…
এডিটর পিক
বাংলাদেশকে ঘিরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের…
Trending Posts
-
নতুন পদ্মা ব্যারাজ দক্ষিণ এশিয়ার জলশক্তির মানচিত্র বদলে দেবে: দ্য হিন্দু
জুন ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাড়ছে: ইসরায়েলের নজরদারিতে বাংলাদেশ
জুন ১৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
জুন ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
জুন ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
নতুন পদ্মা ব্যারাজ দক্ষিণ এশিয়ার জলশক্তির মানচিত্র বদলে দেবে: দ্য হিন্দু
জুন ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাড়ছে: ইসরায়েলের নজরদারিতে বাংলাদেশ
জুন ১৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
জুন ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
জুন ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- বৃটেনে ‘পাকিস্তানি ধর্ষণ চক্র’: নির্যাতনের শিকার আড়াই লাখ শিশু-কিশোরী
- হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাড়ছে: ইসরায়েলের নজরদারিতে বাংলাদেশ
- হাসিনা পরবর্তী এক বছরে সুইস ব্যাংকে রেকর্ড অর্থ পাচার
- চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কার দিকে ঝুঁকবে বাংলাদেশ?
- ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারসহ আর কী দেবে যুক্তরাষ্ট্র?
- ভারত জোর করে মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে: এইচআরডব্লিউ
- বাবা ‘যুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপির জন্ম ১৯৮১ সালে
- যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিকে বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি থেকে দুটি আধুনিক বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে, যার ব্যয় হবে প্রায় ৯৩৬ কোটি টাকা বা ৭ কোটি ৬৬ লাখ মার্কিন ডলার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি কাজ পেয়েছে। জাহাজ দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে কেনা হবে। সরকারি সূত্র জানায়, এই জাহাজগুলো দেশের নৌপরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনে স্বনির্ভরতা, এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই ক্রয়কে ঘিরে কূটনৈতিক…
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের মাধ্যমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, ভোটার অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন এবং নির্বাচন-পরবর্তী স্বচ্ছতা—সব ক্ষেত্রেই তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিবর্তনগুলো মূলত নির্বাচনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার হাত থেকে বাঁচানো, দলীয় স্বকীয়তা রক্ষা, অনিয়ম রোধ, প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ফলাফল ঘোষণার পদ্ধতিকে নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। প্রথমত, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে একটি বড় বিতর্কের বিষয় ছিল যে, কোনো আসনে কেবল একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলে বা অন্য প্রার্থীরা সরে দাঁড়ালে তিনি বিনা…
২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এসব পদক্ষেপের ফলে মাত্র এক বছরের মধ্যে সরকার মোট ১৪ হাজার ১৩১ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয় করতে সক্ষম হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের অদক্ষতা, উচ্চমূল্যের আমদানি এবং অনিয়ন্ত্রিত প্রকল্প ব্যয়ের কারণে যে আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে এসব উদ্যোগের ফলে। সরকার প্রথমেই ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ বাতিল করে এবং ২০০৮ সালের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস অনুসরণে ফিরে আসে। এর ফলে জ্বালানি…
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গন সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবং সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রকাশ্যে দাবি করেছেন—বর্তমান সরকারের আটজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তাঁর কাছে সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে। এই অভিযোগ শুধু নামহীন ও সাধারণ অভিযোগ নয়; বরং তিনি সভায় উপস্থিত প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে বলেছেন, গোয়েন্দা সংস্থার কাছেও এই প্রমাণ আছে, কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার শুরু রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী দিনের জনপ্রশাসন’ শীর্ষক এক সেমিনারে। উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ আমলারা। আলোচক…
২০২৪ সালের আগস্টের শুরুতে ঢাকার গণভবনে যা ঘটেছিল, তা শুধু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নয়, সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতির মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণেও বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ার যোগ্য। সেই সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম প্রকাশ করেছিলেন, কীভাবে এক দীর্ঘ রাত এবং ভোরবেলার কয়েক ঘণ্টায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার ভারসাম্য কেঁপে উঠেছিল। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫ আগস্ট সকালে যখন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে ক্ষমতা ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, তখন তিনি উচ্চারণ করেছিলেন—“আমাকে গুলি করে মেরে ফেলো, আর গণভবনে কবর দিয়ে দাও।” প্রথম শোনায় এটি মনে হতে পারে এক আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া, কিন্তু মনস্তত্ত্ব ও রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে…
গাজা যুদ্ধের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যিনি নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বারবার সংকট পেরিয়েছেন, এবার এমন এক পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন যা কার্যত একা লড়াইয়ের সমান। তাঁর প্রস্তাব—গাজা সিটি দখল করা—ইসরায়েলের সামরিক নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক মিত্র এমনকি দেশীয় জনমতের বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়েও অনুমোদন পেয়েছে। নেতানিয়াহুর এই পরিকল্পনার পেছনে রাজনৈতিক হিসাব স্পষ্ট। সামরিক বাহিনী বলেছে, এই অভিযান গাজার মানবিক বিপর্যয় বাড়াবে এবং সেখানে থাকা ৫০ জন জিম্মির জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে। জরিপে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের অধিকাংশ মানুষ চায় যুদ্ধ থামুক এবং বন্দীরা নিরাপদে ফিরুক। কিন্তু নেতানিয়াহু জানেন, যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে…
ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে সোমবার এক উত্তাল দৃশ্যের জন্ম দিল দিল্লির রাজপথ। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন, কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার মুহূর্তটি শুধু ভারতীয় গণমাধ্যমেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও দৃষ্টি কাড়ে। ঘটনা ঘটে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর একটি প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে, যা নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধনের নীতি ও প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই নীতি ক্ষমতাসীন বিজেপিকে সুবিধা দেবে এবং লক্ষ লক্ষ গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার কেড়ে নেবে। সকালে ঠিক সাড়ে এগারোটায় নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের মকর দ্বার থেকে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারা মিছিল শুরু করেন। গন্তব্য ছিল নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তর ‘নির্বাচন…
লালমনিরহাটে সম্ভাব্য বিমানঘাঁটি নিয়ে ভারতীয় রাজনীতি, চীনের উপস্থিতি, এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান—এই পুরো বিষয়টি শুধু একটি সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের গল্প নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির এক জটিল চিত্র। ভারতের ‘চিকেন নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডোরের একেবারে কাছাকাছি লালমনিরহাট, যা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র সরু সংযোগ পথ। এখানে চীনা অর্থায়নে বিমানঘাঁটি বা এয়ারফিল্ড পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং সম্প্রতি লোকসভায় জানিয়েছেন, তারা এই প্রকল্প সম্পর্কিত সব ধরনের প্রতিবেদন নজরে রেখেছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টর গত মে…
গবেষণাগারে ‘ব্ল্যাকহোল বোমা’ তৈরির ঘটনা কেবল একটি বৈজ্ঞানিক কৌতূহল নয়, বরং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অর্ধশতাব্দী পুরোনো এক তত্ত্বকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণ করার এক অনন্য সাফল্য। এই সাফল্য আমাদের মহাবিশ্বে শক্তি স্থানান্তরের প্রকৃতি, ঘূর্ণমান জ্যোতিষ্কের আচরণ এবং ব্ল্যাকহোলের রহস্য বোঝার পথে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। ঘটনাটির শেকড় ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে, যখন মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুগুলোর একটি—ব্ল্যাকহোল—সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা তীব্র কৌতূহলে গবেষণা চালাচ্ছিলেন। ১৯৬৯ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিদ ও পরবর্তী সময়ে নোবেল বিজয়ী স্যার রজার পেনরোজ একটি বিপ্লবাত্মক ধারণা দেন। তিনি প্রস্তাব করেন, একটি ঘূর্ণমান ব্ল্যাকহোলের ‘এরগোস্ফিয়ার’ নামের অঞ্চলে বিশেষ পরিস্থিতিতে কণিকা বা তরঙ্গ প্রবেশ করালে, সেগুলো অতিরিক্ত শক্তি লাভ করে ব্ল্যাকহোলের ঘূর্ণনশক্তি থেকে…
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক বরাবরই এক অদ্ভুত ভারসাম্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে। দুই দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, বৃহৎ বাজার, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং কৌশলগত স্বার্থের মিল থাকা সত্ত্বেও তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভেতরে সবসময় এক ধরনের অবিশ্বাস, প্রতিযোগিতা এবং দ্বিধা কাজ করে। নরেন্দ্র মোদি যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়ে উঠলেন, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির সময়কার দৃশ্যপট ভারতীয়দের কাছে এক নতুন আশার জন্ম দিয়েছিল। জনসমক্ষে উভয়ের হাসি, হাত মেলানো, বড় বড় জনসভা—সব মিলিয়ে মনে হয়েছিল ভারত-মার্কিন সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা সময়ে পৌঁছেছে। ‘হাউডি মোদি’ এবং ‘নমস্তে ট্রাম্প’-এর মতো ইভেন্টগুলো ছিল সেই নাটকীয়তার প্রতীক। কিন্তু সেই উষ্ণতা আসলে কতটা বাস্তব ছিল, আর…