…
এডিটর পিক
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সংঘাতের পর আবারও…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা, অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
- দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
- রাশিয়ায় মুসলিম আলেমদের গ্রেফতার: নিরাপত্তা অভিযান নাকি ইসলামবিদ্বেষ?
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
জেলা প্রশাসনের চোখ–কান যদি সাত থেকে ১৫ দিন দেরিতে কাজ করে, তবে সে জেলার আইন–শৃঙ্খলার আসল চালকের আসনে বসে আছে কে? প্রশ্নটা শুধু আমলাতান্ত্রিক কোনো বিধান নিয়ে নয়; প্রশ্নটা নাগরিক নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। বণিক বার্তার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন এক বাস্তবতা, যেখানে থানায় নথিভুক্ত মামলার এজাহার ও জিডির তথ্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিদিন যাওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে তা পৌঁছাতে সময় লাগছে এক সপ্তাহ থেকে দুই সপ্তাহ। এর মধ্যে অনেক অপরাধী গা–ঢাকা দিতে পারছে, অনেক “সাদা পোশাকে তুলে নেওয়া” ঘটনা কোনোদিনই আলোচনার টেবিলে ওঠে না, আর জেলা আইন–শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটি কার্যত অন্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেয়—যেন পিছনের…
মানিকগঞ্জের ঘিওরের ছোট্ট শহরটার ওপর হঠাৎ যেন ঘনীভূত হয়ে নেমে এসেছে এক অস্বস্তিকর নীরবতা। কয়েক দিন আগেও যেখানে জাবরার “খালা পাগলীর মেলা”র মাঠজুড়ে ছিল বাউল–দরবেশদের বাঁশি, একতারার সুর, তালের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুলতে থাকা মানুষ, সেখানে এখন আলোচনার কেন্দ্র একটাই নাম—বাউল শিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে উচ্চারিত কয়েকটি বাক্য, মোবাইল ফোনে ধারণ করা কয়েক মিনিটের ভিডিও, আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলা কিছু পোস্ট—সব মিলিয়ে লোকগান আর লোকআস্থার এই পুরোনো মেলাটাই রাতারাতি পরিণত হয়েছে “ধর্ম অবমাননার” অভিযোগ আর আইনি তৎপরতার মঞ্চে। ৪ নভেম্বর রাতের সেই পালাগানের আসরে ঠিক কী কী কথা উচ্চারিত হয়েছিল, তা এখন আর শুধু মেলার অতিথিদের স্মৃতির মধ্যে…
লন্ডনের ঠান্ডা নভেম্বরের এক দিন। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল মার্কেটের হলজুড়ে তখন পর্যটন–খাতে রঙিন স্টল, হাসি, ছবি তোলার ভিড়। এই ভিড়ের মাঝেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে এক অস্বস্তিকর কিন্তু ঐতিহাসিক মুহূর্ত—ইসরায়েলের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মাইকেল ইজহাকভের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেখবাজ শরিফের পর্যটন উপদেষ্টা সারদার ইয়াসির ইলিয়াস খানের করমর্দন। খুব ছোট, আনুষ্ঠানিক–ধরনের এই ‘হ্যান্ডশেক’ হঠাৎ করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ঝড় তোলে, ইসলামাবাদ দ্রুত জানায়—এটি সরকার অনুমোদনহীন ব্যক্তিগত আলাপ। কিন্তু যে দেশের পাসপোর্টেই লেখা থাকে “ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশে বৈধ”, সেখানে এ ধরনের যেকোনো ছবি শুধু প্রটোকল ভাঙা নয়, একটি ভূরাজনৈতিক সিগন্যালও বটে। এই ছবিটা একা নয়। কিছু মাস আগেই বেসরকারি উদ্যোগে পাকিস্তানি সাংবাদিক…
বিহারের সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর জয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই আসামের বিজেপি মন্ত্রী অশোক সিংঘল এক্স–এ পোস্ট করলেন ফুলকপি ক্ষেতে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা কপির ছবি। সঙ্গে লিখলেন, “বিহার অ্যাপ্রুভস গোবি ফার্মিং”—অর্থাৎ বিহার এবার কপি চাষকে অনুমোদন দিল। দেখতে সাধারণ রাজনৈতিক রসিকতা মনে হলেও, ভারতীয় রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাস জানারা সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যান—এটি কেবল কৃষি বা ভোটের রসিকতা নয়, বরং ভাগলপুরের এক গণহত্যার রক্তাক্ত স্মৃতিকে টেনে আনা। যে স্মৃতিতে রয়েছে লাশের স্তূপ, পুকুরের জল আর সেই লাশের ওপরে কপি চাষের বিভীষিকা। সিংঘলের পোস্টের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। আসাম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ লিখলেন, এই ধরনের পোস্ট…
ঢাকার নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে হঠাৎ বিশেষ বরাদ্দের বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে এক নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, আর তার আগেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ঢাকার ২৭৪টি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে যে উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়েছে, তার প্রেক্ষাপট এবং বণ্টনের ধরন বিশ্লেষণ করলে একটি বড় প্রশ্ন সামনে আসে: কেন বরাদ্দের প্রায় সবটুকুই ঢাকার মাত্র তিনটি সংসদীয় এলাকায় দেওয়া হলো? মোট ২০টি আসন থাকা সত্ত্বেও বাকি ১৭টি আসন প্রায় শূন্য বরাদ্দ পেয়েছে; আর যে তিনটি আসনে বরাদ্দ গেছে, তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি বরাদ্দ এককভাবে ঢাকা-১০ আসনে দেওয়া হয়েছে। বিবিসি বাংলার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৭৪টির মধ্যে ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানই ঢাকা-১০, ঢাকা-৯ এবং…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এক অনিবার্য আলোচনার বিষয়, কিন্তু সাম্প্রতিক সুপ্রিম কোর্টের রায় এই আলোচনাকে নতুন এক মোড় দিয়েছে। দীর্ঘ চৌদ্দ বছর ধরে বাতিল থাকা এই ব্যবস্থাকে আবারও সংবিধানে ফিরিয়ে দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত যেন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন প্রেক্ষাপট রচনা করল। আদালতের রায় অনুযায়ী, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে পুনর্বহাল হওয়া এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে, যদিও আসন্ন নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে আগেই জানিয়েছেন আইনজীবীরা। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ঘিরে আদালতের এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি সাংবিধানিক বিষয় নয়—এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক আস্থাহীনতা, নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাসের গভীর প্রতিচ্ছবি। এই ব্যবস্থার রেশ শুরু…
বাংলাদেশের শিক্ষা খাত এখন এক জটিল বিশৃঙ্খলার মধ্যে আটকে আছে, যার মূল কেন্দ্র প্রশাসনিক নেতৃত্বহীনতা, শিক্ষাক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে কয়েক মাস ধরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করলেও সম্প্রতি তাঁর অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার ফলে একসঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য হয়ে যায়। পাঠ্যবই ছাপানোর এই মৌসুমে নেতৃত্বশূন্য একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করছে দেশের নতুন বছরের শুরুতে বই বিতরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শিক্ষা খাতের প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন দীর্ঘ শূন্যতা কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরেও মহাপরিচালকের পদ মাসখানেক ধরে খালি, যেখানে একজন কর্মকর্তা কেবল রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়ার…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে গভীর রাতের ঘটনাগুলো সবসময়ই জনমনে নানা প্রশ্ন তোলে। রাত ১২টার দিকে কারও বাড়িতে হঠাৎ দরজায় কড়া, পরিচয়ে ‘ডিবি পুলিশ’, এবং কোনও স্পষ্ট অভিযোগ ছাড়াই কাউকে গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া—এ দৃশ্য অতীতে বহুবার আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সময় পাল্টালেও, মানুষ এখনো এই দৃশ্যকে দেখে ঘোর সন্দেহের চোখে। সম্প্রতি সাংবাদিক ও মিডিয়া পরামর্শক মিজানুর রহমান সোহেল এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ পিয়াসকে গভীর রাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা আবারও সেই পুরোনো আশঙ্কা জাগিয়ে তুলেছে। ঘটনা যেমনভাবে ঘটেছে, তেমনি তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের ব্যাখ্যা, সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাব—সব মিলিয়ে এটি একটি বড় বিতর্কের কেন্দ্রস্থলে পরিণত…
ভোরের আলো তখনও ঠিকমতো ফুটে ওঠেনি। ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের ওপারের ওয়াশপিটে সারারাতের ধোয়া-মোছার কাজ প্রায় শেষের দিকে। লোকাল ট্রেনের কয়েকটি কোচ সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল, দিনের প্রথম যাত্রীদের অপেক্ষায়। এমন সময় নিস্তব্ধ ভোরকে ছিঁড়ে আচমকা ধোঁয়ার গন্ধ, তারপর আগুনের লেলিহান শিখা দেখা দেয় একটি বগিতে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দৌড়ে গিয়ে আগুন নেভান, কিন্তু ততক্ষণে কয়েকটি সিট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আরও ভয়াবহ বিষয় হলো—বগির ভেতর ছড়িয়ে ছিল গানপাউডারের মতো দাহ্য মিশ্রণ, পাশাপাশি পাওয়া গেছে পেট্রল। যে উদ্দেশ্য নিয়ে দুর্বৃত্তরা এসেছিল, তা স্পষ্ট—স্টেশনে বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটানো। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর তিনজন সদস্য তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর পাশাপাশি কাছাকাছি থাকা একজন…
মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসে কিছু আচরণ আছে, যেগুলো এতটাই ব্যক্তিগত, এতটাই নিকট-স্পর্শী যে তাদের উৎপত্তি অনুসন্ধান করাই এক রকম বৈজ্ঞানিক দুঃসাহস। তেমনই একটি আচরণ হলো চুম্বন। শত শত সংস্কৃতিতে এটি প্রেম, আদর, বন্ধুত্ব, আত্মিক সম্পর্ক বা স্রেফ সামাজিক রীতির অংশ। কিন্তু চুম্বনের উৎপত্তি কখন? মানুষের পূর্বপুরুষরা কি এ আচরণ করত? বিশেষত নিয়ান্ডারথালদের সঙ্গে আধুনিক মানুষের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হলে চুম্বন কি ছিল তাদের মিলনের অংশ? বহু দিন ধরেই এসব প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। সাম্প্রতিক গবেষণা কিন্তু সেই রহস্যের ওপর নতুন আলো ফেলেছে। নতুন এক বিস্তৃত গবেষণায় উঠে এসেছে—হ্যাঁ, মানুষ ও নিয়ান্ডারথালরা শুধু যৌনসম্পর্কেই লিপ্ত হয়নি, তারা চুম্বনও করত। প্রায় ৫০ হাজার…