…
এডিটর পিক
মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়েও দেশে ফেরার ঘোষণা—এমন সিদ্ধান্ত যে কোনো রাজনীতিকের ক্ষেত্রেই অসাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু…
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- ১৮১৬ সালের যে ঘটনা বদলে দিয়েছিল পৃথিবীর ইতিহাস
- বাংলাদেশের চেয়ে হাসিনাকে কেন বড় করে দেখছে দিল্লী?
- হাসিনার ফেরার ঘোষণা, দিল্লির মঞ্চ ও শাকিবের বাড়িতে হামলা: রাজনীতি কি আবার প্রতিশোধের চক্রে?
- শিক্ষকদের ভাগ্য এখন শিক্ষার্থীদের হাতে
- মৃত্যুদণ্ড, তবু কেন দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
- মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে কি সত্যিই শান্তির পথ খুলছে?
- তরুণদের আন্দোলনে দুর্বল হয়ে পড়েছে মোদি সরকার
- গণভবন থেকে জুলাই জাদুঘর: স্মৃতি সংরক্ষণ, নাকি রাষ্ট্রীয় ইতিহাস নির্মাণ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ইরান-ইসরায়েল। একে অপরের প্রতি চরম বৈরি দুই দেশ। সম্প্রতি ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরান-ইসরায়েল বৈরিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, হামাসের প্রধান সহায়তাকারী হচ্ছে ইরান। কিন্তু ইসরায়েল যখন হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য যুদ্ধ শুরু করেছে, তখন অনেকের মধ্যেই এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, এই যুদ্ধ হয়তো শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। কিন্তু ইরান কি সত্যিই এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে? ইরান কেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এতো সোচ্চার? আর দুই দেশের মধ্যে চরম বৈরি সম্পর্কই বা কেন তৈরি হলো? ইরান-ইসরায়েল এখন পরস্পরের শত্রু দেশ হলেও, অতীতে কিন্তু পরিস্থিতি এমনটা ছিলো না। জানলে হয়তো অনেকেই অবাক হবেন, একসময় এই…
জেনেভায় আজ জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি যাচাইয়ে উঠছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম, বিরোধী নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ২০২০ সালে কমে এলেও র্যাবের হাতে এসব ঘটনা, মাদকবিরোধী অভিযানে নির্যাতন ও অবমাননাকর আচরণের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনের সুপারিশ নিয়ে এসব বিষয়ে গত ২৪শে আগস্ট জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ একটি সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, প্রতিবাদ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ বা বেআইনি শক্তি প্রয়োগের ঘটনা তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় নেতৃত্ব পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতায় আনার কথা…
ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত আজ সোমবার ৩৭তম দিনে পড়েছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ৪ হাজার ৫০০টির বেশি শিশু রয়েছে। গত অক্টোবর মাসের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুদের প্রাণহানি নিয়ে একটি রোমহর্ষক তথ্য জানায়। সংস্থাটির তখনকার তথ্যমতে, ২০১৯ সাল থেকে বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোয় নিহত শিশুর বার্ষিক সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে গাজায় তিন সপ্তাহে নিহত শিশুর সংখ্যা। ইসরায়েল আকাশপথে হামলার পাশাপাশি গাজায় স্থল অভিযান চালাচ্ছে। ফলে গাজায় সাদা কাফনে মোড়ানো ছোট ছোট মৃতদেহের সংখ্যা বেড়ে চলছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শিশুসন্তান…
সৌরমণ্ডলে শুধুমাত্র একটি গ্রহের সুস্পষ্ট বলয় রয়েছে; সেটি হচ্ছে ‘শনি’। শনির সেই বলয়ই নাকি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। ২০১৮ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এক বিশেষ মহাজাগতিক ঘটনা নিশ্চিত করেছে। নাসা জানিয়েছে, শনির অনন্য বলয় পাকাপাকিভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। বলয়গুলোকে ধূমকেতু, গ্রহাণু বা ভেঙে যাওয়া উপগ্রহের টুকরো দিয়ে তৈরি বলে মনে করা হয়। শনির মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রবল। তাই শনির মাটিতে পৌঁছনোর আগেই ধূমকেতু এবং গ্রহাণুগুলো ভেঙে যায়। ধূমকেতু, উপগ্রহ এবং গ্রহাণুর এই ভাঙা টুকরোগুলির উপর মূলত বরফ এবং ধূলিকণার প্রলেপ থাকে। নাসা জানিয়েছে, গ্রহের শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ টান এই বলয় থেকে বরফের কণাগুলোকে আশ্চর্যজনক গতিতে নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে। ফলে…
জানুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর ধরপাকড় নিয়ে রিপোর্ট করেছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা। নিজেদের ইউটিউব একাউন্টে এ নিয়ে একটি দুই মিনিটের ভিডিও আপলোড করেছে গণমাধ্যমটি। এতে বলা হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের নির্যাতন ও নিখোঁজ কিংবা মৃত অবস্থায় পাওয়ার গল্প বাংলাদেশে ক্রমশ সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। ভিডিওতে সালমা ইসলাম নামে এমনই এক নারীর কথা তুলে ধরে হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও স্বামীর লাশ দেখার মুহূর্ত বর্ণনা করতে গিয়ে এখনো ভেঙে পড়েন সালমা ইসলাম। তিনি বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সদস্য ছিলেন। সালমা ইসলাম বলেন, আমার স্বামীকে সাদা পোশাকের পুলিশ গ্রেপ্তার করার মাত্র তিন দিন পরই…
ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন। দু-এক দিন বৃষ্টি হলে সেই অজুহাতে দাম বাড়ানো হয়, আবার একনাগাড়ে কিছুদিন বৃষ্টি না হলে সেটাকেও দায়ী করা হয়। ব্যবসায়ীরা এবার আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়ানোর অজুহাত হিসেবে ডলারের বাড়তি দাম রাখার দোষ চাপাচ্ছেন ব্যাংকের ওপর। একাধিক আমদানিকারকের দাবি, ব্যাংকে এলসি বা ঋণপত্র খোলার পর ঘোষিত দরের চেয়ে বাড়তি দামে ডলার কিনে তাদের আমদানি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে বাজারে তেল, চিনি, ডালসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। মিলমালিক ও আমদানিকারকেরা গত সপ্তাহে চিনির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। এরপর ভোজ্যতেলের দামও লিটারপ্রতি ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একাধিক আমদানিকারকের দাবি, প্রতি…
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি সাড়ে বারো হাজার টাকা নির্ধারণের পরেও আন্দোলন চলমান থাকায় মালিকপক্ষ ‘শক্ত অবস্থান’ নেবার কথা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বা বিজিএমইএ এক বৈঠকে নতুন শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ রাখা, প্রয়োজনে কারখানা বন্ধ এবং ভাঙচুর-মারামারির ঘটনা ঘটলে থানায় মামলা করাসহ একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। “যেহেতু শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে এসে কার্ড পাঞ্চ করে চলে যাচ্ছে অথবা বসে থাকছে, কাজ করছে না, সেজন্য আমরা ১৩ এর ১ ধারায় কিছু ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি,” বলছিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। বাংলাদেশ শ্রম আইনের এই ধারায় বলা আছে, “কোন প্রতিষ্ঠানের কোন শাখা বা বিভাগে বে-আইনী…
ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির জন্য জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহি চাইতে বলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল শনিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চতুর্থবারের মতো জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সর্বজনীন পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনায় (ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ—ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি যাচাই করা হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে এই পর্যালোচনাকে কাজে লাগাতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানাল অ্যামনেস্টি। বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক উপ-আঞ্চলিক পরিচালক লিভিয়া স্যাকার্দি বলেন, বাংলাদেশের চতুর্থ ইউপিআর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন…
পাহাড়ের ঢাল বেয়ে তৈরি একটি শহর। যার মাঝখানে এক বিশাল ফাঁকা জায়গা। প্রাচীনত্বের ছাপ সর্বত্র। প্রায় ৯০০০ বছর পুরনো এই শহর। অবশ্য পৃথিবীতে প্রাচীন শহরের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক হয়ে উঠেছে প্রতিটি সভ্যতা। কিন্তু ইতালির (Italy) সাসি ডি মাতেরার (Saasi Di Matera) বিষয়টি আলাদা। একটা সময় পর্যন্ত এই শহরের অধিকাংশ মানুষই থাকত গুহার মধ্যে। না, আদিম সভ্যতার কথা হচ্ছে না। মাত্র ৭০ বছর আগেও এভাবেই জীবনযাপন চলত তাদের। এখনও বহাল তবিয়তে মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে বিরাজ করছে এই গুহাগুলি। ইতালীয় ভাষায় ‘সাসি’ শব্দের অর্থ পাথর। সেই সূত্রে এই শহরের নাম হতে পারে মাতেরার পাথরবাড়ি। একেবারেই সার্থক…
বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্র এবং প্রাচীন যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অনেক তফাৎ রয়েছে। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে যুদ্ধের ধ্বংসলীলা বাড়লেও কমেছে মৃত্যুহার। কিন্তু প্রাচীন যুদ্ধগুলো তেমন ছিল না। সেসব যুদ্ধক্ষেত্রগুলোতে সম্মুখ যুদ্ধই বেশি হতো। আর মানবক্ষয় বা মৃত্যুহার বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। বর্তমান যুদ্ধের কথা চিন্তা করলে একশ বছর আগে সংগঠিত হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মোটামুটি প্রাচীন যুদ্ধই বলা চলে। তখনো আধুনিক সব যুদ্ধকৌশল আবিষ্কৃত হয়নি। বেশিরভাগ যুদ্ধই হয়েছিল সম্মুখ রণক্ষেত্রে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও অনেক বেশি ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এমনই এক রণক্ষেত্র ছিল ‘ব্যাটেল অব সম্মে’ বা ‘সম্মে অফেনসিভ’। এই যুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও রক্তাক্ত যুদ্ধ। ব্যাটেল অব সম্মের প্রথম দিনেই প্রাণ হারায় প্রায়…