…
এডিটর পিক
রংপুরে একটি শিক্ষক পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা শুধু একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- হিন্দু শিক্ষক পরিবারের চারজনকেই হত্যা: ধর্ম, শিক্ষকতা ও নিরাপত্তা
- কফি এনেমা: ‘ডিটক্স’-এর মোড়কে বিপজ্জনক অপচিকিৎসা
- রোমান সাম্রাজ্যের রহস্যময় দেবী: গুহার দেয়ালে মিলল ১২০টি লাতিন বার্তা
- মোদির টেবিলে ফারাক্কা: বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তিতে আসছে কি বড় পরিবর্তন?
- বিয়ের ফাঁদে চীনে বাংলাদেশি নারীরা: নরকে বসবাসের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতি থেকে ‘স্টকহোম সিনড্রোম’: বন্দিরা কেন অপহরণকারীর পক্ষ নিয়েছিল?
- বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি বদলালেন, ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাবে?
- ভাতার প্রতিশ্রুতি থেকে রাজপথের ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গে কল্যাণের রাজনীতি কি সংকটে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার ইতিহাসে পাল বংশ এক গৌরবময় অধ্যায়, যাদের হাত ধরে বৌদ্ধ ধর্ম এ অঞ্চলে রাজধর্মের মর্যাদা পায় এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতি, শিক্ষা ও স্থাপত্যের এক অসাধারণ বিকাশ ঘটে। কিন্তু ইতিহাসে যেমন উত্থান থাকে, তেমন পতনও অনিবার্য। পালদের দীর্ঘ ৪০০ বছরের শাসনের অবসানের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার বৌদ্ধ ধর্মও তার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক উচ্চতা থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে শুরু করে। একসময় যেই ধর্ম বাংলার প্রধান ভিত্তি ছিল, তা-ই কালের প্রবাহে হয়ে পড়ে প্রান্তিক। প্রশ্ন জাগে—কেন? কিভাবে এত বিস্তৃত, শক্তিশালী এক ধর্মব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেল? গোপাল দেব ছিলেন পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা—প্রজা কর্তৃক নির্বাচিত বাংলার প্রথম শাসক। তার বংশধররাই বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের…
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন বর্তমানে নতুন এক সংকটময় মোড়ে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ করে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা এবং তার পেছনে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানিবান্ধব সম্পর্ককে দায়ী করা—এই দুই দেশকে নতুন এক ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ট্রাম্পের মতে, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনে তা ‘লাভে বিক্রি’ করছে, অর্থাৎ একরকম প্রোফিট ব্যবসায় জড়িত হয়ে পড়েছে—যা রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রে জ্বালানি জোগাচ্ছে। এই অভিযোগ শুধু কূটনৈতিক সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতের ওপর বর্তমান ২৫ শতাংশ শুল্ক ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায়’ বাড়ানো হবে। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রীতিমতো নড়বড়ে…
৫ আগস্ট ২০২৫, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী হলো জাতি। ইতিহাসের এক মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া দিনটির প্রথম বার্ষিকীতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উচ্চ কণ্ঠে পাঠ করলেন “জুলাই ঘোষণাপত্র”। জনতার সামনে প্রথমবারের মতো পাঠ করা এই দলিল শুধু একটি রাজনৈতিক ঘোষণাই নয়—এ যেন বাংলাদেশের বহু দশকের বিক্ষুব্ধ ইতিহাস, সংগ্রামের বেদনাবিধুর দলিল, এবং একটি নতুন শুরুতে উত্তরণের দৃঢ় অঙ্গীকার। এই ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে স্বাধীনতার পরবর্তী প্রতিটি ব্যর্থতা, প্রতারণা ও ফ্যাসিবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে জনতার লালিত ক্ষোভ ও বিক্ষোভের বিবরণ। একে শুধু ঘোষণাপত্র বলা ভুল হবে—এ যেন গণ-অভ্যুত্থানের পর জন্ম নেওয়া এক নতুন জাতির…
এই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আমাদের পরিচিত আলু আর টমেটোর মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক চমকপ্রদ ও ঐতিহাসিক দিক উন্মোচন করেছে। প্রায় ৯০ লাখ বছর আগে দক্ষিণ আমেরিকার আদি ভূখণ্ডে এক ধরনের বুনো টমেটো গাছ ও আলুর মতো দেখতে একটি বন্য উদ্ভিদের মধ্যে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক সংকরায়ণ বা হাইব্রিডাইজেশনই আজকের আধুনিক আলুর জন্ম দেয়। এই ঘটনাটি শুধুই এক বৈজ্ঞানিক কৌতূহল নয়, বরং পৃথিবীর খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও কৃষির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আলু মানবজাতির ইতিহাসে একটি অনন্য খাদ্যশস্য। এটি কেবল পুষ্টিগুণে ভরপুরই নয়, বরং সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক নানা বাস্তবতায় গভীরভাবে জড়িত। এটি এমন একটি উদ্ভিদ যার মূল খাদ্যভাগ—টিউবার—গঠিত হয় মাটির নিচে, অথচ…
ঠিক এক বছর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘটে যায় এক ঐতিহাসিক পালাবদল। এটি ছিল সেই দিন, যেদিন হাজারো সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পেশাজীবীরা রাজপথে নেমে এসে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেন। কিন্তু এক বছর পর, আজ ২০২৫ সালের ৫ আগস্টে দাঁড়িয়ে, সেই বিপ্লব কি আদৌ বেঁচে আছে? নাকি কালের অতলে হারিয়ে যাচ্ছে এক সোনালি স্বপ্ন? সিনথিয়া মেহরিন সকালের মতো শিক্ষার্থীরা এখনও ভুলতে পারেন না সেই রক্তাক্ত দিনগুলোর কথা। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের অপরাধে যেভাবে তার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল, তার চেয়েও বড় ক্ষত ছিল রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তা। রাষ্ট্র নিজেই যেদিন নিজের সন্তানের রক্তে রঞ্জিত হয়, সেদিনই তো…
২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে যে গণ–অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, তা ছিল শুধু রাজনৈতিক নয়—একটি গভীর মানবিক বিপর্যয়ও। প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদন অনুসারে, এ অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ১৩৩ শিশু শহীদ হয়েছে। এ সংখ্যা শুধু সংখ্যাগত নয়, বরং প্রতিটি শহীদের পেছনে রয়েছে একটি করুণ, হৃদয়বিদারক, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতায় মোড়ানো গল্প। তাদের কেউ স্কুলে যাচ্ছিল, কেউ মাদ্রাসায় পড়ত, আবার কেউ দরিদ্র পরিবারের হাল ধরে ক্ষুদ্র শ্রমজীবী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করছিল। শহীদদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিল আব্দুল আহাদ, মাত্র চার বছর বয়সী, যিনি নিজ বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। আহাদের মৃত্যুর ঘটনায় বাবার যে হৃদয়বিদারক সাক্ষাৎকার উঠে এসেছে, তাতে বোঝা যায় এই রাষ্ট্রব্যবস্থার…
গত বছরের জুলাইয়ে যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা নিছক একটি কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল না—বরং একটি দীর্ঘকাল ধরে জমে থাকা সামাজিক অসন্তোষের বিস্ফোরণ। “আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই”—এই আবেগপ্রবণ স্লোগানই আন্দোলনের চরিত্র এবং আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করেছিল। কিন্তু এক বছর পর ফিরে তাকালে, সেই আন্দোলনের জোয়ারে যা কিছু পরিবর্তন হওয়ার কথা ছিল, বাস্তবে তা হয়নি বললেই চলে। শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনের পতনের পর যে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এল, তাদের কাছ থেকে ছিল উচ্চ প্রত্যাশা। তবে বাস্তবতা হলো, সেই সরকারের প্রতিটি স্তরে আগের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কালচারেরই পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। এ যেন পুরনো কাঠামোর মধ্যে নতুন মুখ বসানো—কিন্তু চিন্তাধারা, অভ্যাস,…
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) ছিল এক সময়ের সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। গ্রাহকের টাকায় গঠিত এই তহবিলের উদ্দেশ্য ছিল গ্যাস অনুসন্ধান, কূপ খনন, গ্যাসক্ষেত্রের আধুনিকায়ন এবং দেশীয় গ্যাস মজুদের পরিমাণ বাড়ানো। কিন্তু ২০০৯ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন প্রায় নিঃশেষ। প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা জমা হলেও বাস্তবে গ্যাসের মজুদের ক্ষেত্রে দেশ তেমন কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। বরং এই বিপুল অর্থের সিংহভাগ খরচ হয়েছে এমন খাতে, যার সঙ্গে গ্যাস উন্নয়নের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই। এখানে মূল সংকট শুরু হয় তহবিলের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার অভাব থেকে। জিডিএফ গঠনের নীতিমালার স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—এই অর্থ শুধুমাত্র গ্যাস অনুসন্ধান,…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস বহু পুরনো এবং রক্তাক্ত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পালটে গেছে এর চরিত্র, কৌশল ও প্রতীক। আর সাম্প্রতিক সময়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আহ্বায়ক আবদুল কাদেরের একটি ফেসবুক পোস্ট যেন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছে ছাত্ররাজনীতির সেই ছায়াচিত্র, যেখানে দলীয় পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিপরীত আদর্শের মুখোশধারীরা পরিণত হয়েছে ভয়ংকর নিপীড়কে। কাদেরের ভাষায়, ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে দীর্ঘদিন ধরে সহিংস রাজনীতির অংশ হয়েছেন—কখনো নিপীড়ক, কখনো কৌশলী তদবিরকারী হিসেবে। আবদুল কাদের তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন, হলে থাকার কারণে অনেক ছাত্রশিবিরকর্মী আত্মপরিচয়ের সংকটে ভুগতে থাকেন। নিজেদেরকে ছাত্রলীগের ‘আসল’ কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়ে তারা হয়ে উঠেন অতি উৎসাহী, হয়ে ওঠেন আরও…
২০২৫ সালের ৭ মে, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ঘটে যাওয়া এক নাটকীয় সংঘর্ষ আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি কাড়ে। কাশ্মীরের পেহেলগামে এক আত্মঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বাধে এক অভূতপূর্ব আকাশযুদ্ধ। যদিও ভারত সরকার এই ঘটনাকে তখন তেমনভাবে প্রচার করেনি, রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে এমন এক চিত্র, যা শুধু যুদ্ধপ্রযুক্তি নয়, গোয়েন্দা ব্যর্থতা, কৌশলগত দক্ষতা, ও আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতার বহু জটিল স্তর উন্মোচন করে। এই সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ভারতের বহুল প্রশংসিত রাফাল যুদ্ধবিমান এবং পাকিস্তানের হাতে থাকা চীনা প্রযুক্তিতে তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল ফাইটার জে-১০সি। যুদ্ধ শুরুর মুহূর্তে ভারতীয় পাইলটরা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন—তাঁরা নিরাপদ দূরত্বে রয়েছেন, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের বাইরে। এই…