্বরে নগদ জমা বাবদ (সিআরআর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৭১ হাজার ৫২ কোটি টাকা…
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করছে সুন্দরবন অঞ্চলের দ্বীপ এলাকা সন্দেশখালিতে একাধিক নারী তাদের ওপরে যৌন নির্যাতনের যে অভিযোগ তুলেছেন, সেই ঘটনাকে ধর্মীয় মেরুকরণের জন্য ব্যবহার করছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো। সন্দেশখালির স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখ ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সেখানকার অনেক নারী। মি. শাহজাহান ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠছে যে তারা জবরদস্তি করে গ্রামের মানুষদের চাষের জমি দখল করে নিত। মি. শাহজাহান শেখ জানুয়ারি মাসের গোড়া থেকে আলোচনায় উঠে আসেন। জানুয়ারির গোড়ার দিকে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কথিত রেশন দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে মি. শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে…
মিশরীয় পুরাণ বা সভ্যতা সম্পর্কে যাদের আগ্রহ আছে, তাদের কাছে বেশ পরিচিত একটি নাম নেফারতিতি। নেফারনেফারুয়াতেন নেফারতিতি সবার কাছে মিশরের রানী এবং ফারাও আখেনাতেনের রাজকীয় বধূ হিসেবেই সুপরিচিত। নেফারতিতি ও তার স্বামী ধর্মীয় এক বিপ্লবের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তৎকালীন মিশরীয়দের ন্যায় একাধিক দেব-দেবীর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের পরিবর্তে তারা একক দেবতা ‘আতেন’ বা ‘সূর্য চাকতি’র (সান ডিস্ক) পূজা করতেন। স্বামীর সঙ্গে তিনি প্রাচীন মিশরীয় ইতিহাসের সবচেয়ে বিত্তশালী সময়ে রাজত্ব করতেন বলে জানা যায়। ঐতিহাসিকদের একদলের মতে, স্বামীর মৃত্যুর পরে তিনি নেফারনেফারুয়াতেন নামে রাজত্ব করেছিলেন। তার পরবর্তী রাজাই তুতানখামুন ছিল কিনা, তা নিয়েও যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। মিশরের নারী ফারাও নেফারতিতির সাম্রাজ্য আমার্না…
গণতন্ত্র সূচকে গতবারের তুলনায় দুই ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৭৫তম। আর বাংলাদেশে এখনো ‘হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা’ রয়েছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) প্রকাশ করা ২০২৩ সালের গণতন্ত্র সূচকে (ডেমোক্রেসি ইনডেক্স) এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে এ সূচক প্রকাশ করেছে ইআইইউ। সূচকে প্রতিটি দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে চারটি ভাগে ভাগ করেছে ইআইইউ। সেগুলো হলো পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা ও কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা। নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুত্ববাদ, সরকারের কার্যকারিতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিকদের স্বাধীনতা—এ পাঁচটি ধাপে প্রাপ্ত নম্বর বা স্কোরের ওপর ভিত্তি করে সূচকে দেশগুলোর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার…
জলবায়ু পরিবর্তনের বিধ্বংসী প্রভাবগুলির মধ্যে একটি হল বিশ্বব্যাপী হিমবাহের দ্রুত গলে যাওয়া। এই বরফের স্তরগুলি, যাকে একসময় চিরন্তন বলে মনে করা হত, তারা এখন ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রার নিরলস আক্রমণে গলতে শুরু করেছে। এটি পুরো গ্রহের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এতদিন পর্যন্ত মনে করা হত, আমাদের হাতে বোধহয় কিছুটা সময় আছে। কিন্তু, ‘নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে’ প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, দ্রুত হারে হিমবাহ গলনের ফলে, ২০২৫ সালের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে গাল্ফ স্ট্রিম বা উপসাগরীয় স্রোত। এই স্রোত বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে, উত্তর গোলার্ধের একটা বড় অংশে নেমে আসবে তুষার যুগ।উপসাগরীয় প্রবাহ, মেক্সিকো উপসাগরে উৎপন্ন একটি শক্তিশালী…
যুক্তরাষ্ট্র্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ও মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ মিলে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বিস্তারিত ও বিস্তৃত একটি পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র সৃষ্টির একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে এতে। ওয়াশিংটন পোস্টকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন জেরুজালেম পোস্ট। বলা হয়েছে সামনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে। কিন্তু তা নির্ভর করছে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি শুরু এবং হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তির ওপর। পরিকল্পনাকারীরা মনে করছেন এই চুক্তি পবিত্র রমজানের আগেই সম্পন্ন হতে পারে। ওদিকে বুধবার রাতে গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। তারা রাফায়…
রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান গৃহযুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। জান্তা বাহিনীর তিনশতাধিক সদস্যের পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এবং সীমান্তের কাছে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে নিরাপত্তা হুমকি এবং উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান কীভাবে হবে সেটি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী ভারত এবং চীনকে সাথে নিয়ে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ, রাখাইনে নতুন করে সংঘাত এবং বিদ্যমান রোহিঙ্গা সংকট মিলিয়ে বাংলাদেশের জন্য পুরো পরিস্থিতি দিন দিন আরো জটিল হচ্ছে বলেই অনেকে মনে করছেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারের রাখাইনকে ঘিরে ভূরাজনীতি এবং পরাশক্তিগুলোর স্বার্থের দ্বন্দ্ব থাকায় মিয়ানমারের সঙ্গে…
এসডো’র এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বাংলাদেশের টুথপেস্ট ও হ্যান্ডওয়াশে উদ্বেগজনক মাত্রায় প্যারাবেন পাওয়া গেছে। গবেষণাটিতে মানব স্বাস্থ্যের উপর এসব রাসায়নিক পদার্থের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের বিষয়গুলোও তুলে আনা হয়েছে। যেমন প্যারাবেনের কারণে হরমোন নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত, প্রজনন সমস্যা এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ফ্লোরাইডের অতিরিক্ত ব্যবহার হাড়ের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং দাঁতের এনামেল গঠনে সমস্যা তৈরি করে। তাছাড়া অতিরিক্ত সোডিয়াম ডাইক্লোরাইড ব্যবহারের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার এসডো’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার ওনজিন ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ (WIOEH) সংস্থার সহযোগিতায় এই…
ডায়মন্ড বা হীরাকে প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন সভ্যতা বা জাতিতে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। বর্তমানে এর কদর শুধুমাত্র উচ্চমূল্যের জন্য হলেও প্রাচীনকালে এর সাথে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ও জড়িত ছিল। যেমন- প্রাচীন রোমান এবং গ্রিকে এই হীরাকে দেবতাদের অশ্রু কিংবা পতনশীল কোনো তারা মনে করা হতো; একে তারা ভালোবাসার প্রতীকও মনে করতেন। অনেক প্রাচীন সভ্যতায় যোদ্ধাদেরকে হীরার তৈরী অলংকার পরানো হতো। কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল যে এই রত্নপাথর যোদ্ধাদের শক্তি ও সামর্থ্য বৃদ্ধি করবে। ডায়মন্ডকে এপ্রিল মাসের জন্মপাথর ও ১০ম এবং ৬০তম বিবাহ বার্ষিকীর রত্নপাথর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শুধু তা-ই নয়, একে সবচাইতে বিশুদ্ধ রত্নপাথরও বলা হয়। ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০…
বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার আইনের অধীনে মিয়ানমার প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫০০০ যুবক-যুবতীকে যুক্ত করার খসড়া শুরু করছে। এ হিসেবে প্রতিবছর সেখানে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে প্রায় ৬০,০০০ যুবক, যুবতীকে। এমন আইন করার ফলে অনেক যুবক-যুবতী এরই মধ্যে দেশ ছেড়ে পালানোর কথা চিন্তা করছেন। দেশটিতে নতুন বর্ষবরণ হবে এপ্রিলে। এ সময় রীতি অনুযায়ী বর্ষবরণের পর শুরু হবে এই কার্যক্রম। এ খবর দিয়ে অনলাইন মিয়ামি হেরাল্ড লিখেছে- সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগ দেয়ার আইন শনিবার ঘোষণা করে সামরিক জান্তা, সামরিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তার আকস্মিক এই ঘোষণা এটাই বলে দেয় যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।…