…
এডিটর পিক
একটি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জনমত সাধারণত দুটি ভিন্ন অনুভূতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিকে থাকে…
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ২৫ এজেন্সির হাতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সুযোগ খুলছে, নাকি পুরোনো সিন্ডিকেট ফিরছে?
- কারখানায় গ্যাস নেই, শ্রমিকের কাজ নেই: জ্বালানি সংকট কি এবার কর্মসংস্থানে আঘাত করছে?
- ২২ আগস্ট ১৮৬৪: যুদ্ধের নৃশংসতার মাঝেও যেদিন মানবতার আইন লেখা হয়েছিল
- মক্কা চুক্তি: সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তান কেন এক হলো, বদলে যাচ্ছে কি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য?
- বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
- প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
- দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
- মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বা প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের চাইতেও আলোচনার কেন্দ্রে যে একজন মানুষ, তিনি ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির আহমেদ শাহ। ৫৭ বছর বয়সী এই সেনা কর্মকর্তা চার তারকা জেনারেল থেকে পাঁচ তারকা ফিল্ড মার্শাল হয়েছেন, সেনাপ্রধানের চেয়ার পেরিয়ে এখন তিনি “সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান”—অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান, গোয়েন্দা সংস্থা এবং পারমাণবিক কমান্ডসহ পাকিস্তানের সমস্ত নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন। সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী তাঁকে কার্যত আইনের ঊর্ধ্বে এক ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে, যা পাকিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আসিম মুনিরের জন্ম রাওয়ালপিন্ডিতে, এমন এক পরিবারে যেখানে ইসলামি মূল্যবোধ, শিক্ষা এবং শৃঙ্খলা ছিল অপরিহার্য অংশ। তাঁর পরিবার ১৯৪৭ সালের…
রানীপাড়া গ্রামের রাস্তায় রাতের অচেনা আলোয় যখন কেবল পায়ের আওয়াজ আর দূরের কোনো গাড়ির হেডলাইট ছিল, তখনই হঠাৎ জনজোড়া গড়ে ওঠে। আড়াল থেকে এগোনো মানুষগুলো একে একে ঘিরে ধরে। তাদের হাতে লাঠি, চোয়াল পর্যন্ত কাদামাখা; মুখে ছিল কিছু বাক্য বারবার বলানোর তাগিদ। মুর্শিদাবাদ জেলার চক হরেকৃষ্ণপুরের ২৪ বছরের রাহুল ইসলামের কাছে তিনি তাঁর আধার কার্ডটি তুলে ধরলে শুরু হয় অভিযুক্ত অভিযোগ ও অসম্মান। একে বলেন ‘ভুয়া’, একে বলেন ‘বাংলাদেশি’, কেউ কেউ আবার উচ্চস্বরে ঘোষণা করে তাকে ‘রোহিঙ্গা’ বলেও আতঙ্কিত করেন। তারপরই শুরু হয় মারধর — চড়, থাপ্পড়, লাঠির আঘাত; কেউ লাথিও মারে। আহত রাহুলকে দাঁত-চোড়া কাটা কাপড়ের মতো কপালে লেগে…
ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারি দাবি যতই উজ্জ্বল হোক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চোখে ভারতের জাতীয় পরিসংখ্যানের গুণমান ততটাই প্রশ্নবিদ্ধ। এই বিরূপ মূল্যায়ন নতুন নয়, কিন্তু ২০২৫ সালের আর্টিকেল–IV কনসালটেশন রিপোর্টে যখন আবারও ভারতকে ‘সি গ্রেড’ দেওয়া হলো, তখন জনমত থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন—সব জায়গাতেই প্রশ্ন উঠছে: কেন প্রবৃদ্ধি বাড়লেও ডেটার মান নিয়ে আইএমএফ এতটা অসন্তুষ্ট? ভারতের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নাকি পরিসংখ্যান ব্যবস্থার ভেতরের গভীর ত্রুটি—কোনটি বেশি কার্যকর? পুরো বিষয়টি বুঝতে গেলে ভারতের ডেটা অবকাঠামো, পদ্ধতিগত কাঠামো এবং বাস্তব অর্থনীতির পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারি পরিসংখ্যানের অসামঞ্জস্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা জরুরি। আইএমএফ মূলত চারটি গ্রেড ব্যবহার করে—এ, বি, সি এবং ডি—যেখানে ‘এ’ মানে তথ্য…
পাকিস্তানের রাজনীতির ভেতরে এখন এমন এক নিস্তব্ধ ঝড় বইছে, যার শব্দ বাইরে শোনা না গেলেও তার অভিঘাত টের পাওয়া যায় প্রতিটি দিনে, প্রতিটি ঘটনায়, প্রতিটি সরকারি সিদ্ধান্তে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নাম উচ্চারণ করা হয় প্রায় ফিসফিস করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবি পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তেই সরিয়ে নেওয়া হয়, টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর পরিচয় দেওয়া হয় পরোক্ষ নামে—‘কাসিমের বাবা’। এ যেন এক বেখাপ্পা, অদৃশ্য সেন্সরশিপের যুগ, যেখানে একটি মানুষকে জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলার প্রকল্প চলছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। অথচ সেই মানুষটাই কয়েক বছর আগেও পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক চরিত্র, বিশ্বকাপজয়ী নায়ক এবং পরিবর্তনের প্রতীক ছিলেন। এখন তাঁর অবস্থান হচ্ছে…
কর্ণফুলী নদীর মোহনার অদূরে, গুপ্তবাঁক এলাকায় নির্মিতব্য লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে ঘিরে দেশের বন্দর অর্থনীতি, নীতিনির্ধারণ ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা ক্রমেই নতুন মাত্রা পাচ্ছে। সরকারি প্রচারণা টার্মিনালটিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কেন্দ্র বলে তুলে ধরলেও প্রকাশিত তথ্য–বিশেষ করে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্টে থাকা গোপন স্ল্যাব, মেয়াদ, রাজস্ব কাঠামো এবং অপারেটরের প্রভাব–এগুলোর বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে এমন অনেক সুবিধা লুকিয়ে আছে যা একতরফাভাবে বিদেশী অপারেটরের জন্য লাভজনক। ফলে লালদিয়া টার্মিনাল শুরু হওয়ার আগেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশের বন্দর পরিচালনার ইতিহাসে এটি কি একটি ‘লো-রিস্ক, হাই-রিটার্ন’ মডেলের মাধ্যমে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করেছে? এর বিপরীতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)…
বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খুলনায় আন্দোলনরত ৮ দলের আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশটি ছিল সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক জমায়েত, যেখানে নেতাদের ভাষণে উঠে এসেছে দেশের বর্তমান বাস্তবতা, ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা এবং জনগণের প্রত্যাশা–নিরাশার বিশদ চিত্র। সমাবেশের মূল বক্তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের চলমান পরিস্থিতিকে এক গভীর সংকটের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, শাসনব্যবস্থার অস্থিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের সামনে থাকা সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো। তিনি বলেন, দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য এমনভাবে নষ্ট হয়ে গেছে যে, ক্ষমতায় না থেকেও একটি গোষ্ঠী ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে, প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে এবং…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অদ্ভুত নীরব রূপান্তরের সময় চলছে। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা, অন্যদিকে পরিবর্তনের প্রত্যাশা—দুটি অনুভূতি পাশাপাশি এগোচ্ছে সমাজের ভেতর দিয়ে। এ দেশের জনমানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলতা ও জবাবদিহি–নির্ভর রাষ্ট্র পরিচালনার অভিলাষ পোষণ করে এসেছে। সেই প্রত্যাশার ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কোন পর্যায়ে আছে—তা নিয়ে মার্কিন পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপের ফলাফল বলছে, বাংলাদেশের গণমানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়, চাইছে একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন, আর সেই পরিবর্তন অভিযাত্রায় তারা অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বকে এখনো ইতিবাচক চোখে দেখছে। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে অংশ নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ—প্রায় ৬৯ শতাংশ—বলেছেন,…
ইসলামের প্রথম যুগে নারীরা যে অসাধারণ ভূমিকা রেখে গেছেন, তা শুধু ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় নয়, বরং আজকের যুগের মুসলিম নারীদের জন্যও প্রেরণার উৎস। সেই নারীরা ছিলেন দায়িত্বশীল, আত্মমর্যাদাশীল, জ্ঞানান্বেষী, দুর্দান্ত সাহসী এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে অবিচল—যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে খুব কমই দেখা যায়। নবীজি (সা.)–এর তিরোধানের পর থেকে খিলাফতের বিস্তৃতি ও ইসলামের দ্রুত প্রসার—সব ক্ষেত্রেই নারীরা ছিলেন এক নীরব কিন্তু দৃঢ় শক্তি। তারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন ক্ষেত্রেই এমন প্রভাব রেখে গেছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য ঐতিহ্য। ইসলামের সূচনা পর্বে নারীদের জ্ঞানান্বেষণের মানসিকতা ছিল বিস্ময়কর। শাইখ ইউসুফ কারজাভি (রহ.) উল্লেখ করেছেন—নারীরা বিনা সংকোচে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে ব্যক্তিগত ও সূক্ষ্ম…
ভারতে ধর্মীয় উত্তেজনা, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের সভাপতি মাহমুদ মাদানির সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের মুসলমানদের নাগরিক অধিকার সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ উঠছে নানা মহল থেকে, কিন্তু মাদানির বক্তব্যে বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক অগ্নিশিখায় পরিণত হয়েছে। তিনি সরাসরি দাবি করেছেন—ভারতের সংবিধান সংখ্যালঘুদের যে অধিকার নিশ্চিত করেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আদালতের কিছু রায় সেই অধিকারকে বাস্তবে দুর্বল করে দিয়েছে। তার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবরি মসজিদের রায়, তিন তালাক-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং সংখ্যালঘুদের ব্যক্তিগত আইন সম্পর্কিত আলোচনাগুলো, যেগুলো দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।মাদানির বক্তব্যের…
চট্টগ্রাম বন্দরের সমকালে উন্নয়ন নিয়ে যে বিতর্ক হয়, তা কোনো কেবল অবকাঠামোগত বিতর্ক নয়; এটি দেশের অর্থনীতির এক সমগ্র ধারণাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা। বন্দর কেবল জাহাজ থামানোর জায়গা নয়—এটি আমাদের বৈদেশিক বাণিজ্য, রপ্তানি প্রতিযোগিতা, লজিস্টিক খরচ, এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। আজ যে বাস্তবতা চোখে আসে, তা সহজভাবে বলা যায়—বন্দর যদি দ্রুত ও দক্ষ না হয়, পুরো দেশই লজিস্টিক বাধাপ্রবাহে আটকে যাবে। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডল করেছে—এটি বড় একটি সংখ্যাও বটে; তবু আঞ্চলিক প্রতিযোগীতার মানদণ্ডে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। সিঙ্গাপুর বছরে প্রায় ৩৭ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডল করে, কলম্বো ৭.২ মিলিয়ন টিইইউ; তুলনা করলে বোঝা যায়, আমাদের…