…
এডিটর পিক
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা শুধু দুটি প্রাণের অবসান নয়; এটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক…
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
অক্টোবর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: প্রবাসীদের নিরাপত্তার দায় কার?
- বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনকে কেন এত ভয় মোদির?
- ৪০ কোটি বছর আগের পাথরে আধুনিক হাতুড়ি! মানব সভ্যতার থেকেও পুরনো
- ইশরাক কি আইনের ঊর্ধ্বে?
- আমরা কি মানুষের কষ্ট বুঝি, নাকি তার পরিচয় দেখে সহানুভূতি দেখাই?
- আলাস্কায় ১৩,৮০০ বছরের পুরোনো বসতি: মানুষ কখন একটি জায়গাকে ‘ঘর’ বলতে শিখল?
- পুজোর বইয়ের স্টলে হামলার অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গে ভিন্নমতের জায়গা কতটা নিরাপদ?
- আবার আইএমএফের ঋণ: বাংলাদেশ কি সংকট সামলাচ্ছে, নাকি সংস্কার পিছিয়ে দিচ্ছে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলমান জনসংখ্যার দেশ ভারত। কিন্তু দেশটিতে সেই তুলনায় এ সম্প্রদায়টির ভেতর থেকে আইনপ্রণেতাদের সংখ্যা একেবারে কম। তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব দিনে দিনে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ভারতের পার্লামেন্টে বিজেপির কোনো মুসলিম আইনপ্রণেতা থাকছেন না। বিজেপির ইতিহাসে এই প্রথম পার্লামেন্টে দলটি মুসলিম আইনপ্রণেতাশূন্য হচ্ছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি ছিলেন ভারতের মন্ত্রিসভার একমাত্র মুসলিম সদস্য। তার পদত্যাগের ফলে মন্ত্রিসভা মুসলিমশূন্য হয়ে পড়ল। ভারতের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাজ্যসভার সদস্যপদের মেয়াদ শেষ হচ্ছিল। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার এক দিন আগে ইস্তফা দেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। সম্প্রতি রাজ্যসভার নির্বাচনের শেষ…
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা এখন এমন অবস্থায় যে প্রধানমন্ত্রীও আপাতত কোনো আশার আলো দেখছেন না৷ দেশের নাগরিকদের মাঝেও মহামারির মতো ছড়াচ্ছে দেশ ছাড়ার প্রবল ইচ্ছা৷ শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি-সংকট এখন এমন চরমে যে সম্প্রতি স্বল্প মজুদ সাবধানে খরচ করতে দুই সপ্তাহের জন্য শুধু জরুরি পরিষেবা খাতে সীমিত পরিমানে জ্বালানি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার৷ এই সিদ্ধান্তের কথা জানাতে গিয়ে সে সময় সরকারের মুখপাত্র বান্দুলা গুণাবর্দনা বলেছিলেন, ‘‘এখন থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের মতো জরুরি খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে জ্বালানি বিক্রি করা হবে না৷” তিনি জানান, ভয়ঙ্কর অর্থনৈতিক সংকটে পড়া দেশটিতে সামান্য যেটুকু জ্বালানি রয়েছে তা সংরক্ষণ করার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত…
কোরবানির ঈদের পশুর হাট ঢাকার বাইরে আগে শুরু হলেও ঢাকায় শুরু হয়েছে গতকাল (বুধবার) থেকে। ঢাকার ২১টি হাটই এ আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের বাইরে কেউ হাটের ইজারা পায়নি। হাটের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পথে পথে গরুর ট্রাকে চাঁদাবাজিও চলছে। গরুবোঝাই ট্রলারে ডাকতির ঘটনাও ঘটেছে। ঢাকায় নির্ধারিত হাট ২১টি হলেও বিভিন্ন পাড়ায় মহল্লায় হাট বসাচ্ছেন প্রভাবশালীরা। তারা নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করছেন না। আর সারাদেশে সরকার নির্ধারিত গরুর হাটের সংখ্যা চার হাজার ৪০৭টি। কিন্তু বাস্তবে এই হাটের সংখ্যা দুইগুণের বেশি হবে। পশুর হাট আ’লীগের দখলে এবার ঢাকার পশুর হাট স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা সিন্ডিকেট করে ইজারা নিয়েছে। ঢাকার বাইরেও একই চিত্র।…
মোঙ্গলরা ইসলাম ও মুসলমানদের বিনাশসাধন ও ক্ষয়ক্ষতি করেছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। অপরদিকে এই মোঙ্গলরা যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তখন তাদের ইসলামের সেবা ও ইসলাম প্রচার ইতিহাসের পৃষ্ঠায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে। তারা ইসলাম প্রচারেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ইতিহাসের অন্যতম ট্র্যাজিডি হল চেঙ্গীস খানের এক নাতি হালাকু খানের দ্বারা মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু ও রাজধানী বাগদাদ ধ্বংস করার পূর্বেই চেঙ্গীস খানের আরেক নাতি বারাকাত খান ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর ঈমানী তেজ এমনই ছিল যে তিনি ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। হালাকু খান যখন বাগদাদ ধ্বংস করেন এবং মুসলিম খলীফা মুস্তা‘ছিম বিল্লাহকে নির্মমভাবে হত্যা করে মুসলিম বিশ্বকে…
খুব শিগগিরই অ্যাপোলো মিশনের পর আবারও চাঁদে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এবার নাসা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ঘুরে আসতে নয়, চাঁদে স্থায়ীভাবে থাকতে চাচ্ছে সংস্থাটি। স্পেসএক্সকে সঙ্গে নিয়ে ‘আর্টিমেস’ নাম দিয়ে নতুন এই চন্দ্র অভিযানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নাসা। কিন্তু আবার নাসার প্রধান বিল নেলস দাবি করেছে, চাঁদ দখলের চেষ্টা করছে চীন। এদিকে, রাশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিং পাল্টা ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে মহাকাশকে যুদ্ধের স্থানে পরিণত করার জন্য অভিযুক্ত করেছে। এর আগে নাসার প্রধান প্রশাসক বিল নেলসন জার্মান পত্রিকা বিল্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চীনের সম্ভাব্য চাঁদে অবতরণ নিয়ে বিশ্বকে উদ্বিগ্ন হতে হবে, কারণ চীন তখন বলবে এটি (চাঁদ)…
চলমান ডলার–সংকট ঠেকাতে দামি গাড়ি, প্রসাধনী, স্বর্ণালংকার, তৈরি পোশাক, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সামগ্রী বা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পানীয়সহ বেশকিছু পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে আমদানি পর্যায়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে, এসব পণ্য আমদানিতে এখন থেকে আমদানিকারকেরা ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণসুবিধা পাবেন না। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল সোমবার রাতে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যের পুরো আমদানিমূল্য আমদানিকারকদের ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এসব পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংক কোনো ধরনের ঋণ দিতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, করোনার দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব এবং বহির্বিশ্বে সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থা প্রলম্বিত হওয়ার কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।…
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর শহরতলিতে স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে চলল গুলি। সেই ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত ৩০ জন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার সকাল ১০ টায় (স্থানীয় সময় অনুযায়ী) শিকাগোর হাইল্যান্ড পার্ক এলাকা থেকে একটি প্যারেড শুরু হয়। শত শত মানুষ তাতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মিনিট দশেকের মধ্যে শোনা যায় গুলির শব্দ। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় অংশগ্রহণকারীদের মরিয়া হয়ে দৌড়াতে দেখা গিয়েছে। গুলি চালানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এক প্রত্যক্ষদর্শী অ্যামরানি গার্সিয়া দাবি করেছেন যে প্রাথমিকভাবে গুলি চালানোর শব্দ শুনতে পান। কিছুক্ষণ পর তা থেমে যায়।…
বিশ্ব আরও একটি মন্দা দেখবে কি না সে বিষয় নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে বেশ কিছুদিন যাবত। করোনা মহামারি কাটিয়ে যখন অর্থনীতি গতিশীল হয় তখনই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ফলে বিশ্ব অর্থনীতির আকাশে মেঘ নেমে আসার শঙ্কা দেখছেন কেউ কেউ এর মধ্যেই চরম মুদ্রাস্ফীতি বর্তমান বিশ্বের নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি এশিয়ার দেশসহ বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা করতে যেখানে দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে কথা বলতে বা সমাধানে পদক্ষেপ গ্রহণে তেমন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। ইউক্রেন সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, খাদ্য ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চলমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং এর…
ইসলাম ধর্মে পশু হত্যার অনুমোদন নেই জানিয়ে আসন্ন ঈদ-উল-আজহায় গরু কোরবানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের প্রধান ও ভারতীয় পার্লামেন্ট মেম্বার বদরুদ্দিন আজমল। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে আজমলকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, হিন্দুধর্মাবলম্বীরা গরুকে মায়ের সম্মান দেয়। এই কারণে এই মুসলিম নেতা গরু কোরবানি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। বদরুদ্দিন আজমল জানান, ভারতে নানা ধর্ম, জাতি, গোত্রের মানুষ বাস করেন। এই দেশে সনাতন ধর্মের মানুষেরা “গরু”কে পবিত্র হিসাবে মনে করেন। তাই তিনি এই পশু হত্যা না করার আহ্বান জানান। রবিবার (৩ জুলাই) আসামের হাইলাকান্দিতে সংবাদ মাধ্যমের কাছে এ মন্তব্য করে…
১৯৩৩ সালের বসন্তকালে ইউক্রেনে এমন এক দুর্ভিক্ষ হয়েছিল যাতে মারা গিয়েছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ। এই দুর্ভিক্ষ ছিল মানবসৃষ্ট। সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিন তখন দেশের গ্রামগুলোর ওপর তার কমিউনিস্ট দৃষ্টিভঙ্গী চাপিয়ে দিচ্ছিলেন। সে ছিল এক বিরাট কর্মসূচি। অতীতকাল থেকে সেখানকার কৃষকরা যেভাবে ব্যক্তি-মালিকানাধীন এবং মুনাফা-সৃষ্টিকারী কৃষিকাজ করে আসছিলেন, তা উচ্ছেদ করা হচ্ছিল। জমি আর গবাদিপশু তখন রাষ্ট্র-পরিচালিত যৌথ খামারের অঙ্গীভূত করে নেয়া হচ্ছিল। কেউ এর বিরোধিতা করলে তা নির্মমভাবে দমন করা হচ্ছিল। এতে ইউক্রেনের সমাজে একটা তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দেখা দিল ব্যাপক অনাহার। মারিয়া ভলকোভা সে সময় ছিলেন স্কুলের ছাত্রী। তার শৈশবের স্মৃতির সাথে মিশে আছে সেই ক্ষুধার অভিজ্ঞতা।…