…
এডিটর পিক
মাত্র দুই বছর আগেও যিনি ছিলেন রাজপথের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ, বারবার কারাবরণ করা…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- হিন্দু শিক্ষক পরিবারের চারজনকেই হত্যা: ধর্ম, শিক্ষকতা ও নিরাপত্তা
- কফি এনেমা: ‘ডিটক্স’-এর মোড়কে বিপজ্জনক অপচিকিৎসা
- রোমান সাম্রাজ্যের রহস্যময় দেবী: গুহার দেয়ালে মিলল ১২০টি লাতিন বার্তা
- মোদির টেবিলে ফারাক্কা: বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তিতে আসছে কি বড় পরিবর্তন?
- বিয়ের ফাঁদে চীনে বাংলাদেশি নারীরা: নরকে বসবাসের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতি থেকে ‘স্টকহোম সিনড্রোম’: বন্দিরা কেন অপহরণকারীর পক্ষ নিয়েছিল?
- বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল: রাষ্ট্রপতি বদলালেন, ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাবে?
- ভাতার প্রতিশ্রুতি থেকে রাজপথের ক্ষোভ: পশ্চিমবঙ্গে কল্যাণের রাজনীতি কি সংকটে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
আফগানিস্তানের দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টির সংকট এখন ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। দেশজুড়ে অর্থনৈতিক অচলাবস্থা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার ঘাটতি মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন আজ মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করছে। বিশেষ করে শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি সংকটাপন্ন। গত এক মাসে অন্তত ১৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে অপুষ্টির কারণে—এই সংখ্যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং মানবিক বিপর্যয়ের নির্মম চিত্র। যখন পৃথিবীর একাংশে মানুষ অপচয় করছে খাবার, তখন আফগানিস্তানের হাজারো শিশু প্রতিদিন ক্ষুধার জ্বালায় কাতরাচ্ছে এবং তাদের অনেকেই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিন ধরেই অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই, নেই চিকিৎসা সরঞ্জাম, আর নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। আন্তর্জাতিক সংস্থার অনেক প্রকল্প…
ইসলামপন্থী রাজনীতি ও আন্দোলনের ইতিহাস শুধু ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় নয়, বরং এটি জটিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আজকের বিশ্বে ইসলামিস্টদের আগ্রাসী হয়ে ওঠা একটি বাস্তবতা, যা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক অঙ্গন, রাষ্ট্রনীতি, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সামাজিক জীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। কেন ইসলামিস্টরা এত আগ্রাসী হয়ে ওঠে, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে কয়েকটি প্রেক্ষাপট একসঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। বাংলাদেশে ইসলামপন্থী রাজনীতির উত্থানকে দেখা যায় স্বাধীনতার পর থেকেই। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু সত্তরের দশকের শেষ ভাগে সামরিক শাসনের সময় ইসলামকে রাজনৈতিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করা হয়। আশির দশকে সামরিক সরকার ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করে। এর ফলে…
এল সালভাদরের কুখ্যাত সিসোট কারাগারের ভেতরের জীবন যেন জীবন্ত মানুষের কবর। চারদিকের দেয়াল, বিদ্যুতায়িত বেড়া আর কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরা এই বন্দিশালা মূলত ভয়ঙ্কর অপরাধী ও গ্যাংস্টারদের জন্য নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এখানে ঠাঁই পেয়েছেন অনেক নিরীহ মানুষ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত ভেনেজুয়েলীয় অভিবাসীরা। তাদের অভিজ্ঞতার বিবরণ শুনলে মনে হয় তারা যেন এক অমানবিক পরীক্ষাগারে আটকে ছিলেন, যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার, সম্মান এবং ন্যূনতম মানবিক আচরণ সবকিছুই কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা এল সালভাদরের ভয়ঙ্কর গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত। বেশিরভাগের গায়ে ট্যাটু থাকায় তাদের অপরাধী বলে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু তারা একে একে বলছেন, কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে…
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চল কুনার ও নানগারহার প্রদেশে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্প গোটা বিশ্বকেই নাড়িয়ে দিয়েছে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬, কিন্তু মধ্যরাতের অপ্রস্তুত সময়ে আসায় এই ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ হয়ে ওঠে ভয়াবহ। ইতোমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়েছে, আহতের সংখ্যা ৩১০০-এর বেশি। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বাড়িঘর মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকে আছেন। পুরো পূর্ব আফগানিস্তান যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাতের আঁধারে হঠাৎ করে কম্পন শুরু হলে লোকজন দিশেহারা হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। অনেকেই দেয়াল চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুধু একটি দেশকেই নয়, পুরো অঞ্চলকে ভীত-সন্ত্রস্ত করে তোলে। আফগানিস্তানের এই…
বাংলাভাষী মুসলিমদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ঘটনা আজ নতুন নয়। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের অন্য রাজ্যে যেভাবে অভিযানের নামে সাধারণ শ্রমজীবী মুসলিমদের টার্গেট করা হচ্ছে, তা নতুন আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। এই নির্মম প্রক্রিয়ার একটি জীবন্ত দলিল হয়ে দাঁড়িয়েছে মুর্শিদাবাদের রাজমিস্ত্রি মেহেবুব শেখের কাহিনী। মেহেবুব শেখ ছোটবেলায় ভাই মজিবুরের সঙ্গে গরু চরিয়ে দিন কাটাতেন। পরবর্তী সময়ে মুম্বই গিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন। দশ বছরের বেশি সময় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার পর জুন মাসে হঠাৎই তিনি বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। ৯ জুন মুম্বইয়ের মীরা রোডে এক চায়ের দোকানে বসা অবস্থায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ, তিনি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী। অথচ তার কাছে…
বাংলাদেশে ‘মাফিয়া অর্থনীতি’ কথাটা এখন আর কৌতুকের বিষয় নয়; এটি এমন এক বাস্তবতা, যার ছায়া সাধারণ মানুষের বাজারের থলে থেকে শুরু করে ব্যাংকের পাসবই, এমনকি ভোটের লাইনে দাঁড়ানো নাগরিকের মনের উপরেও পড়েছে। গত জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দৃশ্যপটে যে পরিবর্তনগুলো চোখে পড়েছে, তার বড় অংশই অর্থনীতিতে—ডলারবাজার খানিকটা শৃঙ্খলায় এসেছে, ব্যাংকিংখাতে অডিট ও তদারকির কথা বেশি শোনা যাচ্ছে, অর্থপাচার রোধে নানা টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নটা দাঁড়ায় অন্যত্র: এই দৃশ্যমান উন্নতি কতটা টেকসই? ‘মাফিয়া অর্থনীতি’—যাকে কেউ বলেন ক্রনি ক্যাপিটালিজম, কেউ বলেন ক্লেপটোক্রেসি—তার শেকড় যদি প্রশাসন, রাজনীতি ও ব্যবসার মাঝখানে জটলা পাকিয়ে থাকে, তাহলে শুধু অভিযান দিয়ে কি এই জট খোলা…
বাংলাদেশের রাজনীতি এমন এক অস্থির সময় পার করছে যখন শিক্ষাঙ্গনও হঠাৎ করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়—এই তিনটি বড় ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও আন্দোলন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ক্যাম্পাসে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত হয়ে শিক্ষার পরিবেশ ভেঙে পড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা আরও উসকে দেওয়া হয়েছে। ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়া না হওয়ায় আন্দোলন তীব্র হয়েছে, এবং প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস…
দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট আজ এমন এক বাঁকে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ঘনিষ্ঠতার ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। কাজানে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদি, ভ্লাদিমির পুতিন এবং সি চিন পিংয়ের উপস্থিতি ও পারস্পরিক যোগাযোগ সেই ভাঙনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। একসময় যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, সেই মোদি এখন কার্যত তাঁকে নীরব আচরণ দেখাচ্ছেন। আগস্টের শুরুতে ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে ভারতের ওপর কঠোর দ্বৈত শুল্ক আরোপ করার পর থেকে তিনি চারবার মোদিকে ফোন করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই ভারতের প্রধানমন্ত্রী ফোন ধরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। অন্যদিকে একই সময়ে মোদি দুইবার তাঁর “বন্ধু” পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন…
দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের সূচনা হচ্ছে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা ঘনিষ্ঠতা ইতিমধ্যেই ভারতের জন্য একটি কৌশলগত উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলটি ভারতকেন্দ্রিক প্রভাববলয়ের মধ্যে থেকেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিপথে ভারতের প্রভাব ছিল প্রবল। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এবং তার বৈদেশিক নীতি দক্ষিণ এশিয়ার এই পুরনো সমীকরণ ভেঙে নতুন বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের নতুন সরকার পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উষ্ণ করার যে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে, তা ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি নতুন বাস্তবতাকে আরও জটিল করেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র…
ঢাকার রাজনীতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও রাজধানীতে তারা বারবার নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। এর সর্বশেষ উদাহরণ ধানমন্ডি এলাকায় অনুষ্ঠিত ঝটিকা মিছিল। ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় হঠাৎ শতাধিক নেতাকর্মীর সমাবেশ এবং ব্যানার হাতে মিছিল রাজধানীবাসীকে বিস্মিত করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, প্রথমে কোনো আয়োজনের আলামত ছিল না। সাধারণ মানুষ রাস্তায় চলাচল করছিলেন স্বাভাবিকভাবেই। হঠাৎ একদল লোক ব্যানার হাতে একত্রিত হয়ে “জয় বাংলা”সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করে। মিছিলটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, তবে কিছুক্ষণের জন্য এলাকা এক ধরনের আতঙ্কে ভরে যায়। আরও আলোচনার জন্ম দেয়…