Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ২১ ডিসেম্বর ২০২০

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

২১ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৫ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ।

নির্যাতনকে চিরতরে কবর দিতে হবে: আইজিপি

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, বাহিনী থেকে ‘ব্রুটালিটি’ বা নির্যাতনকে চিরতরে কবর দিতে হবে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষ শাপলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন আইজিপি। সেখানে তিনি ১৩ জেলায় নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারদের (এসপি) ব্রিফ করেন। বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘ব্রুটালিটি’ বা নির্যাতনকে চিরতরে কবর দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে মিশতে হবে, তাদের সমস্যা শুনতে হবে। মানুষকে ভালোবাসতে হবে, তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে।

আইজিপি আরও বলেন, ‘মানুষকে ভালোবাসলে তাদেরও ভালোবাসা পাওয়া যায়, করোনা আমাদের তা দেখিয়ে দিয়েছে।’ জেলার এসপিদের ‘রোল মডেল’ হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বেনজীর আহমেদ। পুলিশের মর্যাদা ও সম্মান বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘আমরা দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত পুলিশ দেখতে চাই। পুলিশে দুর্নীতিবাজ ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্থান নেই। আইজিপি বলেন, সারা দেশে ইতিমধ্যে বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু হয়েছে।

 

এএসপি আনিসুল হত্যায় চার্জশিট আগামী মাসে

দেশ রুপান্তর
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

চাঞ্চল্যকর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম শিপন হত্যা মামলার তদন্ত অনেক এগিয়েছে। এ মামলায় আগামী মাসে (জানুয়ারি) আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালের মালিকসহ ১৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন-অর-রশীদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এএসপি আনিসুল হত্যাকাণ্ড গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। আশা করছি আগামী মাসের মধ্যে আমরা চাঞ্চল্যকর এ মামলায় অভিযোগপত্র দিতে পারব। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদেরই আসামি করা হবে।’মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আশা করছি আগামী মাসে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। মামলার তদন্তের স্বার্থে কিছু জায়গায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত এসব চিঠির জবাব পাওয়া যাবে।

 

বস্তিতে পুলিশের ঘরবাণিজ্য

সমকাল
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

রাজধানীর কড়াইলে সরকারি জায়গায় এক বস্তিতে ৬৪টি ঘর ও দোকানের মালিক বনানী থানার ওসির সাবেক গাড়িচালক কনস্টেবল গোলাম রহমান দিদারসহ তিন পুলিশ সদস্য। অপর দু’জন হলেন কনস্টেবল সামছুদ্দিন ও আব্দুল মালেক। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বস্তির মাস্তান ও স্থানীয় অসাধু রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পাশাপাশি বস্তির বাড়ি কেনাবেচায় অংশ নেন তারা। কর্মসূত্রে কড়াইল বস্তি এলাকায় থাকার সুবাদে তারা ওই ঘর ও দোকান ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে লাখ টাকা কামাচ্ছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে, দীর্ঘ দিন বস্তির এই অবৈধ ঘরের মালিক ছিলেন অন্যরা। পুলিশ সদস্যরা নিজেদের প্রভাব ও পরিচয় ব্যবহার করে বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে এই ঘরগুলো কিনে নেন। বিক্রেতারাও দীর্ঘ দিন সেগুলো অবৈধভাবে দখলে রেখেছিলেন। কড়াইল বস্তি এলাকায় গুচ্ছ গুচ্ছ ঘরের সমন্বয়ে একটি ‘বাড়ি’ হয়ে ওঠে। এমন চারটি বাড়িতে পুলিশের তিন সদস্যের মালিকানায় পাকা, আধাপাকা ও টিনের ঘর রয়েছে। এর মধ্যে দুটি দোতলা বাড়ি। বস্তির লোকজন বলছেন, সরকারি দায়িত্ব পালন করতে এসে পুলিশ সদস্যরা বস্তির ঘরবাণিজ্য করলে সমাজে ভুল বার্তা যায়। বস্তি ঘিরে নানা অবৈধ কারবারে জড়িতদের সঙ্গে পুলিশের অনৈতিক সখ্য গড়ে ওঠে। এতে সাধারণ হাজারো বস্তিবাসী বঞ্চনার শিকার হন। সরেজমিন জানা যায়, মাদক কেনাবেচার অন্যতম স্থান কড়াইল বস্তি। নানা কৌশলে মাদকের হাতবদল হয় সেখানে। অবৈধ গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎও রয়েছে এ বস্তিতে। অথচ সেই অবৈধ কারবারের মধ্যেই বাড়ি কিনে ভাড়া দিচ্ছেন আইনের রক্ষক এই পুলিশ সদস্যরা।

 

সিনহা হত্যা : সাবেক কনস্টেবল সাগরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জাগো নিউজ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল সাগর দেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।

তিনি বলেছেন, র্যাবের তদন্ত কর্মকর্তার দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার পলাতক আসামি সাবকে কনস্টেবল সাগর দেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এ ছাড়া টেকনাফ থানা পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সিফাত ও শিপ্রাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

পুলিশের পোশাকে থাকবে লাইভ ক্যামেরা

বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী
বাংলা ট্রিবিউন

পুলিশের যেকোনও অপারেশন, চেকপোস্ট ও গুরুত্বপূর্ণ ডিউটিতে পুলিশ সদস্যদের পোশাকের সঙ্গে থাকবে লাইভ ক্যামেরা। অপারেশন বা ডিউটিরত অবস্থায় ওয়্যারলেসের মাধ্যমে যেকোনও সময়, সেই ক্যামেরার অ্যাক্সেস নিতে পারবে পুলিশ সদর দফতর। দিতে পারবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও। পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সবক’টি ক্যামেরা কন্ট্রোলের জন্য পুলিশ সদর দফতরে থাকবে একটি মনিটরিং সেল। সারা দেশে যেকোনও জায়গায় ডিউটিরত অবস্থায় পুলিশ সদস্য থাকবে অন ক্যামেরায়। পুলিশ সদর দফতর ও সংশ্লিষ্ট জেলা মনে করলে, সুনির্দিষ্ট ওই পুলিশ কর্মকর্তা বা ইউনিটের কর্মকাণ্ড দেখতে পারবেন। তাছাড়া ক্যামেরার সঙ্গে ইয়ারফোন যুক্ত থাকায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। এর ফলে, পুলিশের যেকোনও অভিযান, অপারেশন, বিশেষ করে চেকপোস্টে পুলিশ সদস্য বা কর্মকর্তাদের নির্দেশনার প্রয়োজন পড়লে সরাসরি পুলিশ সদর দফতর তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে। ইতোমধ্যে আধুনিক ও স্মার্ট পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশে অত্যাধুনিক অপারেশনাল গিয়ার টেকটিক্যাল বেল্ট সংযোজিত হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট শাখা বলছে, এই টেকটিক্যাল বেল্টের সঙ্গেই ওই ক্যামেরাটি সংযুক্ত হবে। আর তার সঙ্গে এই ইয়ারফোনও থাকবে। সেগুলো অ্যাকটিভ করেই ডিউটি শুরু করবে পুলিশ সদস্য।

 

ওসির মেয়েকে ভোট দিতে পুলিশের প্রচারণা!

কালের কন্ঠ

বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষ সেরা কণ্ঠ-২০২০’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পুলিশের এক ওসির মেয়েকে ভোট দেওয়ার জন্য রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার পুলিশ সদস্যদের প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। গতকাল রবিবার নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্বে থাকা পুলিশের একাধিক সদস্য ওসির মেয়ের জন্য পথচারীদের কাছে ভোট চান। এমনকি পথচারীদের মোবাইল ফোনসেট নিয়ে পুলিশ নিজেই ওই প্রতিযোগীকে ভোট দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

পুলিশ সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ জানিয়েছেন রাজশাহীর সচেতন নাগরিক সমাজের কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, নিজের দায়িত্বের বাইরে গিয়ে পুলিশের এমন প্রচারণায় অংশ নেওয়া ঠিক নয়। সম্প্রতি নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘মুজিববর্ষ সেরা কণ্ঠ-২০২০’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেয় রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মনের মেয়ে রেনেসাঁ ডিউ বর্মন। উপজেলা পর্যায় শেষে বর্তমানে প্রতিযোগিতাটির গালা রাউন্ড চলছে। এই রাউন্ডের তৃতীয় পর্বে পছন্দের প্রতিযোগীকে জয়ী করতে দর্শকদের কাছ থেকে অনলাইনে ভোট আহ্বান করে আয়োজক কমিটি।

 

জামিনে মুক্ত যুগান্তরের জয়দেবপুর প্রতিনিধি

যুগান্তর
বিভাগ: গণমাধ্যম

মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে বন মামলায় হয়রানির শিকার যুগান্তরের জয়দেবপুর প্রতিনিধি এমএ কাসেম ১৯ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গাজীপুর বন আদালত রোববার তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিকাল ৩টায় তিনি গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ভুক্তভোগী সাংবাদিক এমএ কাসেম বলেন, বারইপাড়া বিট কর্মকর্তা হোসেনের দুর্নীতি ঢাকার জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মামলাটি দেয়া হয়েছে। আমার গ্রেফতারের পর দেশজুড়ে সাংবাদিকরা যে ভূমিকা পালন করেছেন তাতে আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

 

Act as changemakers: IGP tell

The Daily Star
Category: state force

Inspector General of Police Benazir Ahmed yesterday asked superintendents of Police (SPs) in districts to act as changemakers to serve people and become role models for others.

He was speaking at a programme at Police Headquarters where top police officials and newly appointed SPs in 13 districts participated.

Benazir asked the SPs to put an end to the practice of brutality and behave amicably with citizens. “If you love people, you will get love in return,” he said. The police chief said he wanted to see a corruption-free, drug-free police force.  The IGP stressed on implementing effective beat policing to have detailed information about law-and-order situation, criminals and crime trends in the respective areas.

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •