সেই ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫। দুপুর সাড়ে তিনটা। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে অপেক্ষা করছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। ৬০ লক্ষ নিরীহ ইহুদির রক্তে রাঙা নাৎসি বাহিনীর সর্বাধিনায়কের আঙুলে ধরা রয়েছে ট্রিগার। এরপরই ট্রিগার টিপার শব্দ হবে আর মাটিতে লুটিয়ে পড়বে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধানতম খলনায়কের লাশ। পাশেই লুটিয়ে রয়েছেন ইভা ব্রাউন। হিটলারের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা। বন্দুক নয়, তিনি বেছে নিয়েছেন পটাশিয়াম সায়ানাইড। কেননা রক্তমাখা মৃতদেহ না হয়ে, ‘সুন্দর’ এক লাশ হওয়াই তার লক্ষ্য ছিল! মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল হিটলারের। কিন্তু কেন এভাবে নিজেকে শেষ করে দিতে হয়েছিল এক নবদম্পতিকে? কেমন ছিল জার্মান একনায়কের জীবনের অন্তিম কয়েক ঘণ্টা?
সর্বশেষ প্রকাশিত
- ৯/১১-এর পর ২৫ বছর: আমেরিকার প্রতিশোধের যুদ্ধে নিহত ৪৭ লাখ মানুষ
- হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
- সৌদি আরবকে ঘিরে ফেলছে ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সঙ্কট
- গাজায় হত্যাযজ্ঞের নেপথ্য কৌশল ফাঁস, ইসরায়েলি সেনাদের জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ১৫ ব্যাংক, খেলাপি ঋণের চাপে নড়বড়ে আর্থিক সুরক্ষা
- নৈতিকতার জন্য কি ঈশ্বর অপরিহার্য
- বন্ধু হয়েও ইসরাইলের বিরুদ্ধে আমিরাত, ৮ মুসলিম দেশের নিষেধাজ্ঞার ডাক
- ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল: অতিমূল্যায়িত প্রকল্পের ফাঁদে ঢাকা
আপনার মতামত জানানঃ