Trial Run

করোনার নতুন নতুন ধরনে বিশ্ব আতঙ্কিত, এবার মিললো ইসরায়েলেও

মহামারি করোনার তেজ যখন কিছুটা নমনীয় আকারে পৌছালো এবাং অনেকেই ধারণা করতে শুরু করলো করোনা ভাইরাস পৃথিবীতে স্বাভাবিকরুপ নিতে যাচ্ছে, তখনিই করোনার নতুন ঢেউ বিশ্বকে করে তুলেছে আতঙ্কিত ও বিপর্যস্ত। করোনার এই নতুন ঢেউ আরও বড় আতঙ্ক নিয়ে প্রায়ই নতুন নতুন ধরন নিয়ে হাজির হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই করোনার নতুন ধরনের শনাক্ত হয়েছে। এবার করোনার নতুন ধরনের দেখা মিললো ইসরায়েলেও। ইসরায়েলে এর নামকরন করা হয়েছে করোনার ইসরায়েলি ভ্যারিয়েন্ট।  এই দাবি করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ইসরায়েলে করোনার নতুন ধরন

গত বছরের জুলাই থেকেই এ ধরনটি নিয়ে গবেষণা করে আসছিলেন ইসরায়েলের বিজ্ঞানীরা। গত সপ্তাহে নতুন ধরনের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে বিশ্ববাসীকে জানালো ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।  খবর জেরুজালেম পোস্টের।

২০২০ সালের অক্টোবরে তরলবর্জ্যে প্রথম এ ধরণের ভাইরাসের দেখা মেলে। এর পর ২০২০ সালের নভেম্বারে ক্লিনিক্যাল বর্জ্যে এ ভাইরাস পাওয়া যায়।

ইসরায়েলি শহর রাহাতের ৫ ভাগ এলাকায় ২০২০ সালের অক্টোবরে তরলবর্জ্যে নতুন এ বৈশিষ্টের করোনার দেখা মেলে। কিন্তু একই বছরের নভেম্বারে ইসরাইলের নেতানিয়া ও হাইফা শহরের ৯৮ ভাগ এলাকায় এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

এ পর্যন্ত দেশটির ১৮১ জন করোনার ইসরাইলি ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, আরও অনেক বেশি মানুষ এ ধরণের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।

তবে এটি করোনার ইউকে ভ্যারিয়েন্টের মতো খুব দ্রুত ছড়ায় না। ফাইজারের টিকায় এ ধরনের করোনা প্রতিরোধে কার্যকর বলে গরেষণায় প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি ইসরাইলের।

ভারতে করোনার নতুন ধরন

এদিকে গত কয়েকদিন আগে ‘ডাবল মিউট্যান্ট’ নামে এক নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ভারতে। এ ধরনের ভাইরাসে দুইটি মিউটেশন বা ডিএনএ পরিবর্তনের দুই ধরনের ক্ষমতা থাকে। এটি শরীরের সাধারণ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পাশ কাটিয়ে আক্রমণ করে বা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়।

দেশটিতে ১০ হাজার ৭৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের আরও ৭৭১টি ধরন শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৭৩৬টি যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া ভাইরাসের ধরন, ৩৪টি দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া ধরন আর একটি ব্রাজিলের ভাইরাসের ধরন পাওয়া গেছে। ভারতে সম্প্রতি করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার খবরের মধ্যেই এসব তথ্য জানা গেছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা ১০টি জাতীয় গবেষণাগারের এসব নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভাইরাসের মধ্যে থাকা জেনেটিক কোড অনেকটা ব্যবহার বিবরণীর মতো। ভাইরাসের ক্ষেত্রে মিউটেশন বা ডিএনএ-র পরিবর্তন করাও স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো এত বেশি গুরুত্বহীন যে, শরীরের ভেতর বড় কোন অসুস্থতা বা সংক্রমণ তৈরি করতে পারে না।

কিন্তু যুক্তরাজ্যে বা দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া নতুন ধরনের ভাইরাসের কিছু কিছু মিউটেশন আরও বেশি সংক্রামক এমনকি মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ভাইরোলজিস্ট শহিদ জামিল ব্যাখ্যা করে বলছেন, ডাবল মিউটেশন মানে হলো, কোন একটা ভাইরাসে একই সঙ্গে দুইটি মিউটেশন বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রয়েছে।

তিনি বলেন, ”ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে দুইটি মিউটেশন থাকার মানে হলো, সেটি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং ভাইরাসকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। ফলে এটি আরও বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠে,” ।

স্পাইক প্রোটিন হলো ভাইরাসের সেই অংশটি, যা মানব কোষের ভেতর প্রবেশ করে থাকে।

ড. শহিদ জামিল ধারণা করেন, ভারতে হয়তো দুইটি ভাইরাসের আলাদা ধরনের একটি যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

তবে এসব নতুন ধরনের সঙ্গে ভারতে সম্প্রতি করোনাভাইরাস রোগী শনাক্তের হার বৃদ্ধির কোন সম্পর্ক থাকার কথা নাকচ করে দিয়েছে ভারতের সরকার।

ইউরোপে করোনার নতুন ধরন

করোনাভাইরাসের বিপজ্জনক একটি ধরন ইউরোপের কিছু অঞ্চলে ব্যাপক আকারে ছড়িয়েছে। নতুন এ ধরন মারাত্মক। ইউরোপের পাশাপাশি এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একজন বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই আগামী কয়েক মাস সতর্ক থাকতে হবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি (বি.১.১.৭) প্রথম যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়। এটি এই ভাইরাসের অন্য ধরনগুলোর চেয়ে আরও বেশি সংক্রামক। এটি আরও বেশি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে এবং দ্রুত তরুণ জনগোষ্ঠীকে সংক্রমিত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহামারি বিশেষজ্ঞ মাইকেল অস্টারহোম গত মঙ্গলবার সিএনএনকে বলেন, নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি আরও বেশি মারাত্মক। এটি আরও বেশি প্রাণঘাতী বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

কানাডাতেও করোনার নতুন ধরনটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। দেশটিতে এখন তরুণদের মধ্যেও সংক্রমণ বাড়ছে।

বাংলাদেশে করোনার নতুন ধরন

বর্তমানে বাংলাদেশ যখন সাফল্যের সঙ্গে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, ঠিক তখনই বিশ্বজুড়ে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনার নতুন ধরন। বাংলাদেশেও করোনার নতুন ধরনের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। দেশে এখন পর্যন্ত ছয়জনের শরীরে মিলেছে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়া নতুন ধরনের করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত বিশ্বের ৮৩টি দেশে এই নতুন ধরন পাওয়া গেছে।

এদিকে বাংলাদেশে করোনার নতুন ধরন নতুনরুপে হাজির হয়েছে। এর লক্ষণগুলোও আরও জটিল ও আতঙ্কের।

চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে এবারের করোনা আগের রূপ বদলেছে। গতবারের তুলনায় জটিলতর হচ্ছে রোগীর পরিস্থিতি।

মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. সৈয়দ অলী মোহাম্মদ রাসেল বাংলা ট্রিবিউনকে জানালেন, এবার রোগীদের মধ্যে গতবারের তুলনায় অন্যরকম লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন তারা।

তিনি বলেন, “এবার কিছু লক্ষণ খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পাতলা পায়খানা। গতবার যদি এক শ’ জনে একজনের থাকতো, এবার সেখানে ১০-১৫ জনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। বমি করার ভাব বা বমি করছেন এমন রোগীও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। অস্থিরতাসম্পন্ন রোগীও এবার বেশি।’

ডা. রাসেল আরও জানালেন, ‘এত বেশি রেস্টলেস (অস্থিরতা) রোগী পাওয়া যাচ্ছে যে, তারা স্বাভাবিক কাজ করতে পারছিলেন না। আমাদের কথাও বুঝতে পারছিলেন না তারা।’

‘তবে এবার সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া বা খাবারের স্বাদ কম পাওয়া রোগী। গতবারও এটা ছিল। কিন্তু এবার অনেক বেশি। একইসঙ্গে রয়েছে প্রচণ্ড মাথাব্যথা। সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্ট তো আছেই।’

ডা. অলী মোহাম্মদ রাসেল আরও বলেন, গতবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে আসা রোগী ছিল ১০ থেকে ২০ শতাংশ। তীব্র শ্বাসকষ্ট ছিল চার থেকে পাঁচ শতাংশের। এবার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের শ্বাসকষ্ট এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট হচ্ছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ রোগীর।

তিনি বলেন, ‘এমন রোগীও পেয়েছি যাদের ওয়ার্ডে ১৫ লিটার অক্সিজেন দিয়েও স্যাচুরেশন ঠিক রাখা যাচ্ছে না। অনেকে এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে মারা যাচ্ছে। এ ধরনের রোগীদেরই বেশি আইসিইউ দরকার। কিন্তু তা পাওয়া যাচ্ছে না।’

এদিকে চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, অনেকেই করোনার উপসর্গে ভুগলেও আরটি-পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ আসছে। অথচ এ পরীক্ষাকেই করোনা পরীক্ষার ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ মানা হয়।

আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে যে পরীক্ষা হয় তাকে বলা হয় টু-জিন পিসিআর টেস্ট।

ডাক্তাররা বলছেন, নতুন ইউকে ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করার মতো ক্যাপাসিটি টু-জিন পিসিআর টেস্টের কম। এখন আরটি-পিসিআর টেস্ট দিয়ে করোনা ডায়াগনোসিস করা যাচ্ছে না।

করোনার নতুন ধরন প্রতিরোধে করণীয়

ধরন যা-ই হোক, করোনা মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হচ্ছে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও বারবার হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি পালন; যা থেকে আমরা অনেক দূরে সরে এসেছি। এই মুহূর্ত থেকে সব স্বাস্থ্যবিধি পালন আবার জোরেশোরে শুরু করতে না পারলে সামনে হয়তো খারাপ সময় দেখতে হবে আমাদের। বিশেষ করে বাড়ির বাইরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সরকারের ঘোষিত ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ বিধিটি যেন সত্যিকারভাবে কার্যকর হয়, সেদিকে কড়া নজর দিতে হবে।

বর্তমানে স্বাস্থ্যবিধি যেমন অনেকেই মানছেন না, তেমনি অনেকেই জ্বর-কাশির উপসর্গ হলে তেমন আমলে না নিয়ে সামাজিক মেলামেশা করছেন, অফিসে যাচ্ছেন। নমুনা পরীক্ষার প্রতিও আগ্রহ কমেছে অনেকের। এই প্রবণতা রোধ করতে হবে। করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ামাত্র আগের মতো আইসোলেশনে থাকার ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে হবে।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের বিপক্ষে সবচেয়ে কার্যকর উদ্যোগ হলো দেশে বিপজ্জনক এ নতুন স্ট্রেইনগুলোর অনুপ্রবেশ বন্ধ করা। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল থেকে দ্রুত সংক্রমণক্ষম ও ভ্যাকসিন প্রতিরোধী স্ট্রেইন বাংলাদেশে প্রবেশ না করে। এক্ষেত্রে প্রথমেই ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে আসা ব্যক্তিদের নিজ খরচে কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশ ভ্রমণকারীর নিজ খরচে টেস্ট এবং হোটেলে কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করেছে, যাতে খরচের বিষয়টি মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে।

যারা দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হবেন, অথবা ভ্যাকসিন দেওয়ার পরও যদি কেউ করোনায় আক্রান্ত হন, তাদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে হবে। কারণ, ভাইরাসের কিছু কিছু নতুন ধরন বা মিউটেটেড ভাইরাস মানুষকে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত করা অথবা ভ্যাকসিনকে অকার্যকর করার সক্ষমতা রাখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের সব দেশকে সিকোয়েন্সিংয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে তাগিদ দিয়েছে।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে, তা দেশে সংক্রমিত করোনাভাইরাসের বিপক্ষে কার্যকর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মহামারি সৃষ্টিকারী ভাইরাসের ধরন পরিবর্তিত হতে দেখা যায়। এজন্য প্রয়োজন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মহামারি প্রতিরোধের কৌশলগুলো পরিবর্তন করা। বাংলাদেশ সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন অর্জন এবং ভ্যাকসিন বিতরণে বিশাল সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে। সামনের দিনগুলোতে দ্রুত সংক্রমণক্ষম ও ভ্যাকসিন প্রতিরোধী নতুন ধরনগুলোর অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সরকারের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।

তবে সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্যবিধি পালনে বাধ্য করা সম্ভব নয়, যদি না মানুষ সচেতন হয়। তাই সচেতনতাই পারে আমাদের পরিবারের ও অন্যের জীবন রক্ষা করতে।

এসডব্লিউ/এমএন/কেএইচ/১৮০২


State watch সকল পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত সংবাদ মাধ্যম, যেটি পাঠকদের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। যে কোন পরিমাণের সহযোগীতা, সেটি ছোট বা বড় হোক, আপনাদের প্রতিটি সহযোগীতা আমাদের নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বড় অবদান রাখতে পারে। তাই State watch-কে সহযোগীতার অনুরোধ জানাচ্ছি।

ছড়িয়ে দিনঃ
  • 17
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    17
    Shares

আপনার মতামত জানানঃ