…
এডিটর পিক
একটি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জনমত সাধারণত দুটি ভিন্ন অনুভূতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিকে থাকে…
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ২৫ এজেন্সির হাতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সুযোগ খুলছে, নাকি পুরোনো সিন্ডিকেট ফিরছে?
- কারখানায় গ্যাস নেই, শ্রমিকের কাজ নেই: জ্বালানি সংকট কি এবার কর্মসংস্থানে আঘাত করছে?
- ২২ আগস্ট ১৮৬৪: যুদ্ধের নৃশংসতার মাঝেও যেদিন মানবতার আইন লেখা হয়েছিল
- মক্কা চুক্তি: সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তান কেন এক হলো, বদলে যাচ্ছে কি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য?
- বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
- প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
- দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
- মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের উৎপাদনমুখী শিল্পে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি কমে যাওয়ার যে প্রবণতা গত এক দশক ধরে তৈরি হয়েছে, তা এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনাকে নির্দেশ করে না; বরং দেশের শ্রমবাজার, শিল্পনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, রফতানি নির্ভর উৎপাদন কাঠামো এবং সামাজিক বাস্তবতার জটিল সমন্বয়ে জন্ম নেওয়া একটি গভীর কাঠামোগত সংকটকে সামনে নিয়ে আসে। একসময় তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে নারী শ্রমিকরাই ছিল প্রধান শক্তি। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পরিচয়ের গর্বের পেছনে লাখ লাখ নারীর ঘাম, শ্রম এবং সংগ্রাম ছিল দৃশ্যমান। অথচ সেই নারীরাই আজ ধীরে ধীরে উৎপাদনশিল্প থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন। র্যাপিড এবং এফইএস বাংলাদেশের যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৩ সালে যেখানে উৎপাদনমুখী শিল্পে নারীকর্মীর…
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ বহু দশক ধরে বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারের কেন্দ্রবিন্দু। দেশজুড়ে যেকোনো পণ্যের খুচরা দামের আগে পাইকারি ওঠানামা নির্ধারণ হয়ে যায় এখানকার আড়ত, ডিও ব্যবসায়ী এবং মিলারদের কার্যকলাপের ওপর। দীর্ঘসময় ধরে খাতুনগঞ্জের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী, যাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে চিনি—দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে ব্যবহার্য পণ্যের বাজার। বিশেষ করে চিনির বাজারে এমন একটি অদৃশ্য শক্তি কাজ করত, যাকে সবাই ‘মিলার সিন্ডিকেট’ বলতে অভ্যস্ত। দাম বাড়লে যে কারণ দেখানো হতো—বিশ্ববাজার, ডলারের মূল্য, যাতায়াত ব্যয় বা উৎপাদন ঘাটতি—তার আড়ালে এই সিন্ডিকেটের একচ্ছত্র ক্ষমতা সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা বের করে আনত। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর…
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ও জটিলতা চলছে, তা কেবল একজন রাজনীতিকের ফেরার ব্যক্তিজীবন বা পারিবারিক সংকটের প্রশ্ন নয়; এটি সমগ্র রাজনৈতিক ব্যবস্থার, কূটনৈতিক সম্পর্কের এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির গতিবিধির একটি জটিল কাঁটাযুক্ত চিত্রও বটে। তারেকের মায়ের অসুস্থতা যখন ব্যক্তিগত করুণ এক উপলক্ষ হিসেবে সামনে আসে, ঠিক তখনই ঘোষণা ও প্রতিক্রিয়ার আদলে প্রকাশ পায় যে দেশে ফেরা শুধু ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে না—বরং অনেকগুলো অদৃশ্য শর্ত, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক কৌশল এই সিদ্ধান্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে। এই বিবেচনাগুলোকে একত্র করলে বোঝা যায় যে তারেকের দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নটি এখন একধরনের সমবায়গত সিদ্ধান্ত, যেখানে রাজনৈতিক দল, পররাষ্ট্রনীতির সংবেদনশীলতা, নিরাপত্তা-উপায় ও…
বাংলাদেশে নতুন একটি সক্রিয় ফাটলরেখা শনাক্ত হওয়ার খবর শুধু বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়—এটি বাংলাদেশের ভূগর্ভ, ভূতত্ত্ব, জননিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ দুর্যোগপ্রবণতার একটি গভীর ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের সহযোগিতায় পরিচালিত আক্তারুল আহসানের গবেষণা দেখিয়েছে যে জামালপুর ও ময়মনসিংহ হয়ে ভারতের কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন ফাটলরেখা শুধু ভূতাত্ত্বিক আবিষ্কারই নয়, বরং এটি আমাদের ভূমিকম্প–ঝুঁকির মানচিত্রকে নতুন করে লেখা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ডাউকি ফাটলরেখা ও ইন্দোবার্মা মেগাথ্রাস্টকে বড় ঝুঁকির উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু নতুন ফাটলরেখা যুক্ত হওয়ায় গোটা উত্তর-উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এক নতুন আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। এই ফাটলরেখার একটি অংশ ভূমিকম্পপ্রবণ, যা সর্বোচ্চ ৬ মাত্রার…
বাংলাদেশে যৌন হয়রানি নিয়ে জনমত, আলোচনার ভাষা এবং নীতিনির্ধারণী চিন্তাধারা আজও এমন এক কাঠামোর মধ্যে আটকে আছে, যেখানে যৌন নিপীড়নের ভুক্তভোগী হিসেবে শুধু মেয়েশিশু বা নারীর কথাই ওঠে। এই সামাজিক ধারণা এতটাই গভীরভাবে প্রোথিত যে বহু পরিবার, শিক্ষক, এমনকি আইন প্রয়োগকারীরাও অনুধাবন করতে পারেন না—ছেলেশিশুরাও একইভাবে, কখনো আরও নির্মমভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ঘটনাগুলো প্রকাশ না পাওয়ার পেছনে আছে ভয়, লজ্জা, সামাজিক ট্যাবু এবং ভুল ধারণা। ফলে ছেলেদের প্রতি যৌন নিপীড়নের ইতিহাস যেন নীরব অন্ধকারে ঢাকা পড়ে থাকে; আর এই অন্ধকারের সুযোগেই অপরাধীরা বছরের পর বছর ধরে ছেলেশিশুদের ওপর বিধ্বংসী নিপীড়ন চালিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের এক অধ্যাপককে…
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানির সংকটকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিবর্তিত আঞ্চলিক বাণিজ্যচিত্র গড়ে উঠেছে, তা শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে। একসময় যে বাংলাদেশ ছিল ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানিকারকদের সবচেয়ে বড়, স্থায়ী এবং লাভজনক বাজার—সেই বাংলাদেশই এখন ধীরে ধীরে ভারতের জন্য ‘হারানো সুযোগ’-এর প্রতীক হয়ে উঠছে। ভারতীয় পেঁয়াজ বাণিজ্য এক সময় যতটা নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশের ওপর, এখন পরিস্থিতি ততটাই উল্টো হয়ে গেছে। দেশটি একদিকে যেমন নিজস্ব উৎপাদন বাড়িয়েছে, অন্যদিকে তেমনই ভারতের বিকল্প হিসেবে পাকিস্তান, চীন কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বাজারগুলো থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পথ বেছে নিয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি শুধু দুই দেশের বাণিজ্যনীতির ওঠানামাই বোঝায়…
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশে অনলাইন কনটেন্ট অপসারণ নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা ক্রমেই জনমতের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন—এই ছয় মাসের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে গুগল, যেখানে দেখা যায় সরকারি সংস্থাগুলো মোট ২৭৯টি অনুরোধ পাঠিয়েছে কনটেন্ট মুছে ফেলার জন্য। এসব অনুরোধের অধিকাংশই ছিল সরকারের সমালোচনামূলক ভিডিও বা পোস্ট সরানোর বিষয়ে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, আগের বছরের তুলনায় অনুরোধ কম হলেও সমালোচনামূলক কনটেন্ট অপসারণের চেষ্টাই বছরের শুরুতে সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে যেখানে অনুরোধ ছিল ৩৩৭টি, সেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে অনুরোধ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৯। তবে অনুরোধের এই সংখ্যাগত হ্রাসের মধ্যেও কনটেন্ট আইটেম হিসেবে সরকার সরাতে…
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচনের উপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা আজ জাতীয় আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিটি নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক তাপমাত্রা যেমন বেড়ে যায়, তেমনি বাড়ে প্রশাসনিক চাপ, সামাজিক উত্তেজনা এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগ। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা, সহিংসতা, দাঙ্গা বা রাজনৈতিক সংঘর্ষ—এসবই নির্বাচনী পরিবেশকে সরাসরি প্রভাবিত করে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এই প্রভাব কেবল ভোটের দিনেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব ধীরে ধীরে ভোটারদের মনস্তত্ত্বে, নির্বাচনী প্রচারণায়, নিরাপত্তার ওপর আস্থা তৈরিতে এবং ভোটগ্রহণের বৈধতা-সংক্রান্ত বিতর্কেও গভীরভাবে ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে কোনো ওঠানামা নির্বাচনের ফলাফলেই নয়, বরং নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতাতেও প্রভাব ফেলে। সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক টানাপোড়েন, দলীয় সংঘর্ষ, কর্মসূচি পালনের সময়ে…
গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হয়েছিল বিশ্বকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার জন্য, কিন্তু বাস্তবে সেই স্বস্তি খুব সামান্যই পৌঁছেছে ফিলিস্তিনিদের কাছে। বিস্ফোরণের শব্দ থেমে নেই, ধোঁয়ার কুন্ডলী থামছে না, আর মানুষের আর্তচিৎকার এখনো প্রতিদিন উঠে আসছে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে। যুদ্ধবিরতির আড়ালে কীভাবে গণহত্যা চলতে পারে—গাজা সেই প্রশ্নের সবচেয়ে নির্মম উদাহরণ হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, গাজায় এখনো গণহত্যা অব্যাহত। তারা জানাচ্ছে, মাত্র সাত সপ্তাহে ইসরাইল ৫০০ বার যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এই সংখ্যা মানবজীবনের মর্মান্তিক ক্ষতির প্রতীক, যা যুদ্ধবিরতির কাগুজে প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস কালামার্ডের বিবৃতি আরও তীব্র। তিনি বলেছেন, ইসরাইল নীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত…
চীন–ভারত সীমান্তের পুরোনো দ্বন্দ্ব যেন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এক ব্যক্তিগত ভোগান্তির ঘটনার মধ্য দিয়ে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক প্রেমা ওয়াংজম থংডক, জন্ম অরুণাচল প্রদেশে। কয়েক ঘণ্টার ট্রানজিট নিয়ে জাপান যাওয়ার পথে সাংহাই পুডং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতেই তাঁর যাত্রাপথ থমকে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিমানবন্দরের চীনা কর্মকর্তারা তাঁকে টানা প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখেন, জেরা করেন, আর একপর্যায়ে জানিয়ে দেন—অরুণাচল প্রদেশ যেহেতু চীনের অংশ, তাই তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ‘বৈধ’ নয়। ব্যক্তিগত জীবনের এক সাধারণ ট্রানজিট মুহূর্ত পরিণত হয় দুই পরাশক্তি প্রতিবেশীর নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার উৎসে। থংডকের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁকে আটক করার পর তিনি বারবার জানতে চেয়েছেন কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে।…