…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ঘিরে আবারও মুখোমুখি হয়েছে আইন, রাজনীতি, সংবাদমাধ্যম এবং…
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- শেখ হাসিনা ভারতে পালাল, বাংলাদেশে কোথায় পালাবে?
- হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
- দুই হাজার বছর পর মিলল রোমান সেনাশিবির: হঠাৎ কেন পরিত্যক্ত হয়েছিল পুরো ঘাঁটি?
- ইরান যুদ্ধের মূল্য দেবে বাংলাদেশ? ঝুঁকিতে জিডিপি, রেমিট্যান্স ও জ্বালানি বাজার
- ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং: সাময়িক সংকট নাকি দীর্ঘমেয়াদি?
- আফগানিস্তানের আড়াই দশক পর একই ভুল করছে ট্রাম্প
- ৫ই আগস্ট প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা
- আগস্ট ঘিরে পুলিশের মধ্যে চাপা আতঙ্ক কেন?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বিশ্বে প্রতিদিন যক্ষ্মায় মারা যান ৪ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ। বিশ্বে যক্ষ্মায় আক্রান্ত মোট রোগীর দুই-তৃতীয়াংশ যে আটটি দেশে আছে, তারই একটি বাংলাদেশ। আবার যক্ষ্মা যে শুধু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হয়, তা–ও কিন্তু নয়, সবার মধ্যেই আছে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। বিশেষত শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলে যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ে। রোগ কিংবা দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসেও আক্রমণ করতে পারে যক্ষ্মার জীবাণু। ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ, অপুষ্টি, মদ্যপান, মাদক সেবন, ধূমপান—এসব যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ায়। গর্ভবতী নারী, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তি, কেমোথেরাপি কিংবা দীর্ঘদিন স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ গ্রহণ করছেন—এমন ব্যক্তি ও এইচআইভি আক্রান্ত মানুষেরাও রয়েছেন ঝুঁকিতে। ঝুঁকির তালিকায় নতুন যুক্ত…
সত্তরের দশকের শুরুর দিক। মার্কিন-সোভিয়েতের ঠান্ডাযুদ্ধ তখন মধ্য গগনে। এরই মধ্যে ঘটে গিয়েছিল আরও এক আশ্চর্য ঘটনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক আঘাত হানতে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় অর্থাৎ ইন্টার-কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল আছড়ে পড়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ তথা ‘মিত্র-মুলুক’ মেক্সিকোয়। এই আশ্চর্য ঘটনা সে-সময় সাড়া ফেলে দিয়েছিল গোটা বিশ্বজুড়ে। তবে কী আন্তর্জাতিক ক্ষমতার সমীকরণ হঠাৎ করে বদলাতে শুরু হয়েছে আবার? না, বিষয়টা তেমনটা নয়। ‘ভুল’ করেই এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছিল মেক্সিকোয়। শুরু থেকেই বলা যাক বিষয়টা। ১৯৬২ সালে আমেরিকাকে জব্দ করতে কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। অন্যদিকে সোভিয়েতকে চাপে রাখতে তুরস্কে পারমাণবিক হাতিয়ার মোয়াতেন করে যুক্তরাষ্ট্রও। তবে সোভিয়েত আক্রমণের জন্যও সম্পূর্ণভাবে…
অক্টোবর শুরু হলেই ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে তৈরি হয় এক ভৌতিক আমেজ। দোকানে-দোকানে বিক্রি হয় হ্যালোইন পালনের বিচিত্র পোশাক-মুখোশসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী। অক্টোবর যত এগোতে থাকে, বাড়তে থাকে বিক্রি। মাসের শেষে শুরু হয় এই উৎসব। কেউ দলবেঁধে, কেউবা পরিবারসহ বিভিন্ন এলাকায় উৎসবে মেতে ওঠে। শুধু ইউরোপ-আমেরিকা নয়, হ্যালোইনের ভৌতিক আমেজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এবার বাদ যায়নি রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরবও। সেখানে বেশ ধুমধাম করেই হ্যালোউন উৎসব পালন করা হয়েছে। উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের অনেককেই বিচিত্র সব সাজে দেখা গেছে। প্রথমবার আরব বিশ্বের কোনো দেশ হিসেবে হ্যালোইন উৎসবে মেতে উঠেছে সৌদি আরব। বেশ ধুমধাম করেই উৎসবটি পালন করা হয়েছে। উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের অনেককেই…
বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের সঙ্গে যোগসাজশে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কিনে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় বছরে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। একটি গবেষণা বলছে, প্রায় একই ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র হওয়ার পরও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কিছু কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২৫ শতাংশ বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনেছে। ২০০৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ৫৮টি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে কেনা বিদ্যুতের মূল্য বিশ্লেষণ করে গবেষণায় বলা হয়, কিছু বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক চুক্তি না করায় বিদ্যুৎ খাতে বিপুল খরচ বেড়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এ গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। গবেষণাটি করেছেন অ্যান্টি করাপশন এভিডেন্স রিসার্চ…
প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের দাবিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটির প্রায় ৩৬ লাখ নেতাকর্মীর মাথায় ঝুলছে লক্ষাধিক মামলার খড়গ। সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির যত এগিয়ে যাচ্ছে তত বিএনপির বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলো সচল হচ্ছে। পাশাপাশি দায়ের করা হচ্ছে নতুন মামলা। গত একমাসে বিএনপির বিভিন্ন নেতাদের বিরুদ্ধে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৭৫ টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এই মামলাগুলো শুধু রেকর্ড নয়, মামলাগুলোর তদন্ত এগিয়ে নেওয়া এবং মামলাগুলোতে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু…
একজন মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর মতে, যুক্তরাষ্ট্র গৃহযুদ্ধের খুব কাছাকাছি। আরেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে হাঙ্গেরি স্টাইলের ‘প্রতিযোগিতামূলক কতৃর্ত্ববাদ’ দেখা যেতে পারে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এমনভাবে জালিয়াতি হতে পারে যে—ডেমোক্র্যাটরা জিততে পারবে না। দ্য গার্ডিয়ানের ঐ সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, মার্কিন গণতন্ত্রের ভাঙন হতে পারে রক্তপাতহীন, নীরব এবং আরো বেশি অত্যাধুনিক ও জটিলভাবে। জাতিসংঘ বলেছে, শক্তিশালী ও কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বেশি কাজ করতে হবে। অধিকারবঞ্চিত সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচারসহ অন্যান্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে সবকিছুই ঢেলে সাজাতে হবে। এএফপি ও পলিটিকো। যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায়ই ‘গণতন্ত্রের আঁতুড়ঘর’ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে দেশটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল…
সোশ্যাল মিডিয়ায় বা মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ফেক নিউজ, গুজব, পর্নোগ্রাফি, সন্ত্রাসবাদ— ছড়ানোতে লাগাম পরাতে চেষ্টার কসুর করেনি ভারত সরকার। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি ইউজারদের নিরাপত্তার অজুহাতে আপত্তি করেই চলেছে। কিন্তু এ বার হয়তো তার শেষ হতে চলেছে। এমন আইন আসছে, যাতে ভারতীয় কোনও গোয়েন্দা সংস্থা চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউজারের তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে সংস্থাগুলি। তাতে কোনও ওয়ারেন্ট বা আদালতের নির্দেশও প্রয়োজন পড়বে না। এই মাসের শেষের দিকেই কার্যকরী হতে পারে সেই আইন। আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। ওই সময় এ নিয়ে অনলাইনে সাধারণ মানুষের মতামত চায় সরকার। যদিও ওই সময় ইন্টারনেট অ্যান্ড মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে দাবি…
প্রায় সত্তর হাজার বছর আগে, আফ্রিকার নির্জন-নিঃসীম প্রান্তরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো আমাদের পূর্বপুরুষ আদি হোমিনিডরা ছিল জেব্রা, বাইসন, হরিণ কিংবা বাঘের মতোই তুচ্ছ-অগুরুত্বপূর্ণ এক জন্তু। পৃথিবীতে তাদের প্রভাব একটা জেলিফিশ, একটা জোনাকি কিংবা একটা দোয়েল পাখির চেয়ে খুব বেশি ছিল—তা বলা যায় না। আজকে, তাদের উত্তরপুরুষ আধুনিক হোমো স্যাপিয়েন্স পৌঁছে গেছে পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব থেকে পশ্চিম-ঈশান থেকে নৈঋতে, গোটা পৃথিবীর টিকে থাকা না থাকা আজ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে তাদের কর্মকাণ্ডের উপর; মানুষ আজ হয়ে উঠেছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট অস্তিত্ব। কিন্তু কীভাবে আমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রজাতিতে? এর উত্তর পাওয়া যায় অধ্যাপক ইউভাল নোয়াহ হারারির কাছে; যিনি বর্তমান বিশ্বের একজন প্রভাবশালী…
উন্নয়নের বিভিন্ন সূচক অনুসারে দেশের বর্তমান চেহারা ভিন্ন হওয়ার কথা। আমাদের গত এক দশকের উন্নয়নের সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সম্প্রতি আমাদের মাথাপিছু আয় আড়াই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২-এর হিসাবে মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৮২৪ ডলার। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। চরম দরিদ্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি মূল্যে জিডিপির পরিমাণ ৩৯ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। উন্নয়নের হুলুস্থুল কাণ্ড এই সূচকগুলোকেই সমর্থন করে। বড় বড় ব্রিজ, টানেল, রোড, বিদ্যুৎকেন্দ্র, হাসপাতাল, জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, দুস্থ ব্যক্তিদের বাড়ি করে দেওয়া—কী নেই এ উন্নয়নের তালিকায়। কিন্তু কেবল পরিসংখ্যান বা সূচক…
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে বিশ্ব জুড়েই। তবে ইউরোপে আল্পস পর্বতমালা অঞ্চলের দেশগুলোতে এটি ভিন্না মাত্রা পেয়েছে। উষ্ণায়নের কারণে বাড়তে থাকা বরফ গলা পানি দখল নিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। এপির প্রতিবেদনে বিষয়টির আদ্যোপ্রান্ত উঠে এসেছে। বসন্ত ও গরমে কৃষিকাজের জন্য পানি চায় ইতালি। সুইজারল্যান্ড চায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পানি। এ ভাগাভাগির প্রভাব পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পড়বেই। তিন দশক আগে ১৯৯১ সালে আল্পস অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ, পর্যটন ও জীবনযাত্রা নির্ধারণে প্রথমবারের মতো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। হাজির হয় মোনাকো, অস্ট্রিয়া, স্লোভেনিয়া, লিচেনস্টাইন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও সুইজারল্যান্ড। এরপর দফায় দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্মেলন। শেষবার ইতালি ও সুইজারল্যান্ডের পার্বত্য অঞ্চলে স্থাপিত যোগাযোগ…