…
এডিটর পিক
নতুন নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহও পার হয়নি, এর মধ্যেই বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে…
Trending Posts
-
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইসলামের আগেও কিছু সভ্যতায় ছিল রোজা রাখার সংস্কৃতি
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইসলামের আগেও কিছু সভ্যতায় ছিল রোজা রাখার সংস্কৃতি
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইসলামের আগেও কিছু সভ্যতায় ছিল রোজা রাখার সংস্কৃতি
- ভারত-ইসরায়েল ঘনিষ্ঠতা যে কারণে ক্ষতিকর
- প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
- রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
- পার্কে উদ্যানে পুলিশের টহল, প্রশ্নের মুখ তরুণরা, চলছে মারধর-গ্রেপ্তার
- চাঁদের বুকে ইলন মাস্কের ‘শহর’
- ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
- প্রকৃত দরিদ্ররা কি ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের রাজনীতির উত্তপ্ত অঙ্গনে আবারও সহিংসতার আগুন জ্বলে উঠেছে। বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং নুরুল হক নুরের রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে গমন—সবকিছুই এক ভয়াবহ বার্তা বহন করছে। কে বা কারা এই সহিংসতা ঘটালো, কেন নুরুল হক নুরকে বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হলো, কিংবা উপদেষ্টাদের সঙ্গে কোনো সমন্বয় ছিল কি না—এসব প্রশ্ন এখন জনমনে আলোড়ন তুলেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজয়নগরে প্রথম দফায় সংঘর্ষ বাঁধে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে। সাংবাদিকরাও এই হামলার শিকার হন। পরিস্থিতি শান্ত না হতেই রাত সোয়া ৮টার দিকে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাপা কার্যালয়ের সামনে সমবেত হলে তাদের সঙ্গে জাপা…
ভারতের রাজনীতিতে চলমান অস্থিরতা আবারও সামনে এনেছে ভোটের বৈধতা, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং গণতন্ত্রের কাঠামোগত সংকটের মতো মৌলিক প্রশ্নগুলো। নরেন্দ্র মোদী টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন গত বছরের জুন মাসে, যদিও বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তেলুগু দেশম ও জনতা দল ইউনাইটেডের মতো আঞ্চলিক শরিকদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন সহজ হয়েছিল। কিন্তু তার নেতৃত্বে তৃতীয় মেয়াদ শুরুর এক বছরেরও কম সময়ে বিরোধী শিবিরে দাবি উঠেছে—এই সরকার আসলে ত্রুটিপূর্ণ ও জাল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে গঠিত, তাই এর বৈধতা নেই। বিরোধী কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই দাবির মুখ্য কণ্ঠস্বর। তিনি স্পষ্ট অভিযোগ করছেন যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হয়েছে এক “ভুলে ভরা” ভোটার…
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা কেবল একটি ব্যক্তিগত দুর্নীতির ঘটনা নয়; বরং এটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও স্বাস্থ্য খাতের ভেতরের ভাঙন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নৈতিকতার সংকটের প্রতিফলন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা পদে বসার জন্য এক সমন্বয়ক গ্রুপকে নগদ ১০ লাখ টাকা এবং চারটি চেকের মাধ্যমে মোট ২০০ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি দেন। দুদক তদন্ত করে বলেছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ড. মোস্তফার ব্যাংক হিসাবে এত পরিমাণ অর্থ ছিল না; তবে পদটি পাওয়ার পর এই অর্থ সংগ্রহ করার পরিকল্পনা ছিল বলে…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমান এমন একটি নাম, যা একদিকে প্রবল সমর্থন, অন্যদিকে প্রবল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে। পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনেছে, তবে তাঁর নিজস্ব কর্মকাণ্ড ও ভূমিকার কারণে তিনি সমালোচিত ও অভিযুক্ত হয়েছেন বহুবার। এখন প্রশ্ন উঠছে—যদি ভবিষ্যতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন, তবে কেমন প্রধানমন্ত্রী হবেন। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে প্রথমেই তাঁর অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলো সামনে আনতে হয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় তারেক রহমান মূলত হাওয়া ভবনের মাধ্যমে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, হাওয়া ভবন ছিল…
ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নীতিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক চলছে। প্রবন্ধটি মূলত তুলে ধরছে—নেতানিয়াহুর নীতি কীভাবে শুধু ফিলিস্তিনিদের জন্য নয়, বরং ইসরায়েলের নিজের ভবিষ্যৎকেও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইডো ক্রোসেত্তোর বক্তব্য এই প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি সরাসরি বলেছেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কোনোভাবেই নিরীহ মানুষ হত্যার অজুহাত হতে পারে না। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এমন পদক্ষেপ নিতে হবে, যা নেতানিয়াহুকে থামতে বাধ্য করবে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করে নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখতে চাইছেন, যা আসলে চরমপন্থী মন্ত্রীদের হাতকে শক্তিশালী করছে। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। দুর্ভিক্ষ, বাস্তুচ্যুতি—এসব…
ভারতের নারী সুরক্ষা সূচক (NARI) ২০২৫-এর প্রতিবেদন দেশের নারীর নিরাপত্তার বাস্তব চিত্রকে নতুনভাবে সামনে এনেছে। ৩১টি শহরে ১২,৭৭০ জন নারীকে নিয়ে করা এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তি ও দুর্বলতা, এবং নারীদের দৃষ্টিভঙ্গি। প্রতিবেদনটি শুধু নারীর শারীরিক নিরাপত্তাই নয়, বরং তাদের মানসিক, আর্থিক এবং ডিজিটাল সুরক্ষাকেও আলোচনায় এনেছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নারীর নিরাপত্তা কোনো একক মাত্রার বিষয় নয়; বরং এটি নারী জীবনের প্রতিটি দিককে প্রভাবিত করে। কোহিমা, বিশাখাপত্তনম, ভুবনেশ্বর, আইজল, গ্যাংটক, ইটানগর এবং মুম্বাই ভারতের সবচেয়ে নিরাপদ শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে, পাটনা, জয়পুর, ফরিদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, শ্রীনগর এবং রাঁচি তালিকার সর্বনিম্নে রয়েছে। এই…
বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় তরুণ প্রজন্মের বিদেশমুখিতা এক গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে ব্যক্তিগত স্বপ্নপূরণ ও উন্নত জীবনের প্রত্যাশা, অন্যদিকে দেশের জন্য সম্ভাবনাময় মেধার হারানো—এই দ্বন্দ্ব একটি জাতির ভবিষ্যৎকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আজকের তরুণেরা বিদেশে পড়াশোনা, পেশাগত জীবন কিংবা স্থায়ী বসবাসের আশায় দেশ ছাড়ছে। এ প্রক্রিয়ায় দেশ তার সবচেয়ে বড় সম্পদ—মানবসম্পদ—হাতে রাখতে পারছে না। প্রায়শই দেখা যায়, দেশের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, শিক্ষার সীমাবদ্ধতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সংকট ও উন্নত জীবনমানের আকাঙ্ক্ষা তাদেরকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করছে। বাংলাদেশের মেধাবী তরুণরা একসময় দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেকে বিদেশে গিয়ে আর ফিরে আসে না। শিক্ষা ও…
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগ হয় ভোটের মাধ্যমে। নির্বাচনকাল ঘনিয়ে এলে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন, সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পর্যন্ত সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় এ প্রক্রিয়ার দিকে। নির্বাচন শুধু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক সম্প্রীতি ও অর্থনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ের মধ্যে কমিশন…
মানব সভ্যতার ইতিহাসে বিবাহ প্রথা একটি মৌলিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে এটি কোনো একদিনে হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি, বরং ধীরে ধীরে মানুষ যখন গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনযাপন শুরু করে, তখন থেকে সামাজিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে বিবাহের প্রথার বিকাশ ঘটেছে। প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষ ছিল শিকারি ও সংগ্রাহক। সে সময় গোষ্ঠীর ভেতরে নারী-পুরুষের সম্পর্ক ছিল অনিয়মিত ও অগোছালো। কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সামাজিক বাধ্যবাধকতা ছাড়াই প্রজনন ও সহবাসের মাধ্যমে সন্তান জন্ম নিত। তবে সমাজ যতই জটিল হতে শুরু করল, ততই দেখা দিল পরিবার, সম্পদ, উত্তরাধিকার এবং সামাজিক পরিচয়ের প্রয়োজন। এই প্রয়োজন থেকেই বিবাহ প্রথার সূচনা হয়। প্রথম যুগের মানুষ মূলত গোষ্ঠীবদ্ধ অবস্থায়…
ভারতের রপ্তানি খাত এখন এক জটিল ও সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক নীতির ফলে ভারতের রপ্তানি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের অনুমান অনুযায়ী, মোট রপ্তানি ৬০.২ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে আসতে পারে মাত্র ১৮.৬ বিলিয়ন ডলারে। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই রপ্তানি কমতে পারে ৪৩ শতাংশ, যা ভারতের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ও রপ্তানিনির্ভর শিল্পকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলবে। এটি শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলকেও নাড়িয়ে দিতে পারে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, শুল্কের প্রভাবে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২৬ অর্থবছরে ০.৪ থেকে ০.৫ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। এই প্রভাব সরাসরি পড়বে বেসরকারি বিনিয়োগে, শ্রমবাজারে…