…
এডিটর পিক
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া দুটি ভিডিও বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ও…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ৭ লাখ ৭৩ হাজার বছরের আগের আদিম মানুষ কেমন ছিল?
- এক বাসায় বিপুল পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, পেছনে কারা?
- জামায়াতের জোটে ভাঙন
- সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশ
- চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
- সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
- আমরা কি মেরুদণ্ড আছে এমন বিরোধীদল এবারও পাবো না?
- মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
‘ডিভোর্স’ বাড়ছে অ্যালবাট্রস পরিবারে। আর এর কারণ উষ্ণতা। মূলত উষ্ণতার ধকলে অতিষ্ঠ হয়ে ‘ডিভোর্স’ বাড়ছে তাদের পরিবারে। সম্প্রতি এমন তথ্যই প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাজ্য সরকারের বৈজ্ঞানিক পরামর্শদাতা সংস্থা দ্য রয়েল সোসাইটির একটি গবেষণাপত্রে। গবেষণাটি চালনো হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রাণীজাতির একটি, অ্যালবাট্রস পাখিদের নিয়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালবাট্রস পাখিদের মধ্যে বিচ্ছেদের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন বহুলাংশে দায়ী! বিগত ১৫ বছর যাবত ফকল্যান্ড দ্বীপের ১৫,৫০০ প্রজননক্ষম অ্যালবাট্রস জুটির উপর গবেষণা চালানোর পর এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে অ্যালবাট্রসের বিচ্ছেদকে স্রেফ প্রতারণাই বলা যায়। কারণ এখানে জুটিদের একজন তার আসল সঙ্গীকে ছেড়ে অন্য কারো সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়। কিন্তু…
ইউরোপের দেশ সুইডেনে ইতিহাস গড়েছিলেন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ও অর্থমন্ত্রী ম্যাগডালেনা। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ১২ ঘণ্টা না পেরোতেই পদত্যাগ করেছেন তিনি। পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি শিগগিরই একক দলের সরকারের প্রধান হিসেবে ফিরে আসবেন। অন্য দলের পক্ষ থেকে জোরালো সমর্থন পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। যে কারণে পদত্যাগ মূলত তার সরকারের ওপর থেকে জোট সঙ্গী গ্রিন পার্টির সমর্থন প্রত্যাহার ও পার্লামেন্টে বাজেট অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হওয়ায় নাটকীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন ম্যাগডালেনা। খবর আল জাজিরা ও বিবিসির। সুইডেনের ইতিহাসের প্রথম…
প্রতিদিন গড়ে অন্তত দু’জন ফিলিস্তিনি শিশুকে ধরে নিয়ে যায় ইসরায়েলি সৈন্যরা৷ জেলে পুরে চালায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন৷ প্রায় ৭ হাজার শিশুর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতনের তথ্য জানিয়েছিল জাতিসংঘ৷ সারা বিশ্বে শিশুরা যেখানে গড়ে ৬ দশমিক ৮ থেকে ১২ দশমিক ২ শতাংশ পিটিএসডিতে (পোস্ট ট্রমাটিক ডিজঅর্ডার) ভুগছে, সেখানে ফিলিস্তিনি শিশুদের মধ্যে এ হার ৩৪ দশমিক ১ থেকে ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে ইসরায়েলি সেনাদের আগ্রাসনের ঘটনা ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে বিষণ্নতা, উদ্বিগ্নতা ও ভীতির বোধ জন্ম নিচ্ছে। ঘর যেখানে তাদের নিশ্চয়তা আর আনন্দের উৎস হওয়ার কথা, তার বদলে ভীতি তাদের তাড়া…
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ বৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ বৈশ্বিক খাদ্য উৎপাদন অঞ্চলের এক-তৃতীয়াংশ ঝুঁকিতে পড়বে। বিশ্বে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে৷ কিন্তু সে হারে বাড়ছে না খাদ্য উৎপাদন৷ এক্ষেত্রে সবথেকে বেশি ভুক্তভোগী দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ। কৃষি খাতটি এখনও দক্ষিণ এশিয়ায় দেশ সমূহের ৫০ শতাংশেরও বেশি জনসংখ্যার জীবিকা ও কর্মসংস্থানের প্রধান উপায়। এদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে এ অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। যার ফলে এই অঞ্চলে বসবাসকারী বিপুল সংখ্যক সুবিধা বঞ্চিত এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য এবং জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় জনসংখ্যার প্রায় শতকরা ৬০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে…
তিন বছর আগের এক রাতে অফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় রাজধানীর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন একজন নারী সাংবাদিক। তখন একটি ছেলে তার গা ঘেঁষে হাঁটছিল, অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছিল। তিনি প্রতিবাদ করলে ছেলেটি অশোভন কথা বলতে শুরু করে। আশপাশের লোকজন ছেলেটিকে না থামিয়ে উল্টো তাকে বলেন, ‘আপা, আপনি মেয়েমানুষ, চুপ থাকেন।’ এতে ক্ষোভে–দুঃখে নিজেকে সামলাতে না পেরে একপর্যায়ে কাঁদতে শুরু করেন ওই নারী সাংবাদিক। তিনি বলেন, ‘এখনো রাতে যদি বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াতে হয়, সেদিনের ঘটনা চোখের সামনে ভাসতে থাকে।’ দেশজুড়ে বাড়ছে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা। প্রসঙ্গত, আজ ২৫ নবেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। নারীর ওপর যে কোন ধরনের নির্যাতনের…
নিজেকে অনেকের থেকে আলাদা দেখানোর জন্য কেউ গায়ে, মুখে ট্যাটু করান। কেউ বা অস্ত্রোপচার করিয়ে শারীরিক রূপ পরিবর্তন করতে ভালবাসেন। কিন্তু নিজেকে ব্ল্যাক এলিয়েন-এর মতো দেখানোর জন্য এক ব্যক্তি যা করলেন তা শুনে শিউরে উঠবেন। অ্যান্থনি লোফ্রেডো। ফ্রান্সের নাগরিক। ভিনগ্রহের প্রাণীর মতো নিজের রূপ তৈরি করতে নাক, উপরের ঠোঁট, জিভে অস্ত্রোপচার করান। সারা শরীর এবং চোখের মণিতেও ট্যাটু করান লোফ্রেডো। কিন্তু এত কিছু করেও তার মন ভরেনি। নিজেকে হুবহু ভিনগ্রহীর মতো সাজাতে আরও বড় পদক্ষেপ করেন তিনি। দ্য সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেহের উপরি ভাগ অস্ত্রোপচার করে পরিবর্তন করতে পেরেছেন ঠিকই, কিন্তু এ বার ভিনগ্রহের প্রাণীদের মতো হাত তৈরি করার সিদ্ধান্ত…
বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন বেশ গুরুতর। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে এবারে ভর্তি করাবার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার এখন পর্যন্ত তেমন কোনো উন্নতিই হয়নি। আসলে বর্তমানে তার যে অবস্থা তাতে দেশে চিকিৎসার সুযোগ নাই বললেই চলে। জীবন বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতেই হবে। চিকিৎসকরা তাকে অনতিবিলম্বে সিঙ্গাপুর কিংবা থাইল্যান্ডে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র মতে খালেদা জিয়ার রোগ ও শারিরীক অবস্থার কথা গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, তিনি তার পুরনো জটিল রোগগুলো ছাড়াও ডিকমপেন্স্যাটেড লিভার সিরোসিস-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এখন এর দু’টি মাত্র চিকিৎসা সম্ভব; স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন থেরাপি এবং তাতেও কাজ না হলে লিভার…
মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও ক্রমশ বিবর্তন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ ‘হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস’ বা এইচআইভি সংক্রমিত এক তরুণীর শরীর থেকে হঠাৎই উধাও ভাইরাস। পুরোপুরিই সুস্থ ওই তরুণী। প্রাণঘাতী অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম (এইডস) রোগে আক্রান্ত ওই নারীর দেহে এ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, এইডস থেকে বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ তিনি। অভূতপূর্ব এই ঘটনাটি ঘটেছে কানাডায়। ৩০ বছর বয়সী ওই নারী বর্তমানে কানাডায় বসবাস করলেও তার আদি নিবাস আর্জেন্টিনায়। সেখান থেকে ২০১৩ সালে কানাডায় এসে বসবাস শুরু করেন তিনি। ওই বছরই এইডস ধরা পড়েছিল তরুণীর। তার স্বামীরও এইডস ছিল। তিনি মারা যান। কিন্তু ভাইরাসকে ‘হারিয়ে’ দিয়েছেন তরুণী। বিস্মিত…
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি কতটা গণতান্ত্রিক তা নিয়ে প্রশ্ন এখন বিশ্ব জুড়েই। এর মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে এক গণতন্ত্র সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উদ্যোগে। আমন্ত্রিত শতাধিক দেশের একটি তালিকাও সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে আমন্ত্রিতদের ওই তালিকায় অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল ও পাকিস্তানের নাম থাকলেও, নাম নেই বাংলাদেশের। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে অংশ নিতে ১১০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা সকল মিত্র দেশও এই আমন্ত্রণ পেয়েছে। আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি। কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন? গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউসের নীতি ও প্রচারণা…
প্রথম মহাযুদ্ধের ফলে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বলে লেনিন যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা সফল না হলেও, এরপর পাশ্চাত্য দুনিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ভয়াবহ সঙ্কটের সৃষ্টি হয়। যুদ্ধের দেনা ও ক্ষতিপূরণ দেয়া এবং যুদ্ধকালীন অর্থনীতিকে শান্তিকালীন অর্থনীতিতে পুনর্বিন্যস্ত করা প্রভৃতি বিষয় বিভ্রান্তকর সমস্যার সৃষ্টি করেছিল ওই সময়টাতে। এসব সমস্যা চিরাচরিতপদ্ধতিতে সমাধান করা একপ্রকার অসম্ভব ছিল। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যবসায়ে মন্দা সে সময়কার সাধারণ ঘটনা হয়ে ওঠে। অর্থনৈতিক সঙ্কট ও অনিশ্চয়তার ফলে রাজনৈতিক বিরােধ তীব্র ও ব্যাপক আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় সর্বমতের ঐক্য বজায় রাখা খুবই কঠিন। যেসব দেশে দীর্ঘকাল হতে নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত, সেসব দেশে নেতাদের পক্ষে পার্লামেন্টারি সংখ্যাগুরুদের…