…
এডিটর পিক
রংপুরে একটি শিক্ষক পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা শুধু একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- হিন্দু শিক্ষক পরিবারের চারজনকেই হত্যা: ধর্ম, শিক্ষকতা ও নিরাপত্তা
- কফি এনেমা: ‘ডিটক্স’-এর মোড়কে বিপজ্জনক অপচিকিৎসা
- রোমান সাম্রাজ্যের রহস্যময় দেবী: গুহার দেয়ালে মিলল ১২০টি লাতিন বার্তা
- মোদির টেবিলে ফারাক্কা: বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তিতে আসছে কি বড় পরিবর্তন?
- বিয়ের ফাঁদে চীনে বাংলাদেশি নারীরা: নরকে বসবাসের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতি থেকে ‘স্টকহোম সিনড্রোম’: বন্দিরা কেন অপহরণকারীর পক্ষ নিয়েছিল?
- বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি বদলালেন, ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাবে?
- ভাতার প্রতিশ্রুতি থেকে রাজপথের ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গে কল্যাণের রাজনীতি কি সংকটে?
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
রাহাত মুস্তাফিজ সময়টা ১৯০৮। নিউ ইয়র্ক সিটি শহরে ১৫,০০০ নারী মিছিল নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তাঁদের দাবি ছিলোঃ ১। ভোটের অধিকার, ২। সম্মানজনক বেতন এবং ৩। যুক্তিসঙ্গত ও সংক্ষিপ্ত কর্মঘণ্টা এই নারীরা ছিলেন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। শ্রম শোষণের শিকার এইসব নারীরা তাঁদের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষ্যে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তাঁদের এই আন্দোলন পরবর্তীতে জন্ম দেয় আন্তর্জাতিক নারী দিবসের। সুতরাং এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় নারী দিবসের শেকড় সন্ধান করতে গেলে নিউ ইয়র্ক শহরে সংঘঠিত উল্লেখিত আন্দোলনের কথা বিশেষভাবে বলতে হবে। এক বছর পরে, অর্থাৎ ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতান্ত্রিক পার্টি জাতীয় নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়। তবে দিনটিকে আন্তর্জাতিক…
শুভ্র সরকার : সম্প্রতি চীন নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে নতুন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার, যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী সাবমেরিন যুক্ত করার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ, সক্ষমতায় এরই মধ্যে মার্কিন নৌবাহিনীকে ছাড়িছে চীন। ইউএস অফিস অব নেভাল ইন্টেলিজেন্স (ওএনআই) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে চীনা নৌবাহিনীর বহরে ২৫৫টি যুদ্ধজাহাজ ছিল। ২০২০ সালের শেষের দিকে জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৩৬০ এ দাঁড়িয়েছে। হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের কাছে ৬০টি জাহাজ বেশি আছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী চার বছর পর, চীনের কাছে ৪০০টি যুদ্ধজাহাজ থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ওএনআই। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের নৌবহরে ৩৫৫টি জাহাজ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিএনএন বলছে, বিশ্বে মার্কিন নৌবাহিনী শ্রেষ্ঠত্ব…
বিশেষ প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন যাবৎ জামায়াতকে ছাড়ার বিষয়ে বিএনপি’র ওপর দেশি ও আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে জামায়াতকে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি এবং উগ্রবাদী হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। ২০১৪’র নির্বাচনের পর থেকে বিএনপি’র সঙ্গে জামায়াতের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই বললেই চলে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে জামায়াত থাকলেও প্রায় ছয় বছর ধরে জামায়াতের সাথে দূরত্ব রেখে বিএনপি বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে এবং তা পালন করছে। তাই জামায়াতে ইসলামীর এই থাকা, এক প্রকার দায় সারা উপস্থিতিই। সূত্র মতে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের নানা কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি যখন মাঠে নেমেছে, তখন দলটিতে জামায়াতের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার আলোচনা জোরালো হয়েছে। বিএনপির…
মামুন আব্দুল্লাহ : ইউরোপের অন্যতম ধনী দেশ সুইজারল্যান্ড। সমগ্র দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ৮৫.৪ লক্ষ। জীবন যাত্রার মানের দিক থেকে এটি পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় দেশ সমূহের একটি। হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স বা মানব উন্নয়ন সূচকে প্রথম অবস্থানেই রয়ছে নরওয়ে। তাদের এইচডিআই ভ্যালু ০.৯৫৭। এরপরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে আয়ারল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। তাদের এইচডিআই একই, অর্থাৎ ০.৯৫৫। মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান প্রায় তলানিতে। বাংলাদেশ ১৩৩, ভারত, ১৩১, পাকিস্তান ১৫৪, এবং ভুটান ১২৯। সুইজারল্যান্ডে অতি সাম্প্রতিক বোরকাকে নিষিদ্ধ করবে কিনা এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রাশিয়ার স্পুটনিক ও কাতারের আল জাজিরা। আল জাজিরার রিপোর্টে উঠে এসেছে সুইজারল্যান্ডের মুসলিম কমিউনিটি বোরকা নিষিদ্ধের জন্য…
Nash Colundalur দক্ষিণভারতে ‘দেবদাসী’ নামের এক অদ্ভুত বর্বর প্রথা চালু আছে যে ব্যবস্থায় একটা মেয়ে শিশুকে মন্দিরে উৎসর্গ করে দিতে হয়। বাস্তবে মেয়েটি হয়ে যায় ধর্মের নামে মন্দিরের পুরোহিত, সমাজের উঁচু স্থানের মানুষের স্বল্পমূল্যের আজীবন যৌনদাসী। দেবদাসী হিসেবে কন্যাশিশুর উৎসর্গ করার রীতিকে ভারতের সরকার ১৯৮৮ সালে আইনত নিষিদ্ধ করলেও গোচরে অগোচরে সমাজপতিদের সহায়তায় এই অমানবিক কর্মকাণ্ড চলছেই। প্রভাতাম্মা এরকমই একজন দেবদাসী, ধর্মগুরুগণ বড় গলায় নাম দিয়েছেন ‘ঈশ্বরের সেবক’ দেবদাসী। তার গলায় দেখা যায় লাল-সাদা পাথরের মালা। প্রভাতাম্মাকে মাত্র ১০ বছর বয়সেই দক্ষিণ ভারতের সুনদাত্তি মন্দিরের ‘ইয়েল্লাম্মা’ দেবীর পায়ে উৎসর্গ করা হয়। ফলে সে আর কোনদিন কোন জাগতিক মানবকে বিয়ে করতে…
মীর মোনাজ হক অ্যান্টোনিও গ্রামসির জন্ম ইটালির সার্ডিনিয়ায় ১৮ জানুয়ারি, ১৮৯১ সালে। তিনি শ্রমিকদের ‘বিপ্লব সংগ্রামের জন্য এবং শ্রমিকদের ভ্যানগার্ডের বিপ্লবী দল গঠনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। এর জন্য তিনি ১৯৩৭ সালের এপ্রিলে মুসোলিনির ফ্যাসিবাদের শাসনামলে কারাগারে তাঁর জীবন কাটিয়েছিলেন। তিনি মার্কসবাদী, তিনি রাশিয়ান বিপ্লবে সোভিয়েট বা শ্রমিক পরিষদের অভিজ্ঞতার সাথে পশ্চিম ইউরোপের তৎকালীন পুঁজিবাদের অবস্থার সাথে সম্পর্কিত ছিলেন। “আমি উদাসীনদের পছন্দ করিনা। আমি বিশ্বাস করি বেঁচে থাকার অর্থ সঠিক পক্ষ নেওয়া। উদাসীনতা, পরজীবীতা, কাপুরুষতা, জীবনের ঠিক বিপরীতমুখী। আমি বেঁচে আছি, আমি পক্ষপাতদুষ্ট তাই। সুতরাং আমি যাকে সমর্থন করি না তাকে ঘৃণা করি, আমি উদাসীনদের ঘৃণা করি।” ১৯১৭ সালে অ্যান্টোনিও গ্রামসি যখন…
শুভ্র সরকার : প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের কাছে শপথ নেয়ার পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।’ ট্রাম্প শাসনের অস্থির সময় পেরিয়ে বাইডেনের কাঁধে যুক্তরাষ্ট্র ও গণতন্ত্র বিশ্বের জন্য কতটা স্বস্তির হবে, তার বেশ কিছুটাই আন্দাজ করা সম্ভব এখন। গদিতে বেশ জাঁকিয়ে বসেছেন জো বাইডেন। নির্বাচনের পূর্বে ট্রাম্পের উল্টোস্রোতে নিজের অবস্থান বেশ জোরেশোরেই প্রচার করেছিলেন বাইডেন। যদিও সেই পুরনো বোতলে নতুন মদের মতো, ট্রাম্পের পেছনে এসেই দাঁড়িয়েছেন তিনি। জেনে নেয়া যাক, বাইডেনের সম্প্রতি কিছু সিদ্ধান্ত এবং তার তাৎপর্য। সিরিয়ায় বাইডেনের অনুমতিতে বিমান হামলা বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অনুমতি সাপেক্ষে সিরিয়ায় বেশ কিছু সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের…
বিশেষ প্রতিনিধি : বাকস্বাধীনতার পাশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, রাষ্ট্রের এই প্রহসন কণ্ঠরোধ করে দিয়েছে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধশক্তির। গণতন্ত্রের কফিনে এই আইন হতে পারে শেষ পেরেক। সমালোচনার কোন সুযোগ রাখেনি এই আইন। আন্তর্জাতিক প্রাঙ্গণেও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশ। তবু টনক নড়ছে না সরকারের। গতকাল রাতে এই আইনের বেড়াজালে মৃত্যু হয়েছে, লেখক মুশতাক আহমেদের। এখানে হত্যাকারীর ভূমিকায় আছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সরকার কি এই দায় এড়াতে পারবে? মানুষের সংঘবদ্ধতা যদি এখনি এই আইনের বিলোপ ঘটাতে না পারে, তাহলে আরও অনেক মৃত্যু আমাদের দেখতে হবে। বাংলাদেশ প্রস্তুত তো? বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে…
মীর মোনাজ হক : ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮০২ সালের এ দিনে বিখ্যাত ফরাসী লেখক ও সাহিত্যিক ভিক্টর হুগো জন্ম গ্রহণ করেন। ‘টয়লার্স অব দ্যা সী’ বা সাগরের শ্রমিক, ‘দ্যা ম্যান হু লাফ’ বা হাসতো যে লোকটি শীর্ষক উপন্যাসগুলো ভিক্টর হুগোর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগো কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস ও নাটক রচনা করেন এবং সাহিত্যিক হিসাবে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইউরোপের যে তিনজন লেখকের তুলনা চলে ভিক্টর হুগো তাদের মধ্যে অন্যতম। বাঁকি দুজন হলেন, জার্মান লেখক গোথে ও রুশ লেখক লিও তলস্তয়। তিনি একজন রাজনৈতিক প্রচারক হিসেবেও কাজ করেন। চেম্বার অফ কমার্স, সংসদ সদস্য বা সিনেটরের সদস্য হিসাবে তিনি বেশ কয়েকবার রাজনীতিতে…
আলী রিয়াজ : কী লিখবেন? কি লিখবো? মুসতাকের নাম লিখবেন? লিখবো মুসতাক আহমেদ নামে একজন লেখক ছিলেন? ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র’-এর অভিযোগ মাথায় নিয়ে কার্যত বিনা বিচারে তাঁকে মরতে হয়েছে কারাগারের প্রকোষ্ঠে, আদালত তাঁকে জামিন দেয়নি কেননা জামিনের ‘যোগ্য’ বলে বিবেচিত হননি, সেই সময়ে অনেকেই জামিন পেয়েছেন। মোসতাকের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেছে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি – এটা তো আমরা জানি। রাষ্ট্র চায়নি, কিন্ত রাষ্ট্র তো একটা বায়বীয় বিষয় নয়। কে চায়নি সেটা তো বুঝতে পারি – সরকার চায়নি। গত মে মাস থেকে তাঁকে যে আইনের অধীনে কারাগারে থাকতে হয়েছে সেই আইনের উদ্দেশ্য বুঝতে যদি এতদিনেও কারো সংশয় থাকে তবে আরেকবার মনে করুন –…