Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ১৮ জানুয়ারি ২০২১

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ৪ মাঘ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ।

জঙ্গিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে চাই :আইজিপি
ইত্তেফাক

বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদের শেকড়-বাকড় উপড়ে ফেলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পুলিশ প্রধান আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শেষ জঙ্গিও নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। এখানে আত্মতুষ্টির কোনো স্থান নেই। বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদের শেষ শেকড়-বাকড়টিও উপড়ে ফেলতে চাই। পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) উদ্যোগে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে নির্মিত সচেতনতামূলক অনলাইনভিত্তিক ওভিসি ও টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জঙ্গিবাদ মহামারি করোনার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশও সামনের সারিতে থেকে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ভৌগলিকসহ নানা কারণে জঙ্গিরা বিভিন্ন সময় বাংলাদেশকে টার্গেট করেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স ও এ দেশের শান্তিপূর্ণ মানুষের জঙ্গিবাদ বিরোধী অবস্থানের কারণে তাদের অসত্ উদ্দেশ্য সফল হয়নি। হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনা বেশ নাড়া দেয়। যে নেটওয়ার্কটি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সেটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ডিসমেন্টাল করে দিতে পেরেছি। এমনই একটা প্রেক্ষাপটে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এটিকে একটি রোবস্ট ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, জঙ্গিবাদের শকুনের থাবা যেন কোনোভাবেই বিস্তার না করতে পারে।

 

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি খাল-রাস্তা দখলের অভিযোগ

বাংলা ট্রিবিউন
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

পটুয়াখালীর কালাইয়া-দশমিনা উপজেলার ল্যাংড়া মুন্সির পুল এলাকায় একমাত্র খাল দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি নির্মাণে অভিযোগ পাওয়া গেছে পুলিশ সার্জেন্ট নাঈমের বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্থানীয়রা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবহিত করলেও অদৃশ্য কারণে তা বন্ধ হয়নি। জানা গেছে, কালাইয়া দাশপাড়া খালের সংযোগকারী ব্রিজটির কোল ঘেঁষেই নির্মাণ করা হচ্ছে একাধিক দোকান ঘর ও ভবন। নির্মাণ কাজ যাতে বাহির থেকে দেখতে না পারে সেজন্য পলিথিন ও চট দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। কাজের তদারকি করছেন সার্জেন্টের স্ত্রী। খালের মধ্যে বেইজ কলম নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। ইতোমধ্যেই ভোগান্তিতে পড়েছে দশমিনা কালাইয়া  অঞ্চলের নৌ পথে মালামাল নেওয়া আনা করা ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়রা জানান, তার জমির চেয়ে বেশি অংশ খালের মধ্যে দখল করে নিয়ে কাজ করছেন। তিনি পুলিশে চাকরি করায় ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না। দাসপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ওই পুলিশ সদস্য শুধু খালই দখল করেননি, সরকারি রাস্তাও দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

এলজিইডি বাউফল উপ প্রকৌশলী আব্বাস উদ্দিন জানান, ওই পুলিশ কর্মকর্তার ভবনের একাধিক কলাম (খুটি) মূল সড়কের মধ্যে চলে আসছে। কালাইয়া থেকে দাশপাড়া হয়ে লোহালিয়া পর্যন্ত ১৮ ফুটের রাস্তার কাজ শুরু হলে তার ভবনের বেশকিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাকে রাস্তা রেখে কাজ করতে বলা হয়েছে।বরিশাল শহরে কর্মরত পুলিশ সার্জেন্ট নাঈম বলেন, ‘আমি কোনও সরকারি রাস্তা ও খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছি না। আমার পৈত্রিক ভিটায় বাড়ি  নির্মাণ করছি।’

 

সাংবাদিক হুমায়ুন কবির হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

প্রথম আলো
বিভাগ: গণমাধ্যম

খুলনার সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বালু হত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলায় পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এই পাঁচজনের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। ১৬ বছর পর এই মামলার রায় দেওয়া হলো। আজ সোমবার বেলা একটার দিকে রায় ঘোষণা করেন খুলনা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. সাইফুজ্জামান হিরো। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির এম এল জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা সৈয়দ ইকবাল হোসেন ওরফে স্বাধীন, নজুল ওরফে রিপন ওরফে নজরুল ইসলাম ওরফে খোড়া নজরুল, মাসুম ওরফে জাহাঙ্গীর, রিমন ওরফে আসাদুজ্জামান ও জাহিদ হোসেন ওরফে সবুজ ওরফে জাহিদুর রহমান। রায় ঘোষণার সময় জাহিদ, নজরুল ইসলাম, রিমন ও স্বাধীন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আর জাহাঙ্গীর বর্তমানে পলাতক।

২০০৪ সালের ২৭ জুন সাংবাদিক হুমায়ুন কবির তাঁর নিজ কর্মস্থল খুলনার স্থানীয় দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার প্রধান ফটকের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন। সাংবাদিক হুমায়ুন কবির হত্যার ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া দুই অংশে বিভক্ত। একটি ছিল হত্যার ঘটনায় করা মামলা। আরেকটি বিস্ফোরক মামলা। ২০০৮ সালে হত্যা মামলা অংশের বিচারে সাত আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। আর আজ বিস্ফোরক মামলা অংশে এই রায় দেওয়া হলো।

 

সাংবাদিকের মাথা ফাটানো সেই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

কালের কন্ঠ
বিভাগ:গণমাধ্যম

অবশেষে বরখাস্ত হলেন সাংবাদিককে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়া ভূরুঙ্গামারী সদর ইউপির সেই চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজেন। রবিবার (১৭ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবু জাফর রিপন স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজেনের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে লাঞ্ছিত, পুজা মন্ডপের দোকান সরানো, পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও চিকিৎসকদের হুমকি প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সম্পাদক এমদাদুল হক মন্টুকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি গ্রেপ্তারও হন। এমতবস্থায় প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার দায়িত্ব পালন সমীচীন নয় মনে করে জনস্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে পত্রে উল্লেখ করা হয়।

টকশোতে পিকে হালদার
৭১ টিভিকে সতর্ক করে রুল নিষ্পত্তি

যুগান্তর
বিভাগ: গণমাধ্যম

অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা পিকে হালদারের বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে একাত্তর টিভিকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এ বিষয়ে দুদকের আনা আদালত অবমাননার অভিযোগ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। একইসঙ্গে পিকে হালদারের সঙ্গে টকশোতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানকে ডাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ‘পৃথিবীর কোথায় আছে যে আসামির সঙ্গে আইনজীবীকে টকশোতে ডাকে?’ রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

আদালত বলেন, ৭১ টিভি এফিডেভিট দিয়ে বলেছে পিকে হালদারের বক্তব্য অসৎ উদ্দেশ্য থেকে নয়, সরল বিশ্বাসে প্রচার করেছে। আদালতের মর্যাদাকে খাটো করে এমন উদ্দেশ্যে করা হয়নি। এ ছাড়া পলাতক আসামির বক্তব্য প্রচার করা যাবে না এমন কোনো আদেশও আদালতের ছিল না। ৭১ টিভির এই বক্তব্য গ্রহণ করে তাদেরকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। একইসঙ্গে বিচারাধীন মামলায় পলাতক ও দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহজাবীন রব্বানী দীপা ও আন্না খানম কলি। আর পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোশারফ হোসেন। এ ছাড়াও শুনানিতে যুক্ত হন আইনজীবী আজিজ। ৭১ টিভির পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ আশরাফ এবং আদালতের নির্দেশনায় মোহাম্মদ শিশির মনির যুক্ত হন।

 

Accused, Convicts: Media cannot publish their remarks: HC

The Daily Star
Category: Media

A High Court bench yesterday cautioned the media to be more careful while broadcasting and publishing news with regards to an absconding accused as well as subjudice matters in future.

It upheld an ad-interim order of injuction restraining all media from participating, publishing or broadcasting any statement, comment, interview and conversation of anyone accused and convicted of non-bailable and cognisable offences on television news or talk shows with regard to the cases pending before court or an investigating agency until further orders.

The bench, however, declined to issue the contempt of court rule against Ekattor TV, a private television channel, for allowing Proshanta Kumar Halder, also known as PK Halder, to participate in a live talk show and broadcasting his interview on December 28.

The HC bench of Justice Md Nazrul Islam Talukder and Justice Mohi Uddin Shamim disposed of a petition filed by the Anti-Corruption Commission praying for the issuance of the contempt of court rule against Ekattor TV authorities for allowing PK Halder, a fugitive in a money laundering case, to participate in a live talk show and having his interview broadcast.

Earlier in the day, Ekattor TV authorities submitted an explanation through its lawyer Muhammad Ashraf Ali to the HC saying that they broadcast the interview in good faith and had no mala fide intent to undermine the majesty of the court. The TV channel authorities said they were not aware of any court order restraining publication and broadcasting any report on the subjudice matters adding that they will remain more cautious in this regard.

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আপনার মতামত জানানঃ