…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আবারও এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, শিল্প, পরিবহন,…
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
যেদিন কুয়েত দখল করেছিল ইরাক: মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়া ২ আগস্ট
আগস্ট ২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
যেদিন কুয়েত দখল করেছিল ইরাক: মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়া ২ আগস্ট
আগস্ট ২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- দুই হাজার বছর পর মিলল রোমান সেনাশিবির: হঠাৎ কেন পরিত্যক্ত হয়েছিল পুরো ঘাঁটি?
- ইরান যুদ্ধের মূল্য দেবে বাংলাদেশ? ঝুঁকিতে জিডিপি, রেমিট্যান্স ও জ্বালানি বাজার
- ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং: সাময়িক সংকট নাকি দীর্ঘমেয়াদি?
- আফগানিস্তানের আড়াই দশক পর একই ভুল করছে ট্রাম্প
- ৫ই আগস্ট প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা
- আগস্ট ঘিরে পুলিশের মধ্যে চাপা আতঙ্ক কেন?
- মাছের সঙ্গে কি আমরা মাইক্রোপ্লাস্টিকও খাচ্ছি?
- দাবানলের আগুন যেভাবে বদলে দিচ্ছে এক মহাদেশের ভবিষ্যৎ
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারের বিমান বাহিনীর ঘাঁটি সংলগ্ন সমিতি পাড়ায় বাহিনীটির সদস্যদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজনের মৃত্যু ও কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কক্সবাজারের সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সবুক্তাগিন মাহমুদ সোহেল বিবিসি বাংলাকে একজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তির নাম শিহাব কবির নাহিদ। নিহতের পিতা সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, তার ছেলে বিমান বাহিনীরগুলিতে মারা গেছেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ”বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজার সংলগ্ন সমিতি পাড়ার কিছু দুর্বৃত্ত বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা…
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মানুষের মধ্যে বড় ধরনের আশা জেগেছিল। দখল-চাঁদাবাজি আর হবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু সরকারের দায়িত্ব নেয়ার ছয় মাসেও মানুষের সেই আশা খুব একটা পূরণ হয়নি। বরং নতুন করে দখল-চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ কোনো কোনো এলাকার মানুষ। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান নয়। সরজমিন ঢাকার পাশের চারটি জেলা ঘুরে এমন চিত্রই মিলেছে। গত দুইদিন এসব জেলার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে মিলেছে তাদের উদ্বেগের তথ্য। মানুষ মনে করছে, সরকারের জন্য শুরুতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন ছিল। কিন্তু ছয় মাস পর সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা। কিন্তু অবস্থা খুব একটা…
এশিয়ার পরাশক্তি হওয়ার সব ভৌগলিক উপাদান মজুত আছে বাংলাদেশের ভূ অবস্থানের মাঝে। স্বাধীনতার পর থেকে নানা সময়ে বাংলাদেশ এই ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা পুরোপুরি লাভ করতে পারেনি। নানা সময় বাংলাদেশ তাদের ভূকৌশলগত এই সুবিধা লাভ করার জন্য পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করলেও তা যেন মাথা ব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো প্রতিবেশি দেশ ভারতের। ফলে বাংলাদেশ বারবার তাদের সুবিধা আদায়ের পথে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভৌগলিক সুবিধা হচ্ছে বিশ্বের নৌবাণিজ্য রুটের সাথে সরাসরি সংযোগ। বাংলাদেশ তার দক্ষিণের বঙ্গপোসাগরের মাধ্যমে সরাসরি আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার পূর্ব-পশ্চিম শিপিং রুটের সাথে যুক্ত। এদিকে বাংলাদেশের আছে ১,১৮,১৮৩ বর্গ কি.মি আয়তনের বিশাল সমুদ্রসীমা। এই সমুদ্র অঞ্চল সরাসরি বিশ্বের প্রধান জলপথের সাথে…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল বা নিষিদ্ধ করার দাবি যখন জোরালো হচ্ছে, সেই সময় সারা দেশে প্রবল চাপের মুখে থাকা দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে ভারত কী ভূমিকা নিচ্ছে সেই অপেক্ষায় আছেন। অনেকের বিশ্বাস এবং প্রত্যাশা, ভারত কিছু একটা ভূমিকা রাখবে যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াবে এবং পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকালে সেখানে তাকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের আলোচনা-বক্তব্য-মন্তব্যে ভারতের ভূমিকা নিয়ে একটা প্রত্যাশা লক্ষ্য করা যায়। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। দলটির বহু নেতা পালিয়ে বা…
মঙ্গল গ্রহে জীবনের সন্ধান করছে নাসা। লাল গ্রহে এলিয়েনরা আগে হয়ত থাকত, তা আগেভাগেই সন্দেহ করেছিল। এবার আরও এক বড় সত্যের সম্মুখীন হয়েছে নাসা। এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে যে মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনরা অনাবিষ্কৃত রয়ে গেলেও, প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে লাল গ্রহে বিলিয়ন বছর আগেও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। মঙ্গল গ্রহের অন্বেষণের জন্য নাসার রোভার, একটি অদ্ভুত শিলা আবিষ্কার করেছে, যা মঙ্গল গ্রহে বাসযোগ্যতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র লুকিয়ে রাখতে পারে। গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন জলপ্রপাতের নামানুসারে এটির নাম দেওয়া হয়েছে চেয়াভা জলপ্রপাত। ৩.২ ফুট বাই ২ ফুট পরিমাপ, চিতাবাঘের মতো সাদা এবং কালো দাগের কারণে, লাল গ্রহের অন্যান্য শিলার থেকে অনেক আলাদা হল…
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক সময়ের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে। কোথাও কোথাও অনেকটা মুখোমুখি অবস্থানে দেখা গেছে এই দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের। ঘটেছে সংঘর্ষের ঘটনাও। চলছে দোষারোপের রাজনীতি। ছাত্রদল দায়ী করছে শিবিরকে, আর শিবির দায়ী করছে ছাত্রদলকে। সংগঠন দু’টির কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও পাল্টাপাল্টি পোস্ট দিতে দেখা গেছে। সম্প্রতি ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এই সংবাদ সম্মেলনের একটি ভিডিও ক্লিপ…
সাগর দেখতে কার না ভাল লাগে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে জলের রাশি। সেখানে স্থলভাগের পরিমান এতটাই কম রয়েছে যে সেখান থেকে জলরাশিকে হেলাফলা করা উচিত নয়। উত্তর আটলান্টিক সাগরকে সকলেই চেনেন। তবে এর মধ্যে আরও একটি সাগর রয়েছে যার নাম সার্গাসো। এর নাম অনেকেই জানেন না। এটি এমনভাবে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সঙ্গে প্রবাহিত চলে চলেছে যে একে আলাদা বলে চেনা খুব কঠিন। কিন্তু সকলকে ফাঁকি দিয়ে সে বয়ে চলেছে নিজের মতো করেই। বিজ্ঞানীদের কাছে এটা এক অবাক করা বিস্ময়কর ঘটনা। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই সমুদ্র কোনও তীরে গিয়ে ঠেকেনি। তার প্রধান কারণ হল এই সাগর একেবারে আটলান্টিক সাগরের মধ্যে…
রাজধানীতে প্রকাশ্যে অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। কিশোর গ্যাংসহ নানা শ্রেণির অপরাধীরা দাপটের সঙ্গে অস্ত্র ব্যবহার করছে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ফুটপাত দখল, আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা সামান্য দ্বন্দ্ব—প্রায় সব ক্ষেত্রেই আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে নগরীর নিরাপত্তাহীনতা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে আতঙ্কে রয়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুরো রাজধানীজুড়ে অস্ত্রবাজির পেছনে বিগত জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অস্ত্র লুটেরাদের ভূমিকা রয়েছে। পুলিশের তথ্যমতে, গত দুই মাসের তুলনায় রাজধানীতে অস্ত্র ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধের সংখ্যা বেড়েছে। চলতি মাসে অন্তত ৫০টি ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। রাজধানীর উত্তরা…
পলাশীর যুদ্ধ ইতিহাসের বাঁকবদলে যত বড় ভূমিকা বা প্রভাব রেখেছে সে তুলনায় এ যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ছিল নেহাতই সামান্য। আজকের দিনের যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করলে তা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। ১৭৫৭ সালের ২ জুলাই মাদ্রাজ কাউন্সিলকে পাঠানো ক্লাইভের বার্তা অনুসারে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান বাহিনীর মোট ২২ জন নিহত হয়েছিলেন আর আহত ৫০ জন। এর মধ্যে বাদামি গাত্রবর্ণের সদস্যরাই বেশি নিহত হন। ঐতিহাসিক রবার্ট ওরমে জানান, ২০ জন ইউরোপীয় নিহত অথবা আহত হয়েছিলেন। সিপাহি মারা যান ১৬ জন, আহত হন ৩৬ জন। ব্রিটিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছিলেন মাত্র দুজন। এ দুজন ছিলেন গোলন্দাজ শাখার, তবে তারা কোন শাখার ছিলেন তা নিয়ে মতভেদ আছে। পলাশীর যুদ্ধের…
ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির পাশাপাশি দুই নারী যাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় নাটোরে সন্দেহভাজন আটক বাসের সুপারভাইজার, চালক ও চালকের সহকারী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামিন পেলেও বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আদালত সূত্রে জানা যায়। নাটোরের বড়াইগ্রাম আমলি আদালত সূত্রে জানা যায়, বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চালান মূলে ঢাকা-রাজশাহী চলাচলকারী ইউনিক রোড রয়েলস বাসের চালক বাবলু ইসলাম (৩৫), চালকের সহকারী সুমন ইসলাম (৩৫) ও সুপারভাইজার মাহবুল আলমকে (৩৮) বুধবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় তাদেরকে আদালতের সামনে হাজির করলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তৌহিদুর রহমান সুমন শুনানি শেষে আসামিদের জামিনে মুক্তির আদেশ দেন।…