১৮৪১ সালের দিকে ‘ফ্রি কনট্রাক্টরস’ পদ্ধতির নামে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কুলি সংগ্রহ করার জন্য চা করেরা এক চুক্তি করেন। এই চুক্তিতে স্থানীয় এজেন্টদের এবং লোভী এজেন্টদের আড়কাঠি বলা হয় এবং এই প্রক্রিয়াতেই হয় আড়কাঠি আইন। আড়কাঠিদের কাজ ছিল কুলিদের জাহাজ ডিপোতে নিয়ে এসে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া। একবার স্বাক্ষর করাতে পারলেই চা মালিকদের জিম্মায় চলে যেতেন শ্রমিকেরা। জাহাজে তোলার আগপর্যন্ত তাদের যত্ন নেয়া হতো। কিন্তু জাহাজের কর্তৃপক্ষের হাওলায় চলে আসার পরই শুরু হতো অমানবিক আচরণ। আদিবাসী চা শ্রমিকদের উপর বৃটিশদের নির্যাতন ও গণহত্যা নিয়ে এই পডকাস্ট।
সর্বশেষ প্রকাশিত
- আমরা কি মানুষের কষ্ট বুঝি, নাকি তার পরিচয় দেখে সহানুভূতি দেখাই?
- আলাস্কায় ১৩,৮০০ বছরের পুরোনো বসতি: মানুষ কখন একটি জায়গাকে ‘ঘর’ বলতে শিখল?
- পুজোর বইয়ের স্টলে হামলার অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গে ভিন্নমতের জায়গা কতটা নিরাপদ?
- আবার আইএমএফের ঋণ: বাংলাদেশ কি সংকট সামলাচ্ছে, নাকি সংস্কার পিছিয়ে দিচ্ছে?
- অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- ভোলা ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০: ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু
- ভোটার তালিকা কার আস্থা ফেরাবে? পশ্চিমবঙ্গে ফের সংশোধনের দাবি ও নাগরিকের উদ্বেগ
- রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
আপনার মতামত জানানঃ