…
এডিটর পিক
ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসে চলমান এই বিক্ষোভ ও দমন–পীড়নের অধ্যায় কেবল রাজনৈতিক সহিংসতার গল্প নয়, এটি…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরানে নিহত ২৪৩৫: মরদেহ জিম্মি করে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি
- নিউইয়র্কের পোস্ট অফিসের গুদামে বাংলাদেশের পোস্টাল ব্যালট কেন?
- ৭ লাখ ৭৩ হাজার বছরের আগের আদিম মানুষ কেমন ছিল?
- এক বাসায় বিপুল পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, পেছনে কারা?
- জামায়াতের জোটে ভাঙন
- সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশ
- চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
- সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
চীনের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এমন ইঁদুর তৈরি করেছেন যা শুধু দুই বাবার জিনগত উপাদান থেকে প্রাপ্ত হয়েছে। এই ইঁদুর সফলভাবে প্রাপ্তবয়স্কও হয়েছে। এই বৈজ্ঞানিক সাফল্য জীববিজ্ঞানের প্রজনন ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। চীনের বিজ্ঞান একাডেমির (CAS) বেইজিংয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ওয়েই লি এবং তার দল এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। গত দুই দশক আগে বিজ্ঞানীরা দুই মায়ের জিনগত উপাদান থেকে ইঁদুর তৈরি করেছিলেন। তবে দুই বাবার জিন থেকে ইঁদুর তৈরি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সম্প্রতি, বিজ্ঞানীরা ইমপ্রিন্টিং জিনের সুনির্দিষ্ট জেনেটিক প্রকৌশলের মাধ্যমে এই বাধা অতিক্রম করেছেন। সাধারণত এই জিনগুলো এক পিতামাতার কাছ থেকে সক্রিয় থাকে, অন্যটি নীরব থাকে। কিন্তু…
শ্রমিক অসন্তোষ ও বিভিন্ন কারণে গভীর সংকটের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছিল রফতানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। সরকার পরিবর্তনের পর টানা প্রায় চার মাস অস্থিরতা বিরাজ করে এই খাতে। আস্থার সংকট দেখা দেয় বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে। ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে সরকারের পাশাপাশি তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র নানামুখী উদ্যোগ সত্ত্বেও বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত ছয় মাসে বন্ধ হয়েছে তৈরি পোশাক খাতে ১০০টির বেশি কারখানা। এর মধ্যে ৮৩টি কোম্পানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। আরও অন্তত ১০টি অস্থায়ী ভিত্তিতে বন্ধ হয়েছে। দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই খাতের উদ্যোক্তারা। অবশ্য রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর…
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের অবসানের আজ ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ও দেশ ছাড়ার পর শুরু হয় রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে উদার, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন এক নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রস্তুতি। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বয়সও ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পথে। এই ছয় মাসের মূল্যায়নে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গত ছয় মাসে অর্থনীতিতে তেমন চাঞ্চল্য ফেরেনি। অন্তর্বর্তী সরকার কর্মসংস্থান বাড়াতে পারেনি। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা না থাকলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসে না। গত ২৯ জানুয়ারি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই…
‘নস্টালজিয়া’ শব্দটি দিয়ে এমন এক আবেগ বোঝায় যা মানুষকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করে, প্ররোচিত বা প্রলুব্ধ করে। কিন্তু এর সঙ্গে কিছুটা দুর্নামও জড়িয়ে গেছে। এটা হয়েছে বিশেষ করে রাজনীতি ও সমাজে শব্দটির সাম্প্রতিক ব্যবহারের কারণে। রাজনীতির ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বোঝাতে অনেকে উদাহরণ দিয়ে থাকেন ব্রেক্সিটের। ব্রিটেন তার অতীতের নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে দাবি তাদের। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা ‘আমেরিকাকে আবারও মহান বানাও’– ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই স্লোগানটিকেও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের নস্টালজিয়ার অন্যতম উদাহরণ বিবেচনা করা হয়। ইদানিং নস্টালজিয়া বিষয়টির রাজনৈতিক ব্যবহার প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে, তবে এর আগে ‘আবেগ’ হিসেবে এর দীর্ঘ ও আলোড়িত করার মতো…
জানুয়ারি মাসে সারাদেশে ১২৪টি “রাজনৈতিক সহিংসতার” ঘটনায় নিহত ১৫ জন এবং আহত হয়েছেন ৯৮৭ জন। এসব ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলেই আহত হয়েছেন ৬৭৭ জন এবং নিহত হন ৫ জন। এছাড়া, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অন্তর্কোন্দল, বিএনপি-আওয়ামী লীগ, বিএনপি-জামায়াত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের অন্তর্কোন্দল এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘটিত সংঘর্ষে ৩১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মাসজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, হেফাজতে ও নির্যাতনে মৃত্যু, গণপিটুনিতে…
তিন বছর বয়সে সিড়ি থেকে দৌড়ে নামার সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয় ডরোথি। চিকিত্সক এসে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন তাকে। ঘণ্টাখানেক বাদে, সবাইকে চমকে দিয়ে ‘বেঁচে’ ওঠে বাচ্চাটি। এমনকি শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্নও নেই! চিকিত্সক পরীক্ষা করে তাকে সুস্থ বলে জানান। এই পর্যন্ত ঘটনাটি চমকপ্রদ হলেও এর পরের কাহিনি আরও রহস্যময়। ১৯০৪ সালে দক্ষিণ লন্ডনে জন্ম নেয় ডরোথি এডি। বাকি বাচ্চাদের মতোই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল সে। সিড়ি থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনার পর থেকেই বদলে যায় নিজের ও তার পরিবারের জীবন। নিজেকে ডরোথি বলে মানতে অস্বীকার করে সে। দাবি করে, তার নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার। অস্বাভাবিকতার শেষ এখানেই…
দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরের আর এন টেগোর হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম গত বছরের এই সময়ের ছবিটি। চারিদিকে শুধুই বাংলাদেশির ভিড়। হাসপাতালের বাইরের দোকানগুলোসহ গেস্ট হাউসগুলো থাকতো বাংলাদেশিতে ঠাসা। কিন্তু বুধবার হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে যে ছবিটি উঠে এসেছে তাতে চারিদিক শুনশান। হাসপাতালের লবিও এখন গিজগিজ করছে না বাংলাদেশি রোগীদের ভিড়ে। মধ্য কলকাতা থেকে ই এম বাইপাসের ধারের হাসপাতালগুলোর সামনে এখন সেই রমরমা ভিড়ের কোনো চিহ্নমাত্র নেই। কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালের বেশির ভাগ অনেকাংশে নির্ভরশীল বাংলাদেশি রোগীদের উপর। ফলে বাংলাদেশি রোগীদের অনুপস্থিতিতে কলকাতার হাসপাতালগুলোর ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব হসপিটালস্ অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি রূপক বড়ুয়া জানান, কলকাতার হাসপাতালগুলোতে স্বাভাবিক…
হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি এবং প্রতারণার একাধিক মামলা ধামাচাপা দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক শ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান। তৎকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে মামলা বন্ধের জন্য গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে তিন দফা বৈঠকও করেন সিমিন। ওই ঘুষ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি মামলার তদন্ত বন্ধ করে তাঁকে হত্যা ও শেয়ার প্রতারণা মামলায় আর গ্রেপ্তার করা হয়নি। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সিআইডির যৌথ তদন্তে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গণভবন থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র এবং শেখ হাসিনার পরিবারের দুর্নীতি অনুসন্ধানে এসংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, গণভবনে সিমিন রহমান শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ও…
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশেই ভারতবিরোধী মনোভাবের মূল কারণ হলো, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় দেশ হিসেবে ভারতের ঐতিহাসিক আধিপত্য। কারণ, এই বিষয়টি সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে একটি অসম সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং সব ছোট দেশই এ ধরনের আধিপত্যকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে। তবে এই সমস্যার সমাধান হলো ‘বিচক্ষণ কূটনীতি।’ ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে জয়পুর লিটারেরি ফেস্টিভ্যালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ: এই দিকে ওই দিকে’—শীর্ষক এক প্যানেল ডিসকাশনে এমনটাই বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী। এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিল লেখিকা ও গবেষক শ্রীরাধা দত্ত এবং লেখক সুদীপ চক্রবর্তী। তাঁরা সেখানে গত আগস্টে ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের…
কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে মানুষ বেশি ছিল না। মাঠ আর বনে বসবাসকারী অন্যান্য জীবজন্তুর তুলনায় মানুষকে দুর্বল মনে হতো। হিংস্র জন্তু-জানোয়ারের হাত থেকে আত্মরক্ষা করার মতো অথবা নিজের খাওয়ার জন্য বন্য পশুপাখি শিকার করার উপযুক্ত শক্ত নখ ও ধারালো দাঁত তার ছিল না। হিম থেকে গা বাঁচানোর জন্য সর্বাঙ্গে যেমন ঘন ও গরম লোম থাকা দরকার, ছিল না তা-ও। ওড়ার ডানা ছিল না, দাবানল বা বসন্তের বন্যা থেকে পালানোর মতো পায়ের জোরও ছিল না। থাকার মধ্যে তার ছিল যৎসামান্য বুদ্ধি-বিবেচনা আর অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের ক্ষমতা। পৃথিবীর আদিম মানুষের জীবন ছিল কঠিন। ছিল ক্ষুধার তাড়না। সারাদিন নারী ও শিশুরা জোগাড় করত…