Author: ডেস্ক রিপোর্ট

বাংলাদেশে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পর্কে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করার আহ্বান করা হয়। প্রতিবেদনটি এমন সময় প্রকাশ করলো যখন সারা পৃথিবীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ’ দিবসটি পালিত হচ্ছে আজ। সদ্য প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বিভিন্ন সময় নিখোঁজ ব্যক্তিরা কোথায়, কী অবস্থায় আছে তা তদন্ত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দেয়ার ক্ষেত্রে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান। বাংলাদেশি মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৬০০ জনকে জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে।…

Read More

ম্যারির জীবনগল্পের শুরুটা হয়েছিল ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে চার্লি স্পাইকস নামে একজন লোকের মাধ্যমে। মাত্র আট বছর বয়স থেকেই সার্কাস দলে খেলা দেখাতো চার্লি। অবশ্য পরবর্তীকালে সে খুলে বসে নিজেরই একটি সার্কাস কোম্পানি, যার নাম ছিল স্পার্কস ওয়ার্ল্ড ফেমাস শো। ভ্রাম্যমাণ এ দলটি কসরত প্রদর্শনের পাশাপাশি ভাঁড়ামো, দড়াবাজিকর, সিংহের খেলা, এমনকি হাতিদের খেলাও দেখাতো। ম্যারির বয়স যখন চার বছর, তখন ওকে কিনে এনেছিল স্পার্কসের বাবা। পরে স্পার্কস ও তার স্ত্রী অ্যাডি মিচেল মিলে নিজেদের সন্তানের মতো করে আদর-যত্নে লালন পালন করেছেন ম্যারিকে। ম্যারি নাম হলেও বিগ ম্যারি নামেই বেশি পরিচিত পেয়েছিল এশিয়ান প্রজাতির এই হাতিটি। পাঁচ টন ওজনের ম্যারি শুধুমাত্র…

Read More

সভ্যতা অনেকটা পথ চলে এসেছে। তবু আজও কালো জাদু খবরের শিরোনামে। কিছুদিন আগেও ভারতের গুজরাটে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘ভূতে ধরেছে’ এই সন্দেহে কিশোরী মেয়েকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। তিনিও নাকি কালো জাদু প্রয়োগ করে ভূত তাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। ভাবতে অবাক লাগে তথাকথিত ‘রেনেসাঁ’র আগে পৃথিবীতে ছেয়ে গিয়েছিল এই ধরনের জাদুর চর্চা। এত বছর পেরিয়েও সেই ব্যাধিকে হারানো যায়নি। পৃথিবীর সব দেশেই কালো জাদুর চর্চার ইতিহাস রয়েছে। কীভাবে জন্ম হয়েছিল এর? রবার্ট এম প্লেসের বিখ্যাত বই ‘বুক, ম্যাজিক অ্যান্ড অ্যালকেমি’তে বলা হয়েছে আত্মার আদিম, আচারিক উপাসনাই জন্ম দিয়েছিল সাদা ও কালো দুই জাদুরই। সেখান থেকেই বইতে বইতে আধুনিক সময়েও প্রবেশ করে…

Read More

রাজ্যের সাগর জেলায় ২০১৯ সালে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেছিল নিহত কিশোরের বোন। এর জেরে রোববার কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই সময় কিশোরকে রক্ষা করতে আসা তার বোনকে মারধর করা হয় ও তাদের মাকে বিবস্ত্র করা হয়। ভারতের মধ্য প্রদেশে এক দলিত কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সংঘবদ্ধ হামলাকারীরা। হামলার সময় ওই কিশোরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার মাকে বিবস্ত্র করে দুর্বৃত্তরা। এনডিটিভির সোমবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজ্যের সাগর জেলায় ২০১৯ সালে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেছিল নিহত কিশোরের বোন। এর জেরে রোববার কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই সময় কিশোরকে রক্ষা করতে আসা তার বোনকে মারধর করা হয় ও তাদের…

Read More

ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন থেকে মার্কিন ব্যবসা সরিয়ে আনার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, বাইডেন প্রশাসনও তা অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু সে জন্য ভোক্তাদের মূল্য চোকাতে হচ্ছে। সম্প্রতি ফেডারেল রিজার্ভ ইকোনমিক সিম্পোজিয়ামে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতই চেষ্টা করুক না কেন, চীনের নেতৃত্বাধীন যে সরবরাহব্যবস্থা, তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা এখনো কমেনি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টার কারণে বরং ভোক্তাদের ক্ষতি হচ্ছে, কারণ পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। খবর রয়টার্সের। মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ, এরপর করোনাভাইরাস মহামারি ও ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, বিশ্বায়নের প্রক্রিয়া বোধ হয় থমকে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখনো বৈশ্বিক জিডিপির ৬০ শতাংশ বাণিজ্য থেকেই আসছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের এক…

Read More

ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ডেঙ্গু। রোগীর চাপে রাজধানীর অনেক হাসপাতালেই বিছানা ফাঁকা নেই। ঢাকার বাইরেও সব জেলায় দাপট দেখাচ্ছে এডিস মশাবাহী এই রোগ। আবার বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। ফলে চিকিৎসা নিতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। প্রতিদিন প্লাটিলেট পরীক্ষা, ডেঙ্গু শনাক্তের টেস্ট, সিভিসিসহ অন্যান্য পরীক্ষায় যাচ্ছে অনেক টাকা। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় সবার খরচ মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার। ওদিকে ডেঙ্গু চিকিৎসায় সরকার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রোগী প্রতি সরকারি কোষাগার থেকে গিয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এবার ধনী-গরিব নির্বিশেষে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। রাজধানীর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে…

Read More

২ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহামুদ শামীম। এমনকি এর দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসময় নিশান স্বেচ্ছায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি নিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। এরআগে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। কাফরুল থানায় মানি লন্ডারিং আইনে…

Read More

ক্রেমলিনে গত দুই দশক ধরে ক্ষমতার শীর্ষে থাকা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে প্রিগোজিন বড় চ্যলেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়টি রাশিয়ার ভেতরে এবং বাইরে নানা সন্দেহ তৈরি করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য থেকে যেসব ইঙ্গিত করা হচ্ছে তার অর্থ হচ্ছে – এই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা যে মস্কোর দ্বারা সাজানো তা উড়িয়ে দেয়া যায় না। যদিও এই ইঙ্গিত হলিউড চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের মতো মনে হতে পারে। কারণ এর আগেও প্রেসিডেন্টের প্রতিপক্ষ, সমালোচক বা ভিন্নমত অবলম্বনকারীদের পুরোপুরি এভাবে মুছে দিয়েছে রাশিয়ান সিক্রেট সার্ভিস। পুতিনের প্রতিশোধ কয়েক মাস আগেও প্রিগোজিন ছিলেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের অন্যতম ঘনিষ্ঠ…

Read More

বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ, শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। চিঠিটি গত ১৭ আগস্ট ড. ইউনূসের নামে প্রেরণ করা হয়েছে। চিঠির শুরুতে ‘প্রিয় প্রফেসর ইউনূস’ সম্বোধন করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট ওবামা লিখেছেন, মানুষের পরিবার এবং সমাজকে দারিদ্র্য মুক্ত করে তাদের ক্ষমতায়নের জন্য আপনার প্রচেষ্টা দ্বারা দীর্ঘকাল ধরে আমি অনুপ্রাণিত হয়ে আসছি। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন (২০০৯ সালে) ইউনূসের গলায় নিজ হাতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ পরিয়ে দেওয়ার স্মৃতিচারণ করে ওবামা লিখেছেন, “২০০৯ সালে হোয়াইট হাউসে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেয়ে আমি বলেছিলাম, আপনার কর্মকাণ্ড লাখ লাখ মানুষকে তাদের নিজস্ব…

Read More

ঢাকঢোল পিটিয়ে চালু হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে ই-গেট। যা দিয়ে একজন যাত্রী মাত্র ১৮ সেকেন্ডে নিজেই নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। উদ্বোধনের ১১ মাস ৮ দিন পর বিমানবন্দরে ই-গেট গত বছরের ৬ই জুন পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ব্যবহার করা হয়। পরে পুরোপুরি চালু হলেও পুনরায় অনেকটা অচল এবং অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্প তেমন কাজে আসছে না বলে জানিয়েছে বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট সূত্র। বিমানবন্দরের ডিপার্চার (বহির্গমন) এলাকায় মোট ১২টি এবং অ্যারাইভাল (আগমনী) এলাকায় ৩টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। ই-পাসপোর্টধারীরা ভেরিফিকেশন শেষে ই-গেট দিয়ে যেতে পারেন। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের মতে, ই-পাসপোর্টধারী যাত্রী…

Read More