Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ২ জানুয়ারি ২০২১

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

২ জানুয়ারি ২০২১, শনিবার, ১৮ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ

বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য বেতন স্কেল চায় গ্রাম পুলিশ

বাংলা ট্রিবিউন
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য বেতন স্কেলসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ কর্মচারী ইউনিয়ন। শনিবার (২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানায় ইউনিয়নের নেতারা। নেতারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের বয়স আজ প্রায় ৫০ বছরে উন্নীত। এই ৫০ বছর ধরে আমরা গ্রামপুলিশ কর্মচারীরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রাম করে আসছি, আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে একটা ন্যূনতম সাবলীল জীবনমান নিয়ে বেঁচে থাকতে পারি। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে, বহুবার যারাই ক্ষমতায় আসছে গেছে, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে আলাদীনের চেরাগের মতো। কিন্তু আমাদের দিকে কেউই পেছন ফিরে তাকায়নি। তারা বলেন, বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন এই ভাতা কী করে একটা পরিবার চলতে পারে এ কথা শুনলে সমাজের বিবেকবান মানুষ হতাশ না হয়ে পারে না। গ্রামপুলিশদেৱ মৰ্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য বাজার দরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন প্রদান এবং জাতীয় বেতনের অন্তর্ভুক্ত করন, পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন এবং এই দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 

৯ মাস পর কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আজাদ

জাগো নিউজ
বিভাগ: ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় আট মাস ১৮ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হলেন সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ। শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নওগাঁ জেলা কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

সাংবাদিক আজাদ নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‌‘দৈনিক অবজারভার’, ‘দৈনিক ভোরের ডাক’ ও ‘দৈনিক সোনার দেশ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়ার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। সূত্র জানায়, করোনাভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গত বছরের ১২ এপ্রিল সাংবাদিক ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদকে নজিপুর পৌর এলাকার আল-হেরা স্কুলপাড়া থেকে আটক করে পুলিশ। পরে পত্নীতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

মুজিববর্ষে সচিবালয়
দুই কর্মকর্তার চেষ্টায় বদলেছে পিআইডির সেবা চিত্র

কালের কন্ঠ
বিভাগ: গণমাধ্যম

পেশার তাগিদেই সাংবাদিকদেরও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের সেবা নিতে হয়। তেমনি এক প্রতিষ্ঠান তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি)। এটি সচিবালয়ের ভেতরে অবস্থিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। খবর সংগ্রহের জন্য রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন ও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পিআইডির কার্ডধারী হতে হয়। আর স্থায়ী-অস্থায়ী সেই কার্ড সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এই পিআইডি। এত দিন এই কার্ড পেতে সাংবাদিকদের অশেষ ভোগান্তি পোহাতে হতো। বছর দেড়েক হলো অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। সাংবাদিকদের সেই ভোগান্তির অবসান হয়েছে। পিআইডি অফিসে কার্ডের জন্য আবেদন করলে আগে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘুরতে হতো। লেগে না থাকলে আবেদনের কপিই খুঁজে পাওয়া যেত না। সেখানে এখন যোগ্যরা আবেদন করার দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই কার্ড পেয়ে যাচ্ছেন। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘পিআইডি কার্ড সেবায় যে পরিবর্তন এনেছে তা আমার চিন্তার বাইরে। কার্ড রিনিউ করতে গিয়ে সেবার যে চিত্র দেখলাম তাতে আমি অভিভূত।’ একইভাবে ই-মেইলে যোগাযোগ করেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পেয়ে খুশি সারাবাংলা ডটনেটের বিশেষ প্রতিনিধি এম এ কে জিলানী।

 

Rohingya Lensman: 51 eminent citizens call for release

The Daily Star
Category : Media

Fifty-one academics, human rights activists and lawyers have issued a statement demanding the release of Rohingya photographer Abul Kalam, who they claim landed in jail on Thursday for taking photos of buses departing Kutupalong for Bhasan Char.

Photographer Abul Kalam was brought to the Senior Judicial Magistrate Court in Ukhiya on Thursday with charges of impeding officers from discharging their duties during an incident that happened over seven months ago, according to court documents obtained by The Daily Star.

Organisers said Kalam was sent to Cox’s Bazar Jail by a magistrate on Thursday. However, Public Prosecutor Faridul Alam of Cox’s Bazar said he was not aware of any such development. The Daily Star has not been able to independently verify whether Kalam was sent to jail.

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •