Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

১৯ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার, ৪ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ

হেফাজতের মামলা নিয়ে নতুন করে তৎপর পুলিশ

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। তারা দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা ও যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। তাঁরা দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা ও যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। সাত বছর আগে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়  করা মামলাগুলো নিয়ে নতুন করে তৎপর হচ্ছে পুলিশ। পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেতের পর হিমঘরে থাকা মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে।

হেফাজত–সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ মনে করছেন, এতদিন হেফাজতের একটা অংশের সঙ্গে সরকারের এক ধরনের বোঝাপড়া ছিল। তাই মামলাগুলো চাপা পড়েছিল। এরই মধ্যে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। এরপর ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে হেফাজতকে চাপে রাখতে মামলাগুলো সামনে আনা হচ্ছে।

 

ঘুম তাড়াতে চাবিস্কুট নিয়ে রাতজাগা চালকদের সেবায় পুলিশ

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

চট্টগ্রামে রাত্রিকালীন যানচালকদের ঘুম তাড়াতে অন্য রকম এক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা। ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানো বন্ধে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থানে নৈশকোচ ও ট্রাকচালকদের জন্য চা-বিস্কুটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে হাত–মুখ ধোয়ার ব্যবস্থাও। পাশাপাশি গল্পে গল্পে দেওয়া হচ্ছে সচেতনতামূলক পরামর্শ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে ‘রিফ্রেশমেন্ট কর্নার’ নামে ব্যতিক্রমী এই সেবা চালু হয়েছে। এক মাস ধরে রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় চলছে এই সেবা। গতকাল শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে গিয়ে দেখা যায়, রাউজানের পাহাড়তলীর চৌমুহনী বাজার এলাকায় সড়কের পাশে পুলিশের সার্কেল কার্যালয়ের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ অস্থায়ী বিশ্রামাগার। পুলিশ সদস্যরা বেছে বেছে দূরপাল্লার নৈশকোচ ও ট্রাকগুলোকে দাঁড় করাচ্ছেন। এরপর বুঝিয়ে গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছে চালক ও তাঁদের সহকারীদের। বেশির ভাগ চালকই প্রথমে এটাকে পুলিশের চাঁদাবাজির নয়া কৌশল ভেবে বিভিন্ন অজুহাতে নামতে চাচ্ছিলেন না। কিন্তু পরে যখন দেখছেন কেটলি হাতে চা-কফি নিয়ে এগিয়ে আসছেন পুলিশ সদস্যরা, তখনই ভুল ভাঙে তাঁদের।

সার্কেল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই ও রাঙামাটি সড়কে এ রকম চার-পাঁচটি বিশ্রামাগার চালু করা হয়েছে। সেখানে নির্দিষ্টসংখ্যক পুলিশ সদস্য এই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

 

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে যাওয়ায় ২ সাংবাদিককে মারধর

কালের কন্ঠ
বিভাগ: গণমাধ্যম

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার টাঙ্গন নদীর বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে, এমন ছবি তুলতে গিয়ে স্থানীয় দুই সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে টাঙ্গন নদীর বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছবি তুলতে গেলে ওই দুই সাংবাদিককে লাঠি দিয়ে মারপিট করেন হবি নামে এক বালু সিন্ডিকেটের সদস্য।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করলেও এ সময় পালিয়ে যায় হবি ও তার সহযোগীরা। ঘটনাস্থল থেকে বালু ভর্তি দুটি মহেন্দ্র ট্রাকটর উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এ ঘটনায় এখনো দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে তারা যত ক্ষমতাধর হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •