…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা আবারও বিশ্ব রাজনীতির শক্তির ভারসাম্যকে নতুনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে…
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- এক-এগারোর নেপথ্য শক্তি থেকে রিমান্ডে: মাসুদ উদ্দিনের উত্থান ও পতনের গল্প
- ডাইনোসর বিলুপ্তির পরেই যেভাবে বদলে যায় পৃথিবী
- যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত ২৪৩ শিক্ষার্থী–শিক্ষক নিহত
- ইরানকে ১৫-দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
- ইরান যুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকায় যে বিপদে মোদির ভারত
- পাকিস্তানে বৈঠক: থামবে কি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ?
- কোন জ্বালানি তেল দেশে কত দিন চলবে?
- ইরানের সাথে কেন হঠাৎ পিছু হটলেন ট্রাম্প?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
কম্পাস জিনিসটা বেশ মজার। যে দিকেই ফেরানো যাক না কেন, এর কাটা উত্তর-দক্ষিণ হয়েই থাকবে, যদি না আশে পাশে কোন শক্তিশালী চুম্বক থাকে। কম্পাস আসলে কি? এটা আসলে নিজেই একটা চুম্বক। দণ্ড আকৃতির এই চুম্বকটির ঠিক মাঝ বরাবর জায়গায় একটি পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করে শূন্যে ভাসিয়ে রাখলে সেটা নিজে থেকেই উত্তর-দক্ষিণ দিকে তাক করে থাকে। এটা কেন উত্তর-দক্ষিণ দিকে তাক করে থাকে সবসময়? এটার উত্তরটা আরও বেশি চমকপ্রদ। শুরুতেই বলেছি, আশে পাশে কোন শক্তিশালী চুম্বক থাকলে কম্পাসের কাটা সেদিকে ঘুরে যায়। তাহলে কি অন্য সময়ও এটা আরও বড় কোন চুম্বকের দিকে তাক করে থাকে? আমাদের পৃথিবী নিজেও একটা বিশাল চুম্বক।…
তিস্তা বহুমুখী ব্যারেজ প্রকল্প নিয়ে দ্বৈরথে ভারত ও চীন। এমনটাই ধারণা দিলেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। তাদের মতে, দৃশ্যপটে ভারতের উপস্থিতি আচমকা নয়। অনেকদিন ধরেই তার আভাস পাওয়া যাচ্ছিলো। তবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রার এই সফরে বিষয়টি যে আসবে তা সেগুনবাগিচার ধারণার বাইরে ছিল। কারণ ভারতে এখন নির্বাচন চলছে। তাছাড়া কোয়াত্রার সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে আমন্ত্রণ জানানোই ছিল মুখ্য। এখানে দ্বিপক্ষীয় বিষয়াদি নিয়ে আলোচনার সুযোগ কম ছিল। কর্মকর্তারা এটা নিশ্চিত করেছেন যে, পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আলোচনায় এনিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি দিল্লির বিদেশ সচিব। তিস্তা প্রকল্পে অর্থায়নের আগ্রহ তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ব্যক্ত করেছেন। তবে সেখানেও কোন ফর্মে কতোটা অর্থায়ন…
উইল মামফোর্ড, যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজশায়ারের সেন্ট নিওটসের পঞ্চম প্রজন্মের একজন কৃষক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চালকবিহীন ট্রাক্টর ব্যবহার করছেন। বলা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যে এ ধরনের ট্রাক্টর ব্যবহারকারীর প্রথম কয়েকজনের একজন তিনি। এই ট্রাক্টর ব্যবহার করে তিনি বীজ রোপণ ও কৃষিজমি চাষ করেছেন। উইল মামফোর্ড বলছেন, কৃষি ও চাষাবাদের জন্য এ ‘রোবট’–ই ভবিষ্যৎ। কারণ, এগুলো একবারে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে পারে। আর কৃষিজমির ক্ষতিও খুব কম হয়। তবে বলা হচ্ছে, উচ্চমূল্যের কারণে সব কৃষক এ ট্রাক্টর ব্যবহার করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের দ্য ন্যাশনাল ফারমার্স ইউনিয়ন বলছে, ‘আমরা প্রযুক্তির উন্নয়নকে স্বাগত জানাই।’ তবে পণ্যের দাম সাশ্রয়ী হওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ।…
বাজার থেকে হঠাৎ করে উধাও হয়ে গেছে ডলার। আমদানিকারকরা এলসি খুলতে ব্যাংকের কাছে ধরনা দিলেও ডলার পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে খোলাবাজার থেকে ডলার কিনে দেনা পরিশোধ করছেন কোনো কোনো আমদানিকারক। ডলারের এই সংকট তৈরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতির দুর্বলতাকে দায়ী করছেন অনেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ মে ডলারের দাম ও ঋণের সুদের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত পালনের অংশ হিসেবে ডলারের দাম ১১০ টাকা থেকে একলাফে সাত টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকা করা হয়। এতে সরাসরি প্রভাব পড়েছে ব্যাংক ও খোলাবাজারে। ফলে এলসি খোলার ক্ষেত্রে ১২০ টাকা এবং খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ১২৫ টাকা ছাড়িয়ে…
ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির গ্রাহক মো. শাহজাহান বসবাস করেন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এলাকায়। প্রি-পেইড মিটারের সেবা নেওয়া এ গ্রাহক গতমাসে বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ দিয়েছেন ২০০ টাকা। তিনি বলেন, এমনিতে প্রতিবছর বিদ্যুতের দাম বাড়ছে। এর মধ্যে আবার এসব অতিরিক্ত খরচ আমাদের জন্য বাড়তি বোঝা। রাজধানীর মগবাজারে বসবাস করেন ব্যবসায়ী স্বপন আহমেদ। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহক তিনি। বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জের খড়্গ এসে পড়ায় ক্ষুব্ধ তিনি। বলেন, বিলের পাশাপাশি সরকারি ভ্যাট বা ট্যাক্সের বিষয়টি মানা যায়। কিন্তু ডিমান্ড চার্জ নামক খরচটি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একরকম জুলুম। ডিমান্ড চার্জ মূলত বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে গ্রাহকের সর্বোচ্চ…
গত দু-এক মাসে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী সংকটের কারণ ব্যাখ্যায় নানা রকম নবতত্ত্বের অবতারণা করে যাচ্ছেন। সরকারি নীতিপ্রণেতাদের ব্যর্থতা আড়ালের কৌশল হিসেবেই পশ্চিমের ওপর এই দোষারোপ—তা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি। কয় দিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংক একলাফে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকায় তুলে দিল। এ নিয়ে নানামুখী হইচই চলছে। এটিই ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিশ্রুত সেই ‘ক্রলিং পেগ’—এ রকম দাবি যেমন অসত্য, তেমনই উদ্ভট প্রত্যাশা যে এর পর থেকেই রিজার্ভ সংকটের সমাধান হয়ে যাবে। এটি ক্রলিং পেগ বা হামাগুড়ি গাঁটছড়া নয়। এর নাম ‘আইএমএফের চাপ খেয়ে আকস্মিক উল্লম্ফন’ বা ‘জাম্পিং পেগ’, মানে লাফিয়ে লাফিয়ে বিনিময় হারের নির্ধারণ।…
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পেতে বিভিন্ন শর্ত মানতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করতে হচ্ছে। এসব শর্ত অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়ে তুলছে। সর্বশেষ একদিনে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৬.৩৬ শতাংশ। ডলারের এই দর বৃদ্ধিতে চাপ তৈরি হবে বিদেশি ঋণ পরিশোধে। পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ১৮ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসায় আরেক চাপ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ব্যয়ে বড় অংশের জোগান আসে বিদেশি ঋণ সহায়তায়। এ ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে সরকারের ব্যয় এখন ক্রমেই বাড়ছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে সুদহার বেড়ে যাবে। বাড়বে সংকট।…
আতোয়াঁ লোরঁ দ্য ল্যাভয়সিয়ে। তাঁর জন্ম ১৭৪৩ সালের ২৬ আগস্ট। ছিলেন ফরাসি অভিজাত এবং বিখ্যাত রসায়নবিদ। আঠারো শতকে রসায়নবিজ্ঞানে বিপ্লব আনা কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব তিনি। রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে তাঁর অনন্য স্থান রয়েছে। তাঁকে প্রায়ই ‘আধুনিক রসায়নের জনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। রসায়নবিদ্যায় ল্যাভয়সিয়ের সেরা অবদানের কৃতিত্ব দেওয়ার পেছনে মূল কারণ হলো, তিনি রসায়নকে একটি গুণগত (qualitative) বিজ্ঞান থেকে পরিমাণগত (quantitative) বিজ্ঞানে রূপান্তর করেছেন। ল্যাভয়সিয়ে যে আবিষ্কারের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, সেটি হলো দহন বিক্রিয়ায় অক্সিজেনের ভূমিকা নির্ধারণ। তিনিই ১৭৭৮ সালে অক্সিজেন এবং ১৭৮৩ সালে হাইড্রোজেন আবিষ্কার ও নামকরণ করেন। ল্যাভয়সিয়ে পরিমাপের ম্যাট্রিক পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনিই প্রথম মৌলের একটি…
রাতের বেলা বাদুড়কে উড়ে উড়ে বিভিন্ন পোকামাকড় ও ছোট প্রাণীদের শিকার করতে দেখা যায়। আবার সকাল বেলা এদের গাছের ডালে বা গুহায় উল্টো ঝুলে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু এরা আর দশটা পাখি বা প্রাণীর মতো সোজা হয়ে ঘুমায় না কেন বা এভাবে উল্টো হয়ে ঝুলে থাকার সুবিধাই বা কী? বাদুড় এইভাবে ঝুলে থাকার কয়েকটি ভিন্ন কারণ রয়েছে। প্রথমত, এটি এদের ওড়ার জন্য একটি আদর্শ অবস্থান। অন্যান্য পাখির মতো বাদুড় মাটি থেকে উড়তে পারে না। প্রাণীটির পাখা থেকে এতটা শক্তিশালী নয় যে, মাটি থেকে ওড়ার জন্য পর্যাপ্ত জোর পায়। এদের পেছনের পাগুলো এত ছোট ও অবিকশিত যে এরা জোরে দৌড়াতে পারে…
১৯১৭ সালের ১৬ই এপ্রিল রাত। পেত্রোগ্রাদের (এখনকার সেন্ট পিটার্সবার্গ) ফিনল্যান্ড স্টেশনের এক প্ল্যাটফর্মে হাজার হাজার মানুষ ফ্ল্যাশলাইট নিয়ে অপেক্ষা করছে। এক পর্যায়ে, ট্রেনের সিঁড়ি থেকে নেমে আসেন এক ব্যক্তি, তারপর তিনি জনতার উদ্দেশে বক্তৃতা দিতে শুরু করেন: “মানুষের শান্তির প্রয়োজন, মানুষের রুটির প্রয়োজন, মানুষের জমি দরকার…” তিনি যাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেছেন তারা রাশিয়ার নাগরিক এবং যিনি বলেছেন তিনি হলেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ। লেনিন নামেই যিনি বেশি পরিচিত। এভাবেই বিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের একজন ব্যক্তি ব্যাপক ক্ষমতাধর হয়ে ওঠেন এবং পরে তার ক্ষমতার উপর একের পর এক আঘাত এসেছিল। যিনি রাশিয়ার ইতিহাস চিরতরে পরিবর্তন করতে এসেছিলেন, যতোটা প্রশংসিত ছিলেন ততোটাই ভয়ের…