…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি বোঝার জন্য ইরানকে কেবল একটি আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা যথেষ্ট নয়। ইরান এমন…
Trending Posts
Trending Posts
- আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
- প্রতিবেশী দেশে কেন বোমা ফেলছে তেহরান?
- মধ্যপ্রাচ্যে হতে পারে পারমাণবিক যুদ্ধ
- দুই সপ্তাহে ৪০ খুন, সরকারি দলের নেতাকর্মী পাঁচজন
- কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতি এখতিয়ারে বাহিরে ছিলো বিধায় তদন্ত করিনি
- হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহ
- খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
- মুসলিম প্রধান এই দেশে কেন এতো ধর্ষণ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
এসডো’র এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বাংলাদেশের টুথপেস্ট ও হ্যান্ডওয়াশে উদ্বেগজনক মাত্রায় প্যারাবেন পাওয়া গেছে। গবেষণাটিতে মানব স্বাস্থ্যের উপর এসব রাসায়নিক পদার্থের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাবের বিষয়গুলোও তুলে আনা হয়েছে। যেমন প্যারাবেনের কারণে হরমোন নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত, প্রজনন সমস্যা এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ফ্লোরাইডের অতিরিক্ত ব্যবহার হাড়ের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং দাঁতের এনামেল গঠনে সমস্যা তৈরি করে। তাছাড়া অতিরিক্ত সোডিয়াম ডাইক্লোরাইড ব্যবহারের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার এসডো’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার ওনজিন ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ (WIOEH) সংস্থার সহযোগিতায় এই…
ডায়মন্ড বা হীরাকে প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন সভ্যতা বা জাতিতে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। বর্তমানে এর কদর শুধুমাত্র উচ্চমূল্যের জন্য হলেও প্রাচীনকালে এর সাথে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ও জড়িত ছিল। যেমন- প্রাচীন রোমান এবং গ্রিকে এই হীরাকে দেবতাদের অশ্রু কিংবা পতনশীল কোনো তারা মনে করা হতো; একে তারা ভালোবাসার প্রতীকও মনে করতেন। অনেক প্রাচীন সভ্যতায় যোদ্ধাদেরকে হীরার তৈরী অলংকার পরানো হতো। কেননা, তাদের বিশ্বাস ছিল যে এই রত্নপাথর যোদ্ধাদের শক্তি ও সামর্থ্য বৃদ্ধি করবে। ডায়মন্ডকে এপ্রিল মাসের জন্মপাথর ও ১০ম এবং ৬০তম বিবাহ বার্ষিকীর রত্নপাথর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শুধু তা-ই নয়, একে সবচাইতে বিশুদ্ধ রত্নপাথরও বলা হয়। ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০…
বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার আইনের অধীনে মিয়ানমার প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫০০০ যুবক-যুবতীকে যুক্ত করার খসড়া শুরু করছে। এ হিসেবে প্রতিবছর সেখানে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে প্রায় ৬০,০০০ যুবক, যুবতীকে। এমন আইন করার ফলে অনেক যুবক-যুবতী এরই মধ্যে দেশ ছেড়ে পালানোর কথা চিন্তা করছেন। দেশটিতে নতুন বর্ষবরণ হবে এপ্রিলে। এ সময় রীতি অনুযায়ী বর্ষবরণের পর শুরু হবে এই কার্যক্রম। এ খবর দিয়ে অনলাইন মিয়ামি হেরাল্ড লিখেছে- সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যোগ দেয়ার আইন শনিবার ঘোষণা করে সামরিক জান্তা, সামরিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তার আকস্মিক এই ঘোষণা এটাই বলে দেয় যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।…
ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসছে। এসব সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনে এসব ক্যামেরার ফুটেজ দিতে হবে পুলিশকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক চিঠি থেকে জানা গেছে, এই সিসি ক্যামেরা বসানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওই চিঠি থেকে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় নিজ উদ্যোগে সিসি ক্যামেরা বসানোর অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ভবন ও…
ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তন হচ্ছে দেশের প্রধানতম নদী পদ্মার আকার ও গতিপথ। স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ হয়েছে। সোজা অবস্থান থেকে পরিবর্তিত হয়ে আঁকাবাঁকা হয়েছে নদীর গতিপথ। বেড়েছে ‘ব্রেইডিং’ বা পরস্পরছেদী প্রবণতা। প্রমত্তা পদ্মায় এখন সেতু আছে তিনটি। শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালনশাহ সেতু ও ২০২২ সালে চালু হওয়া পদ্মা সেতু। বর্তমানে এ নদীতে নতুন করে আরো ছয়টি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকারের সেতু বিভাগ। নাসার প্রতিবেদনে পদ্মার আকার ও গতিপথ পরিবর্তন প্রবণতার দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। একটি হলো মুক্তভাবে প্রবাহিত এ নদীর পাড় সুরক্ষায় কোনো…
প্রশাসনের প্রতিরোধের মুখে পড়লেও তাদের আন্দোলন যে থামবে না, সে কথা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের প্রতিবাদী কৃষকেরা। বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো হাজার হাজার কৃষক তাদের দাবি আদায়ে দিল্লির দিকে মিছিল অব্যাহত রেখেছেন। তবে, সেই অভিযান সে সহজ হবে না, সে কথা মঙ্গলবারই স্পষ্ট করে দিয়েছিল প্রশাসন। বুধবারও নিরাপত্তার কড়া বলয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল হরিয়ানার শাম্ভু, টিকরি ও সিঙ্ঘু সীমান্ত-সহ রাজধানী দিল্লি ঢোকার অন্যান্য প্রবেশপথ। ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তা, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং স্বামীনাথন কমিশনের সমস্ত সুপারিশ বাস্তবায়ন-সহ একাধিক দাবি নিয়ে ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে কয়েক হাজার কৃষক ‘দিল্লি চল’ আন্দোলনের যে ডাক দিয়েছিলেন, আজ তার…
ভৌগলিক চরিত্র আর শাসকদের নিয়মিত উত্থান-পতনের মধ্যে বাংলা ছিল রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল অঞ্চলগুলোর একটি, নিয়মিত পরিবর্তন আর পরিবর্ধন হয়েছে বাংলার ভৌগলিক সীমারেখার। রাজনৈতিক কারণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রভাবকগুলোও এই অঞ্চলের পটপরিবর্তনে নিয়মিত ভূমিকা রেখেছে, এই অঞ্চলের শাসকদের মুক্ত ভূমিকা নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি, অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক কারণগুলোই বিদেশী ব্যবসায়ীদের বাংলার প্রতি আকৃষ্ট করেছে, যা পরবর্তীতে বাংলাকে নিয়ে গেছে দু’শো বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খলে। বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যায় ১৭৫৭ সালে, যদিও বাংলায় কোম্পানির শাসন শুরু হয় তারও এক দশক পরে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে, মাত্র কয়েক হাজার ইংরেজ সৈন্যের কাছে পরাজয় হয় বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌলার। যুদ্ধে নবাব সিরাজের পক্ষে প্রধান সেনাপতি ছিলেন মোহন…
গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশ ছোঁয়া দাম। বাজারে সরবরাহও অনেক কম। আমদানি করার মতো যথেষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা নেই জান্তা সরকারের হাতে। মুদ্রার মান এতটাই কমে গেছে যে, যাদের জমানো টাকা ছিল সেগুলো এখন প্রায় কাগজে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতি জান্তা সরকারের ওপর সাধারণ নাগরিকদের আরও ক্ষুব্ধ করে তুলছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে চলছে গৃহযুদ্ধ। অর্থনীতির ভেঙে পড়ার দশা। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চাল এবং ভোজ্যতেলের। মিয়ানমারের মানুষের প্রধান চাহিদাই এ দুটি ভোগ্যপণ্য। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে উৎকৃষ্ট মানের চালের দাম ছিল প্রতি বস্তা ১৬ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। কিন্তু ২০২৪ সালের জানুয়ারি…
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনের মামলায় অস্বাভাবিক গতিতে বিচার করা হয়েছে। এ নিয়ে সারাবিশ্ব থেকে যে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও তার সঙ্গে আছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের শ্রম আইন ব্যবহার করে ড. ইউনূসকে হয়রান ও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে উদ্বেগ জানায় যুক্তরাষ্ট্রও। এতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারির এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানিয়েছেন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। মুশফিক তার কাছে জানতে চান, সোমবারের মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, অজ্ঞাত ২০ জনের একটি গ্রুপ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের অফিস…
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যস্ত সফরসূচির মধ্যে আগস্ট ২০১৫ সালে আবুধাবির শেখ জায়েদ মসজিদ পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন। ঠিক একদিন পরে প্রতিবেশী দুবাইতে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল তার। ততদিনে ২০০৭ সালে নির্মিত এই বিশাল মসজিদটি একটি দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে আবুধাবিতে আগত বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পর্যটকদের কাছে। মসজিদ চত্বরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই প্রবীণ কর্মকর্তার সঙ্গে সেলফি তোলেন। সেখানে উপস্থিত উৎসাহী জনতা যারা ‘মোদী মোদী’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন প্রধানমন্ত্রী। তাদের অভিনন্দন জানান। সে দৃশ্য ছিল উৎসবের মতো। এর কিছুক্ষণ পর একটি ভারতীয় টিভি চ্যানেলের একজন উপস্থাপকের টেলিফোন পেলাম। তিনি আমাকে সরাসরি…