…
এডিটর পিক
নতুন নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহও পার হয়নি, এর মধ্যেই বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে…
Trending Posts
-
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইসলামের আগেও কিছু সভ্যতায় ছিল রোজা রাখার সংস্কৃতি
- ভারত-ইসরায়েল ঘনিষ্ঠতা যে কারণে ক্ষতিকর
- প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
- রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
- পার্কে উদ্যানে পুলিশের টহল, প্রশ্নের মুখ তরুণরা, চলছে মারধর-গ্রেপ্তার
- চাঁদের বুকে ইলন মাস্কের ‘শহর’
- ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
- প্রকৃত দরিদ্ররা কি ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত কয়েক বছরে যে উত্তেজনা ও বদল ঘেরা আছে—চলমান ছাত্র আন্দোলন, বিরোধীদলীয় তৎপরতা, নির্বাচনী-প্রস্তুতির প্রশ্ন এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর পুনঃসংਰক্ষণ—সবকিছুর মাঝেও গত অক্টোবরের শেষ দিকে এক আন্তর্জাতিক দল ঢাকায় আসে। এই দল ছিল আন্তর্জাতিক নীতি ও নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত, মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশ ও গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের সম্ভাবনা রূপায়ন করা। তারা একটি প্রাক-নির্বাচনী মূল্যায়ন মিশন পরিচালনা করে এবং ৫ নভেম্বর তারিখে একটি মূল্যায়ন রিপোর্ট প্রকাশ করে। মিশন এবং রিপোর্ট উভয়ে দৃষ্টিগোচর হয় একটি বড় প্রশ্নের: একটি মধ্য-আন্তরিক সরকারের অধীনে, উন্নত নির্বাচনী প্রশাসন এবং রাজনৈতিক সংস্কার কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হতে পারে? এই মিশনের সূচনা হয় ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামপন্থি দলগুলোর অবস্থান সবসময়ই একধরনের বিতর্ক ও কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী—যে দলটি মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময় থেকে দেশের রাজনীতিতে একটি প্রভাবশালী হলেও বিতর্কিত ভূমিকা রেখে এসেছে—তাদের প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সম্প্রতি দলটি নির্বাচনী জোট না করে “আসনভিত্তিক সমঝোতা”র পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিসহ সমমনাদের নিয়ে একটি নতুন জোট গঠনের যে প্রচেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছিল, সেটি থেকে হঠাৎ সরে এসে এভাবে সমঝোতার কথা বলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এটি কি কেবল বাস্তবতার চাপ, না কি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গোপন কৌশল? জামায়াতের রাজনৈতিক কৌশলগত ইতিহাস বলছে, দলটি সবসময়ই বাস্তবতার সঙ্গে আপস…
ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক মহড়া — একে অপরের পাশেই, একই সময়ে — দেখে অনেকেই প্রশ্ন করছেন: বিধ্বংসী সংঘাত হবে কি না, নাকি দুই দেশের সামরিক কূটকৌশলই চলছে? গত কয়েক দিনে উপকূল ও সীমান্তভিত্তিক বড়—বড় অনুশীলন দেখে এ প্রশ্ন স্বাভাবিক। ভারতের ‘ত্রিশূল’ নামক তিন বাহিনী সম্মিলিত মহড়া গুজরাট—রাজস্থান সীমান্ত ও আরব সাগরের উপকূলে শুরু হয়েছে; একই সময়ে পাকিস্তানও উত্তর আরব সাগরে নৌ মহড়া চালু করেছে — সময়গত ও ভৌগোলিক মিল যে উদ্বেগে বাড়িয়েছে, সেটা অস্বীকার করা যায় না। এই দুই মহড়া একেবারে নতুন নয়; প্রতিবেশী দুই সামরিক শক্তিই নিয়মিতভাবে নিজেদের সক্ষমতা পরীক্ষা করে থাকে। কিন্তু চলতি বার যে এক সঙ্গে —…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনের আগমন মানেই এক অস্থিরতা, উত্তেজনা ও নানা রকম আলোচনার জন্ম। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি যখন তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তখন সেই তালিকার কয়েকজনের নাম ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক—ঋণখেলাপি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়ে। নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অন্তত সাত দিন আগে কোনো প্রার্থী যদি নিজের ঋণ নিয়মিত করতে না পারেন, তবে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য বলে গণ্য হবেন। এই আইনি বাস্তবতা সামনে রেখেই এখন বিএনপির কিছু প্রার্থী ঋণ নিয়মিত করার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন। কিন্তু…
ভারতের আতিথ্যে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে গত এক বছরে যে ধীরে-ধীরে বদল এসেছে, তার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রশ্ন—দিল্লি কি তাকে ক্রমান্বয়ে “আনলক” করছে? প্রশ্নটি নিছক কৌতূহল নয়; এতে জড়িয়ে আছে দিল্লি-ঢাকার টানাপোড়েন, বাংলাদেশের ভেতরকার রাজনৈতিক সমীকরণ, এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সূক্ষ্ম বার্তা-রাজনীতি। গত অগাস্টে ভারতে পা রাখার পর প্রথম কয়েক মাস যে কঠোর নীরবতা ও নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন, তা এখন অনেকটাই বদলে গেছে: অনলাইনে বক্তব্য, বিদেশে দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশে লাইভ সংযোগ, এবং সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ—আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক লিখিত সাক্ষাৎকার। বিশেষ করে ২৯ অক্টোবর একসঙ্গে রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টে প্রকাশিত লিখিত প্রশ্নোত্তর—যা ভারতীয়…
ভারতের আদানি পাওয়ার কোম্পানি ও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মধ্যে বকেয়া অর্থ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ৩১শে অক্টোবর পাঠানো এক চিঠিতে আদানি পাওয়ার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, চলতি মাসের ১০ই নভেম্বরের মধ্যে ৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ না করলে ১১ই নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে। কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান অবিনাশ অনুরাগ চিঠিতে বলেন, বহুবার অনুরোধের পরও পাওনা মেটানো হয়নি, অথচ এর মধ্যে ২৬২ মিলিয়ন ডলারকে পিডিবি নিজেই বিরোধহীন পাওনা হিসেবে স্বীকার করেছে। পিডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদানির দাবিকৃত অর্থের পুরোটা তারা মেনে নিচ্ছে না। মূল বিতর্ক তৈরি হয়েছে কয়লার দাম নির্ধারণ নিয়ে। পিডিবির অভিযোগ, চুক্তির শর্তের…
বাংলাদেশে তরুণ-তরুণীদের আত্মরক্ষা ও অস্ত্র ব্যবহারে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। অন্তর্বর্তী সরকারের এই উদ্যোগকে কেউ দেখছেন জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের কৌশল হিসেবে, আবার কেউ বলছেন এটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সরকারি হিসেবে প্রায় নয় হাজার তরুণ ও তরুণী এই কর্মসূচির আওতায় ১৫ দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণ নেবেন, যেখানে শেখানো হবে জুডো, কারাতে, তায়কোন্দ এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মৌলিক কৌশল। এ ধরনের কর্মসূচি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম, যা জাতীয় প্রতিরক্ষা ও গণপ্রতিরক্ষার ধারণাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, এই প্রকল্পটি মূলত পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে চালু করা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো,…
ভারতের ব্যবসা জগতে একসময় যে নামটি ছিল আকাশচুম্বী—তিনি অনিল আম্বানি। রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি একসময় ছিলেন দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের একজন। কিন্তু আজ সেই নামই আলোচনায় এসেছে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অনিল আম্বানির ৩ হাজার কোটি রুপিরও বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করেছে। এই ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে কর্পোরেট দুর্নীতি, প্রভাবশালী পরিবারগুলোর ব্যবসা পরিচালনা ও অর্থ পাচারের বিষয়গুলো। ইডির এই পদক্ষেপ এসেছে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (পিএমএলএ) অনুযায়ী। তদন্ত সংস্থাটি গতকাল চারটি প্রাথমিক আদেশ জারি করেছে। এতে মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল পালি হিল এলাকার আম্বানির বাড়িসহ রিলায়েন্স গ্রুপের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি…
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার কথা দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও বাস্তবে তা গ্রাস করতে পারেনি। এখন সরকার ‘সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল’ বা ডিফেন্স ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়—কথা হচ্ছে, দেশে ড্রোন, সাইবার সক্ষমতা ও বিভিন্ন ধরনের সশস্ত্র সরঞ্জাম উৎপাদন করবে বাংলাদেশ; নিজ চাহিদা মেটাবে, বাকি রপ্তানি করবে। ঘোষণা হাসিখুশি মনে হলেও এই উদ্যোগের অর্থনৈতিক-বহুমুখী ও নীতিগত প্রভাবকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। এটি শুধু ফ্যাক্টরি নির্মাণ বা বিনিয়োগের বিষয় নয়; এটি দেশের নিরাপত্তা কৌশল, শিল্পনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির এক জটিল সমীকরণ। প্রথমত, ধারণাগতভাবে ‘প্রতিরক্ষা শিল্প’ আর সাধারণ শিল্পখাতের সঙ্গে মিশে যায় না। অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকে ঘিরে থাকে রাষ্ট্রীয়…
একটি দেশ কতটা আত্মনির্ভরশীল, কতটা স্থিতিশীল—তার আসল পরীক্ষা কখনো মুদ্রা বা সামরিক শক্তিতে নয়, বরং একটিমাত্র ট্রাকে লুকিয়ে থাকে। হ্যাঁ, একটি ট্রাক। যে ট্রাকটি প্রতিদিন নিজ ভূখণ্ডে নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সীমান্তে সংঘাত হোক বা রাজনীতিতে টানাপোড়েন। ভারত এখন সেই সহজ অথচ কঠিন পরীক্ষায় বারবার হোঁচট খাচ্ছে। মণিপুরে ২০২৩ সালের সহিংসতা এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লির ঘোষণা—যেখানে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম’ বাতিল ও ১৬৪৩ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—এই দুই ঘটনাই ভারতের দুর্বলতার আয়না হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিজস্ব পথ রক্তাক্ত ও অচল হয়ে পড়েছে। তাই আজ ভারতের ট্রাকগুলো নিঃশব্দে ঘুরপথে চলছে—বাংলাদেশের বন্দর ও মহাসড়ক ধরে, এক নিরাপদ, স্থিতিশীল…