…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা যখন নতুন করে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, তখন একটি প্রশ্ন সাধারণ…
Trending Posts
-
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- খামেনির মৃত্যুতে যে কারণে বদলে যাবে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র
- কোন দেশ কি ইরানের পাশে দাঁড়াবে?
- অজানা এক পাহাড়ি জনগোষ্ঠি যেভাবে গড়েছিল পারস্য সাম্রাজ্য
- ইরান যুদ্ধ দীর্ঘ হলে যে ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতি
- খামেনির মৃত্যুর পর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা শুরু ইরানের
- খামেনি নিহত হয়েছেন, নিশ্চিত করল ইরানি সংবাদমাধ্যম
- ইরানে মেয়েদের প্রাথমিক স্কুলে হামলায় অন্তত ৫৩ জন নিহত
- ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা: যা জানা গেল
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর পানি নিয়ে বিবাদ, বৈষম্য সবসময় মনোযোগ না পেলেও এটা বলতেই হবে আঞ্চলিক রাজনীতি-অর্থনীতিতে এর প্রভাব গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রে নদীর পানির ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার পারস্পরিক সম্পর্কের গতিপ্রকৃতিকে নির্ধারণ করতে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। ১৯৪৭-এ দেশভাগের মানচিত্র দেখলে খেয়াল করা যায় মূলত দুটি অববাহিকাকে আলাদা করেছিল নতুন সীমান্ত। সূত্র:বণিক বার্তা। পশ্চিম দিকে ছিল সিন্ধু অববাহিকা (ভারত ও পাকিস্তান) আর পূর্বে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকা (ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল)। অনেক ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তির মাধ্যমে পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ হয়, কিন্তু তা সবসময় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে এমনটা নয়। পানি নিয়ে বৈষম্যের কারণে ভাটির দেশগুলোয় সন্দেহের…
‘বাংলাদেশ’স লস মে বিকাম ইনডিয়া’স গেইন (বাংলাদেশের ক্ষতিতে হতে পারে ভারতের লাভ)’, সম্প্রতি ভারতের একটি সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের অস্থিরতা নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন শুরু হয় এই লাইনটি দিয়েই। ভারতের বাণিজ্য বিষয়ক গণমাধ্যম ’দি সেক্রেটারিয়েট’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনটির লেখিকা মহুয়া ভেঙ্কটেশ এই প্রতিবেদনে মূলত তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে চলমান সাম্প্রতিক অস্থিরতা এবং এই অস্থিরতার ফায়দা ভারত কীভাবে তুলতে পারে- সেই বিষয়টি। সূত্র: সময় নিউজ। শুধু এই গণমাধ্যমটিই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের অস্থিরতার ফলে যে ভারতই সবচেয়ে বেশি ফায়দা তুলতে যাচ্ছে, সে সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ’দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’, ’টাইমস অব ইন্ডিয়া’, ’ইকোনমিক টাইমস’ ও ’দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’…
দুই হাজার দুই সালের অক্টোবর মাস। বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে এক বছর হলো। দেশে তখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি। পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপের দিকে যাচ্ছিল। বিবিসি বাংলা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে মানুষের মনে আতঙ্ক, উদ্বেগ, ক্ষোভ আর হতাশা জন্ম নিয়েছে। ঢাকার রাস্তায় একের পর এক ওয়ার্ড কমিশনারদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছিল। এছাড়াও হত্যা এবং ডাকাতিসহ নানা ধরণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বেসামাল হয়ে পড়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চারদলীয় সরকার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেছিল বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার। কারণ, তার আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হওয়া বিএনপি সেটি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।…
বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন থেকে শিক্ষাকে বিচ্ছিন্নভাবে বিশ্লেষণ করা যায় না। এমনকি ভারতের মতো একটি শক্তিশালী প্রতিবেশীর সমর্থনও বাংলাদেশের অজনপ্রিয় সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তানের অনলাইন মিডিয়া এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে করাচির সামাজিক বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ডিন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুনিস আহমার বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে অন্তত মোটাদাগে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন থেকে উদ্ভূত তিনটি পাঠের কথা চিন্তা করা যায়। শেখ হাসিনার পতন থেকে কী শিক্ষা নেয়া দরকার এবং বাংলাদেশের এই পরিবর্তন এই অঞ্চলে কিভাবে প্রভাব ফেলবে? বেসামরিক স্বৈরশাসক এবং তাদের অনুসারীরা কি শিখবে কিভাবে জনগণের শক্তি একজন স্বৈরাচারীকে চলে যেতে বাধ্য করতে পারে? এ তিনটি প্রশ্নের উত্তরে…
শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত গোপনে প্রভাব খাটিয়ে বাংলাদেশের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের সেনা ভারতের দিকে যাতে কোনো স্ট্র্যাটেজিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে না পারে। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে- সামরিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশটির হাতে রয়েছে মাত্র ৮ টি মিগ্, ২৯ টি ফাইটার জেট। যা প্রমাণ করে হাসিনার আমলে স্পষ্টতই দেশের সামরিক ক্ষেত্রকে অবহেলিত করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও সামরিক দিক থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী পাকিস্তান। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৪ এর মতে , পাকিস্তানের মিলিটারি বাহিনী বিশ্বরাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে রয়েছে। বিশেষ করে…
রূপপুর পারমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে চায় রাশিয়া, তবে এক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে কঠিন শর্ত। যা পূরণ করতে পারছে না বাংলাদেশ। এদিকে বর্তমান অর্থনৈতিক টানাপড়েনের কারণে চীনের কাছে ঋণ পরিশোধের সময় বৃদ্ধি ও সুদের হার কমানোর আবেদন করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। সম্প্রতি রাশিয়া বৃহত্তর এ প্রকল্পের সময় বাড়ানোর জন্য আগ্রহের কথা জানিয়ে চিঠি দেয়। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ইআরডি সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এ প্রসঙ্গে দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাই কথা বলতে চাননি। তবে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মে মাসে রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত এক বছর বৃদ্ধি এবং ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানোর কথা…
রপ্তানি খাতের প্রধান পণ্য তৈরি পোশাক। হোমটেক্সটাইলসহ অন্যান্য সমজাতীয় পণ্য হিসাবে নিলে পোশাক থেকে আসে মোট রপ্তানি আয়ের ৮৭ শতাংশ। রপ্তানি পণ্যের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সুতা ও কাপড়ের উল্লেখযোগ্য অংশের জোগান দিয়ে থাকে দেশের বস্ত্রকলগুলো। রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতে জোগান দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে চাহিদা মিটিয়ে আসছে এসব কারখানা। স্থানীয় ও রপ্তানিমুখী পোশাকের কাঁচামালের দেশীয় জোগান এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। স্থানীয় সুতা ও কাপড়ের চেয়ে আমদানিতে দাম কম পড়ছে। এ কারণে তৈরি পোশাক উৎপাদনে স্থানীয় কাঁচামালের বদলে আমদানিতে ঝুঁকছেন রপ্তানিকারকরা। এতে আমদানি করা পণ্যের সঙ্গে দর প্রতিযোগিতায় কুলিয়ে উঠতে পারছে না দেশীয় বস্ত্রকল। বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোর…
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সে দেশের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’। তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। কিন্তু প্রতিবেশী হিসেবে সে দেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক জারি রাখতে ভারত আগ্রহী। সম্পর্ককে ভারত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। জয়শঙ্কর বলেন, ‘প্রতিবেশীরা একে অন্যের সঙ্গে জুড়ে থাকে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা আগ্রহী।’ নরেন্দ্র মোদি সরকারের তৃতীয় দফার শাসনের ১০০ দিন অতিক্রান্ত উপলক্ষে জয়শঙ্কর মঙ্গলবার কথা বলেন এনডিটিভির সঙ্গে। সেখানেই পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলার সময় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন। বস্তুত এই প্রথম…
কোয়েলাক্যান্থ ‘ল্যাজারাস ট্যাক্সন’ এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ‘ল্যাজারাস ট্যাক্সন’ হলো এমন প্রজাতি, যা আপাতদৃষ্টিতে জীবাশ্ম রেকর্ড থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং লক্ষ লক্ষ বছর পরে একই আকারে পুনরায় আবিষ্কার করা হয়। ১৯৩৮ সালের আগে আপনি যদি কোনো প্রাণিবিজ্ঞানীকে মানুষের জানা প্রাচীনতম মাছের নাম জিজ্ঞেস করতেন, আপনি সম্ভবত কোয়েলাক্যান্থ নামের এক ধরনের লোব-ফিশের কথা শুনতেন। মাছের নামটিই কেমন যেন পুরনো ধরনের তাই না! কোয়েলাক্যান্থস প্রথম উৎপত্তি লাভ করেছিল ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে ডেভোনিয়ান যুগের প্রথম দিকে। তবে ১৯৩৮ সালের আগ পর্যন্ত প্রাণিবিজ্ঞানীরা জানতেন না যে প্রাচীনতম এই মাছটি তখনো পৃথিবীর সমুদ্রে পাওয়া যেতে পারে। কারো মুখে এ সম্ভাবনার কথা শুনলেও তারা…
প্রশ্নটা শুনে পাগলামো মনে হতে পারে। অবিশ্বাস্য তো বটেই। কেউ কেউ বলতে পারেন, এসব আজগুবি প্রশ্নের কোনো মানে হয়? তবে বিজ্ঞানীরা কোনো প্রশ্নকে আজগুবি বলে উড়িয়ে দেন না। তাঁরা খুব যত্ন করে, হিসাব কষে ঘেঁটে দেখেন, ঘটনা কী। এই প্রশ্নটি নিয়েও তাঁরা তা-ই করেছেন। প্রশ্নটি মজার—আমরা কি কোনো কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে রয়েছি? প্রশ্নটা বোঝার জন্য ‘কৃষ্ণগহ্বর’ কী, তা জানা প্রয়োজন। জনপ্রিয় ধারার বিজ্ঞানচর্চার ফলে কৃষ্ণগহ্বর সবারই পরিচিত। তবু সহজ ও অতিসরল করে একটুখানি বলে নেওয়া যাক। আসলে, মৃত নক্ষত্র। নিজের ভরের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বা টানে সংকুচিত হয়েছে, চুপসে গেছে নিজের ওপরেই। ফলে এর ভেতরে স্থান-কাল এত বেশি বেঁকে গেছে যে জিনিসটা…