…
এডিটর পিক
মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়েও দেশে ফেরার ঘোষণা—এমন সিদ্ধান্ত যে কোনো রাজনীতিকের ক্ষেত্রেই অসাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু…
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল?
- ১৮১৬ সালের যে ঘটনা বদলে দিয়েছিল পৃথিবীর ইতিহাস
- বাংলাদেশের চেয়ে হাসিনাকে কেন বড় করে দেখছে দিল্লী?
- হাসিনার ফেরার ঘোষণা, দিল্লির মঞ্চ ও শাকিবের বাড়িতে হামলা: রাজনীতি কি আবার প্রতিশোধের চক্রে?
- শিক্ষকদের ভাগ্য এখন শিক্ষার্থীদের হাতে
- মৃত্যুদণ্ড, তবু কেন দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
- মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে কি সত্যিই শান্তির পথ খুলছে?
- তরুণদের আন্দোলনে দুর্বল হয়ে পড়েছে মোদি সরকার
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
গ্রিসের থেসালি অঞ্চলের মেটেওরায় প্রাচীন থিওপেট্রা গুহায় হাজার বছর আগে মানুষের বসবাস ছিলো বলে এতাদিন মনে করতেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। কিন্তু, সম্প্রতি সে গুহার রেডিয়োকার্বন নমুনা পরীক্ষার ফল দেখে চমকে গেছেন গবেষকরা। সেখানেই মিলেছে মানুষের তৈরি প্রাচীনতম পরিকাঠামো। নমুনায় এক লাখ ৩০ হাজার বছর আগের মানুষের অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা জেনেছেন, মধ্য প্রস্তর যুগ থেকে নব্য প্রস্তর যুগ পর্যন্ত টানা এই গুহায় ছিলো মানুষের বাস। থিওপেট্রা গুহা খননের পর সেখান থেকে মিলেছে সমাধি, পাথরের তৈরি অস্ত্র, বাসন, পশুর হাড়। তাত্ত্বিকদের ধারণা, নিয়ান্ডারথাল (আদিম মানব) প্রজাতির মানুষের বাস ছিলো এই থিওপেট্রা গুহায়। আজকের মানুষের থেকে অনেকটাই অন্যরকম ছিলো তারা। তাদের ভুরুর জায়গা ছিলো…
বস্তুত, ভারতের গণতন্ত্রের অবনমন, মানবাধিকার হরণ, ঘৃণা ভাষণ, সংখ্যালঘুদের প্রতি আক্রমণ–সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক স্তরে ওঠে এবং এ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়, সব সময় ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধাচরণ করে। ফ্রিডম হাউস, ভি ডেম ইনস্টিটিউট অথবা জাতিসংঘের বিভিন্ন কমিটির প্রতিবেদনের বিরুদ্ধেও ভারত সব সময় সরব থেকেছে। এ ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিন্তু ঘটনা হলো, বিভিন্ন রাজ্যে সংখ্যালঘুদের হয়রানি ও হেনস্তার ঘটনা বন্ধ হচ্ছে না। হিজাব-হালাল বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। জোর করে নিরামিষ খাওয়ানো হয় সরকারি শিক্ষালয়ে। হিন্দু উৎসবের সময় জবরদস্তি মাছ-মাংসের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। আজানের মাইক বন্ধ করার মতো ঘটনাও ঘটে চলেছে। সেই সঙ্গে রয়েছে গোরক্ষার নামে গোরক্ষক বাহিনীর তাণ্ডব। এর…
মুসোলিনি, পুরো নাম বেনিটো অ্যামিলকেয়ার আন্দ্রে মুসোলিনি। কুখ্যাত এই ফ্যাসিস্ট নেতা নিহত হন ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল। যতটা অত্যাচার মানুষের উপর তিনি করেছিলেন,তাকে ততটাই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই স্বৈরশাসককে মেরে লাশ ঝুলিয়ে রেখে দেওয়া হয়। পরে শোনা যায় দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। তাতেও রাগ কমেনি মানুষের। কেউ ওই লাশে সাধারণ মানুষ থুতু দিতে থাকে কেউবা লাথি মারতে থাকে কুখ্যাত মুসোলিনির কাটা লাশে। পেশাগতভাবে মুসোলিনি ছিলেন ইতালীয় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক, শিক্ষক ও সৈনিক। নেতৃত্ব দেন ন্যাশনাল ফ্যাসিস্ট পার্টির। তাকে বিবেচনা করা হয় ফ্যাসিজম সূচনার মুখ্য ব্যক্তি হিসেবে। ১৯২২ সালে হন ইতালির ৪০তম প্রধানমন্ত্রী। ১৯২৫ সাল থেকে ‘ইল ডুসে’…
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পূর্বাভাসকে স্থিতিশীল থেকে নেতিবাচকে নামিয়ে এনেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা ফিচ রেটিংস। তবে ঋণমানের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রায় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বা লং টার্ম ফরেন কারেন্সি ইস্যুয়ার ডিফল্ট রেটিং (আইডিআর) ‘বিবি মাইনাসে’ বহাল রেখেছে সংস্থাটি। অর্থনৈতিক পূর্বাভাস স্থিতিশীল থেকে নেতিবাচকে আনার বড় কারণ হিসেবে ফিচের গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে রিজার্ভের পতন ও ডলার সংকটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে নেয়া নীতিগত পদক্ষেপ এবং বিদেশী আনুষ্ঠানিক ঋণদাতাদের ক্রমাগত সহায়তাও রিজার্ভের পতন ও স্থানীয় বাজারে ডলার সংকট প্রশমন করতে পারেনি। ফিচের ভাষ্যমতে, অর্থনীতিতে দেশের বাইরে ঘটা ঘটনাবলির অভিঘাত প্রশমনের মতো উপাদান (বাফার) কমে এসেছে। এসব বাফার দুর্বল হয়ে পড়ায় অর্থনীতিতে…
আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্ভবত ন্যাটোর সঙ্গেও জোটবদ্ধ হতে চান তিনি। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, রাজধানী ইরেভানে বিক্ষোভ সমাবেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করেন তিনি। কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে আর্মেনিয়ার কোনো চুক্তি হোক, সেটা হতে দিতে চায় না মস্কো। প্রায় ৩০ লাখ মানুষের দেশ আর্মেনিয়া। আজারবাইজান, তুরস্ক, ইরান ও জর্জিয়ার দেশটির চারপাশ ঘিরে আছে। তুরস্ক ঐতিহাসিকভাবে আর্মেনিয়ার শত্রুদেশ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের জাতিগতভাবে আর্মেনীয় ও ধর্মীয়ভাবে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে। এর জন্য আজারবাইজাইনের সঙ্গে আর্মেনিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে আর্মেনিয়ার জন্য বড় ধরনের সমর্থনই রয়েছে। এর পেছনে বিশেষ কারণ…
বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাতের রাজনৈতিক অর্থনীতি বিষয়ে আলোচনা সীমিত বললেও বেশি বলা হয়। গণমাধ্যম নিয়ে বাংলাদেশে যত ধরনের গবেষণা কাজ হয় তাতে আধেয় বিশ্লেষণ (বা কন্টেন্ট এ্যানালাইসিস)-এর প্রাধান্য লক্ষণীয়। এই ধরনের কাজের গুরুত্বকে খাটো না করেও বলা যেতে পারে যে এতে করে গণমাধ্যম সেক্টরের পূর্নাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়না; অন্তত এই প্রশ্নের উত্তর মেলেনা যে গণমাধ্যমের আধেয় কেনো এই রকম হয়। এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্যে বোঝা দরকার গণমাধ্যমের মালিক কারা এবং এই ধরনের মালিকানার কাঠামো কেনো গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর মালিকানা বিষয়ে মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান এবং আমি ২০২১ সালের এক গবেষণায় যে তিনটি বিষয় লক্ষ্য করেছিলাম তা হচ্ছে – প্রথমত গণমাধ্যমের,…
বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে দুটি অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প চলমান। এর একটি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যার আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ। অন্যদিকে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। রেলপথ দুটির কোনোটিই এখনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেতে পারেনি। তাছাড়া প্রকল্পগুলো অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন করে আরেকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ও পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা। জানা গেছে, মেগা প্রকল্পটির…
সরকার দেশের গণপরিবহন নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি স্মার্ট টিকেট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ স্মার্ট টিকেট কার্ড দিয়ে ইউটিলিটি বিল, সড়ক ও সেতুর টোল, সুপার মার্কেটের কেনাকাটা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধ করা যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে একক এই পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিধা শুধু ঢাকার বাসিন্দারা নিতে পারবেন। তবে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সুবিধা চালু হবে। বহুমুখী এই কার্ডের নাম হলো ‘র্যাপিড পাস’। এটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সরকারি পরিষেবার বিলও পরিশোধ করা যাবে। গ্রাহকরা তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট থেকে কার্ডটি রিচার্জ করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক সচিব এবং সরকারের পরিবহন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে…
বিজ্ঞানীদের ধারণানুযায়ী, পৃথিবীতে জেলিফিশের আবির্ভাব ঘটে আজ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন বছর পূর্বে। সেই হিসেবে জেলিফিশ দানবাকৃতির ডাইনোসর থেকেও প্রবীণ। পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রাণীর নাম জিজ্ঞেস করা হলে উদাহরণ হিসেবে জেলিফিশের কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীতে ডাইনোসর নিজের অস্তিত্ব না টিকিয়ে রাখতে পারলেও, জেলিফিশ বিলীন হবার বদলে শত ঝামেলা চুকিয়েও প্রকৃতির বুকে সদর্পে টিকে রয়েছে। শরীরে কোনো হাড় বা মাংস না থাকায় এদের জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য। তবে ২০০৭ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যে ৫০০ মিলিয়ন বছর পূর্বের জেলিফিশের জীবাশ্মের সন্ধান মিলেছিল। জেলিফিশ সমুদ্রের এক অপার বৈচিত্র্যের নাম। অথৈ জলরাশির বুকে ভেসে বেড়ানো থকথকে জেলির মতো মুক্ত সাঁতারু জেলিফিশগুলো একদিকে যেমন…
জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ, ১৮৯৮ সাল। ব্রিটিশ ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ আর অউধের মুখ্য বাস্তুকার সি ডব্লিউ উডলিং ও ফৈজাবাদের কমিশনার ভিনসেন্ট স্মিথের নির্দেশ পেয়ে লক্ষ্ণৌ থেকে নেপালের তরাই অঞ্চলের দিকে রওনা দিলেন পূর্ণচন্দ্র মুখার্জী। তিনি সেই সময়ে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পুরাতত্ত্ব বিভাগে কাজ করতেন। সেটা ছিল ওই বিভাগে তার দ্বিতীয়বার যোগদানের পর্ব। পুরাতত্ত্ব বিভাগে প্রথম পর্বে যে পুরাতত্ত্ববিদ ড. এ ফুহয়ারের সহকারী ছিলেন মি. মুখার্জী, তারই অনুযোগে সেবারের চাকরী হারিয়েছিলেন পূর্ণচন্দ্র। অথচ, সেই পুরাতত্ত্ববিদেরই এক ‘আবিষ্কার’ নিয়ে উপরমহলে গুরুতর সন্দেহ হওয়ায় চাকরি হারাতে হয় ড. ফুহয়ারকে। আর সেই তথাকথিত আবিষ্কারের সত্যতা যাচাইয়ের এবং সঠিক তথ্যানুসন্ধানের দায়িত্ব পড়ে…