…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সীমান্ত কূটনীতিতে বিএনপির অভূতপূর্ব সাফল্য: প্রথম মাসে হত্যা শূন্য
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে হাত ছিল ইসরায়েলের: চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁস
- যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ঢাকায় সামান্য কম্পন অনুভূত হলেই মানুষ গুগলে লেখে—“আজ কি ভূমিকম্প হলো?” কিংবা “earthquake today in Dhaka.” গত ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে সারা দেশে যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল, তার রেশ সপ্তাহ পার হলেও কাটেনি। মাত্র সাত দিনের মধ্যে ছয়বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় মানুষের মন থেকে ভয় সরে যায়নি। কারণ বাংলাদেশের নাগরিকদের ভূমিকম্প সম্পর্কে ধারণা বরাবরই সীমিত—ঝাঁকুনি লাগলে দৌড়ে বাইরে যাওয়া, আতঙ্কে বাড়ি-ঘর থেকে নামা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো প্রস্তুতি নেই। অথচ বাংলাদেশের ঠিক পূর্বে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরেই আছে এমন একটি দেশ, যেখানে ভূমিকম্প নিত্যদিনের ঘটনা। জাপান—যেখানে বছরে প্রায় দেড় হাজার ভূমিকম্প হয়, সুনামির সতর্কতা দেওয়া হয়…
অগ্রহায়ণ মাস গ্রামের মানুষের জীবনে উৎসব ও অর্থনীতির এক বিশেষ সময়। এই সময়ই মাঠের ধান ঘরে ওঠে, কৃষকের হাতে কিছু অতিরিক্ত আয় আসে এবং সেই আয়কে কেন্দ্র করেই গ্রামে দেখা দেয় এক ধরনের সামাজিক উচ্ছ্বাস। নবান্ন আয়োজন, পিঠাপুলি, আত্মীয়স্বজনের সমাগম, নানা সামাজিক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সব মিলিয়ে গ্রামবাংলায় অগ্রহায়ণ মানে উৎসবের মৌসুম। দীর্ঘ শীতের রাতকে উদ্যাপন করতে আবহমানকাল ধরেই আয়োজন হয়ে আসছে পালাগান, বাউলগান, যাত্রাপালা, গাজির গান, মাজারে ওরস শরিফ কিংবা বিভিন্ন ধরনের জলসা। এসব আয়োজন একসময় ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় শিল্পী, বাদ্যযন্ত্রী, সাজসজ্জার শ্রমিক, খাবার সরবরাহকারী—সবারই উপার্জনের ক্ষেত্র ছিল এসব আয়োজন। তবে গ্রামীণ সাংস্কৃতিক ধারার মধ্যেও সবসময়…
পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বা প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের চাইতেও আলোচনার কেন্দ্রে যে একজন মানুষ, তিনি ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির আহমেদ শাহ। ৫৭ বছর বয়সী এই সেনা কর্মকর্তা চার তারকা জেনারেল থেকে পাঁচ তারকা ফিল্ড মার্শাল হয়েছেন, সেনাপ্রধানের চেয়ার পেরিয়ে এখন তিনি “সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান”—অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান, গোয়েন্দা সংস্থা এবং পারমাণবিক কমান্ডসহ পাকিস্তানের সমস্ত নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন। সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী তাঁকে কার্যত আইনের ঊর্ধ্বে এক ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে, যা পাকিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আসিম মুনিরের জন্ম রাওয়ালপিন্ডিতে, এমন এক পরিবারে যেখানে ইসলামি মূল্যবোধ, শিক্ষা এবং শৃঙ্খলা ছিল অপরিহার্য অংশ। তাঁর পরিবার ১৯৪৭ সালের…
রানীপাড়া গ্রামের রাস্তায় রাতের অচেনা আলোয় যখন কেবল পায়ের আওয়াজ আর দূরের কোনো গাড়ির হেডলাইট ছিল, তখনই হঠাৎ জনজোড়া গড়ে ওঠে। আড়াল থেকে এগোনো মানুষগুলো একে একে ঘিরে ধরে। তাদের হাতে লাঠি, চোয়াল পর্যন্ত কাদামাখা; মুখে ছিল কিছু বাক্য বারবার বলানোর তাগিদ। মুর্শিদাবাদ জেলার চক হরেকৃষ্ণপুরের ২৪ বছরের রাহুল ইসলামের কাছে তিনি তাঁর আধার কার্ডটি তুলে ধরলে শুরু হয় অভিযুক্ত অভিযোগ ও অসম্মান। একে বলেন ‘ভুয়া’, একে বলেন ‘বাংলাদেশি’, কেউ কেউ আবার উচ্চস্বরে ঘোষণা করে তাকে ‘রোহিঙ্গা’ বলেও আতঙ্কিত করেন। তারপরই শুরু হয় মারধর — চড়, থাপ্পড়, লাঠির আঘাত; কেউ লাথিও মারে। আহত রাহুলকে দাঁত-চোড়া কাটা কাপড়ের মতো কপালে লেগে…
ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারি দাবি যতই উজ্জ্বল হোক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চোখে ভারতের জাতীয় পরিসংখ্যানের গুণমান ততটাই প্রশ্নবিদ্ধ। এই বিরূপ মূল্যায়ন নতুন নয়, কিন্তু ২০২৫ সালের আর্টিকেল–IV কনসালটেশন রিপোর্টে যখন আবারও ভারতকে ‘সি গ্রেড’ দেওয়া হলো, তখন জনমত থেকে রাজনৈতিক অঙ্গন—সব জায়গাতেই প্রশ্ন উঠছে: কেন প্রবৃদ্ধি বাড়লেও ডেটার মান নিয়ে আইএমএফ এতটা অসন্তুষ্ট? ভারতের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নাকি পরিসংখ্যান ব্যবস্থার ভেতরের গভীর ত্রুটি—কোনটি বেশি কার্যকর? পুরো বিষয়টি বুঝতে গেলে ভারতের ডেটা অবকাঠামো, পদ্ধতিগত কাঠামো এবং বাস্তব অর্থনীতির পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারি পরিসংখ্যানের অসামঞ্জস্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা জরুরি। আইএমএফ মূলত চারটি গ্রেড ব্যবহার করে—এ, বি, সি এবং ডি—যেখানে ‘এ’ মানে তথ্য…
পাকিস্তানের রাজনীতির ভেতরে এখন এমন এক নিস্তব্ধ ঝড় বইছে, যার শব্দ বাইরে শোনা না গেলেও তার অভিঘাত টের পাওয়া যায় প্রতিটি দিনে, প্রতিটি ঘটনায়, প্রতিটি সরকারি সিদ্ধান্তে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নাম উচ্চারণ করা হয় প্রায় ফিসফিস করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবি পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তেই সরিয়ে নেওয়া হয়, টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর পরিচয় দেওয়া হয় পরোক্ষ নামে—‘কাসিমের বাবা’। এ যেন এক বেখাপ্পা, অদৃশ্য সেন্সরশিপের যুগ, যেখানে একটি মানুষকে জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলার প্রকল্প চলছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। অথচ সেই মানুষটাই কয়েক বছর আগেও পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক চরিত্র, বিশ্বকাপজয়ী নায়ক এবং পরিবর্তনের প্রতীক ছিলেন। এখন তাঁর অবস্থান হচ্ছে…
কর্ণফুলী নদীর মোহনার অদূরে, গুপ্তবাঁক এলাকায় নির্মিতব্য লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে ঘিরে দেশের বন্দর অর্থনীতি, নীতিনির্ধারণ ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা ক্রমেই নতুন মাত্রা পাচ্ছে। সরকারি প্রচারণা টার্মিনালটিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কেন্দ্র বলে তুলে ধরলেও প্রকাশিত তথ্য–বিশেষ করে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্টে থাকা গোপন স্ল্যাব, মেয়াদ, রাজস্ব কাঠামো এবং অপারেটরের প্রভাব–এগুলোর বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে এমন অনেক সুবিধা লুকিয়ে আছে যা একতরফাভাবে বিদেশী অপারেটরের জন্য লাভজনক। ফলে লালদিয়া টার্মিনাল শুরু হওয়ার আগেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশের বন্দর পরিচালনার ইতিহাসে এটি কি একটি ‘লো-রিস্ক, হাই-রিটার্ন’ মডেলের মাধ্যমে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করেছে? এর বিপরীতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)…
বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খুলনায় আন্দোলনরত ৮ দলের আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশটি ছিল সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক জমায়েত, যেখানে নেতাদের ভাষণে উঠে এসেছে দেশের বর্তমান বাস্তবতা, ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা এবং জনগণের প্রত্যাশা–নিরাশার বিশদ চিত্র। সমাবেশের মূল বক্তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে দেশের চলমান পরিস্থিতিকে এক গভীর সংকটের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি, শাসনব্যবস্থার অস্থিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের সামনে থাকা সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো। তিনি বলেন, দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য এমনভাবে নষ্ট হয়ে গেছে যে, ক্ষমতায় না থেকেও একটি গোষ্ঠী ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে, প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে এবং…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অদ্ভুত নীরব রূপান্তরের সময় চলছে। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা, অন্যদিকে পরিবর্তনের প্রত্যাশা—দুটি অনুভূতি পাশাপাশি এগোচ্ছে সমাজের ভেতর দিয়ে। এ দেশের জনমানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলতা ও জবাবদিহি–নির্ভর রাষ্ট্র পরিচালনার অভিলাষ পোষণ করে এসেছে। সেই প্রত্যাশার ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কোন পর্যায়ে আছে—তা নিয়ে মার্কিন পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপের ফলাফল বলছে, বাংলাদেশের গণমানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়, চাইছে একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন, আর সেই পরিবর্তন অভিযাত্রায় তারা অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বকে এখনো ইতিবাচক চোখে দেখছে। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে অংশ নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ—প্রায় ৬৯ শতাংশ—বলেছেন,…
ইসলামের প্রথম যুগে নারীরা যে অসাধারণ ভূমিকা রেখে গেছেন, তা শুধু ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় নয়, বরং আজকের যুগের মুসলিম নারীদের জন্যও প্রেরণার উৎস। সেই নারীরা ছিলেন দায়িত্বশীল, আত্মমর্যাদাশীল, জ্ঞানান্বেষী, দুর্দান্ত সাহসী এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে অবিচল—যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে খুব কমই দেখা যায়। নবীজি (সা.)–এর তিরোধানের পর থেকে খিলাফতের বিস্তৃতি ও ইসলামের দ্রুত প্রসার—সব ক্ষেত্রেই নারীরা ছিলেন এক নীরব কিন্তু দৃঢ় শক্তি। তারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন ক্ষেত্রেই এমন প্রভাব রেখে গেছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য ঐতিহ্য। ইসলামের সূচনা পর্বে নারীদের জ্ঞানান্বেষণের মানসিকতা ছিল বিস্ময়কর। শাইখ ইউসুফ কারজাভি (রহ.) উল্লেখ করেছেন—নারীরা বিনা সংকোচে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে ব্যক্তিগত ও সূক্ষ্ম…