১৮৪১ সালের দিকে ‘ফ্রি কনট্রাক্টরস’ পদ্ধতির নামে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কুলি সংগ্রহ করার জন্য চা করেরা এক চুক্তি করেন। এই চুক্তিতে স্থানীয় এজেন্টদের এবং লোভী এজেন্টদের আড়কাঠি বলা হয় এবং এই প্রক্রিয়াতেই হয় আড়কাঠি আইন। আড়কাঠিদের কাজ ছিল কুলিদের জাহাজ ডিপোতে নিয়ে এসে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া। একবার স্বাক্ষর করাতে পারলেই চা মালিকদের জিম্মায় চলে যেতেন শ্রমিকেরা। জাহাজে তোলার আগপর্যন্ত তাদের যত্ন নেয়া হতো। কিন্তু জাহাজের কর্তৃপক্ষের হাওলায় চলে আসার পরই শুরু হতো অমানবিক আচরণ। আদিবাসী চা শ্রমিকদের উপর বৃটিশদের নির্যাতন ও গণহত্যা নিয়ে এই পডকাস্ট।
সর্বশেষ প্রকাশিত
- ২৫ এজেন্সির হাতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সুযোগ খুলছে, নাকি পুরোনো সিন্ডিকেট ফিরছে?
- কারখানায় গ্যাস নেই, শ্রমিকের কাজ নেই: জ্বালানি সংকট কি এবার কর্মসংস্থানে আঘাত করছে?
- ২২ আগস্ট ১৮৬৪: যুদ্ধের নৃশংসতার মাঝেও যেদিন মানবতার আইন লেখা হয়েছিল
- মক্কা চুক্তি: সৌদি–তুরস্ক–পাকিস্তান কেন এক হলো, বদলে যাচ্ছে কি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য?
- বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
- প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
- দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
- মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আপনার মতামত জানানঃ