…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে যে উত্তাপ তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)…
Trending Posts
-
ইরানের দিকে কি এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী?
জানুয়ারি ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
গত বছর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে ৭১টি সাম্প্রদায়িক
জানুয়ারি ১৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রথম চুম্বনের ২ কোটি ১০ লাখ বছর পুরোনো ইতিহাস
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ইরানের দিকে কি এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী?
জানুয়ারি ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
গত বছর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে ৭১টি সাম্প্রদায়িক
জানুয়ারি ১৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রথম চুম্বনের ২ কোটি ১০ লাখ বছর পুরোনো ইতিহাস
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- অ্যান্টার্কটিকায় বরফের প্রায় ৪ হাজার ফুট নিচে জঙ্গলের খোঁজ বিজ্ঞানীদের
- হাদির পরিবারকে ১ কোটি টাকা দেবে সরকার: এটাই কি হাদির আদর্শ?
- ভোটের মাঠে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস বিএনপি-জামায়াতের
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট বর্জনের চিন্তায় এনসিপি
- কাশ্মীরে মসজিদে কড়া নজরদারি, মুসল্লিদের তথ্য নিচ্ছে মোদি সরকার
- কেন ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে তালিবান?
- সুষ্ঠু নির্বাচনই কি সব? দেশ শুধরে যাবে এক নির্বাচনে?
- গত বছর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে ৭১টি সাম্প্রদায়িক
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বেসরকারি ও নাগরিক সংস্থাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে বৈশ্বিক স্থায়িত্ব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরও নিচে নেমে এসেছে। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনস সাসটেইনেবিলিটি ইনডেক্সের (সিএসওএসআই) বৈশ্বিক প্রতিবেদন ২০২১ অনুসারে, আইনি জটিলতা, মতপ্রকাশের সীমাবদ্ধতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থায়নের অনিশ্চয়তার মতো চলমান সংকটের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটায় এ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বৈশ্বিক এ রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশের নাগরিক সংগঠনগুলোকে নিবন্ধন ও নবায়ন জটিলতা, অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিলম্বিত অনুমোদন, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি, পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাবসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ইউএসএআইডি প্রকাশিত এ রিপোর্টে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ৭৩টি দেশের তথ্য…
ঋণ অনিয়মের বিষয়টি আলোচনায় আসার পর হঠাৎ তারল্য-সংকটে পড়েছে দেশের ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। অনেক গ্রাহক এসব ব্যাংকে রাখা আমানত অন্য ব্যাংকে সরিয়ে নিচ্ছেন। ইসলামী ধারার এই পাঁচ ব্যাংক আমানতসহ তলবি ও মেয়াদি দায়ের বিপরীতে চাহিদানুযায়ী প্রতিদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নগদ জমা (সিআরআর) রাখতে পারছে না। ফলে তাদের জরিমানা গুনতে হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের টাকা জমা ও উত্তোলনে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ঘাটতিতে পড়া এই পাঁচ ব্যাংক হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল), ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকে এই ৫ ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ ও আদায়ের তথ্য…
চামড়া বা ত্বক, যা গোটা মানব দেহকে আবৃত করে রেখেছে, সেই ত্বককে এবার কৃত্রিমভাবে গবেষণাগারে তৈরি করতে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷ অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিদের জন্য ‘কৃত্রিম ত্বক’ তৈরির এই উদ্যোগ নিয়েছে চিকিৎসাসামগ্রী উৎপাদনকারী ফরাসি প্রতিষ্ঠান উরগো। আগুনে পুড়ে যাওয়া অংশে এই কৃত্রিম ত্বক প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে অগ্নিদগ্ধ ব্যক্তিদের জন্য একটি স্থায়ী সমাধান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা। তারা এ প্রকল্পের নাম দিয়েছেন ‘জেনেসিস’। উল্লেখ্য, একটি মানব ত্বকের আকার দুই বর্গমিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং গোটা দেহের শতকরা ১৬ ভাগ ওজন হচ্ছে এই চামড়া বা ত্বকের৷ অত্যন্ত পাতলা হলেও এই ত্বক কিন্তু কয়েকটি স্তরে বিভক্ত৷ মানব শরীরের এক বর্গইঞ্চি ত্বকে রয়েছে সাড়ে ছয়শ ঘামের গ্রন্থি,…
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ভারতে উদ্বেগজনক সংখ্যক তরুণ তরুণীরা অ্যালকোহল, গাঁজা বা আফিমের আসক্তিতে ভুগছেন। আর নেশাগ্রস্থ চার জনের মধ্যে তিন জনই চিকিৎসা পাচ্ছেন না। গত ১৪ ডিসেম্বর সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানায় যে, ভারতে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রায় এক কোটি ৫৮ লাখ শিশু বিভিন্ন ধরনের নেশাদ্রব্যে আসক্ত। কিভাবে, কি পরিমাণ ড্রাগ অপব্যবহার করা হয় তার উপর প্রথমবারের মত এক জরিপ চালায় ভারতের ন্যাশনাল ড্রাগ ডিপেন্ডেন্স ট্রিটমেন্ট সেন্টার। জরিপে বেরিয়ে আসে, বড়সংখ্যক এক জনগোষ্ঠী ড্রাগ অপব্যবহারের ব্যাধিতে আক্রান্ত। ১০টি মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং ১৫টি এনজিও-র সহযোগিতায় সামাজিক ন্যায় বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয় দেশের ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সমীক্ষা…
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় মামলায় সাফায়েত গনি (২৮) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পঞ্চম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজিব আহমেদ তালুকদার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রোববার (২৫ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে সাফায়েত গনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ কনস্টেবল সাফায়েত গনি জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাথা ইউনিয়নের মৃত ছোহরাব আলীর ছেলে। ২০১৫ সালে তিনি পুলিশে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর সার্কেলে দায়িত্বরত আছেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক ঝুটন কুমার বর্মণ বলেন, ‘অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় ফুলবাড়িয়া থানা-পুলিশ কনস্টেবল সাফায়েত গনিকে আদালতে তুলে…
আজ থেকে ১২ কোটি বছর পূর্বে চার পাখার ডাইনোসরেরা চীনের বনাঞ্চলে বিচরণ করতো। ডাইনোসর হলেও এর আকৃতি ছিল এখনকার কাকের সমান। মাইক্রোর্যাোপ্টরস নামে পরিচিত এই ডাইনোসর প্রজাতির বিষয়ে গবেষকরা এরইমধ্যে অনেক কিছু নিশ্চিত হয়েছেন। তবে তারা কি খেত এবং কীভাবে খেত তা এখনও জানা যাচ্ছিল না। এবার সেই রহস্যেরও একটি কূল করা গেলো। সায়েন্স অ্যালার্টের এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি মাইক্রোর্যাাপ্টরসের এমন একটি ফসিল আবিষ্কার হয়েছে যা থেকে এর সর্বশেষ খাবার কি তা জানা গেছে এবং বিস্ময়কর হলেও মাইক্রোর্যােপ্টরসটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীকে খেয়েছিল। এ নিয়ে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হ্যানস লারসন বলেন, আমরা প্রথমে এটা বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। তবে…
২০১৪ সালে বিএনপির নির্বাচন বর্জনের সুযোগটি আওয়ামী লীগ ভালোভাবেই নিয়েছিল। দেশের পরিস্থিতি যা-ই হোক, ভোটার ভোটকেন্দ্রে আসুক বা না আসুক, যেকোনো উপায়ে একটা নির্বাচন করিয়ে নিতে পারলে দ্বিতীয় মেয়াদে তাদের ক্ষমতায় থাকাটা জায়েজ হয়ে যাবে। এর ফল আমরা দেখলাম, ১৫৩টি আসনে আওয়ামী লীগ বা তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত’ হয়ে গেলেন। এটি নিয়ে অনেকেই গাঁইগুঁই করল। মার্কিন রাষ্ট্রদূত তো প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানালেন। পরে বুঝতে পারলেন, এ নিয়ে বেশি কথাবার্তা বলার মানে হয় না। ২০১৮ সালে হলো আরেকটি নির্বাচন। বড় দল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না এলে নির্বাচন সাংবিধানিক বৈধতা পেলেও মানুষ এটা ভালোভাবে নেয় না। তারা মুখটিপে হাসে। তো আওয়ামী লীগ সরকার…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র যে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে তা একটা প্রকট পরিণতি পায় নাইন ইলেভেনের ঘটনার মধ্য দিয়ে। নাইন ইলেভেনে টুইট টাওয়ারে হামলার মধ্য দিয়ে আমেরিকার রাজনীতি বুঝতে পারে যে, তাদের দেশ আর বহির্শত্রুর হাত থেকে নিরাপদ নয়। পাশাপাশি বিশ্বের ক্ষমতার লড়াইয়ের প্রতিযোগিতায় থাকা অন্য দেশগুলোও বুঝতে পারে আমেরিকারও শেষ আছে। বলা যায়, নাইন ইলেভেনের মধ্য দিয়েই আমেরিকার পতনের সূচনা হয়, যা গত বিশ বছর ধরে আফগানিস্তানে পরিণতি পেয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শুরু হয়েছিল দ্বিমেরুবিশিষ্ট বিশ্বরাজনীতি। একদিকে ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, আর অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র। সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন পুরো বিশ্বব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক করে তোলে। সেই বৃত্তের কেন্দ্রে…
স্পাইডারম্যানের মতো দেয়াল বেয়ে উঠবে—এমন রোবট তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হাউসবট। রোবটটির নাম দেওয়া হয়েছে এইচবি১। বর্তমানে উঁচু ভবনের বিপজ্জনক কাজগুলো শ্রমিকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করেন। এই রোবটের মাধ্যমে সেই কাজগুলো করিয়ে নেওয়া যাবে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকইব্লগের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ছোট আকারের দালানের দেয়াল বেয়ে ওঠার সক্ষমতা থাকলেও ভবিষ্যতে এ রোবট সুউচ্চ দালানও বেয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেয়াল বেয়ে ওঠার জন্য রোবটটির শক্তিশালী বৈদ্যুতিক পাখাগুলো ৯২ পাউন্ড বল দিয়ে বাতাস শুষে নেয়। একই সময় রোবটের চারটি রাবারের চাকা কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে সংযুক্ত। কন্ট্রোল ইউনিটকে একটি ১১০ ভোল্টের টেথার দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।…
অ্যাডলফ হিটলার যে অ্যাপার্টমেন্টে জন্ম হয়েছিল সেটি ধ্বংস করে দেয়া হবে। জার্মানির এই স্বৈরাচার ও যুদ্ধবাজ নেতার জন্মস্থানটি নিও নাৎসীদের কেন্দ্র হয়ে উঠছে বলে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রয়াত জার্মান এই স্বৈরশাসক ও নাৎসি বাহিনীর প্রধান নেতা হিটলারের জন্মস্থান নিয়ে বহু বছর ধরেই আলোচনা চলছে। এর আগেও কয়েকবার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও হয়নি বাস্তবায়ন। উল্লেখ্য, ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করা হিটলার তার জীবনের প্রথম তিনটি বছর কোন জায়গায় কাটিয়েছিলেন তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক শুনতে শুনতে ক্লান্ত অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ আম ইন শহরের বাসিন্দারা। শহরের এই অন্ধকার অতীতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিশাপ থেকে বাঁচতে শহরের নাম পরিবর্তন করার কথাও ভাবছেন বাসিন্দারা! তাই সিদ্ধান্ত…