সেই ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫। দুপুর সাড়ে তিনটা। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে অপেক্ষা করছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। ৬০ লক্ষ নিরীহ ইহুদির রক্তে রাঙা নাৎসি বাহিনীর সর্বাধিনায়কের আঙুলে ধরা রয়েছে ট্রিগার। এরপরই ট্রিগার টিপার শব্দ হবে আর মাটিতে লুটিয়ে পড়বে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধানতম খলনায়কের লাশ। পাশেই লুটিয়ে রয়েছেন ইভা ব্রাউন। হিটলারের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা। বন্দুক নয়, তিনি বেছে নিয়েছেন পটাশিয়াম সায়ানাইড। কেননা রক্তমাখা মৃতদেহ না হয়ে, ‘সুন্দর’ এক লাশ হওয়াই তার লক্ষ্য ছিল! মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল হিটলারের। কিন্তু কেন এভাবে নিজেকে শেষ করে দিতে হয়েছিল এক নবদম্পতিকে? কেমন ছিল জার্মান একনায়কের জীবনের অন্তিম কয়েক ঘণ্টা?
সর্বশেষ প্রকাশিত
- ১৯০৮ সালের টুঙ্গুস্কা বিস্ফোরণে ধ্বংস ২ হাজার বর্গকিমি বন
- অবিবাহিত বলে বিদেশযাত্রায় বাধা? রাষ্ট্র কেন নারীর অভিভাবক হতে চায়
- কাউকে ক্ষমা করা কি তাকে দায়মুক্তি দেওয়া?
- গাজা যুদ্ধ: মোদির ইসরায়েলপ্রীতির কারণ কী?
- লাইপৎসিগের সেই সোমবার: নিরস্ত্র মানুষের সাহস কীভাবে রাষ্ট্রের ভয় ভেঙেছিল?
- শয়তানেরও প্রাচীন? সুমেরীয় সভ্যতার আনু, এনকি ও এনলিলের রহস্যময় ত্রয়ী
- ঢাকা–দিল্লির বাণিজ্যে বন্দরের বাধা: কূটনীতির খরচ দিচ্ছেন কারা?
- চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে, লাভের হিসাব নাকি জাতীয় স্বার্থের ঝুঁকি?
আপনার মতামত জানানঃ