
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ঘিরে ঢাকা ও দিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস আউটরিচ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ঢাকার পক্ষ থেকেও সফরের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে তারিখ, আলোচ্যসূচি কিংবা সফরের রাজনৈতিক শর্ত—কোনোটিই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।
এই অনিশ্চয়তাই সফরটির তাৎপর্য কমাচ্ছে না; বরং বাড়াচ্ছে। কারণ তারেক রহমান দিল্লি গেলে সেটি শুধু দুই প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোন ভিত্তিতে পুনর্গঠিত হবে, তার প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে এই সফর।
প্রশ্ন হলো, নতুন সম্পর্ক কি সমতা, পারস্পরিক স্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দাঁড়াবে? নাকি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে ভারতের পুরোনো প্রভাব নতুন সরকারের সঙ্গেও ভিন্ন রূপে ফিরে আসবে?
একটি অস্বাভাবিক পটভূমিতে সফরের প্রস্তুতি
গত ১০ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রথম বৈঠকে তারেক রহমান দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বৈঠকটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে ঢাকায় আবারও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে আপত্তিকর হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ দেশটির আইনি প্রক্রিয়ার আলোকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ফলে সফরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর প্রশ্নটি হয়তো তিস্তা, বাণিজ্য কিংবা সীমান্ত নয়—শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থান। Reuters
দিল্লির সামনে এখানে একটি মৌলিক সিদ্ধান্ত রয়েছে। ভারত কি বাংলাদেশের নতুন সরকারকে নিজস্ব রাজনৈতিক বৈধতা ও জনসমর্থনসম্পন্ন একটি স্বতন্ত্র বাস্তবতা হিসেবে গ্রহণ করবে? নাকি শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেবে?
ঢাকার জন্যও প্রশ্নটি সহজ নয়। সরকার যদি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পূর্বশর্তে পরিণত করে, তাহলে অন্যান্য জরুরি বিষয় আটকে যেতে পারে। আবার এই প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে সফর করলে দেশের ভেতরে ভারতকে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়দাতা’ হিসেবে দেখার ধারণা আরও শক্তিশালী হতে পারে।
অর্থাৎ সফরের আগেই দুই পক্ষকে এমন একটি ভাষা খুঁজতে হবে, যেখানে বিচার ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটি উপেক্ষিত হবে না, আবার পুরো সম্পর্কও একজন ব্যক্তিকে ঘিরে জিম্মি হয়ে পড়বে না।
ভূগোল বদলায় না, কিন্তু সম্পর্কের ধরন বদলানো যায়
বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত। যোগাযোগ, নদী, বিদ্যুৎ, খাদ্য, কাঁচামাল, চিকিৎসা, পর্যটন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুই দেশের গভীর পারস্পরিক সংযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে ভারতকে উপেক্ষা করা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় যোগাযোগ ও বঙ্গোপসাগরীয় কৌশলের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে পাশ কাটানো সম্ভব নয়।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান এখনো অনেক শক্তিশালী। ভারতের সরকারি বাণিজ্য-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার ১৪৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে দেশটির আমদানি ছিল প্রায় ২০৫ কোটি ডলার। তুলা, জ্বালানি, খাদ্যশস্য, যানবাহন, যন্ত্রাংশ ও রাসায়নিক পণ্যে বাংলাদেশের ভারতনির্ভরতা স্পষ্ট। India Brand Equity Foundation
জ্বালানি খাতেও সম্পর্কটি গভীর। ২০২৫ সালে শুধু আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎই বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রায় ৮.২ শতাংশ ছিল। রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বেড়েছে—যা দেখায়, কূটনৈতিক বিরোধ থাকলেও অর্থনৈতিক ও জ্বালানি-বাস্তবতা নিজের পথে চলে। Reuters
সমস্যা পারস্পরিক নির্ভরতা নয়। সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন নির্ভরতা অসম হয় এবং সেই অসমতা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের উপকরণে পরিণত হয়।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব শুধু প্রচারণার ফল নয়। তিস্তার পানি বণ্টনে দীর্ঘ অচলাবস্থা, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, বাণিজ্যিক বাধা, ভিসা জটিলতা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের পক্ষপাতমূলক ভূমিকার ধারণা—সব মিলিয়েই এই অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
তাই দিল্লি সফরের সাফল্য যৌথ ঘোষণার ভাষা দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। দেখতে হবে, তিস্তা ও অন্যান্য অভিন্ন নদী নিয়ে কার্যকর সময়সূচি তৈরি হয় কি না; সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে জবাবদিহির ব্যবস্থা হয় কি না; বাংলাদেশের পণ্যের ওপর অশুল্ক বাধা কমে কি না এবং যোগাযোগ সুবিধার বিনিময়ে বাংলাদেশ বাস্তব অর্থনৈতিক সুবিধা পায় কি না।
চীনকে দেখিয়ে ভারত, ভারতকে দেখিয়ে চীন?
তারেক রহমানের সরকার এমন সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে, যখন বাংলাদেশে চীনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। জুনে তারেক রহমানের বেইজিং সফরে অবকাঠামো, শিল্প, বিনিয়োগ ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রায় প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তেই এখন চীনের ছায়া রয়েছে।
কিন্তু ঢাকার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হবে—এক শক্তির প্রভাব থেকে বেরিয়ে অন্য শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়া।
বাংলাদেশ যদি ভারতকে চাপে রাখতে প্রতিটি প্রকল্পে চীনের কার্ড ব্যবহার করে, তাহলে দিল্লি নিরাপত্তাকেন্দ্রিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। আবার চীনের সঙ্গে সম্পর্কের আশঙ্কা দেখিয়ে ভারত যদি বাংলাদেশের কাছ থেকে একতরফা কৌশলগত সুবিধা নিতে চায়, তাহলে নতুন করে অবিশ্বাস জন্ম নেবে।
বাংলাদেশের প্রয়োজন ‘ভারত না চীন’ ধরনের দ্বিমুখী পছন্দ নয়। প্রয়োজন ইস্যুভিত্তিক বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি—যেখানে চীন বিনিয়োগ সহযোগী, ভারত প্রতিবেশী ও সংযোগ সহযোগী, যুক্তরাষ্ট্র বড় রপ্তানি বাজার এবং ইউরোপ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার হতে পারে। কোনো একটি সম্পর্ক অন্য সম্পর্কের বিরুদ্ধে পরিচালিত হওয়া উচিত নয়।
তারেক রহমানের দিল্লি সফর সেই ভারসাম্যের প্রথম বড় প্রদর্শনী হতে পারে। তিনি যদি বেইজিংয়ে এক ভাষা এবং দিল্লিতে বিপরীত ভাষা ব্যবহার করেন, তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। বরং তাঁকে স্পষ্ট করতে হবে—বাংলাদেশ কারও নিরাপত্তা উদ্বেগকে উসকে দেবে না, কিন্তু নিজের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বিকল্পও সীমিত করবে না।
বিএনপির পুরোনো ইতিহাস ও নতুন বাস্তবতা
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিএনপির ঐতিহাসিক অবস্থান আওয়ামী লীগের চেয়ে ভিন্ন। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদ, সার্বভৌমত্ব এবং ভারতের সঙ্গে ‘সমতার সম্পর্ক’-এর কথা বলে এসেছে। দলটির রাজনীতিতে ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী ভাষাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কিন্তু বিরোধী দলের বক্তৃতা এবং সরকার পরিচালনার কূটনীতি এক নয়। সরকারে এসে বিএনপিকে এখন বিদ্যুৎ আমদানি, খাদ্য সরবরাহ, বাণিজ্য, ট্রানজিট, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সংযোগের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
তারেক রহমানের সামনে তাই দুটি বিপরীত চাপ থাকবে। একদিকে দলের সমর্থক ও বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে তাঁকে দেখাতে হবে যে তিনি দিল্লির কাছে নতি স্বীকার করছেন না। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক ছাড়া অর্থনীতি ও আঞ্চলিক কূটনীতির বহু ক্ষেত্রেই অগ্রগতি কঠিন।
এই দ্বৈত চাপ সামলানোর একমাত্র কার্যকর পথ হলো—গোপন রাজনৈতিক সমঝোতার পরিবর্তে স্বচ্ছ, পরিমাপযোগ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি।
অতীতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক অনেকাংশে শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত বোঝাপড়ার ওপর নির্ভর করেছে। এতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলেও সম্পর্কটি দলীয় হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের একটি বিশেষ দলকে ভারতের ঘনিষ্ঠ এবং অন্য দলকে ভারতের বিরোধী হিসেবে দেখা হয়েছে। ফলে ঢাকায় সরকার বদলালেই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
নতুন সম্পর্কের লক্ষ্য হওয়া উচিত এই দলীয় কাঠামো ভাঙা। পানি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও সীমান্ত নিয়ে স্থায়ী যৌথ কমিশনকে কার্যকর করা; চুক্তির অগ্রগতি প্রকাশ করা; সংসদীয় ও জনপর্যায়ে আলোচনা বাড়ানো এবং দুই দেশের সম্পর্ককে সরকার–সরকার যোগাযোগের বাইরে নিয়ে যাওয়া।
সফরের সাফল্য মাপা হবে যেভাবে
দিল্লি সফরে বড় বড় প্রতিশ্রুতি বা উষ্ণ আলিঙ্গন পাওয়া কঠিন নয়। কঠিন হলো প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে পরিণত করা। সফরটি সফল বলতে হলে অন্তত কয়েকটি বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রয়োজন।
প্রথমত, ভারতকে স্পষ্ট করতে হবে যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করবে। কোনো দল বা ব্যক্তির সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের বিকল্প হতে পারে না।
দ্বিতীয়ত, সীমান্ত হত্যা বন্ধে শুধু পুনরাবৃত্ত আশ্বাস নয়, প্রতিটি মৃত্যুর যৌথ তদন্ত ও জবাবদিহির ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, তিস্তা ও গঙ্গার পানিবণ্টন প্রশ্নে সময়সীমাবদ্ধ আলোচনা দরকার। ২০২৬ সালে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা আরও জরুরি।
চতুর্থত, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশি পণ্যের বাজারপ্রবেশ সহজ করতে হবে। ভারতকে দেওয়া যোগাযোগ ও ট্রানজিট সুবিধার অর্থনৈতিক মূল্যও স্বচ্ছভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
পঞ্চমত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকতে হবে। সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, কিন্তু কোনো চুক্তিই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকবে না।
সবশেষে শেখ হাসিনা প্রশ্নে দুই দেশকে একটি আইনি ও কূটনৈতিক কাঠামোতে পৌঁছাতে হবে। বিষয়টি অনির্দিষ্টকাল ঝুলিয়ে রেখে টেকসই সম্পর্ক নির্মাণ সম্ভব নয়।
তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর তাই সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ—কিন্তু একই সঙ্গে একটি ফাঁদও। পুরোনো সম্পর্কের ভাষা, গোপন সমঝোতা এবং অসম নির্ভরতা যদি নতুন সরকারের সময়েও ফিরে আসে, তাহলে শুধু চরিত্র বদলাবে; কাহিনি বদলাবে না।
অন্যদিকে ঢাকা যদি আত্মমর্যাদাকে বিচ্ছিন্নতা হিসেবে এবং দিল্লি যদি সহযোগিতাকে আনুগত্য হিসেবে না দেখে, তাহলে নতুন অধ্যায় সম্ভব। সেই অধ্যায়ে ভারত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী থাকবে, কিন্তু অভ্যন্তরীণ রাজনীতির নির্ধারক নয়; বাংলাদেশ ভারতের বৈধ নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনা করবে, কিন্তু নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা বিসর্জন দেবে না।
সফরটি শেষ পর্যন্ত হবে কি না, তারিখ কবে—এগুলো এখনো অনিশ্চিত। কিন্তু তারেক রহমান দিল্লি গেলে তাঁর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করা নয়। পরীক্ষা হবে, বাংলাদেশের অপরিবর্তনীয় ভূগোলকে মেনে নিয়েও তিনি পুরোনো রাজনৈতিক নির্ভরতার কাঠামো বদলাতে পারেন কি না।
আপনার মতামত জানানঃ