…
এডিটর পিক
মাত্র দুই বছর আগেও যিনি ছিলেন রাজপথের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ, বারবার কারাবরণ করা…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- মোদির টেবিলে ফারাক্কা: বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তিতে আসছে কি বড় পরিবর্তন?
- বিয়ের ফাঁদে চীনে বাংলাদেশি নারীরা: নরকে বসবাসের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতি থেকে ‘স্টকহোম সিনড্রোম’: বন্দিরা কেন অপহরণকারীর পক্ষ নিয়েছিল?
- বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি বদলালেন, ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাবে?
- ভাতার প্রতিশ্রুতি থেকে রাজপথের ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গে কল্যাণের রাজনীতি কি সংকটে?
- মুঠোফোনে ঋণের ফাঁদ: কয়েক হাজার টাকা নিয়ে সর্বস্ব হারানোর ভয়
- মৃত্যুর পরও নেই জায়গা, গাজায় ফুরিয়ে যাচ্ছে কবরের মাটি
- ২৫ এজেন্সির হাতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সুযোগ খুলছে, নাকি পুরোনো সিন্ডিকেট ফিরছে?
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
আফ্রিকার সাফারি পার্কগুলোতে যারা ভ্রমণে যান, তাদের সেখানে গমন করার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ‘দ্য গ্রেট আফ্রিকান মাইগ্রেশন’। আফ্রিকার বিশাল জীববৈচিত্র্যের মাঝে উল্লেখযোগ্য যে ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে এই ঘটনাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। ইতিহাসে স্তন্যপায়ী পশুদের যত অভিবাসন হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় অভিবাসন হচ্ছে এটি। ‘দ্য গ্রেট আফ্রিকান মাইগ্রেশন’ নিয়ে এই পডকাস্ট।
সাইফুল বাতেন টিটো নিজের দেখা একটা ঘটনা দিয়েই লেখাটা শুরু করছি। ২০১২ সালে আমি প্যাসিফিক মটরর্সের ওয়ার্কশপে ঢুকলাম ট্রেইনি সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। নিশান গাড়িই আমরা বেশি সার্ভিসিং করতাম। এছাড়া আমাদের নিজেদের ছিলো ল্যাণ্ড রোভার, রেঞ্জ রোভার, হুন্দাই। আর নিশান তো ছিলোই। ২৪ ঘণ্টা ওপেন ওয়ার্কশপ। গভীর রাতে কিছু গাড়ী আসতো। যেসকল গাড়ীর এই দেশে অনুমোদন ছিলো না সেইসব গাড়ী। যেমন পোরসে, রোলস রয়েস, ফেরারি এমন আরো অনেক গাড়ী। এইসব গাড়ী সার্ভিসিং করতো আমাদের খুবই সিনিয়র মেকানিকরা যাদের কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা নাই, নামটাও ভালোভাবে লিখতে পারেন না। কিন্তু কথা সেটা না। এইসব গাড়ীর ছোটখাটো পার্টস এইদেশের কোনো পার্টসের দোকানে পাওয়া যেতো…
চল্লিশ হাজার বছর আগে ইউরোপে আমরাই একমাত্র মানব প্রজাতি ছিলাম না। আরও তিন প্রজাতির বাস ছিলো তখন। মানুষের এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে বর্তমান মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ের প্রজাতি হচ্ছে নিয়ান্ডারথাল। ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ৩ লক্ষ বছর আগে তারা বাস করত। আজ থেকে প্রায় ৩০ বা ৪০ হাজার বছর আগে এ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় তারা। বিলুপ্ত মানব প্রজাতি নিয়ান্ডারথালদের জীবন নিয়ে আমাদের এই পডকাস্ট। পডকাস্টের কন্টেন্ট তৈরি করেছেন- সরকার শুভ্র এবং কণ্ঠ দিয়েছেন- সাইফুল বাতের টিটো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হিটলার যে কালো ছাপ রেখে গেছে ইতিহাসে, তা আজও বিভৎসতা ছড়ায়। কিন্তু তাই বলে কি যুদ্ধক্ষেত্রে কখনও গোলাপ ফোটে না? ঘৃণা ও অন্ধকারের মাঝেও প্রেম মানুষকে বাঁচতে শেখায়। হেলেনা সিট্রোনোভা ও ফ্রানৎজ উন্স মৃত্যুর মুখে চুমু খাওয়া দুই গোলাপের নাম। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রেম নিয়ে আমাদের এই পডকাস্ট। পডকাস্টে কণ্ঠ দিয়েছেন: সাইফুল বাতের টিটো।
পৃথিবীতে যত মহামারী হানা দিয়েছে তার বেশিরভাগটাই কোনও না কোনও যুদ্ধ চলাকালীন বা যুদ্ধ পরবর্তী সময়েই হানা দিয়েছে। এই সোয়েটিং সিকনেস বা ঘাম রোগ যখন ছড়িয়েছিল তখন পঞ্চদশ-ষোড়শ শতক। ১৪৮৫ সাল; বসওয়র্থ ফিল্ডের যুদ্ধ শেষ হয়েছে। ১৪৫৫ সালে শুরু হওয়া ‘ওয়ার অব রোজেস’-এর শেষ পর্যায় বসওয়র্থ ফিল্ড ওয়ার; প্রায় ৩০ বছর ধরে ল্যাঙ্কাস্টার ও ইয়র্কের মধ্য রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের পরে ইংল্যান্ড প্রায় বিচ্ছিন্ন, তছনছ হয়ে পড়েছে। এই মহামারি যখন ছড়ায় তখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মসনদে রাজা সপ্তম হেনরি রাজ করছেন। সেই সময়ের ‘সোয়েটিং সিকনেস’ নিয়ে আমাদের এই পডকাস্ট।
তখন তৎকালীন ভারতবর্ষ ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসনের অন্তর্ভুক্ত একটি পরাধীন ভূখণ্ড। এখানে উৎপাদিত আফিম ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সহযােগিতায় চোরাচালানের মাধ্যমে চীনে প্রেরণ করা শুরু করে। একসময় চীনের জনগণ ব্রিটিশদের কাছ থেকেই আফিমকে মাদক হিসেবে ব্যবহার করা শেখে। ফলে আফিমের চাহিদা আরও বেড়ে যায় চীনে। চীনের জনগণ আফিমের নেশায় ব্যাপকভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এই আফিমকে কেন্দ্র করেই আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল চীন ও গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে। সেই আফিম যুদ্ধ নিয়ে আমাদের এই পডকাস্ট।
দেশি–বিদেশি বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বর্তমান সরকারের ভুলনীতি ও দুর্নীতি বর্তমানের সংকট তৈরি করেছে বলে মনে করছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। উদ্দেশ্যমূলক ভুলনীতি ও এই খাতে দুর্নীতির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করে জাতীয় কমিটি বলেন, এর ফলে কমিশনভোগী এজেন্ট ও কিছু দেশি–বিদেশি গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে ও হচ্ছে। রোববার তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সংগঠক রুহিন হোসেনের (প্রিন্স) স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি নিয়ে ৯টি সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়। বিদ্যুৎ খাত নিয়ে কমিটির বক্তব্য তুলে ধরা হলো : ১. সরকারের পক্ষ…
সময়টা ছিল ১৮০৩ সাল। স্পেনের উপনিবেশগুলোতে গুটিবসন্তের টিকা দেওয়ার জন্য জাহাজে চেপে বসেন ফ্রান্সিসকো হাভিয়ের দি বালমিস। বালমিসের যাত্রা শুরু হয় উত্তর-পশ্চিম স্পেন থেকে, ২২ জন অনাথ শিশুকে নিয়ে। এ যাত্রায় নার্স ও সেবকের দায়িত্ব পালন করেছিল তারা। কিন্তু সে সময় টিকা সংরক্ষণের প্রযুক্তি ছিল না। এদিকে, গুটিবসন্তের টিকা কাচের টেস্টটিউবে মাত্র ১২ দিন টিকে থাকত। কাজেই টিকা তাজা রাখার জন্য বিকল্প কৌশল বের করলেন বালমিস। গো-বসন্তের পুঁজ থেকে তৈরি টিকা দিয়ে প্রতি ১০ দিন পরপর দুটি শিশুকে সংক্রমিত করতেন তিনি। ১০ দিন পর আগে আক্রান্ত দুই শিশুর রক্তরস দিয়ে নতুন দুই শিশুকে আক্রান্ত করতেন। এই বিষয় নিয়ে শুনুন স্টেটওয়াচের…
ফাইজ় তাইয়েব আহমেদ আপনি ১৪ বছরী সরকারকে জিজ্ঞেস করুন তার জ্বালানী কূটনীতি কই? তার পানি কূটনীতি কই? তার জলবায়ু কূটনীতি কই? খাদ্য কূটনীতি কই? আওয়ামীলীগ সরকার কূটনীতি বলতে বুঝে ওয়াশিংটন ডিসি, লন্ডন এবং নয়াদিল্লীতে লবিস্ট আর পিআর ফার্মে টাকা ঢালা। ইমাজিন! ১৪ বছরের একটা সরকারের ওপেক কান্ট্রি কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশ গুলোর সাথে কোন বড় পরিসরের জ্বালানী সরবারহ চুক্তি নাই। কাতারের সাথে একটা মধ্য পর্যায়ের এলএনজি চুক্তি না থাকলে আজকের লোডশেডিং ব্ল্যাক আউট পর্যায়ে থাকত। ভারতের সাথে ৬০ হাজার মেট্রিকটন ডিজেল সরবারহের একটা ছোট চুক্তি আছে। ইউক্রেন আগ্রাসনের পরে রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল না পেলে ভারত নিশ্চিত এই ডিজেল…
মনজুরুল হক সাবধান! ন্যাটো জোট ছুঁতো খুঁজছে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে যে ধোঁয়াসা ছিল তা কেটে গেছে। তুরস্ক তার আপত্তি তুলে নিয়েছে। আমরা আগেই জেনেছি এই দুটো দেশের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাশিয়ার আপত্তি থাকলেও সেটা ইউক্রেনের পরিস্থিতির মত নয়। ফিনল্যান্ড এক সময় রুশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। সে সুবাদে হোক আর একই রকম ভাষাভাষী কিংবা সংস্কৃতিগতভাবে নৈকট্য হোক, রাশিয়া-ফিনল্যান্ড দুটি দেশ দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধু ভাবাপন্ন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে—ফিনল্যান্ডের জাতীয় অর্থনীতির প্রায় অর্ধেকটা রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল। তার পরও রাশিয়া ফিনল্যান্ডের ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে কোনো শর্তারোপ করেনি। শুধু আশা ব্যক্ত করে রেখেছিল; ‘ফিনল্যান্ড নিশ্চয়ই…