…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে সাধারণত দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে…
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- দাবানলের আগুন যেভাবে বদলে দিচ্ছে এক মহাদেশের ভবিষ্যৎ
- আমেরিকাকে যেভাবে হারাল নেতানিয়াহু
- AI যখন নিজেই পরিচয় দিতে বাধ্য: ইউরোপের নতুন নিয়ম পৃথিবীকে কীভাবে বদলাবে?
- যেদিন কুয়েত দখল করেছিল ইরাক: মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়া ২ আগস্ট
- ৩২৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার: বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় জ্ঞানচর্চা, নাকি ডিগ্রির কারখানা?
- রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
- বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে: স্বস্তির পথ, নাকি ভোগান্তির শুরু?
- How Bangladesh’s Rakhine Are Losing Their Homeland
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসে কিছু আচরণ আছে, যেগুলো এতটাই ব্যক্তিগত, এতটাই নিকট-স্পর্শী যে তাদের উৎপত্তি অনুসন্ধান করাই এক রকম বৈজ্ঞানিক দুঃসাহস। তেমনই একটি আচরণ হলো চুম্বন। শত শত সংস্কৃতিতে এটি প্রেম, আদর, বন্ধুত্ব, আত্মিক সম্পর্ক বা স্রেফ সামাজিক রীতির অংশ। কিন্তু চুম্বনের উৎপত্তি কখন? মানুষের পূর্বপুরুষরা কি এ আচরণ করত? বিশেষত নিয়ান্ডারথালদের সঙ্গে আধুনিক মানুষের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হলে চুম্বন কি ছিল তাদের মিলনের অংশ? বহু দিন ধরেই এসব প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক গবেষণা কিন্তু সেই রহস্যের ওপর নতুন আলো ফেলেছে। নতুন এক বিস্তৃত গবেষণায় উঠে এসেছে—হ্যাঁ, মানুষ ও নিয়ান্ডারথালরা শুধু যৌনসম্পর্কেই লিপ্ত হয়নি, তারা চুম্বনও করত। প্রায় ৫০ হাজার…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ দশক ধরে যাঁর উপস্থিতি ছিল প্রভাবশালী, যাঁকে কেন্দ্র করে একদিকে আনুগত্যের বলয় তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে গড়ে উঠেছে তীব্র বিরোধিতা—তিনি শেখ হাসিনা। তাঁর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর দেশ–বিদেশের রাজনীতিতে যে ধাক্কা লেগেছে, তা কেবল একটি আদালতের রায় বা একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে ছাড়িয়ে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক সমীকরণকেও নাড়া দিয়েছে। কারণ, শেখ হাসিনা এখন আর শুধুই বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন; তিনি এক জটিল আঞ্চলিক সম্পর্কের প্রতীক, এক অস্থির রাজনৈতিক সময়ের মুখ, এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের কেন্দ্রবিন্দু। ঢাকার তরুণ শিক্ষার্থী সীমা আখতারের মতো অনেকের কাছে রায়টি এসেছে প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচারের মুহূর্ত হিসেবে। গত বছরের শিক্ষার্থী…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটভূমি এমনিতেই অস্থিরতায় আচ্ছন্ন, তার ওপর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নতুন হুংকার পরিস্থিতিকে আরেক ধাপ জটিল করেছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দেশজুড়ে যে অনিশ্চয়তা, বিভক্তি, এবং রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে, এই সতর্কবার্তাটি সেই আগুনে আরও ঘি ঢেলে দিল বলা চলে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে জয় স্পষ্ট ভাষায় জানান, আওয়ামী লীগের ওপর থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে না নিলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পণ্ড করে দেবে দলটির নেতাকর্মীরা। এমনকি তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আন্দোলন সহিংসতার দিকেও মোড় নিতে পারে। স্বাধীনতার পর দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু উত্তাল সময় দেখা গেছে, কিন্তু একসময়ের ক্ষমতাসীন…
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল ক্রেন, সারি সারি কনটেইনার আর পণ্যভরা জাহাজ বাংলাদেশের অর্থনীতির ধুকপুক হৃদয়ের প্রতীক। এই বন্দর দিয়েই দেশের আমদানি–রপ্তানির বড় অংশ সম্পন্ন হয়, লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে। ঠিক এই জায়গাটিই এখন নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রে—চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল এবং ঢাকার কাছে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনালের দায়িত্ব দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে প্রশ্ন, উদ্বেগ আর মতবিরোধ তীব্র আকার নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে থাকা বাংলাদেশ এমন এক সময় এই চুক্তি করেছে, যখন তাদের ম্যান্ডেটের ব্যাপ্তি ও সীমারেখা নিয়েই জনমনে আলোচনা চলছে। অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘ সময়ের জন্য থাকবে না—এ ধারণা…
রাজধানী ঢাকায় গত ১০ মাসে ১৯৮টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা—সংখ্যাটি একদিকে আতঙ্ক তৈরি করে, অন্যদিকে তুলে ধরে নগরজীবনের নিরাপত্তা বাস্তবতার কঠিন চিত্র। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, মাসিক হিসাব করলে গড়ে ২০টির মতো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে শহরজুড়ে। ঘটনা তদন্ত ও অপরাধ উদঘাটনের বিষয়ে পুলিশের দাবি আশাব্যঞ্জক হলেও এই পরিসংখ্যান দেখায়, নগরের নিত্যযাপনে অস্থিরতা নতুন নয়; বরং তা আরও জটিল ও বহুস্তরীয় হয়ে উঠছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, বেশির ভাগ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা গেলেও প্রতিটি হত্যার পেছনে যে সামাজিক, অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত টানাপোড়েন কাজ করছে, তা রাজধানীর অপরাধ প্রবণতাকে আরও গভীরভাবে বোঝার দাবি রাখে। বিশেষত পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম…
ভারতের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক এক প্রবণতা এমনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, যা কেবল আইন ও প্রশাসনের প্রশ্ন নয়, বরং ক্ষমতা, ভয়, পরিচয় এবং রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগের নতুন এক কাঠামোকে সামনে এনেছে। প্রবণতাটির নাম—‘বুলডোজার রাজনীতি’। একটি সাধারণ নির্মাণযন্ত্রকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে অভিযুক্ত ব্যক্তি, বিক্ষোভকারী কিংবা সরকারের সমালোচকদের বাড়িঘর ভাঙা এখন অনেক রাজ্যে এক ভয়ংকর বাস্তবতা। বিষয়টি নিছক আইন প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিচারবহির্ভূত শাস্তি দেওয়ার এক ধরনের প্রকাশ্য প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে। বিশেষত আদালতের রায়, তদন্ত বা প্রমাণ হাজিরের আগেই এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালানো প্রশাসনের নিজস্ব শক্তিমত্তার এক নির্মম বার্তা বহন করে। আইন, মানবাধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব এতটাই গভীর যে…
প্রাচীনকাল থেকে মানবসমাজে এক অদ্ভুত কিন্তু ধারাবাহিক সত্য দেখা যায়—পুরুষেরা সাধারণত নারীদের তুলনায় কম দিন বাঁচেন। গ্রিক যোদ্ধাদের যুদ্ধক্ষেত্রে অকালমৃত্যু হোক, কিংবা ভিক্টোরিয়ান যুগের সমাধিফলকে বিধবাদের দীর্ঘ জীবন—প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই চিত্র পুনরাবৃত্ত হয়েছে। অনেকেই এত দিন ধরে ভেবেছেন, এটা বুঝি শুধু সামাজিক-ঐতিহাসিক বাস্তবতা, যুদ্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, দুর্ঘটনা কিংবা পুরুষদের বেপরোয়া জীবনযাপনের ফল। কিন্তু নতুন এক বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণা জানাচ্ছে, এই বৈষম্যের শেকড় আসলে আরও গভীরে, আমাদের দেহের ভেতর, জিনের গঠন ও বিবর্তনের ইতিহাসে প্রোথিত হয়ে আছে। জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইভোলিউশনারি অ্যানথ্রোপলজির গবেষকেরা এক বিরল পরিসরের কাজ করেছেন। তাঁরা ১১০০–রও বেশি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখির প্রজাতি বিশ্লেষণ…
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন এক সংকটক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় শুধু দেশেই নয়, আঞ্চলিক কূটনীতিতেও তীব্র আলোড়ন তুলেছে। রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানালেও তাদের বিবৃতিতে ট্রাইব্যুনালের নামকে উদ্ধৃতি চিহ্নে উল্লেখ করা—এক গভীর তাৎপর্যের ইঙ্গিত বহন করে। এতে স্পষ্ট যে ভারত পুরো প্রক্রিয়াটিকে নির্দ্বিধায় স্বীকৃতি দিতে কিংবা বৈধতা দিতে প্রস্তুত নয়। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পালাবদলের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই দিল্লি তাকে “সাময়িকভাবে” আশ্রয় দিচ্ছে বলে দাবি করলেও, তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পরও ভারত এ অবস্থান বদলানোর কোনো লক্ষণ দেখায়নি। ২০২৪ সালের…
২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকস্মিকভাবে দিল্লিতে আশ্রয় নেন। তাঁর হঠাৎ প্রস্থানের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর বিবরণে দেখা যায়, হাসিনাকে “রাষ্ট্রপ্রধানের মতো” নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, তাঁর মা ভারতে নিরাপদ এবং স্বাধীনভাবে থাকতে পারছেন। অন্যদিকে, হাসিনাও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করেছেন যে তিনি দিল্লিতে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি রায়ের আগে জয় সতর্ক করে বলেছেন, যদি আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা…
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শুরু হওয়া ছাত্র-ছাত্রীর নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ, যা দ্রুত ছোট আন্দোলন থেকে পরিণত হয় একটি বৃহৎ গনতান্ত্রিক সাবলীল চ্যালেঞ্জে, সেই আন্দোলন দমাতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও গোপন আয়োজনগুলোর মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে এক ভয়ানক রূপ। এই সময়ের ঘটনাবলীর তদন্ত শেষে দেশটির International Crimes Tribunal‑1 (ICT-1) ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে রায় ঘোষণা করেছে — সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় দেওয়া হয়েছে। রায় হাইলাইট করেছে, তিনি শুধু সহিংস প্লান ও দমননীতির দাবি পাওয়া রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের অনুমোদকই নন, বরং তার নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাপনাই ছিল ওই মৃত্যুমিছিলের মূল ধাঁচ। বিচারপ্রক্রিয়া, প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আকস্মিকতা — এই চারখানা দিকে আলোকপাত…