…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে, ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচিত সরকার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতিও বারবার দেওয়া হয়েছে।…
Trending Posts
-
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ: ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু ও বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষ্ক্রিয়তা
অক্টোবর ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ: ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু ও বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষ্ক্রিয়তা
অক্টোবর ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- যেভাবে যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিলেন নবাব মুর্শিদকুলী খানের কন্যা
- আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি: উন্নয়ন, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের হিসাব
- আসামে দুই দিনে ১১০০-এর বেশি পরিবার উচ্ছেদ, ১০ মসজিদ ভাঙার দাবি কতটা সত্য?
- নির্বাচিত সরকারেও থামছে না মব সহিংসতা: নেপথ্যে কি রাজনৈতিক প্রশ্রয়?
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: প্রবাসীদের নিরাপত্তার দায় কার?
- বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনকে কেন এত ভয় মোদির?
- ৪০ কোটি বছর আগের পাথরে আধুনিক হাতুড়ি! মানব সভ্যতার থেকেও পুরনো
- ইশরাক কি আইনের ঊর্ধ্বে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
কথা বা স্পিচ হলো যোগাযোগের জন্য জটিল শব্দের উচ্চারণ। এটি এমন এক ক্ষমতা যা মানুষ তোতাপাখি, ডলফিন, হাতি এবং এমনকি সী লায়নের সাথে কিছুটা হলেও ভাগ করে নেয়, তবে বানরের সাথে নয়। বানরকে কথা বলতে শেখানোর প্রচেষ্টা বেশ কয়েকবার করা হলেও তা সফল হয়নি বললেই চলে। ভিকি, মানুষের কাছে শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা শিম্পাঞ্জি, শুধু মা এবং বাবার মতো কয়েকটি শব্দ শিখতে পেরেছিল। বিখ্যাত গরিলা কোকো যে যোগাযোগের জন্য এক হাজারেরও বেশি হ্যান্ড সাইন শিখেছিল, কখনও একটি শব্দ উচ্চারণ করেনি। অদ্ভুতভাবে তাদের এই অক্ষমতার সেরা ব্যাখ্যা এসেছে হরিণ, বিড়াল এবং কোয়ালা থেকে, যদিও এই ব্যাখ্যা পাওয়ার যাত্রা সহজ ছিল না।…
বেশ নজিরবিহীন এক ঘটনার মুখোমুখি বাংলাদেশ। একজন রাষ্ট্রদূতকে গ্রহণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন সাফাই চিঠি লিখেছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বিফলে গেছে ৬ মাসের চেষ্টা, তদবির। ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ায় পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছিল পেশাদার কূটনীতিক মো. তৌহিদুল ইসলামকে। কিন্তু তাকে গ্রহণ করেনি ভিয়েনা। জানা গেছে, বহু বছর আগে ইতালির মিলানে কনসাল জেনারেল থাকা অবস্থায় তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অধস্তন এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে অসদাচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। ওয়াকিবহাল সূত্রের ধারণা, প্রত্যাখ্যানের পেছনে সেই অভিযোগ অন্যতম কারণ হতে পারে। মিস্টার ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তৃত তদন্ত করে যে তাকে প্রমোশন এবং পোস্টিং দেয়া হয়েছে তার দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে…
অস্ট্রেলিয়ার পার্ক রেঞ্জাররা (বনরক্ষী) দেশটির গভীর অরণ্যে বিশাল আকারের একটি কুনো ব্যাঙের খোঁজ পেয়েছেন, যেটি ওজনের দিক দিয়ে আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। আজ শুক্রবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। হলিউডের অতিকায় দানব ‘গডজিলার’ নাম অনুযায়ী এই ব্যাঙের নাম রাখা হয়েছে ‘টোডজিলা’। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডে কনওয়ে ন্যাশনাল পার্কে দানবাকার এই ব্যাঙ পেয়েছেন সেখানকার এক বনকর্মী। এখন প্রশ্ন ‘কেন টোড’ প্রজাতির এ ব্যাঙটিকে ‘টোডজিলা’ নাম দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কুইন্সল্যান্ডের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিভাগ জানিয়েছে, এটি বিশ্ব রেকর্ড হতে পারে। কারণ, এর আগে এত ওজনের ব্যাঙয়ের ‘হদিস’ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা টোডজিলার ওজন মেপে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম বা ৬…
অনেক অনেক দিন ধরেই ইতিহাবিদ এবং নৃতত্ত্ববিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল দশ থেকে পনের হাজার বছর আগে বর্তমান তুরস্ক থেকে ইরাক পর্যন্ত বিস্তৃত নদীবিধৌত উর্বর উপত্যকায় মানুষ প্রথম কৃষিকাজ শুরু করে। যাযাবর শিকারির জীবন ত্যাগ করে ডেরা বাধায় মন দেয়, অনেক সাধনা করে বুনো উদ্ভিদ এবং পশুকে পোষ মানিয়ে নিজের প্রয়োজন মেটাবার তাগিদে পুনঃপ্রজননে সক্ষম হয়। এই ছোট ছোট মানবগোত্র থেকেই একসময় পত্তন ঘটে নগর সভ্যতার, আসে রাষ্ট্র, আসে ধর্ম, আসে অন্ধ বিশ্বাস, আসে লিখন পদ্ধতি, চিত্রকলা। যদিও আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে আসা যাযাবর গোষ্ঠীরও হয়ত নিজস্ব বিশ্বাস ছিল, তারা প্রকৃতির নানা দৃশ্য-অদৃশ্য বস্তু, শক্তি ইত্যাদিকে দেবতা হিসেবে আরাধনা করত, কিন্তু মানুষের বিশ্বাস…
ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট ধাক্কা দিয়েছিল ইউরেশিয়ান প্লেটে। আর এর ফলে ঘটে গেছে মহা প্রলয়, চিরতরে বদলে গেছে আমাদের পৃথিবী। পৃথিবীর বুক চিরে উঠে এসেছে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সেই সংঘর্ষের কারনেই আজো ঘটে চলেছে নেপালের সেই ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের মত ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা। প্লেট টেকটনিকসের কারণেই ভারত মহাদেশীয় পাতটা সেই দক্ষিণ মেরুর কাছ থেকে, মহাসাগরে ভাসতে ভাসতে এসে, ৫ কোটি বছর আগে, ইউরেশীয় পাতের সাথে ধাক্কা খেতে শুরু করে। আর কোটি কোটি বছর ধরে সেই দুনিয়া কাঁপানো সংঘর্ষে দেড় হাজার মাইল জুড়ে গজিয়ে উঠছে হিমালয় পর্বতমালা। ৫৫ কোটি বছর আগে অনেকগুলো মহাদেশ মিলে তৈরি হয় গন্ডোয়ানাল্যান্ড নামের অতিমহাদেশ। আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এন্টার্কটিকা…
গুজরাট দাঙ্গা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রে ক্ষুব্ধ হয়েছে ভারত। ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামের দুই পর্বের তথ্যচিত্র প্রচারের পরপরই তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দুই পর্বের এই ধারাবাহিককে ‘প্রচারণা’ বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি। তিনি বলেছেন, ‘এই তথ্যচিত্রে পক্ষপাতিত্ব, বস্তুনিষ্ঠার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি, ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রভাব রীতিমতো স্পষ্ট।’ খবর এনডিটিভির তথ্যচিত্র নির্মাতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং দেশটির মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যকার উত্তপ্ত সম্পর্ক এখানে তুলে ধরা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০০২ সালে গুজরাটের দাঙ্গায় মোদির ভূমিকা নিয়েও অনুসন্ধান করা হয়েছে। ওই দাঙ্গায় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। গুজরাটে যখন…
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ আর মহামারি পরবর্তী সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটার ফল হিসেবে চলতি বছরের প্রায় পুরোটাই বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভুগতে হয়েছে। একদিকে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, অন্যদিকে ডলার সংকটে আমদানি এবং ব্যাংকিং খাতেও ছিল সংকট। মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকে তারল্য সংকট, টাকার দরপতনের মতো পরিস্থিতিতে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে সুদ হারে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক ঋণের নয়ছয় সুদ হার ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে ব্যাংকের আমানতের ওপর বেঁধে দেয়া সুদ হার তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতের সুদ হার নিজেরাই…
চীন এখন বিশ্বের একমাত্র একক বৃহৎ ঋণদাতা দেশ। প্রকাশ্য ঋণের অঙ্গীকার সত্ত্বেও চীনের অপ্রকাশিত বিপুল ঋণ রয়েছে বিভিন্ন দেশে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইডড্যাটা বলছে, চীনা ঋণের একটি বড় অংশই প্রকাশ করা হয় না কিংবা পরিসংখ্যানে আসে না। কিছু বৈদেশিক ঋণ প্রায়ই চীনা সরকারি ব্যালান্সশিটে বরাবরই উহ্য থাকে। বিদেশী সরকারের সাথে চীনা সরকারের ঋণ দেওয়া-নেওয়ার পরিবর্তে চীন ঋণগুলো দেয় সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, ব্যাংক, যৌথ অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। এইডড্যাটার তথ্যানুসারে, পৃথিবীতে ৪০টি নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশ রয়েছে যেগুলোকে তাদের জিডিপির ১০ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়েছে ‘হিডেন ডেট’ হিসেবে। জিবুতি, জাম্বিয়া, রিপাবলিক অব কঙ্গো, নাইজার, লাওস, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া,…
দুই দশক ধরে নির্বিঘ্নে ধর্ষণসহ নানা যৌন অপরাধ করে আসছিলেন যুক্তরাজ্যের লন্ডন পুলিশের এক কর্মকর্তা। শেষ পর্যন্ত তিনি ধরা পড়েছেন। অপরাধ স্বীকারও করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্রমিক ধর্ষককে গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। খবর এএফপির। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে উল্লেখ করেছেন৷ লন্ডনের পুলিশ বাহিনীকে অসদাচরণের মূলোৎপাটন এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি৷ দুই দশক ধরে চলা নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই লন্ডন পুলিশের এক কর্মকর্তা নিজের অপরাধ স্বীকার করলেন৷ ৪৮ বছর বয়সি এই পুলিশ অফিসার ৪৯টি অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন৷ তার স্বীকার করা অপরাধের মধ্যে ২০টি ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও নির্যাতন এবং মিথ্যা…
১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল। জন্ম নিয়েছিল এক নতুন ইতিহাস। প্রথমবার মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছিল মানুষ। নেপথ্যে ইউরি গ্যাগারিন। তবে মজার বিষয় হল, মহাকাশে পা রাখা প্রথম মানুষ হয়েও, দ্বিতীয়বার আর মহাকাশে যাওয়া হয়নি তার। অবশ্য ১৯৬৭ সালে রাশিয়ার অন্য একটি স্পেস-মিশনের জন্য সম্ভাব্য নভোচারীদের তালিকায় নাম ছিল গ্যাগারিনের। তবে শেষ পর্যন্ত সে-যাত্রায় মহাকাশে পৌঁছেছিলেন তারই বন্ধু ও সহকর্মী ভ্লাদিমির কোমারভ। কিন্তু জীবিত অবস্থায় দেশে ফেরা হয়নি তার। ঠিকই ধরেছেন, এই গল্পের নায়ক গ্যাগারিন নন, বরং কোমারভ। মর্মান্তিক পরিণতি জেনেও যিনি ঝুঁকি নিয়েছিলেন মহাকাশযাত্রার। শুধুমাত্র গ্যাগারিনকে বাঁচাতে। শুরু থেকেই বলা যাক এই গল্প। ১৯৬৭ সাল। সেবার ৫০ বছরে পা দিয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়নের…