…
এডিটর পিক
মাত্র দুই বছর আগেও যিনি ছিলেন রাজপথের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ, বারবার কারাবরণ করা…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- হিন্দু শিক্ষক পরিবারের চারজনকেই হত্যা: ধর্ম, শিক্ষকতা ও নিরাপত্তা
- কফি এনেমা: ‘ডিটক্স’-এর মোড়কে বিপজ্জনক অপচিকিৎসা
- রোমান সাম্রাজ্যের রহস্যময় দেবী: গুহার দেয়ালে মিলল ১২০টি লাতিন বার্তা
- মোদির টেবিলে ফারাক্কা: বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তিতে আসছে কি বড় পরিবর্তন?
- বিয়ের ফাঁদে চীনে বাংলাদেশি নারীরা: নরকে বসবাসের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতি থেকে ‘স্টকহোম সিনড্রোম’: বন্দিরা কেন অপহরণকারীর পক্ষ নিয়েছিল?
- বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি বদলালেন, ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাবে?
- ভাতার প্রতিশ্রুতি থেকে রাজপথের ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গে কল্যাণের রাজনীতি কি সংকটে?
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
মুজিব রহমান আদম ও হাওয়ার গন্ধম খাওয়া নিয়ে তাদের কথোপকথন এর কথা বলছিলাম ধর্ম পড়াতে গিয়ে। ছাত্রী বলল, ‘স্যার গতকাল আপনি সমাজ পড়াতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আদিম মানুষ কথা বলতে পারতো না’, আজ ধর্ম পড়াতে গিয়ে বলছেন, ‘আদম হাওয়া কথা বলছে’। আমি শুধু বলেছিলাম, ধর্ম পড়ার সময় বিশ্বাস নিয়ে পড়বে আর বিজ্ঞান পড়ার সময় যুক্তি-প্রমাণসহ পড়বে। বাংলায় বিশ্বাস ও বিজ্ঞান শব্দদুটির মধ্যে অনেক মিল। দুটোই বি দিয়ে শুরু এর পর একটি যুক্তাক্ষর সাথে ‘আ’ কার এবং শেষে একটি অক্ষর। অথচ এরা বিপরীত মেরুর। নিউটন ও আইনস্টাইনের কোন সূত্রে বিশ্বাস স্থাপন করার সুযোগ নেই। প্রমাণ ছাড়া সূত্র টিকবে না। যখনই ভুল প্রমাণ…
অনুপম সৈকত শান্ত ১ ‘বাম জামাতি’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ‘বামাতি’। তো, কারা এই ‘বামাতি’? বাংলাদেশের বামপন্থী – মার্কসবাদীদের যারা (প্রায় সবাই) মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মুজাহিদিন, তালি বান, আল কায়েদা, আইএস – এদের উত্থানের পেছনে ইসলাম ধর্ম, কোরআন – প্রভৃতির কথা বাদ দিয়ে বা গৌন হিসেবে দেখিয়ে যখন সাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্ব, তেলবানিজ্য, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ প্রভৃতিকে দেখে, মুজাহিদিন – তালি বান, আইএস প্রভৃতি জঙ্গীগোষ্ঠীকে যখন সাম্রাজ্যবাদীদের সৃষ্ট বলে, মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী আক্রমণ, হামলা, দখলদারির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তখন তাদেরকে ডাকা হয় ‘বামাতি’! কারণ? জামাতিরা (সব ইসলামিস্টদের বুঝানো হচ্ছে) মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সাম্রাজবাদের বিরুদ্ধে, বামরাও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে, জামাতিরা ইরাক, আফগানিস্তানে মার্কিন দখলদারির বিরুদ্ধে, বামরাও…
মুজিব রহমান এ অঞ্চলের মুসলিমদের সামান্যই বাইরে থেকে আসা। অধিকাংশই হিন্দু বা বৌদ্ধ থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয়েছে। আবার আর্যরাও বাহির থেকেই এসেছে৷ আর্যদের ধর্মীয় চেতনা স্থানীয় ধর্মের চেতনার সাথে মিলেই আজকের বৈদিক ধর্ম তৈরি হয়। আমাদের ইউনিয়নে দেবনাথ সম্প্রদায়ের লোক রয়েছে। দেশের সমস্ত নাথ ও দেবনাথরাই নাথ ধর্মের লোক ছিলেন। বৈষ্ণব ধর্মও আলাদা ধর্ম ছিল। শৈবরাও ছিলেন আলাদা ধর্মের। এক বৈষ্ণবদের মধ্যেও বহু মত-পথ রয়েছে। মুসলিম আগমনই হয়তো তাদের এক ধর্মে নিয়ে এসেছে। অথচ এখনো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হিন্দুরা ভিন্ন-ভিন্ন দেবতার পূজা করে। বাংলার দুর্গা দেবীর অস্তিত্ব দক্ষিণ ভারতে নেই। বাংলাভাষী অধিকাংশ মানুষই একইরকম দেখতে, মূলত অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ…
কাবুল দখলের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে তালিবান স্পষ্ট হুমকির সুরে ভারতকে জানিয়ে দিল, ‘আফগানিস্তানে সেনা পাঠালে বিপদ আছে’! কিছুদিন আগেও যখন আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না – তখন ‘অতীতের নীতি বদলে তালিবানের সঙ্গেও আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে’ বলে জানিয়েছিল ভারত সরকার। আদৌতে ভারতের কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। ভারতের শান্তি প্রক্রিয়ার আহবান আন্তর্জাতিক মহলে কোন ধরনের আবেদন তৈরি করতে পারেনি। এত দ্রুত যে পরিস্থিতির অবনতি হবে, তা ভারতের যাবতীয় হিসাবের বাইরে ছিল বলে দেশটির কূটনৈতিকমহলে হতচকিত অবস্থা। অথচ শুধু পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নন, কাবুল এবং পাকিস্তান নীতিকে নতুন করে সাজাতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত জাতীয়…
টিকা (বা করোনার টিকা) কিভাবে কাজ করে? আমাদের শরীরে যখন কোন রোগ-জীবাণু বা প্যাথোজেন প্রথমবারের মত প্রবেশ করে, তখন শরীরের ইম্যুউন সিস্টেম যেভাবে কাজ করে, সেই রোগ প্রতিরোধের টিকাও একইভাবে কাজ করে, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্যাথোজেনের প্রোটিন আবরণ তথা এন্টিজেনকে রক্তের শ্বেতকণিকা বা লিম্ফোসাইটে থাকা সুনির্দিষ্ট এন্টিজেন রিসেপ্টর চিহ্নিত করে আটকে যায়, তারপরে সেই সুনির্দিষ্ট এন্টিজেন রিসেপ্টর নিজেদের দুই ধরণের ক্লোন তৈরি করতে থাকেঃ অসংখ্য ইফেক্টর-বি-সেল বা এন্টিবডি আর মেমোরি সেল, এই এন্টিবডি রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এন্টিজেনের গায়ে আটকে যায় এবং কিলার টি সেল এসে এন্টিজেনকে ধ্বংস করে ফেলে, আর মেমোরি সেল সেই এন্টিজেন এর তথ্যটা স্টোর করে…
অনুপম সৈকত শান্ত গত কয়েকদিনে বাংলাদেশে টিকা নেয়ার পর পরই খুব অসুস্থ হয়ে যাওয়ার বেশ কয়েকটা খবর পেলাম। আমারই এক সুস্থ-সবল আত্মীয় টিকা দিয়ে এসে রাতে কাপুনি দিয়ে জ্বর, পাতলা পায়খানা, শরীর মারাত্মক দুর্বল, এরকম উপসর্গ নিয়ে পুরোপুরি শয্যাশায়ী! টিকা নিয়ে একইরকম উপসর্গে একজন মারাও গিয়েছে বলে জানলাম! গ্রামের লোকজনের হয়েছে সবচেয়ে বড় হ্যাপা, তারা জানেও না টিকা নেয়ার পরে এরকম মারাত্মক অসুস্থতা শুরু হলে তারা কোথায় চিকিৎসা নিতে যাবে! টিকা কার্ডে যে স্বাস্থ্যকর্মীর নাম্বার দেয়া আছে, তাকে ফোন দিলে কোন চিকিৎসা পরামর্শ দেয়া তো দূরের কথা, কোনকিছু ভালোভাবে না শুনেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দেখিয়ে দেয়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোও সব…
প্রাকৃতিকভাবে মানুষের স্বভাব ভিন্নতার প্রতি আকর্ষিত হওয়া। মানুষ যেভাবে জীবনযাপন করে তার থেকে একটু ভিন্নতার ছোঁয়া পেতে সময় পেলেই সমর্থ অনুযায়ী মানুষ ছোটে ভিন্ন শহরে কিংবা ভিন্ন দেশে। তবে অকল্পনীয় ব্যাপার ঘটতে যাচ্ছে এবার। মানুষ চাইলে সময় কাটাতে যেতে পারবে ভিন্ন গ্রহেও। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মঙ্গল গ্রহে এক বছর থাকার সুযোগ করে দিচ্ছে। তারাই হদিশ দিচ্ছে এই পৃথিবী ছেড়ে পালানোর এক বিকল্প ঠিকানার। চারজনকে এই মিশনের জন্য বেছে নিতে গত শুক্রবার থেকে আবেদন নিতে শুরু করেছে নাসা। মঙ্গলের আলফা টিলায় কঠিন পরিবেশ পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে হবে একটা বছর। নাসার চ্যালেঞ্জ এটাই। তবে সত্যি সত্যি রকেটে করে লাল…
গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক থেকে ধরে আনা ৫৬টি বানরের ওপরই বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড উদ্ভাবিত করোনার টিকা বঙ্গভ্যাক্সের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই ট্রায়াল চলবে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত। ট্রায়ালে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে মানবদেহে টিকার কার্যকারিতা প্রয়োগের (হিউম্যান ট্রায়াল) জন্য বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) কাছে আবেদন করবে গ্লোব। আজ সোমবার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছেন গ্লোব বায়োটেকের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলেটরি অপারেশনসের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানীরা গত বছরের ২ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিকভাবে ইঁদুরের শরীরে ওই টিকা প্রয়োগে সাফল্যের কথা জানান। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্ভাব্য টিকার তালিকায় নাম ওঠে বঙ্গভ্যাক্সের। গত…
আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতি একটি অন্যতম ভোগান্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে পুরো বিশ্বের কাছেই। কোথাও অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে বীজতলা। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে পানি নিষ্কাশনের জন্য লিখিত দিলেও তা নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের। কৃষকেরা বিপুল ক্ষতির আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে ভরা মৌসুমেও কিছু এলাকায় পানির তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে করে সময় পার হয়ে গেলে পাটে জাগ দেয়া যাচ্ছে না। পাট চাষের পানি নেই। খালে বিলে পানি না থাকায় মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। তারাও ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে বিপাকে। দ্রুত পানি না পেলে ক্ষতির পরিমান আরও বৃদ্ধি পাবে। টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের…
পাঠক লাল গোলদার মদ হারাম, কারণ ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশ – ঠিকাছে! কিন্তু হারাম জিনিসের আবার লাইসেন্স হয় ক্যামনে? মুসলমানদের জন্য কি শুকরের মাংসের লাইসেন্স হয়? বা হিন্দুদের জন্য গরুর মাংস খাওয়ার লাইসেন্স? আমিও জানি হয় না! তাহলে মদ খাওয়ার লাইসেন্স কিভাবে হয়? বোট ক্লাব, পার্টি ক্লাব… কত কত নামে টাকাওয়ালাদের মদ খাওয়া, নারী নিয়ে মাস্তি করার জায়গা আছে। অন্যদিকে কিছু গরীব মানুষও মদ খায়। বিশেষ করে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে মদ খাওয়ার বেশ চল আছে জানি। অন্ধকারে নর্দমার পাশে বা দুই ট্রাকের চিপায় গিয়ে সুরা পানের কাজটি সারেন কেউ কেউ। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে টাকাওয়ালাদের মদ খাওয়া বৈধ, তাদের লাইসেন্স…