…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর অবস্থান সব সময়ই সংবেদনশীল, বিতর্কপ্রবণ এবং বহুমাত্রিক। সেই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বাংলাদেশ…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরানে বিক্ষোভে কয়েক হাজার প্রাণহানির পেছনে কি ট্রাম্প দায়ী নয়?
- কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসা ও জাজিরায় বিস্ফোরণ কী বার্তা দেয়?
- সাম্রাজ্যবাদী ট্রাম্প: গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দিলেই শুল্ক আরোপের হুমকি
- ভোটে জিততে আদর্শ থেকে সরল জামায়াত, শরিয়াহ আইনের দিকে যাবে না দলটি
- ইরানের দিকে কি এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী?
- ইরানে নিহত ২৪৩৫: মরদেহ জিম্মি করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি
- নিউইয়র্কের পোস্ট অফিসের গুদামে বাংলাদেশের পোস্টাল ব্যালট কেন?
- ৭ লাখ ৭৩ হাজার বছরের আগের আদিম মানুষ কেমন ছিল?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ইউএপিএ-র মতো আইন মোদির শাসনামলের আগেও ছিল। তবে এটি ভিন্ন মতাবলম্বী ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের শায়েস্তা করার অস্ত্রে পরিণত হয়েছে মোদির আমলে। আইনজীবী সুচিত্রা বিজয়ন ও সাংবাদিক ফ্রান্সেসকা রেচিয়ার লেখা বই ‘হাউ লং ক্যান দ্য মুন বি কেজড?’ বইয়ে এমন কয়েকজন ব্যক্তির গল্প তুলে ধরেছেন যারা মোদি ক্ষমতায় আসার পর ইউএপিএ বা অনুরূপ আইনে আটক হয়েছিলেন। তাদের মামলাগুলো একেকটা উদাহরণ এবং এসব মামলায় গ্রেপ্তার, সাক্ষ্য–সব নথিই সবার জন্য উন্মুক্ত। বইটি পড়লে মোদির শাসনব্যবস্থার ধারাকারা সম্পর্কে বোঝা যায়। যেমন রাজনৈতিক গ্রেপ্তার, অবৈধ তল্লাশি ও জব্দ করা, ভিন্ন মতাবলম্বীদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা, বিভ্রান্তি ছড়ানোর ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে চুপ রাখা ও গ্রেপ্তার…
ঢাকার মিরপুর ছয় নম্বর বাজার থেকে ১০০ টাকা দিয়ে চাষের কই মাছ কিনছিলেন রাজিয়া সুলতানা। পাশেই ছোট ছোট-বড় ইলিশ নিয়ে যে মাছের দোকানগুলো রয়েছে সেদিকে ফিরেও তাকাচ্ছেন না তিনি। ভরা মৌসুমে এবার ইলিশ কিনেছেন কী না? এ প্রশ্নের উত্তরে রাজিয়া সুলতানা জানান, এ বছর শুধু নয়, ঢাকায় আসার পর কখনোই তিনি ইলিশ মাছ কিনতে পারেননি। “ছোট-খাটো কাজ করে তিনডে ছেলেমেয়েকে লেখাপড়া শিখায়ে ইলিশ মাছ কিনে ভাত খাবো এই সামর্থ্য আমাদের নাই ভাই। যা দুই চারানা আয় করি তা দিয়ে তো ঘর-ভাড়া আবার যাবতীয় খরচা-মরচা মিলায়া হয় না। যে ইনকাম তা দিয়ে ইলিশ মাছ কিনলে ভাত খাওয়া হবে না, ভাত খাইলে…
অর্থনৈতিক অস্থিরতা আর চরম ডলার সংকটের সময়ে আশা-জাগানিয়া খবর এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরেই অন্তত পৌনে সাত বিলিয়ন ডলারের অর্থ জোগাড়ের প্রাথমিক সাফল্য পাওয়া গেছে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই বড় অঙ্কের ডলার পাওয়ার আশ্বাস এসেছে। ফলে শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা যোগ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর বাইরেও চীনের প্রস্তাবে বড় বিনিয়োগের সোলার প্লান্ট স্থাপন, নেপালের পক্ষ থেকে জলবিদ্যুৎ, জ্বালানি আমদানিসহ বিভিন্ন খাতে সহায়তারও আশ্বাস এসেছে বিশ্বনেতাদের কাছ থেকে। অর্থনীতিবিদরা এটাকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের প্রাথমিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন। তবে এ জন্য ঋণের শর্ত মেনে নানা…
বাংলাদেশ-ভারতের সমান মালিকানায় গড়ে উঠেছে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কেন্দ্রটি নির্মাণ থেকে শুরু করে ঋণের কিস্তি পরিশোধ সব কিছুই করা হচ্ছে সমহারে। কিন্তু কেন্দ্রটি পরিচালনায় লোকবল নিয়োগ থেকে শুরু করে সার্বিক তত্ত্বাবধান সব কিছুতেই রয়েছে ভারতের আধিপত্য। শুধু তাই নয় নিম্নমানের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে কেন্দ্রের উৎপাদন ঘন ঘন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আর এ ত্রুটি মেরামতে যে বিদেশী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হয়েছে সেটিও ভারতের মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটির নাম জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিমেন্স ইন্ডিয়া লিমিটেড। অথচ কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘন ঘন বন্ধ থাকলেও ঠিকই কেন্দ্রভাড়া দিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। ত্রুটি সারাতেও দফায় দফায় বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। যার অর্ধেক বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। পাওয়ার…
সর্বশেষ বরফ যুগের শেষে গাছপালা থেকে নিঃসরিত ব্যাপক পরিমাণের পরাগরেণু থেকে সৃষ্ট অ্যালার্জির প্রভাব ধীরে ধীরে উলি বা পশমী ম্যামথকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিতে সহায়তা করেছিল বলে নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সেই সময়ে গাছপালা এত বেশি পরাগরেণু নিঃসরণ করে যে, এটি প্রাণীদের মধ্যে ব্যাপকহারে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে ধীরে ধীরে ম্যামথের ঘ্রাণশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এরা একে অপরের সাথে স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়। গবেষকরা দাবি করছেন, প্রজনন ঋতুতে পশমী ম্যামথগুলো একে অপরের গন্ধ শুঁকতে পারতো না। এই অক্ষমতা ম্যামথদের মধ্যে যৌনতা খুঁজে পেতে বাধা দিত। যার ফলে এদের সংখ্যা দ্রুত হ্রাস…
খেলার মাঠের নৈপুণ্যে বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। এ সাফল্য ও খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি দিন দিন মাঠের বাইরে ব্যবসার জগৎকেও বিস্তৃত করেছেন। আর তা করতে গিয়ে অধিকাংশ সময়ই বিতর্কে জড়িয়েছেন। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করা, পুলিশ হত্যার আসামির জুয়েলারি শোরুম উদ্বোধন কিংবা অনলাইন বেটিং সাইটের বিজ্ঞাপনে পণ্যদূত হওয়ার জন্য চুক্তি করার মতো অপরাধের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন আরো আগেই। সর্বশেষ পুঁজিবাজারে শেয়ার কারসাজির দায়ে গতকাল সাকিব আল হাসানকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দেশের পুঁজিবাজারের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের আনুষ্ঠানিক সংযোগ ঘটে ২০১৭ সালে। সেই বছর তিনি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির শুভেচ্ছাদূত হন।…
সাবানের একটা সহজ, সুন্দর ও দীর্ঘ ইতিহাস আছে। শত শত বছর ধরে মানুষ পানি দিয়ে গোসল করেছে। উদাহরণ হিসেবে সিন্ধু সভ্যতার কথা বলা যায়। ২৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৯০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মহেঞ্জোদারোতে ছিল বিশালাকার বাথ বা স্নানাগার। বর্তমানের ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানজুড়ে ছিল মহেঞ্জোদারোর অবস্থান। এই স্নানাগারটি ছিল পৃথিবীর প্রাচীনতম গণস্নানাগারগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেখানে সম্ভবত কোনো সাবানের ব্যবস্থা ছিল না। মিসিসিপি স্টেট ইউনিভার্সিটির ইতিহাসবিদ জুডিথ রিডনার বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী লাইভ সায়েন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘নিয়মিত সাবান ব্যবহারের আগে অনেক মানুষ অপরিষ্কার থাকত। শরীর থেকে সত্যিই দুর্গন্ধ বের হতো।’ আধুনিক সাবানে অনেক অতিরিক্ত উপাদান থাকে। তবে শুরুর দিকে সাবান এমন ছিল না।…
বিশ্বজুড়ে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি ক্রমেই আরও খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি তিন শিশুর একটি ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন বা দূরের বস্তু পরিষ্কারভাবে দেখতে পায় না। আন্তর্জাতিক একটি গবেষণায় এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গবেষকেরা বলছেন, করোনা মহামারি চলাকালে শিশুরা ঘরবন্দী ছিল। ওই সময় তারা মোবাইল, ল্যাপটপ বা টেলিভিশনের মতো যন্ত্রের পর্দায় তাকিয়ে বেশি সময় কাটিয়েছে। বিপরীতে, ঘরের বাইরে কম সময় কাটিয়েছে তারা। শিশুদের দৃষ্টিশক্তির ওপর এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়, ক্ষীণদৃষ্টি বা মায়োপিয়া সারা বিশ্বেই এখন ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যজনিত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে বাড়তি কয়েক মিলিয়ন (১০ লাখে ১ মিলিয়ন) শিশুর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এটি। গবেষণায় সতর্ক করে…
বাংলাদেশে রাজনীতিতে গত ৫ই অগাস্টের পর থেকে পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ-বিহীন মাঠে সামনের দিনগুলোতে নতুন হিসেব-নিকেশ আসবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধান দুটো শক্তি বিএনপি এবং তাদের এক সময়কার রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামী। অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোন রাজনৈতিক দল না হলেও রাজনীতির মাঠে তাদের প্রভাব অন্যদের চেয়ে কম নয়। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফসল এবং তাদের পছন্দ। ।ম বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইতোমধ্যে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন তা দৃশ্যত মনে হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অনেক চিন্তাধারার সাথে তারা একমত…
বাংলাদেশকে ‘নিঃশর্তভাবে সাহায্য’ করে গিয়েছে ভারত, এক অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি মনে করেন, ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক ‘ইতিবাচক এবং গঠনমূলক’ ধারায় অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার এশিয়া সোসাইটি এবং এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘ভারত, এশিয়া এবং বিশ্ব’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ভারতের প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার সাথে আমাদের সম্পর্ক ‘ইতিবাচক এবং গঠনমূলক’ ধারায় অব্যাহত থাকবে। এ খবর দিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন। এতে বলা হয়, জয়শঙ্কর বলেছেন- বিষয়টি এমন নয় যে, ভারত প্রতিবেশীর রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের দিকটি শুধু যে ভারতের জন্য কাজ করছে না…