Author: ডেস্ক রিপোর্ট

সৌন্দর্যচর্চা মানুষের জীবনের একটি বহু পুরোনো অংশ। হাজার বছর ধরে মানুষ ত্বক উজ্জ্বল করা, বয়সের ছাপ কমানো কিংবা নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করে এসেছে। সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি বদলেছে, প্রসাধনী শিল্প আরও আধুনিক হয়েছে, কিন্তু সৌন্দর্যের প্রতি মানুষের আকর্ষণ একই রকম রয়ে গেছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে এই আকর্ষণ আরও বিস্তৃত হয়েছে। প্রতিদিন টিকটক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ইউটিউবে নতুন নতুন বিউটি ট্রেন্ড ভাইরাল হচ্ছে। এর মধ্যে কিছু ট্রেন্ড এতটাই অদ্ভুত যে শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হয়। কোথাও ত্বকে ব্যবহার করা হচ্ছে স্যামন মাছের শুক্রাণু থেকে তৈরি উপাদান, কোথাও আবার পাখির বিষ্ঠা দিয়ে বানানো ফেস মাস্ক। এমনকি নিজের রক্ত…

Read More

বাংলাদেশে ধর্ষণ যেন ধীরে ধীরে একটি ভয়াবহ সামাজিক মহামারিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিবার কোনো নৃশংস ধর্ষণ বা শিশু নির্যাতনের ঘটনা সামনে এলে দেশজুড়ে ক্ষোভ, বিক্ষোভ, সামাজিক মাধ্যমে উত্তেজনা এবং দ্রুত বিচারের দাবি ওঠে। সম্প্রতি আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুরো দেশ আবারও শোক, ক্রোধ এবং আতঙ্কে কেঁপে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমে শিশুটির ব্যক্তিগত তথ্য, পরিবারের পরিচয় এবং ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে ব্যাপকভাবে। টেলিভিশন, অনলাইন পোর্টাল এবং সামাজিক মাধ্যম যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছে আরও বেশি “ভয়াবহ” তথ্য প্রকাশের জন্য। মানুষের এই ক্ষোভ অস্বাভাবিক নয়। একটি নিষ্পাপ শিশুর নির্মম মৃত্যু যে কোনো বিবেকবান মানুষকে নাড়া দেবে। কিন্তু এই ক্ষোভের মধ্যেই আরেকটি বিপজ্জনক প্রবণতা…

Read More

ইতিহাসের প্রতিটি স্বৈরশাসকের পতনের গল্প আলাদা। কেউ জনতার ক্ষোভে ক্ষমতা হারিয়েছে, কেউ যুদ্ধের ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে, আবার কেউ নিজের তৈরি ব্যবস্থার ভেতরেই ধসে গেছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরেও এখন বিশ্বজুড়ে একই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—তিনি কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, তাঁর যুদ্ধনীতি কোথায় গিয়ে থামবে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে কীভাবে থামানো সম্ভব হবে। ইউক্রেন যুদ্ধ কয়েক বছর পার হওয়ার পর এই প্রশ্নগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই যুদ্ধ আর শুধু দুই দেশের সীমান্ত সংঘাত নয়; এটি এখন ইউরোপের নিরাপত্তা, বিশ্ব রাজনীতি, জ্বালানি অর্থনীতি এবং গণতন্ত্র বনাম কর্তৃত্ববাদের বৃহৎ সংঘর্ষে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বে এখন একটি বিষয় ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে—পুতিনকে পরাজিত করা…

Read More

ইতিহাসের প্রতিটি স্বৈরশাসকের পতনের গল্প ভিন্ন। কেউ জনগণের রোষে বিদায় নিয়েছে, কেউ যুদ্ধের ধাক্কায়, কেউ আবার নিজের ব্যবস্থার ভেতরেই ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘিরেও এখন এমন প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে—তিনি কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন, তাঁর যুদ্ধনীতি কোথায় গিয়ে থামবে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে কীভাবে থামানো সম্ভব হবে। ইউক্রেন যুদ্ধের কয়েক বছর পর এসে এই প্রশ্নগুলো আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ যুদ্ধ শুধু দুই দেশের সীমান্তে আটকে নেই; এটি এখন ইউরোপের নিরাপত্তা, বিশ্ব রাজনীতি, জ্বালানি অর্থনীতি এবং গণতন্ত্র বনাম কর্তৃত্ববাদের বৃহৎ সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বে এখন একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে—পুতিনকে পরাজিত করা মানে শুধু রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে যুদ্ধক্ষেত্রে থামানো…

Read More

ভারতের রাজনীতিতে হঠাৎ করেই এক অদ্ভুত নাম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে—‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি। নাম শুনে প্রথমে অনেকে হাসাহাসি করেছিলেন, কেউ কেউ এটাকে নিছক সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রল ভেবেছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। লাখ লাখ তরুণ এই নামের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। অনেকের কাছে এটি কৌতুক, কারও কাছে প্রতিবাদ, আবার কারও কাছে হতাশ তরুণদের এক প্রতীকী বিদ্রোহ। ঘটনার শুরু এক্সে করা একটি পোস্ট থেকে। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ভারতীয় তরুণ অভিজিৎ দীপকে লেখেন, “সব আরশোলা যদি একত্রিত হয়, তাহলে কী হবে?” সাধারণ একটি পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এরপরই গড়ে…

Read More

ঢাকা শহর একসময় শুধু ইট-পাথরের নগরী ছিল না, ছিল শব্দের শহর, মানুষের শহর, পরিচিত মুখের শহর। ভোরবেলা ঘুম ভাঙত হকারের ডাকে, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামত ফেরিওয়ালাদের হাঁকে, আর রাত নামার আগেই অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ত ছোট ছোট জীবিকার ব্যস্ততা। সেই ঢাকা আজও আছে, কিন্তু কোথাও যেন তার প্রাণের অনেকটা হারিয়ে গেছে। আধুনিকতার দৌড়ে আমরা হয়তো অনেক কিছু পেয়েছি, কিন্তু হারিয়েছি এমন কিছু পেশা, কিছু মানুষ আর কিছু স্মৃতি, যেগুলো একসময় এই শহরের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। একটা সময় ছিল, যখন সকালে দূর থেকে ভেসে আসত “চাই লইবোওও চাই…” কিংবা “লেস-ফিতা হরেক মাল…”—এই টানটান সুরের ডাক। ছোটবেলায় এসব ডাক শুনলেই মানুষ…

Read More

দেশজুড়ে শিশুদের ওপর সহিংসতা, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা সমাজে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া কয়েকটি মর্মান্তিক ঘটনা মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ করে শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন এবং হত্যার মতো ঘটনাগুলো শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়, বরং সমাজের মানবিক ও নৈতিক অবস্থান নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি করছে। সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা শিশুদের পরিচিত মানুষ—প্রতিবেশী, আত্মীয় কিংবা পরিবারের ঘনিষ্ঠ কেউ। ফলে অভিভাবকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দিন দিন বাড়ছে। আইন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম কয়েক মাসেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছে। বিভিন্ন ঘটনার বিবরণে উঠে এসেছে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন,…

Read More

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচার মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা। দলীয় সূত্রগুলোর দাবি, শেখ হাসিনা সরাসরি দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে চান এবং ইতোমধ্যে তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই খবর নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, শেখ হাসিনা আত্মগোপনে বা নির্বাসনে থাকতে চান না। বরং তিনি দেশে ফিরে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দিতে আগ্রহী। দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, শেখ হাসিনা যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে চান এবং তার ফেরাকে ঘিরে বড়…

Read More

একসময় চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন একটি বাক্য ছিল, যা হাজারো দম্পতির স্বপ্নকে মুহূর্তেই ভেঙে দিত— “আপনার কোনো শুক্রাণু নেই।” এই একটি বাক্যের ভেতর লুকিয়ে থাকত হতাশা, মানসিক ভেঙে পড়া, পারিবারিক চাপ এবং অপূর্ণ থেকে যাওয়া পিতৃত্ব–মাতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির যুগে সেই অসম্ভবকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, যাদের একসময় সম্পূর্ণ বন্ধ্যা মনে করা হতো, তাদের শরীরেও হয়তো লুকিয়ে আছে একটি বা দুটি শুক্রাণু— আর সেই শুক্রাণুকেই খুঁজে বের করতে সক্ষম হচ্ছে এআই। বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষ বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সন্তান জন্মদানের বয়সে থাকা প্রতি ছয়জন মানুষের মধ্যে একজন…

Read More

চায়ের কাপ হাতে নেওয়ার আগে একবার চাঁদপুর ১৯২১-এর কথা মনে করুন। মনে করুন সেই হাজারো চা-শ্রমিকের কথা, যারা এক শতাব্দীরও বেশি আগে ঘর ফেরার স্বপ্নে পথে নেমেছিল। তারা বিদ্রোহ করতে চায়নি, রাষ্ট্র উল্টে দিতে চায়নি, কারও বিরুদ্ধে যুদ্ধও ঘোষণা করেনি। তারা শুধু বাড়ি ফিরতে চেয়েছিল। কিন্তু ঔপনিবেশিক শাসক তাদের সেই মানবিক আকাঙ্ক্ষাকেও ভয় পেয়েছিল। তাই চাঁদপুর স্টিমারঘাটে গুলি চালানো হয়েছিল নিরস্ত্র শ্রমিকদের ওপর। রক্তে লাল হয়েছিল নদীর পানি। ইতিহাস একে মনে রাখেনি যতটা রাখা উচিত ছিল, কিন্তু চা-বাগানের মানুষের স্মৃতিতে সেই ক্ষত আজও জীবন্ত। ১৯২১ সালের ২০ মে। ব্রিটিশ ভারতের শাসন চলছে তখন। সিলেট ও চট্টগ্রামের চা-বাগান থেকে হাজার হাজার…

Read More