Author: ডেস্ক রিপোর্ট

কাতারের উত্তর-পূর্ব কোণে এক জনশূন্য এলাকায় অনুর্বর মরুভূমির বালির টিলাগুলির মধ্যে, উপসাগরীয় দেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রক আর্ট সাইট ‘আল জাসাসিয়া’ অবস্থিত। এখানে, লোকেরা কয়েক শতাব্দী আগে চুনাপাথরের ওপর পরিবেশে পর্যবেক্ষণ করা প্রতীক, মোটিফ এবং বস্তুগুলি খোদাই করে রাখতো। প্রত্নতাত্ত্বিকরা আল জাসাসিয়াতে মোট প্রায় ৯০০টি খোদাই করা শিলা বা “পেট্রোগ্লিফ” খুঁজে পেয়েছেন। এগুলি বেশিরভাগই বিভিন্ন প্যাটার্নে সাজানো। কাতার মিউজিয়ামের খনন ও সাইট ম্যানেজমেন্টের প্রধান ফেরহান সাকাল, পেট্রোগ্লিফের কথা উল্লেখ করে সিএনএনকে বলেছেন-” আরব উপদ্বীপে রক আর্ট সাধারণ বিষয়, তবে আল জাসাসিয়ার কিছু খোদাই অনন্য যা অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না।” এই খোদাইগুলি উচ্চ স্তরের সৃজনশীলতার প্রমাণ বহন করছে। কাতারে…

Read More

সুবিশাল অরণ্যে ছড়িয়ে রয়েছে ভরি ভরি সোনা। সেই সোনার ভাণ্ডার ধরা পড়ল মহাকাশ থেকে! এই সোনার ভাণ্ডার রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে। মাদ্রে-দে-দিয়োস নামে সোনার একটি বিশাল খনি রয়েছে লাতিন আমেরিকার এই দেশে। সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সেই ছবি প্রকাশ করেছে। যা দেখে নিজের চোখকেও বিশ্বাস করা যাবে না। মহাকাশ থেকে মনে হচ্ছে, পৃথিবীর বুকে এ যেন সোনার হার! বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সোনা উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পেরু। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সোনার খনি মাদ্রে-দে-দিয়োসের কারণে আমাজন জঙ্গল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি পরিবেশ বিজ্ঞানীদের। সোনা নিষ্কাশনের জন্য পারদ ব্যবহার করা হয়। পরিবেশবিদদের দাবি, এত…

Read More

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন এ প্রজন্মের যত বিজ্ঞানী, নিশ্চিত সে তালিকায় একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের নাম। যে খ্যাতি, যে ভালোবাসা হকিং পেয়েছিলেন তা তিনি যে কেবল বিজ্ঞানে তার অসামান্য প্রতিভার জন্য পেয়েছিলেন তা নয়, বরং নিজের রসবোধের জন্যও তিনি ভালোবাসা পেয়েছিলেন মানুষের। হুইল চেয়ারে বসেই দৃশ্যত মহাবিশ্ব ভ্রমণ করেছেন স্টিফেন হকিং। ৭৬ বছর বয়সে সেই হকিং সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আর তিনি ফিরবেন না। তবে জীবদ্দশায় মানবসভ্যতা কীভাবে এবং কবে ধ্বংসের মুখোমুখি হবে, সে বিষয়ে ভয়ংকর কিছু ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে শুরু করে পরমাণু যুদ্ধের মতো নানা বিষয়…

Read More

বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়ে আবারও উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই উদ্বেগ জানান দপ্তরটির প্রধান উপমুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল। বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে বাংলাদেশ ১০ ধাপ পিছিয়েছে। এর পেছনে আছে বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন। ব্রিফিংয়ে এই আইনকে সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন (ড্র্যাকোনিয়ান) আইনগুলোর একটি বলেও আখ্যায়িত করেন প্যাটেল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সর্বশেষ বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যম সূচকে ১৮০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬২। গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের আরও ১০ ধাপ অবনতি হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থানের সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হচ্ছে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই আইন…

Read More

বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় উৎসব হয় ঢাকা শহরে। আর সে উৎসবের প্রাণকেন্দ্র বলা যেতে পারে রমনা বটমূলে আয়োজিত ছায়ানটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে। ছায়ানটের শিল্পীরা এ দিন খুব ভোরবেলা থেকেই সম্মিলিত কণ্ঠে বৈশাখী আগমনী গানের মাধ্যমে নতুন বছরের সূর্যকে স্বাগত জানান। এই উৎসবটিরও ইতিহাস আছে। পাকিস্তানি শাসনামলে শাসকরা বাঙালি সংস্কৃতিকে দমিয়ে রাখার জন্য অনেক কিছুই করেছিল। একবার তো ওরা রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গানের উপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করে বসে। এর প্রতিবাদেই ছায়ানট ১৩৭৫ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৯৬৫ সালে রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আয়োজন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গানের মধ্যে দিয়ে স্বাগত জানানো হয় বৈশাখকে। সেই ধারা আজও অব্যাহত…

Read More

হিন্দুদের রামনবমী উৎসবের পতাকা ছেঁড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষের জেরে পূর্ব ভারতের শিল্পশহর জামশেদপুরে দাঙ্গা পুলিশ নামানো হয়েছে। ঝাড়খন্ড রাজ্যের ওই শহরে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা, সাময়িকভাবে বন্ধ আছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবাও। এদিকে পাশের রাজ্য বিহারে পুলিশ সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেছে, রামনবমীর সময় সেখানে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তা রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়া ও হোয়াটসঅ্যাপে পরিকল্পনা এঁটে করা হয়েছিল। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দলের নালন্দা জেলার প্রধানকে তারা এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বস্তুত রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে যে দাঙ্গা ও সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, সেই উৎসবের বারো দিন পরেও তা এখনও থিতোয়নি।…

Read More

সম্রাট অশোক ছিলেন মৌর্য্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক, খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৮ থেকে ২৩২ সাল পর্যন্ত ছিল তার শাসনকাল। ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য ছিল অশোকের। ধারণা করা হয়, এত বড় সাম্রাজ্যের অধিকারী আর কোনো সম্রাট ছিলেন না সে আমলে। তার জন্ম হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৩০৪ সালে। ৩৬ বছর বয়সে খ্রিস্টপূর্ব ২৬৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে মৃত্যু পর্যন্ত সাম্রাজ্য পরিচালনা করেছিলেন সম্রাট অশোক। তিনি ছিলেন ইতিহাসের এক আদর্শ শাসক। যদিও তার জীবনের প্রথম পর্যায়টি সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলে। সে পর্যায়ে তার নৃশংসতা ছিল উদাহরণ দেওয়ার মতো। ইতিহাস স্বাক্ষী, তার জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজগুলোও মহত্ত্বের উদাহরণ দেওয়ার মতোই। মৌর্য সাম্রাজ্যের উদ্ভাসিত সূর্য ধীরে ধীরে…

Read More

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের কিছু নথি ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে। এর মধ্যে বেশ কিছু ‘অতি গোপনীয়’ নথিও রয়েছে। রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের মানচিত্র, তালিকা ও ছবি। যুদ্ধে ইউক্রেনকে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো সহায়তা করতে পারে, তার বিস্তারিত কৌশল বোঝা যায় এসব নথি থেকে। বোঝা যায় যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি। গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা শুরু করে রাশিয়া। এর প্রায় ১৪ মাস পর এসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কোনো নথি ফাঁসের ঘটনা ঘটল। টুইটার ও টেলিগ্রামে ছড়িয়ে পড়া এসব গোপন নথি অন্তত ছয় সপ্তাহ আগের। তবে সবচেয়ে সাম্প্রতিক নথিগুলোও গত ১ মার্চের। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের…

Read More

গত পাঁচ বছরে পদ্মা সেতুর ভাটি অঞ্চলে ভাঙনের পরিমাণ বেড়েছে আগের পাঁচ বছরের তুলনায় ১ হাজার ১০০ মিটারেরও বেশি। একই পরিস্থিতি সেতুর উজানেও। আগের পাঁচ বছরের চেয়ে গত পাঁচ বছরে উজানে ভাঙনের শিকার এলাকার আয়তন বেড়েছে দেড় হাজার মিটারেরও বেশি। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের নভেম্বরে। সেতুটি নির্মাণের আগে করা বিভিন্ন সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নসহ (ইআইএ) বিভিন্ন প্রতিবেদনে নির্মাণকালে ও নির্মাণ-পরবর্তী সময়ে নদী ভাঙনপ্রবণতা কেমন হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে ভাঙন রোধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ-সংক্রান্ত সুপারিশ ও দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সেতু নির্মাণের আগে সুপারিশকৃত এসব পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নের অভাবেই পদ্মার…

Read More

পৃথিবী সবসময় এই রকম ছিলো না। একটা সময় আপনি চাইলেই বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারতেন না, কারণ বাতাসে এত অক্সিজেন ছিলো না। পৃথিবীর ইতিহাসে একটা সময় এত উত্তপ্ত ছিলো যে ভূ-পৃষ্ঠের ওপর দাঁড়ানো যেত না। আবার একটা সময় এত শীতল ছিলো যে খোলা মাঠে দাঁড়ালে রক্ত-মাংস জমে যেতোই। এই সবকিছুই আজকের অবস্থায় এসেছে বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তনের হাত ধরে। তাই, আমাদের আজকের পরিস্থিতি বুঝতে হলে জানতে হবে আমাদের বায়ুমণ্ডলের ইতিহাস। এখন আমাদের বায়ুমণ্ডলে আছে প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন, .৯৩% আর্গন, ০.০৪% কার্বন, এবং অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন আর জলীয়বাষ্প। কিন্তু আমরা বায়ুমণ্ডলকে এই অবস্থায় পেয়েছি অনেক ঝড় ঝাপ্টার মধ্য দিয়ে। আক্ষরিক…

Read More