…
এডিটর পিক
ক্ষমতার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের নিয়ম বদলানো কেন কঠিন হয়ে ওঠে—জুলাই সনদের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই প্রশ্নই…
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments
- আমরা কি মানুষের কষ্ট বুঝি, নাকি তার পরিচয় দেখে সহানুভূতি দেখাই?
- আলাস্কায় ১৩,৮০০ বছরের পুরোনো বসতি: মানুষ কখন একটি জায়গাকে ‘ঘর’ বলতে শিখল?
- পুজোর বইয়ের স্টলে হামলার অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গে ভিন্নমতের জায়গা কতটা নিরাপদ?
- আবার আইএমএফের ঋণ: বাংলাদেশ কি সংকট সামলাচ্ছে, নাকি সংস্কার পিছিয়ে দিচ্ছে?
- অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- ভোলা ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০: ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু
- ভোটার তালিকা কার আস্থা ফেরাবে? পশ্চিমবঙ্গে ফের সংশোধনের দাবি ও নাগরিকের উদ্বেগ
- রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
মানব ইতিহাসের গভীর অতীতে ফিরে তাকালে আমরা দেখি, আমাদের প্রাচীন আত্মীয়রা কেবলমাত্র টিকে থাকার জন্য প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তারা পরিকল্পনা করে সম্পদ ব্যবহার ও সংগ্রহের কৌশলও আয়ত্ত করেছিল। নিয়ায়াঙ্গা নামক এক পুরাতাত্ত্বিক স্থানে পাওয়া ৪০১টি পাথরের হাতিয়ার সেই প্রমাণকে স্পষ্ট করে তুলেছে। প্রায় ৩০ লাখ থেকে ২৬ লাখ বছর আগের এই হাতিয়ারগুলো শুধু প্রাথমিক যন্ত্রই নয়, বরং প্রমাণ করে যে তখনকার প্রাইমেটরাও দীর্ঘ পরিকল্পনা করে কাজ করত। এই হাতিয়ারগুলোর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক দিক হলো এগুলোর উৎস। বেশির ভাগ পাথরই পাওয়া গেছে নিয়ায়াঙ্গা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত অঞ্চল থেকে। অর্থাৎ, হাতিয়ার তৈরির জন্য কেবল স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য…
নেপালে সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে ঘিরে যে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা শুধু একটি আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ। রাজধানী কাঠমান্ডুতে হাজার হাজার তরুণ যখন পার্লামেন্টের সামনে সমবেত হয়, তখন তাদের হাতে শুধু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিই ছিল না, বরং দুর্নীতি, বৈষম্য এবং সরকারের প্রতি অনাস্থার প্রতীকী স্লোগানও ছিল। “Enough is Enough” বা “End to Corruption” লেখা প্ল্যাকার্ড থেকে স্পষ্ট যে এই আন্দোলন বহুমাত্রিক। সরকার বলছে, ফেক নিউজ, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং অনলাইন জালিয়াতি ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তরুণদের চোখে এটি তাদের স্বাধীনতা ও ভবিষ্যতের ওপর সরাসরি আঘাত। কারণ জেনারেশন জি-এর…
ভারতে গরুর মাংস রপ্তানি একটি আজব বৈপরীত্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। একদিকে গরুকে “গোমাতা” বলে পুজো করা হয়, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি করে ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক। এর ভেতরে লুকিয়ে আছে দ্বিচারিতা, রাজনীতির সুযোগসন্ধান, আর্থিক বাস্তবতা এবং সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়নের কাহিনি। ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার আগে গোমাংস রপ্তানিকে “পিঙ্ক রেভল্যুশন” বলে ব্যঙ্গ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কংগ্রেস সরকার মুসলিমদের খুশি করতে এই ব্যবসা বাড়িয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তাঁর শাসনামলেই গোমাংস রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ টনের বেশি গরু-মহিষের মাংস বিদেশে যাচ্ছে, আয় হচ্ছে শত শত কোটি ডলার। বৈশ্বিক বাজারে…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা একটি দীর্ঘমেয়াদী উপস্থিতি, যা প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে টিকে আছে। ১৯৮১ সালের ১৭ই মে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আজ পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে সেই পদে আছেন। কিন্তু দলীয় নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি খুব একটা মুখ খোলেননি। নেতৃত্বের প্রশ্নে এই নীরবতা দলের ভেতরে শূন্যতা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক দিক থেকে হঠাৎ দুর্বল হয়ে পড়েছিল, যার একটি বড় কারণই ছিল সুস্পষ্ট উত্তরাধিকার পরিকল্পনার অভাব। বর্তমানে শেখ হাসিনা ভারতের মাটিতে অবস্থান করছেন ‘অতিথি’ হিসেবে। তার রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং দলের সাথে যোগাযোগের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই…
মানুষের দীর্ঘায়ু ও অমরত্বের প্রশ্নটি আদিকাল থেকেই মানবজাতিকে কৌতূহলী করে তুলেছে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সেই কৌতূহল আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আলাপে উঠে এসেছিল অঙ্গ প্রতিস্থাপন এবং ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকার সম্ভাবনার কথা। এটি যদিও কিছুটা হাস্যরসাত্মক মন্তব্য ছিল, তবুও এর ভেতরে লুকিয়ে আছে বাস্তব প্রশ্ন—মানুষ কি একদিন অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আয়ু এত দীর্ঘ করতে পারবে? অঙ্গ প্রতিস্থাপন আজ চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক বড় সাফল্য। বহু বছর ধরে রোগীরা নতুন কিডনি, লিভার, হার্ট কিংবা ফুসফুস প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে দ্বিতীয় জীবন পেয়েছেন। গবেষণা বলছে, জীবিত দাতার কিডনি প্রতিস্থাপিত হলে তা প্রায়…
বাংলাদেশের রাজনীতি আবারও এক অনিশ্চয়তার মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, সহিংসতা, এবং জনগণের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার ইতিহাসের মধ্য দিয়ে দেশ এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে এই নির্বাচন ঘিরে একাধিক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকার নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে একটি মহল জাতীয় পার্টিকেও স্বৈরশাসনের সহযোগী হিসেবে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলছে। প্রশ্ন এখন একটাই—যদি আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে থাকে, তবে তাদের কোটি কোটি সমর্থক ভোটার কী করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপটের দিকে নজর দিতে হবে। স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশে…
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ঘটনাটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক ভয়াবহ সহিংসতা ও সামাজিক অস্থিরতার নজির হয়ে থাকবে। একটি কবরস্থান থেকে মরদেহ তুলে এনে পুড়িয়ে দেওয়া—এই অমানবিক ঘটনা শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। একদিকে ধর্মীয় অনুভূতির জটিলতা, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ—এই দুইয়ের সংঘাতে রাজবাড়ীর মানুষ রক্তাক্ত হলো, সমাজে ভীতি ছড়িয়ে পড়ল। এ ধরনের ঘটনা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, আমাদের সমাজ কোন পথে হাঁটছে, আর আইন ও ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা কতটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলা। আশির দশকে তিনি নিজেকে ইমাম মাহাদি দাবি করেছিলেন, যা মুসলিম সমাজের বৃহত্তর অংশ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি।…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কৌশল ও তার প্রভাব নিয়ে আজ যে আলোচনা চলছে, সেটি অনেকটাই ঢাকার ‘স্পিন সুলতান’দের হাত ধরে তৈরি হওয়া আখ্যানের ফল। এরা এক ধরনের মতামত-প্রতিষ্ঠাকারী, যারা ব্যর্থতা বা দুর্বলতাকেও সাফল্যের গল্পে পরিণত করতে ওস্তাদ। গত চার বছরের পরিকল্পনা ছিল পুরোনো রাজনৈতিক ধারা পুরোপুরি মুছে ফেলা, কিন্তু অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এখন প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি তাদের হাতে আরেকটি পশ্চাদপসরণী পরিকল্পনা আছে, যা বিএনপিকে কোণঠাসা করার পথ তৈরি করবে? এই সুলতানদের কথায় শোনা গেছে বিদেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, চীনা অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বপ্ন, আসিয়ান বা সার্ক পুনরুজ্জীবনের দাবি। কিন্তু বাস্তবে এর কোনোটিই কার্যকর হয়নি। ফল হয়েছে আত্মসমালোচনা…
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘিরে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে, সেটি একটি বহুমাত্রিক বাস্তবতার প্রতিফলন। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে, যা সাধারণত দেখা যায় না। সেনাদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে, কিন্তু এই দীর্ঘ উপস্থিতি নানা প্রশ্ন তুলছে—তাদের ভূমিকা কি সংবিধান ও সামরিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, নাকি তারা রাজনৈতিক সংঘাতে অতিরিক্ত সম্পৃক্ত হয়ে পড়ছে? ঢাকার কাকরাইলের সাম্প্রতিক সংঘর্ষে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর সেনা ও পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে দলের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক…
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই ভারত–মার্কিন সম্পর্ক ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। গত এক চতুর্থাংশ শতাব্দীর মধ্যে এই সম্পর্ককে সবচেয়ে নাজুক বলা হচ্ছে। এমনকি খবর এসেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে ট্রাম্পের ফোন ধরেননি। গত বছর নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ট্রাম্পকে দিল্লিতে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছিলেন। মোদি নিজেও তাঁকে ‘বন্ধু’ বলে শুভেচ্ছা জানিয়ে উষ্ণ ছবি প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু খুব দ্রুত সেই সম্পর্ক ভেঙে পড়তে শুরু করে। প্রথম ধাক্কা আসে বাণিজ্য ইস্যুতে। হোয়াইট হাউসে বৈঠকে মোদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও অস্ত্র, তেল ও গ্যাস কেনার প্রতিশ্রুতি দেন এবং আশা করেন ভারতীয় পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক…