Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ২৩ ডিসেম্বর ২০২০

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

২৩ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৮ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ

 

কোতোয়ালি থানার ওসিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

চাঁদা দাবির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পাঁচজনের বিরুদ্ধে রহিম নামের এক ব্যক্তি মামলা করেছেন। গত ১৭ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তিনি এই মামলা করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ মামলাটি তদন্ত করার জন্য ঢাকার মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইমরান হোসেন।

মামলার অন্য চার আসামি হলেন কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশের কথিত সোর্স দেলোয়ার হোসেন।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, মামলায় বাদী মো. রহিম দাবি করেন, পেশায় তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। গত ১২ অক্টোবর তিনি কেরানীগঞ্জ থেকে বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টার সময় কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া সেতুর ওপর থেকে তাঁকে তিনজন নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে কোতোয়ালি থানাধীন বাবুবাজার সেতুর কাছে নিয়ে আসেন। তখন কোতোয়ালি থানার এসআই আনিসুল ইসলামসহ অন্যরা রহিমের কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর কাছ থেকে পুলিশ এক ভরি সোনা, ৬৩ হাজার টাকা নেয়।

 

দুর্নীতি ও অনিয়ম : সিলেট নগর পুলিশের ২ কর্মকর্তা বরখাস্ত

নয়াদিগন্ত
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) পোস্টিং বাণিজ্যের মূল হোতা আবাসিক পরিদর্শক (আরআই) আব্দুছ ছালাম ও আরও-১ উপ-পরিদর্শক খায়রুদ্দিনকে বরখাস্ত করেছে পুলিশ সদর দফতর। দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশনা ইতোমধ্যে এসে পৌঁছেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিঅ্যান্ডপিএস-১) মো: রেজাউল হক স্বাক্ষরিত আদেশে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। গত সোমবার নির্দেশনাটি এসএমপি কমিশনার নিশারুল আরিফের কাছে পৌঁছে। আজকালের মধ্যেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে নগর পুলিশ। পুলিশ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসএমপি’র পুলিশ লাইন্সের ফোর্স ডিউটি বিতরণ, ছুটি, বদলী, পোস্টিংসহ সকল কিছুরই দায়িত্বে ছিলেন এই দুই কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুজনই গড়ে তুলেন সম্পদের পাহাড়। এ দুজনের কাছ থেকে কতিপয় সিনিয়র কর্মকর্তাও ভাগবাটোয়ারা নিতেন।

বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদ হত্যার পর তাদের অপকর্মের বিষয়টি সামনে আসে।

 

থানা না নেওয়ায় আদালতে মামলা

কালের কন্ঠ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ১০ মাস বয়সী শিশু সামাইরা ফালাকের মৃত্যুর অভিযোগে থানা মামলা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করেছেন শিশুটির বাবা ফয়সাল মাহমুদ। গতকাল মঙ্গলবার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঠাকুরগাঁও সদর আমলি আদালতে ওই হাসপাতালের আউটসোর্সিং নার্স মিলন চন্দ্র, সিনিয়র স্টাফ নার্স মোছা. উম্মে কুলসুম ও মোছা. কামরুন নাহারসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

আদালতের বিচারক এস রমেশ কুমার ডাগা মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। আগামী ১৮ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

 

প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকছে

প্রথম আলো
বিভাগ: গণমাধ্যম

ঢাকার রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা বহাল রয়েছে। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন চেম্বার আদালত।

আজ বুধবার চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে এ আদেশ দেন। এর ফলে প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিতই থাকছে বলে জানিয়েছেন প্রথম আলোর আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান। মামলাটি বাতিল চেয়ে প্রথম আলো সম্পাদকের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির কার্যক্রম প্রথম আলোর সম্পাদকের ক্ষেত্রে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিলেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ২১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে আবেদন করে, যা আজ চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে প্রথম আলো সম্পাদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম।

আদেশের পর মোস্তাফিজুর রহমান খান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। ফলে ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশই বহাল থাকছে এবং প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রমও স্থগিত থাকছে।

 

প্রেস কাউন্সিলের রায়
কালের কণ্ঠ’র প্রতিবেদন তথ্য উপাত্তহীন নয়

কালের কন্ঠ
বিভাগ: গণমাধ্যম

বাংলাদেশে প্রেস কাউন্সিলে টঙ্গীর শ্রমিক নেতা মতিউর রহমানের করা মামলার রায়ে বলা হয়েছে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদন তথ্য-উপাত্তহীন নয়। প্রতিবেদনটি সাংবাদিকতার মূলনীতি ও বস্তুনিষ্ঠতারও বাইরে নয়। ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর কালের কণ্ঠ’র প্রথম পাতায় ‘টঙ্গীর শ্রমিক নেতা মতির এত সম্পদ’ শিরোনামে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক লায়েকুজ্জামানের

একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিক নেতা মতিউর রহমান বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেন।

প্রেস কাউন্সিলের রায়ে বলা হয়েছে, ‘বিচারিক কমিটি কাগজপত্রসহ যুক্তিতর্কগুলো বিবেচনায় নিয়ে মনে করে, প্রতিবেদনটি তথ্য-উপাত্তহীন নয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে বলেও মনে করে না। তবে প্রতিবাদলিপিটি সংবাদপত্রটিতে কম গুরুত্ব দিয়ে ছাপানো হয়েছে বলে মনে করা হয় এবং এখানেই প্রতিপক্ষ আচরণবিধির ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন। এতে পত্রিকা প্রতিপক্ষ এর দায় এড়াতে পারে না। সামগ্রিক বিবেচনায় আমাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে প্রতিবেদনটি সাংবাদিকতার মূলনীতি ও বস্তুনিষ্ঠতার বাইরে নয়।’

 

তদবিরবাজ সাংবাদিকদের বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রশাসনে

যুগান্তর
বিভাগ: গণমাধ্যম

হুমকি দেয়ার অভিযোগ এনে সাংবাদিক শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা ইউএনওর জিডি, কর্মকর্তাদের ফেসবুক পেজে প্রতিবাদের ঝড় ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৌহিদ এলাহীকে একটি জাতীয় দৈনিকের বিশেষ প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার ঘটনায় প্রশাসনজুড়ে ক্ষোভ-অসন্তোষ বিরাজ করছে। সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজে বাধাদানকারী ও হুমকিদাতা সাংবাদিক এবং তাকে প্রশ্রয়দানকারী তদবিরবাজ হিসেবে পরিচিত আরও কয়েকজন সাংবাদিককে একযোগে বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসন ক্যাডারের বেশিরভাগ কর্মকর্তা। গত কয়েক দিন থেকে কর্মকর্তাদের গ্রুপ ফেসবুক পেজে এ নিয়ে নানাভাবে প্রতিবাদ জানানো অব্যাহত রয়েছে।

 

ধামরাইয়ে ৪ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি সাংবাদিক জুলহাস হত্যার আসামি

মানব জমিন
বিভাগ : গণমাধ্যম

ঢাকার ধামরাইয়ে জুলহাস উদ্দিন (৩৭) নামের এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ৪ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি ৩ আসামি। দিন দিন চাপা পড়ে যাচ্ছে মামলাটি। তবে পুলিশ বলছেন আসামি গ্রেপ্তারে আমরা তৎপর রয়েছি। ঘটনার দিন খুনি শাহীন (৩৫) ও তার বন্ধু মোয়াজ্জেম হোসেন (৩৬) কে এলাকাবাসী আটকের পর ধামরাই থানা পুলিশে সোপর্দ করেছিল। তারা বর্তমানে জেলে রয়েছে। এদিকে, সাংবাদিক জুলহাস উদ্দিনের বৃদ্ধ মা স্ত্রী ও দুই সন্তান মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে জানা গেছে। খুন হওয়া সাংবাদিক জুলহাস উদ্দিন ধামরাই প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ও বেসরকারি চ্যানেল বিজয় টেলিভিশনের ধামরাই প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি ধামরাই উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোড়া গ্রামের মৃত রহিজ উদ্দিনের ছেলে।

উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে সাংবাদিক জুলহাস উদ্দিনকে দুপুর আড়াইটার দিকে ধামরাইয়ের বারবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে শাহিন ও তার বন্ধু মোয়াজ্জেম গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে।

আ.লীগ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সাংবাদিককে মারধর

জাগো নিউজ
বিভাগ: গণমাধ্যম

রাজশাহীর তানোরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২১ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার সাংবাদিকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার তানোর উপজেলা প্রতিনিধি। তিনি তানোর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।

সাংবাদিক মিজান জানান, বিজয় দিবসে তানোর আবদুল করিম সরকার ডিগ্রি কলেজে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাষণ বাজানো হয়। এ নিয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে অব্যাহতি দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অন্য একজন শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

 

সিলেটে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন

জাগো নিউজ
বিভাগ: গণমাধ্যম

আঞ্চলিক পত্রিকা ‘দৈনিক একাত্তরের কথা’র সম্পাদক চৌধুরী মুমতাজ আহমদসহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ সেলিমের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরের চৌহাট্টা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সভাপতি আল আজাদের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের বর্তমান কমিটির

সিনিয়র সহসভাপতি ও নিউএজ পত্রিকার সিলেট প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনিরের পরিচালনায় মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতাদের পাশাপাশি নানা শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে আল আজাদ বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি নিপীড়ন-নিষ্পেষণের আইন। আমরা শুরু থেকে এই আইনের বিরোধিতা করে আসছি। আশ্বস্ত করা হয়েছিল, এটি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে না। কিন্তু বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই আইনটি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

 

Rising Cybercrime: Police hotlines flooded with complaints
4,567 calls received in three weeks

The Daily Star
Category: State force

A middle-aged homemaker pleaded while calling the hotline number of Police Cyber Support for Women (PCSW) wing at the Police Headquarters around midnight on November 29.

The victim said she gave an alert post on Facebook that her sister’s ID had been hacked. Responding to it, a woman called her on messenger and said it would take money to recover the hacked ID. During further communication, the caller hacked this woman’s ID and demanded the victim engage in some unsocial activities or pay a huge sum of money to get her ID back. As the victim refused to oblige, the hacker started sending fabricated messages to her relatives and friends. The messages were so offensive and vulgar that the woman broke down mentally.

The PCSW officials first tried to calm her down, saying suicide could not be a solution and that she needed to be strong to ensure punishment of the criminals.

ছড়িয়ে দিনঃ
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares